হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২০২০ সালে সবার ইমিগ্রেশন ঢাকায়, বললেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
২৭অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আশকোনার হজ ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। কারণ আগামী বছর থেকে হজযাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইমিগ্রেশন হবে আশকোতেই। রোববার হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম সংক্রান্ত সভায় তিনি এ কথা বলেন। ২০০৯ সাল থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ২০০৯ সালে হজযাত্রীর ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, ২০১৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ভবিষ্যতে হজযাত্রীর সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পাবে একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত কার্যক্রমও বাড়বে। তাই এখন থেকে হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি জানান, ২০১৯ সালে মোট ৩৬৬টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পরিচালিত হজযাত্রীদের মধ্যে যারা মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীন হজে গিয়েছেন তাদেরকে লাগেজ ট্যাগ গ্রহণ ও ইমিগ্রেশন নিয়ে বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তাই ২০২০ সালের সব হজযাত্রীদের বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন হজ ক্যাম্পে করার পরিকল্পনা নেওয়া করা হয়েছে। এ বছর রাজকীয় সৌদি সরকারের মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীনে প্রায় অর্ধেক হজযাত্রী সৌদি আরব অংশের ইমিগ্রেশন জেদ্দার পরিবর্তে ঢাকায় সম্পন্ন করেছেন। ২০২০ সালে সব হজযাত্রীকে এ কর্মসূচির অধীনে আনা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসায় মাদকদ্রব্য অধিদফতরের অভিযান
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর গুলশানে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফরের অভিযান চলছে। ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমান মাদক ও ক্যাসিনোর সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গুলশান-২ এর ৫৭ নম্বর সড়কের ১১/এ বাড়িতে এ অভিযান শুরু হয়। বাসাটি থেকে এ যাবৎকালীন উদ্ধার হওয়া সবচেয়ে বেশি মদ পাওয়া যায়। এর আগে বিকেলে মাদক দ্রব্য অধিদফতর গুলশান-২-এর ৫৭ নম্বর রোডের ১১/এ বাসায় অভিযান চালাতে চাইলে আজিজ মোহাম্মদের বোন তাদের বাধা দেয়। এর পর অধিদফতরের লোকজন কৌশলে বাড়ির ছাদ গেলে সেখান থেকে ক্যাসিনো সামগ্রী ও বিপুল পরমান মদ উদ্ধার। এব্যাপারে আজিজ মোহাম্মদের বোন জানান, ওই বাসার মালিক সেখানে থাকেন না। ঘরটিতে তালা মারা ছিল। বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও ক্যাসিনোর সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় ওই বাসার দুই দারওয়ানকে আটক করা করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক খুরশিদ আলম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জানান, গোপন সংবাদে ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ক্যাসিনো সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান ফজলুর রহমান।
ফিলিস্তিনি সড়কের নামকরণ বঙ্গবন্ধুর নামে
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফিলিস্তিনের হেবরন শহরের একটি সড়কের নামকরণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে হবে বলে জানিয়েছে দেশটি। আজারবাইজানের বাকুতে আয়োজিত ১৮তম ন্যাম সম্মেলনে শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালকি। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার দেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান। শেখ হাসিনা শুক্রবার সকালে বাকু কংগ্রেস সেন্টারের প্ল্যানারি হলে ১৮তম ন্যাম সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেন। শেখ হাসিনা এবং সম্মেলনে যোগদানকারী অন্যান্য দেশের নেতৃবৃন্দ এদিন বিকেলে অনুষ্ঠেয় দু’দিনব্যাপী সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনেও যোগ দেবেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং অংশগ্রহণকারী দেশের প্রতিনিধি বাকু কংগ্রেস সেন্টারে অনুষ্ঠেয় এই অনুষ্ঠানে বাকু ঘোষণা গ্রহণ করবেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের সাইড লাইনে বাকু কংগ্রেস সেন্টারের দ্বিপাক্ষিক বুথে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম এলিয়েভ এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শার্মা ওলীর সঙ্গেও বৈঠকে মিলিত হন। পাশাপাশি, সন্ধ্যায় হোটেল হিলটনে তার সম্মানে আজারবাইজানের দায়িত্বপ্রাপ্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মো. আল্লামা সিদ্দিকি আয়েজিত নৈশভোজেও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্রসচিব মো. শহিদুল হক সাংবাদিকদের এসব ব্রিফ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমও উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে ফিলিস্তিনের অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদও জানান।খবর বাসস।
সব প্রতিষ্ঠানে- ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের বিষয়ে হাইকোর্টের রুল
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব কর্মক্ষেত্র, এয়ারপোর্ট, বাসস্টেশন, রেলস্টেশন, শপিং মলে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও বেবি কেয়ার কর্নার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া পাবলিক প্লেস ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনে নীতিমালা তৈরি করতে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল হালিম। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট রাশিদুল হাসান ও জামিউল হক ফয়সাল। এর আগে গত ২২ অক্টোবর নিরাপদ পরিবেশে ও স্বাচ্ছন্দ্যে মায়ের বুকের দুধ পান করাতে ৯ মাসের শিশু উমাইর বিন সাদিকের পক্ষে তার মা ইশরাত হাসান এই রিট দায়ের করেন। রিটে কর্মক্ষেত্র, শপিং মল, এয়ারপোর্ট, বাসস্টেশন, রেলস্টেশনে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটে বলা হয় এমন পরিবেশে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন করতে হবে, যেখানে কোনও মা সন্তানকে বুকের দুধ পান করাতে কোনও অস্বস্তি বোধ করবেন না, বা যৌন হয়রানির শিকার হবেন না। রিটকারী ইশরাত হাসান বলেন, অনেক কর্মস্থলে বা বাস, ট্রেনস্টেশনে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার না থাকায় মায়েদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নিরাপদ পরিবেশের অভাবে ও যৌন হয়রানির ভয়ে মায়েরা শিশুদের বুকের দুধ পান করাতে পারেন না। অথচ একজন শিশুর মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মায়ের বুকের দুধ। আমার মতো হাজার হাজার মা এই সমস্যার মুখোমুখি হন। রিটে এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয় সুন্দর, সুস্থ ও সবলভাবে শিশুকে বেড়ে তুলতে এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতে সরকারি বেসকারি প্রতিটি কর্মস্থলে ডে কেয়ার সেন্টার ও মাতৃদুগ্ধ দান কক্ষ স্থাপন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এরপর ৯ বছর অতিবাহিত হলেও এক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনও উন্নতি লক্ষ করা যায়নি। বেশিরভাগ কর্মক্ষেত্রে কর্মজীবী মায়েদের জন্য নেই ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উল্লেখ কর্মক্ষেত্রে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়াতে যেন একজন কর্মজীবী মা সমর্থ হন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিমা-ব্যাংক, শপিং মল, কল-কারখানা, পেশাজীবী সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও মানবাধিকার সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালসহ অফিস, ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান এবং শপিং মলে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়নি। ফলে একদিকে যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে মাতৃদুগ্ধ পান কর্মসূচি, অন্যদিকে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
সৌদি থেকে ফিরেছেন আরও ১৭৩ বাংলাদেশি
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরব থেকে আরও ১৭৩ জন কর্মী দেশে ফেরত এসেছেন। সৌদি সরকারের ধরপাকড়ের অভিযানে শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০৪ বিমান যোগে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। এ নিয়ে গত শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টা থেকে থেকে শনিবার রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৩৭৩ জন কর্মী। বৈধ কাগজপত্র এবং আকামার মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও সৌদি থেকে প্রতিদিনই এভাবে ফিরতে হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের। বরাবরের মতো দেশে ফেরা কর্মীদের ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিমানবন্দরে জরুরি খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এর আগে গত শুক্রবার একই অভিযানের মাধ্যমে সৌদি থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল অন্তত আরও ২০০ বাংলাদেশিকে। চলতি বছর ১৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এবং চলতি মাসেই ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের সহযোগিতায় ৯৬৪ জন জনকে সহযোগিতা করলো ব্র্যাক। ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ফেরত আসা কর্মীরা যেসব বর্ণনা দিচ্ছেন সেগুলো মর্মান্তিক। সাধারণ ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে অনেক লোক ফেরত আসতো। কিন্তু এবার অনেকেই বলছেন, তাদের আকামা থাকার পরেও ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই অনেককে ফিরতে হচ্ছে যারা খরচের টাকার কিছুই তুলতে পারেননি। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এই দায় নিতে হবে। পাশাপাশি নতুন করে কেউ যেন সেখানে গিয়ে এমন বিপদে না পড়ে সেটা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান শরিফুল হাসান।
নিজস্ব বাহিনী চায় এনবিআর
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চোরাচালান রোধ, রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা উদঘাটন ও ক্ষতিকর পণ্য আমদানি রোধে প্রতিনিয়ত নানা প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি অভিযানে যেতে হয় রাজস্ব কর্মকর্তাদের। তাই শুধু ইউনিফর্ম নয়, রাজস্ব কর্মকর্তাদের সুরক্ষা এবং নির্বিঘ্নে অভিযান পরিচালনার জন্য নিজস্ব রেভিনিউ ফোর্স চায় এনবিআর। যার আওতায় প্রয়োজনে অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন শুল্ক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বর্তমানে নিজস্ব কোনো ফোর্স না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে সহায়তার জন্য দ্বারস্থ হতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর। রাজস্ব ফাঁকি রোধে তল্লাশি বা সমুদ্র বন্দরগুলোতে চোরাচালান নিরোধমূলক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে এক সময় ছোটখাটো অস্ত্র বহন করতেন কাস্টম হাউসগুলোর প্রিভেন্টিভ অফিসাররা। দুই হাজার সাল পর্যন্ত এটা কার্যকর ছিল। এরপর প্রিভেন্টিভ অফিসারদের ক্ষমতা খর্ব হলে উঠে যায় এ প্রথা। বাণিজ্যের পরিসর বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে অভিনব পন্থায় শুল্ক ফাঁকি, মাদকসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি ও অর্থ পাচারের ঘটনা। তাই শুল্ক ও ভ্যাট কর্মকর্তাদের প্রায়ই যেতে হয় অভিযানে। কিন্তু নিজস্ব কোনো ফোর্স বা অস্ত্র না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হতে হয়, যা সময় ক্ষেপন করে। এ প্রসঙ্গে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো সহিদুল ইসলাম বলেন, আরেকটি বাহিনী থেকে ফোর্স আনতে গেলে প্রায় দু ঘন্টার মত সময় অপচয় হয়। তাই সীমিত আকারে হলেও আমাদের আর্মসের প্রয়োজন। বর্তমানে এনবিআরের বিভিন্ন স্থাপনায় নিরাপত্তা দেয়া ও কাস্টম হাউসগুলোর গুদাম পাহারার পাশাপাশি অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করে আনসার সদস্যরা। তবে কর্ম পরিধি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় রাজস্ব কর্মকর্তাদের সীমিত পরিসরে অস্ত্র দেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আছে বলে জানান এনবিআর চেয়ারম্যান। এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া বলেন, কাস্টমস অফিসারদের ছোটখাটো অস্ত্র দেয়ার ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। এছাড়া, শুল্ক ও ভ্যাট কর্মকর্তাদের জন্য ডিসেম্বরে জলপাই রঙের ইউনিফর্ম চালু করছে সংস্থাটি। সিপাহী, সাব ইন্সপেক্টর থেকে শুরু করে কমিশনার ও মহাপরিচালক পর্যন্ত সবাইকে পরতে হবে এই ইউনিফর্ম।
চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন সেই মুক্তিযোদ্ধার পরিবার
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযোদ্ধার প্রতি অবহেলা ও অন্যায়ভাবে ছেলেকে চাকরিচ্যুত, বাস্তুচ্যুত করার ঘটনায় চিঠি মোতাবেক রাষ্ট্রীয় মর্যাদা (গার্ড অফ অনার) ছাড়াই দাফন সম্পন্ন করার ২দিন পর জেলা প্রশাসকের দেয়া চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে অভিমানী সেই মুক্তিযোদ্ধার পরিবার। মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসমাইল হোসেনের বড় সন্তান নুরুজ্জামান বলেন, রাষ্ট্রীয় শেষ সম্মানটুকু না নিয়ে আমার বাবা বিদায় নিয়েছে। এমন প্রশাসনের চাকরির প্রস্তাবেরও কোন নিশ্চয়তা নাই। এই ঘটনার সমাধান দাবি করে বলেন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী নুর নেহার বেগম বলেন, ছেলেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে যার কারণে স্বামীকে হারিয়েছি। এদিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন হওয়ায় রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক এক সদস্যের তদন্ত টিম শনিবার বিকেলে দিনাজপুরে তদন্ত শুরু করেছেন। তদন্ত টিমের প্রধান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক, প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব। তিনি আরো জানান, মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসমাইল হোসেনের বাড়িতে গিয়ে ভিকটিম ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়েছি। এসি ল্যান্ড আরিফুল ইসলামের ও চাকরিচ্যুত ড্রাইভার নুর ইসলামের কাছ থেকে লিখিত জবানবনন্দি নিয়েছি। কয়েকদিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করে হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, গত শুক্রবার রাতে জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসমাইল হোসেনের বাড়ীতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে গিয়ে সকলের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় নুর ইসলামকে আশ্বাস দেন চাকুরী ফিরিয়ে দেওয়া এবং সরকারী যে বাড়িতে তারা থাকতেন সেই বাড়িতেই থাকবেন বলে জেলা প্রশাসক জানান। মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের সন্তান ও স্ত্রী জানান, জেলা প্রশাসক এসেছিলেন। আমরা তার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি চাকরি ও বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে আমরা তার দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছি। পরিবারের সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদের হুইপ স্থানীয় সাংসদ ইকবালুর রহিমের সুপারিশে চাকরি হয়েছিল আর জেলা প্রশাসক চাকরি খেয়েছেন। আমরা হুইপ এমপি ইকবালুর রহিমের অপেক্ষায় আছি। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন আমরা সেটাই মেনে নেব। পরিবারের অভিযোগ, নুর ইসলাম সদর উপজেলার এসিল্যান্ড আরিফুল ইসলাম সরকারি গাড়ি চালক পদে থাকলেও তাকে দিয়ে তার বাড়ির ব্যক্তিগত কাজ করতে বাধ্য করা হতো। মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন জীবদ্দশায় ছেলের চাকরী ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অনুরোধ করেও সহানুভূতি পায়নি। পরে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বরাবরে বিষয়টি উল্লেখ করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২২ অক্টোবর একটি চিঠি লেখেন এবং পরদিনই তার মৃত্যু হয়। চিঠির শেষ অংশে লেখা হয়- জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে হঠাৎ যদি আমার মৃত্যু হয়, আমাকে যেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করা হয়। কারণ সদর এসিল্যান্ড সহ জেলা প্রশাসন, আমার ছেলেকে চাকরিচ্যুত, বাস্তুচ্যুত করে পেটে লাথি মেরেছে, তাদের সালাম/ স্যালুট আমার শেষযাত্রার কফিনে আমি চাই না।-somoynews.tv
সন্ধ্যায় দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজারবাইজানে চার দিনের সফর শেষে রোববার সন্ধ্যায় দেশে ফিরবেন। ১৮তম নন অ্যালাইন মুভমেন্ট (ন্যাম) সম্মেলনে যোগ দিতে আজারবাইজানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ বিমান রবিবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় বাকু হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন। বিমানটি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে। ১২০টি উন্নয়নশীল দেশের জোট নিরপেক্ষ ফোরাম ন্যামের দুই দিনের সম্মেলনটি ২৫ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর কংগ্রেস সেন্টারে শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যান্য সদস্য দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে ন্যাম সম্মেলনে যোগ দেন। শুক্রবার বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাকু কংগ্রেস সেন্টারে ১৮তম ন্যাম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এছাড়া তিনি বাকু কংগ্রেস সেন্টারে সমসাময়িক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত ও পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিশ্চিতে বান্দুং নীতিমালা সমুন্নত রাখা বিষয়ে সাধারণ আলোচনায় বক্তৃতা করেন। শনিবার প্রধানমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন, প্রতিনিধি দলের প্রধানদের সঙ্গে ওয়ার্কিং লাঞ্চন ও সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে তিনি হায়দার আলিয়েভ সেন্টারে আজারবাইজানের ইলহাম আলিয়েভের দেওয়া সরকারি সংবর্ধনায় যোগ দেন। এছাড়া তিনি হিলটন বাকুতে আজারবাইজানের দত হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদতের দেওয়া নৈজভোজে অংশ নেন। ন্যাম সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি, আলজেরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট আবদেল কাদের বেনসালাহ ও ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী রিয়াদ আল মালকিসহ বেশ কয়েকজন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। একই দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাকুতে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হোটেল হিলটন বাকুতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। খবর বাসস।
শেরেবাংলা ফজলুল হকের ১৪৬তম জন্মবার্ষিকী আজ
২৬অক্টোবর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় নেতা শেরে বাংলা আবুল কাশেম (একে) ফজলুল হকের ১৪৬তম জন্মবার্ষিকী আজ। তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর এ কে ফজলুক হক বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদ সাইদুন্নেসা খাতুনের একমাত্র পুত্র। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) এবং হক সাহেব নামে পরিচিত ছিলেন। ১৯৩৫ সালে তিনি কলকাতার মেয়র, ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী, ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন। ১৯৫৪ সালের ১৫ মে শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ লাভ করেন। ১৯৫৬ সালের ২৪ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৫৮ সালের ১ এপ্রিল পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার তাকে গভর্নরের পদ থেকে অপসারণ করে। এরপরই তিনি তার ৪৬ বছরের বৈচিত্রময় রাজনৈতিক জীবন থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল এ কে ফজলুক হক ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। একই স্থানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও খাজা নাজিমুদ্দিনের কবর রয়েছে। তাদের তিনজনের সমাধিস্থলই ঐতিহাসিক তিন নেতার মাজার নামে পরিচিত। কর্মসূচি: এ উপলক্ষে বরিশাল বিভাগ সমিতি সকাল সাড়ে ৮টায় শেরে বাংলার মাজার প্রাঙ্গণে এক আলোচন সভার আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। সমিতির সভাপতি ও সাবেক সচিব ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করবেন। এছাড়া এ উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপের নেতৃবৃন্দ সকাল সাড়ে ৮টায় শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর