ভোলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
২১অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভোলার ঘটনায় যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি এ ব্যাপারে দেশবাসীকে বলব ধৈর্য ধরতে। আর যারা এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাদের খুঁজে বের করা এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। রোববার প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসভবন গণভবনে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে এক বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী ফেসবুক পোস্ট দেয়া এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে রবিবার ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিক্ষোভ করা জনতার সাথে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও শতাধিক মানুষ হন। শেখ হাসিনা বলেন, অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য একদল মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন জঘন্য কাজ করছে। তিনি বলেন, চর বোরহানউদ্দিনে এক হিন্দু ছেলের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে সেখানে কতগুলো মিথ্যাচার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছেলেটি থানায় জিডি করে এবং পুলিশ আইডি হ্যাককারীকে গ্রেপ্তারও করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। হিন্দু ছেলেটির নাম করে যে কথাগুলো লিখেছে সে তো মুসলমান ছেলে। তো একজন মুসলমান হয়ে সে কীভাবে নবী করিম (স.) এর প্রতি বাজে কথা লিখে আরেকজনকে জড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের যারা বুঝাতে গিয়েছিলেন তাদের রক্ষার জন্য পুলিশ গুলি ছুড়েছিল। আইডি হ্যাক, তাতে বাজে কথা লেখা ও সেটাকে কেন্দ্র করে যারা সমাবেত হয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করল তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেখা যাচ্ছে সব জায়গায় ফেসবুকে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য। এটা কারা? এদের উদ্দেশ্য কী?
শিল্পী কালিদাস কর্মকারের প্রতি জাতির শেষ শ্রদ্ধা
২১অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকারের প্রতি। দেশবরণ্য এ শিল্পীর অকালে চলে যাওয়ায় জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। শ্রদ্ধা জানাতে এসে তার কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করলেন তার বন্ধু-সহকর্মীরা। গেলো শুক্রবার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা যান কালিদাস কর্মকার। শেষবারের মতো তাকে আনা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। সেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান তার সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। একুশে পদক পাওয়া এ চিত্রশিল্পীর চলে যাওয়ায় ব্যথিত তাকে কাছ থেকে দেখা অন্যান্য শিল্পীরা। চারুকলা অনুষদ থেকে তাকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হয়। সেখানে আরেক দফা শ্রদ্ধা নিবেন করা হয় শিল্পীর প্রতি। এখানে রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক নানা ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তার মরদেহ সবুজবাগ কালিমন্দিরের শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়া হয় শেষকৃত্যের জন্য। রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় বাথরুমে গিয়ে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে পা পিছলে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে গত শুক্রবার বেলা পৌনে একটার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর শিল্পীর মরদেহ রাখা হয় বারডেমের হিমঘরে। গতকাল শিল্পীর দুই কন্যা দেশে ফিরলে শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কালিদাস কর্মকার বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী যিনি নিরীক্ষাধর্মীতার জন্য বিখ্যাত। ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুরে তাঁর জন্ম। শৈশবেই তিনি আঁকতে শুরু করেন। স্কুল জীবন শেষে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টস থেকে তিনি ১৯৬৩-৬৪ খ্রিস্টাব্দে চিত্রকলায় আনুষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীকালে কলকাতার গভর্নমেন্ট কলেজ অব ফাইন আর্টস অ্যান্ড ক্রাফট থেকে ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান নিয়ে চারুকলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইয়োরোপীয় আধুনিকতার ঘরানার শিল্পী। চিত্র, ছাপচিত্র, স্থাপনা ও মিশ্রমাধ্যমে তাঁর অসামান্য নিরীক্ষাপ্রবণতার কাজ বাংলাদেশের চিত্রকলার ইতিহাসে তাকে অমর করে রাখবে। চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকার এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শপথ নিলেন হাইকোর্টের অতিরিক্ত নয় বিচারপতি
২১অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নবনিযুক্ত অতিরিক্ত নয় বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন তাদের শপথ পড়ান। শপথ গ্রহণের পর তাদের নিয়োগ কার্যকর হয়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা। রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়ার পর রোববার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি দুই বছরের জন্য তাদের নিয়োগ দিয়েছেন। নবনিযুক্ত নয় অতিরিক্ত বিচারপতি হলেন- মুহম্মদ মাহবুব-উল-ইসলাম, শাহেদ নূরউদ্দিন, ড. মোঃ জাকির হোসেন, ড. মোঃ আখতারুজ্জামান, মোঃ মাহমুদ হাসান তালুকদার, কাজী ইবাদত হোসেন, কে এম জাহিদ সারওয়ার, এ কে এম জহিরুল হক ও কাজী জিনাত হক। নতুন নয়জনকে নিয়ে হাইকোর্টে বিচারকের সংখ্যা দাঁড়াল ১০০ জনে।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত শেষ না হওয়ায় হাইকোর্টের ক্ষোভ
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে মামলার যাবতীয় কাগজসহ আগামী ৬ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে। তানভীর নামে এক আসামির আবেদনের শুনানি শেষে বিচাপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতির সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনী। বর্তমানে এ মামলার তদন্ত করছে Rab।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ: জয়
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ডিজিটাল সেবা দিয়ে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ৫০তম তালিকায় থাকবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ। আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) অডিটোরিয়ামে রোববার সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এতে ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের, ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান রিপোর্ট এর মোড়ক উন্মোচন, ডিজিটাল মিউনিসিপালিটি সার্ভিস সিস্টেম, একসেবা, একপে ও একশপ অ্যাপ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিক সেবাগুলো মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। এরইমধ্যে সেবা ডিজিটাইজেশনে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন যেমন বাস্তবতা তেমনি আগামীতে এটাই বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে। জয় বলেন, ই-গভর্নমেন্ট মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের পরীক্ষামূলক সময়ে আমরা একটি সিটি করপোরেশন ও ৯টি পৌরসভার ২০ লাখেরও বেশি নাগরিককে ৫ ধরনের নাগরিক সেবা পৌঁছে দেব। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ৩০০ পৌরসভাকে নাগরিক সেবা প্রদানের এই প্লাটফর্মে যুক্ত করব। পরে জনগণকে ডিজিটালাইজেশনের সাথে যুক্ত করতে দেশের তৈরি ১০০জন প্রতিবন্ধীদেরকে ল্যাপটপ দেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
ঢাকা উত্তর সিটির কাউন্সিলর রাজীব আটক
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তারিকুজ্জামান রাজীবকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab-1। চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে শনিবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীতে ৮নং সড়কের ৪০৪ নং ওই বাসা ঘেরাও করে Rab-1। জানা গেছে, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পর থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক বন্ধুর বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন রাজীব। আলোকিত বাংলাদেশকে রাজীবের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন Rabর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম। তিনি বলেন, চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বসুন্ধরার ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রাজীবকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া Rabর লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উয়িংয়ের সহকারী পরিচালক (এএসপি) মিজানুর রহমানও রাজীবকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন,রাজীবকে আটক করা হয়েছে। যে বাসা থেকে তিনি আটক হয়েছেন, তাতে তল্লাশী চালানো হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। মোহাম্মদপুর-বসিলা-ঢাকা উদ্যানসহ আশেপাশের এলাকার অঘোষিত সম্রাট তারিকুজ্জামান রাজীব দিনমজুর থেকে চাঁদাবাজি ও দখলের টাকায় ধনকুবের হয়ে ওঠেন। ২০১৪ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকেই বদলে যেতে থাকেন রাজীব। এই কয়েকবছরেই যুবলীগের এই থানা পর্যায়ের এই নেতা মালিক হয়েছেন কয়েকশ কোটি টাকার। প্রায় ছয় বছর আগে মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির একটি বাড়ির নিচতলার গ্যারেজের পাশেই ছোট একটি ঘরে সস্ত্রীক ভাড়া থাকতেন রাজীব। ভাড়া দিতেন ছয় হাজার টাকা। তবে ছয় বছর শেষে একই হাউজিং এলাকায় নিজের ডুপ্লেক্স বাড়িতে থাকেন। নামে বেনামে অন্তত ছয়টি বাড়ি রয়েছে মোহাম্মদপুর এলাকায়। রয়েছে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন সম্পত্তি। ছয় বছর আগে একমাত্র বাহন অল্পদামি একটি মোটরসাইকেল থাকলেও ছয় বছর শেষে কোটি টাকা দামের বিলাসবহুল গাড়ি। কিছুদিন পর পরেই পরিবর্তন করেন গাড়ির ব্রান্ড। যেখানেই যান, তার গাড়িবহরের সামনে-পেছনে থাকে শতাধিক সহযোগীর একটি দল। নিজের সংগ্রহে রয়েছে মার্সিডিস, বিএমডাব্লিউ, ক্রাউন প্রাডো, ল্যান্ডক্রুজার ভি-৮, বিএমডাব্লিউ স্পোর্টস কারসহ নামিদামি সব ব্র্যান্ডের গাড়ি। সরকারি জায়গা দখল করে ভাড়া দেওয়া, বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করেই আয় গড়ে তুলেছেন বিশাল সাম্রাজ্য। রাজীবের সব অপকর্মের সঙ্গী যুবলীগ নেতা শাহ আলম জীবন, সিএনজি কামাল, আশিকুজ্জামান রনি, ফারুক ও রাজীবের স্ত্রীর বড় ভাই ইমতিহান হোসেন ইমতিসহ অর্ধশত ক্যাডার। অভিযোগ রয়েছে রাজিবের নির্দেশেই যুবলীগ কর্মী তছিরকে হত্যা করে ঘনিষ্ঠরা। ২০১৫ সালের কাউন্সিলর নির্বাচনে তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। বিভিন্ন কারসাজি করে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতা ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ বজলুর রহমানকে হারান। অভিযোগ রয়েছে এরপর থেকেই এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করছেন না তিনি। জানা যায়, মোহাম্মদপুর এলাকায় যুবলীগের রাজনীতি দিয়েই শুরু হয় রাজীবের রাজনৈতিক জীবন। মাত্র এক বছরের রাজনীতি করেই বাগিয়ে নেন মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ। এই পদ পেয়েই থানা আওয়ামী লীগের এক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে প্রকাশ্যে জুতা পিটাসহ লাঞ্ছিত করেন। সে সময় যুবলীগ থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তারিকুজ্জামান রাজীব মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বহিষ্কারাদেশ বাতিল করে উল্টো ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বনে যান। কেন্দ্রীয় যুবলীগের আলোচিত দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমানকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা দিয়ে এ পদ কেনেন রাজীব। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাউন্সিলর নির্বাচন করার আগে রাজনীতির পাশাপাশি এক চাচাকে কাজকর্মে সহযোগিতা করতেন। ওই চাচা ঠিকাদারি করতেন। নির্বাচনের সময় তার ওই চাচা একটি জমি বিক্রি করে ৮০ লাখ টাকা দিয়ে তাকে কাউন্সিলর নির্বাচন করতে সহযোগিতা করেন। ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় এখন ওই চাচার সঙ্গেও যোগাযোগ নেই। মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির ১ নম্বর সড়কের ৩৩ নম্বর প্লটে রাজীবের ডুপ্লেক্স বাড়ি। জানা গেছে, পাঁচ কাঠা জমির ওপর বাড়িটি করতে খরচ হয়েছে ছয় কোটি টাকা। এর বাইরে রহিম ব্যাপারী ঘাট মসজিদের সামনে আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তির ৩৫ কাঠার একটি প্লট যুবলীগের কার্যালয়ের নামে দখল, ওই জমির পাশেই জাকির হোসেনের সাত-আট কাঠার একটি প্লট দখল করেছিলেন। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশের ময়ূর ভিলার মালিক রফিক মিয়ার কয়েক কোটি টাকা দামের জমি দখল, পাবলিক টয়লেট নির্মাণের মাধ্যমে জমিটি দখল করা হলেও সেখানে পাঁচটি দোকান তুলে ভাড়া দিয়েছেন রাজিব। ঢাকা রিয়েল এস্টেটের ৩ নম্বর সড়কের ৫৬ নম্বর প্লট, চাঁদ উদ্যানের ৩ নম্বর রোডের রহিমা আক্তার রাহি, বাবুল ও মো. জসিমের তিনটি প্লটসহ অন্তত দশটি প্লট দখল করেছেন তিনি। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের সামনে আল্লাহ করিম মসজিদ ও মার্কেটের নিয়ন্ত্রণও রাজীবের হাতে। অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদপুর, বেড়িবাঁধ, বসিলা এলাকার পরিবহনে চাঁদাবাজি রাজীবের নিয়ন্ত্রণে। অটোরিকশা, লেগুনা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও বাস থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদা তোলে তার লোকজন। পাঁচ বছর ধরে এলাকার কোরবানির পশুর হাটের ইজারাও নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন রাজীব।
দুদকে দুর্নীতি নেই সেটা বলতে পারবো না : দুদক চেয়ারম্যান
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে দুর্নীতি নেই সেটা বলতে পারবো না। দুর্নীতি যেমন আছে সেখানে জবাবদিহিতাও রয়েছে। তাই কমিটমেন্ট অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। দুর্নীতি ঘটার আগে যদি সেটা ধরতে পারি সেটাই হবে আসল উদ্দেশ্য। দুর্নীতি যদি ঘটেই যায় তাহলে আমাদের থাকার উদ্দেশ্য কি? তাই আগে থেকে দুর্নীতি ধরতে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। আজ রোববার (২০ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে দুদক ও সিটিটিসির উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুর্নীতি দমনে দুদকের প্রতি যে মানুষের প্রত্যাশা তা অনেকটা পূরণ করা সম্ভব হয় নাই, তবে অবস্থা পরিবর্তনের কমিশন আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দুদক একা নয়, জনগণ ও সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ছাড়া দুর্নীতি সন্ত্রাস দমন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, তদন্তকাজ ঠিক মতো যদি না হয় তাহলে অপরাধীরা সব সময় ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। তাই যারা এ নিয়ে কাজ করবেন তাদের সব সময় আপডেট থাকতে হবে। সমালোচনা সব সময় সাদরে গ্রহণ করতে হবে। যদি সমালোচনা থাকে তাহলে জবাবদিহিতা থাকে। কর্মশালায় ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতি সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমন করা গেলে দেশের অনেক উন্নয়ন হবে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে প্রশিক্ষণার্থীদের তাগিদ দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ অপরাধগুলোর মধ্যেও প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে কাজ করতে হয়। প্রযুক্তি সব সময় পরিবর্তন হয়। তাই যারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন তারা সেগুলোর সঙ্গে আপডেট থাকবেন। লোভে পড়লে শুধুমাত্র অর্থ উপার্জন সম্ভব আর লোভে না পড়লে দেশের সব অর্জন সম্ভব।
জঙ্গিবাদে জড়াতে ইন্টারনেটে আকর্ষণীয় প্যাকেজ দেয়া হচ্ছে: মনিরুল ইসলাম
১৯অক্টোবর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেছেন, যাদের জঙ্গি সন্দেহে আটক বা গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তারা আগেও কোনও না কোনোভাবে জঙ্গিবাদের সঙ্গে ছিল। কেউ কেউ নতুন করে র;্যডিকালাইজড হয়ে জঙ্গিবাদে জড়িয়েছে। জঙ্গিবাদের রিক্রুটার মটিভেটররা ইন্টারনেটে অ্যাট্রাকটিভ প্যাকেজ দিচ্ছে। আজ শনিবার (১৯ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা পিস টক শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। মনিরুল ইসলাম বলেন, যারা মানসিকভাবে দুর্বল ও দেশপ্রেম নাই, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ নাই, মতাদর্শিক জায়গায় ধারণা নাই, জীবনের বাস্তবতা যারা মেনে নিতে পারে না, যারা শর্টকাট পথ খুঁজছে তারাই জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হলি আর্টিসান হামলার পর জঙ্গিবাদবিরোধী কাজ বেশি হচ্ছে যা আগে খুব একটা ছিল না। আমাদের একটি জঙ্গিবাদবিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরির কাজ করতে হবে। আমরা সবসময় গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখার চেষ্টা করছি। অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা কোনও না কোনোভাবে অন্য কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে স্বীকার করেছে। এতটুকু নিশ্চিত করতে পারি জঙ্গিবাদ আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না।
আবরার হত্যার চার্জশিট দ্রুত দেয়ার নির্দেশ
১৯অক্টোবর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দ্রুত আবরার হত্যার চার্জশিট দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। শনিবার দুপুরে বিএফডিসিতে ইউসিবি পাবলিক পার্লামেন্ট আয়োজিত সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে সরকার এগিয়ে চলছে শীর্ষক ছায়া সংসদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আবরারের পরিবার একটি স্বচ্ছ বিচার পাবে বলে আশা করেন তিনি। সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিত চলবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাসিনো ও টেন্ডারবাজি বড় বিষয় নয়, যেখানেই অনিয়ম ও দুর্নীতি সেখানেই অভিযান চলবে। এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, যেখানেই দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচার দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী সেখানেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। দুর্নীতিবিরোধী এ অভিযানে তিনি কাউকে ছাড় দিচ্ছেন না।

জাতীয় পাতার আরো খবর