শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৫ সংদীয় আসনের কাজী মনিরুল ইসলাম ও নওগাঁ-৬ আসনের মো. আনোয়ার হোসেন (হেলাল) শপথ নিয়েছেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সংসদ ভবনে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য (এমপি) সংসদের শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। উল্লেখ্য, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান মোল্লা ও নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের মৃত্যুতে ওই আসন দুটি শূন্য হয়। গত ১৭ অক্টোবর আসন দু’টিতে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
যুদ্ধ চাই না, তবে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই, বন্ধুত্ব চাই। তবে আক্রান্ত হলে, তা মোকাবিলা করতে হবে, সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চাই এবং সেভাবে আমরা তৈরি থাকতে চাই। বুধবার (২৮ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সেনাবাহিনীর আটটি ইউনিট/সংস্থার পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পবিত্র সংবিধান এবং দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের পররাষ্ট্র নীতি অত্যন্ত স্পষ্ট। যা জাতির পিতা দিয়ে গেছেন- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। এ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়েই আমরা বাংলাদেশকে আর্থসামাজিকভাবে উন্নত করতে চাই। কিন্তু যদি কখনো আমরা আক্রান্ত হই, তা মোকাবিলা করার শক্তি যেন আমরা অর্জন করতে পারি, সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চাই এবং সেভাবে আমরা তৈরি থাকতে চাই, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আবার বলবো, আমরা শান্তি চাই, বন্ধুত্ব চাই, বৈরিতা চাই না, যুদ্ধ চাই না। কারণ যুদ্ধের যে ভয়াবহ রূপ, তা আমার নিজের চোখে দেখা আছে। আমরাও ভুক্তভোগী। আর সেই ধরনের সংঘাতে আমরা জড়িত হতে চাই না। শান্তির পথ ধরে আমরা প্রগতির পথে এগিয়ে যেতে চাই। সেনা সদস্যদের পেশাগত উৎকর্ষের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দেশের জন্য কাজ করার লক্ষ্যে সর্ব প্রথম দরকার পেশাদারিত্ব। আর এ পেশাদারিত্বের কাঙ্ক্ষিত মান অর্জনের জন্য আপনাদের সবাইকে পেশাগতভাবে দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ এবং মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হতে হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক। সেভাবেই মানুষের আস্থা অর্জন করে আপনাদের এগিয়ে যেতে হবে, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর ভেতরের মূল চালিকা শক্তিগুলো অর্থ্যাৎ ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পারিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, কর্তব্য পরায়ণতা, দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে আপনাদের স্বীয় কর্তব্য যথাযথভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবেন, সেটাই আশা করি। বঙ্গবন্ধুকন্যা আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের সশস্ত্র বাহিনী। সেনাবাহিনী জনগণের বাহিনী। এদেশে উন্নতি হলে আমাদের সেনাবাহিনীর সদস্যদের পরিবারেরই উন্নতি হবে। সে কথা মাথায় রেখে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অবকাঠামো নির্মাণে আমাদের সশ্রস্ত্র বাহিনী বিশাল ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। করোনাসহ বিভিন্ন দুযোর্গে মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ। বিশেষ করে করোনাকালে তারা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সেবা করে বিশ্বে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্বে উজ্জ্বল করেছে। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যরা যেখানেই যান, সামাজিক কাজ করেন, মানুষকে সাহায্য করেন। সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে নিজের আন্তরিকতা ও চেষ্টার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রধান হিসেবে আমি সব সময় সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নতির জন্য চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি, যেনো প্রত্যেক সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবন মান উন্নত হয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের জীবন মান যেনো উন্নত হয়। আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। দ্রুত ও সমন্বিত আধুনিকায়নের মাধ্যমে আমরা সেনাবাহিনীকে বিশ্বের দরবারে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনীতে রূপান্তর করার পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার সেনাবাহিনীর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে বিশ্বাসী এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা ফোর্সেস গোল-২০৩০ প্রণয়ন করি। ১৯৭৪ সালের প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আমরা উন্নয়ন করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে এরই মধ্যে রামুতে ১০ পদাতিক ডিভিশন, সিলেটে ১৭ পদাতিক ডিভিশন এবং পদ্মা সেতু প্রকল্পের নিরাপত্তা ও তদারকির জন্য একটি কম্পোজিট ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা করেছি। এর আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুটি পদাতিক ব্রিগেড, স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন ছাড়াও ১০টি ব্যাটালিয়ন, এনডিসি, বিপসট, এএফএমসি, এমআইএসটি, এনসিওস একাডেমি ও বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের মত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠা করি। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি আজ বিশ্বে প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কুমিল্লা, বগুড়া ও সৈয়দপুর সেনানিবাসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, সাভার এবং সিলেট সেনানিবাসে একটি করে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইনস্টিটিউট স্থাপন, সিএমএইচগুলোর উন্নয়নের পাশাপাশি পাঁচটি আর্মি মেডিক্যাল কলেজ এবং তিনটি নার্সিং কলেজ স্থাপন, রামু ও সিলেট সেনানিবাসে পর্যাপ্ত সুবিধা সম্বলিত দু’টি সিএমএইচ নির্মাণ কাজ চলছে, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাজোয়া এবং আর্টিলারি কোরের জন্য আধুনিক গান ও মিসাইল কেনা, পদাতিক বাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক ইনফ্যান্ট্রি গেজেট কেনা, আধুনিক যানবাহন, হেলিকপ্টার, সমরাস্ত্র ও সরঞ্জামাদি সংযোজনসহ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। আগামী শীতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সবাইকে করোনা মোকাবিলায় সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস, শীত কাল আসছে, করোনার আরেকটা ধাক্কা আসতে পারে, সে জন্য সদা প্রস্তুত থেকে, স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা থেকে মুক্ত থেকে আপনারা আপনাদের স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবেন সেটাই আশা করি। সবাই সুস্থ থাকুন। অনুষ্ঠানে পটুয়াখালীর লেবুখালীতে অবস্থিত শেখ হাসিনা সেনানিবাস প্রান্তে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমদসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে দেশের দক্ষিণবঙ্গের একমাত্র সেবানিবাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পায়রা নদীর তীরে অবস্থিত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমণ্ডিত এ সেনানিবাসটি প্রায় ১৫শ ৩২ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ অনুষ্ঠানে সদর দপ্তর ৭ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড (চট্টগ্রাম), সদর দপ্তর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড (সিলেট), সদর দপ্তর ২৮ পদাতিক ব্রিগেড, ৪৯ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৬৬ ইস্ট বেঙ্গল, ৪৩ বীর, ৪০ এসটি ব্যাটালিয়ন এবং ১২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
ইরফান ও তার দেহরক্ষী তিনদিনের রিমান্ডে
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর কলাবাগানে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজি সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী জাহিদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদারত। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আশফাক রাজীব হায়দার দুই আসামিকে গ্রেফতার দেখানো ও এ রিমান্ড আবেদন করেন। বুধবার শুরুতে বিচারক গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন৷ এরপর রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পিপি আব্দুল্লাহ আবু সাতদিনের রিমান্ড আবেদনের বিষয়ে শুনানি করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত কিনা বা এতে কার কি ভূমিকা ও ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হোক। অপরদিকে আসামিপক্ষে কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চান। তারা বলেন, এ মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিই গ্রেফতার হয়েছেন। এখানে আর কোনো উদ্ধারের প্রশ্ন নেই বা কাউকে গ্রেফতারের বিষয় নেই। তাই আসামিদের রিমান্ডের কোনো প্রয়োজন নেই। তারা বলেন, এজাহার অনুযায়ী বাদী নীলক্ষেতে বই কিনে নিজ মোটরসাইকেলে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। এখানে সরকারি কাজে বাঁধা কীভাবে হলো? মারামারির ঘটনায় চার্জশিট আমলে আমরা বিচারে সবকিছু বলব। আপাতত রিমান্ড বাতিল চাইছি। শুনানি শেষে বিচারক তাদের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ২৬ অক্টোবর ভোরে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার আসামিরা হলেন- সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম (৩৭), তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ (৩৫), হাজি সেলিমের মালিকানাধীন মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫), গাড়িচালক মিজানুর রহমান (৩০) ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই-তিনজন। গাড়িচালক মিজানকে রোববার রাতে গ্রেফতার করার পর সোমবার একদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদকে Rapid Action Battalion (Rab) ভ্রাম্যমাণ আদালত এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান। মঙ্গলবার মামলার এজাহারভুক্ত অপর আসামি দিপুর তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনই মেরে ফেলব। এরপর বের হয়ে তারা ওয়াসিমকে কিল-ঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান। তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
আইনমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে ও ভারতের বিচারিক আদালত ও উচ্চ আদালতের বিচারক এবং আইনজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের। গতকাল গুলশানের সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছি। প্রত্যেক দিনই এ বন্ধুত্ব আরো সুদৃঢ় হবে, এ বিশ্বাস এবং আস্থা নিয়েই আমাদের কথোপকথন। আমরা আরো যা নিয়ে আলাপ করেছি, তা হলো ভারত ও বাংলাদেশের আইনের অবকাঠামো প্রায় একই। সেজন্য উভয় দেশের বিচারিক আদালত ও উচ্চ আদালতের বিচারক এবং বিচারপতি ও আইনজীবীদের মধ্যে পরস্পর সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের জন্য আমাদের যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, সেগুলো কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের আলোচনা বন্ধুত্বপূর্ণ হয়েছে। আমরা মনে করি, আজ থেকে এ আলোচনা আরো চালিয়ে যাব। আজ যেসব কথা বলেছি সেগুলো ভবিষ্যতে কাজে পরিণত করব। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার দোরাইস্বামী সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের বিচার পদ্ধতিতে আইনমন্ত্রীর ভূমিকা ও অগ্রগতি প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীসহ সর্বসাধারণের জন্য আমাদের সহযোগিতা থাকবে। তিনি বলেন, আমাদের উভয় দেশের বিচারিক পদ্ধতি প্রায় এক। ফলে আমরা একে অন্যের থেকে শিখতে ও কাজ করতে পারব। কারণ দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।
পুলিশি বাধায় ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি সমাপ্ত
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পুলিশি বাধার মুখে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ তারিখ) বেলা সাড়ে ১১টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর একটি বিশাল মিছিল নিয়ে ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাওয়ের উদ্দেশে গুলশানের দিকে রওনা হন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা। দুপুর ১২টা নাগাদ মিছিলটি শান্তিনগর মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ আটকে দেয়। রাস্তার দুই পাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বেরিকেড দিয়ে তাদের সামনে অগ্রসর হতে দেয়নি। পরে নেতারা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তাদের কর্মসূচি সেখানে সমাপ্ত ঘোষণা করেন। এসময় কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে নানা রকম স্লোগান দিতে দেখা যায়।
একনেকে ৫১৮৯ কোটি টাকার ৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একনেকের সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দিয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে ৫ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে ৩১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেয় একনেক। বৈঠক শেষে পরিকল্পনা সচিব গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। রাস্তা নির্মাণের সময় যেন পানি প্রবাহে বাধা বা জলাধার বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে নকশায় পর্যাপ্ত ব্রিজ ও কালভার্ট রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বদলির কারণে যেন বাস্তবায়ন গতি কমে না যায় এ জন্য নতুনদের যথাযথ প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রিফাত হত্যা: ৬ আসামিকে ১০ বছরের দণ্ড, ৩ জনকে খালাস
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির মধ্যে ছয়জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া চারজনকে পাঁচ বছর এবং একজনকে তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বাকি তিনজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে বরগুনা জেলা নারী ও শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে সকাল ৯টার দিকে বরগুনা জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয় মামলাটির ছয় আসামিকে। আর জামিনে থাকা আট আসামি আদালতে এসেছে তাদের আগেই। করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন আদালত বন্ধ থাকার পরও মাত্র একবছর চার মাসের মাথায় নিষ্পত্তি হচ্ছে বর্বরোচিত এ হত্যা মামলা। আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রায় ঘিরে দেশের সব মহলের নজর ছিল আজ বরগুনার আদালতে। আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী বলেন, আলোচিত এ হত্যা মামলার রায় কেন্দ্র করে বরগুনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর এ মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বরগুনার শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন। গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হত্যাকাণ্ড ঘটে। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এরমধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনার শিশু আদালত। এরপর ১৩ জানুয়ারি থেকে অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন। মোট ৭৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এ মামলায়। এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান। রায়ে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ফাঁসির আদেশ দেন। আর বাকি চারজনকে বেকসুর খালাস দেন।
দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট (বিজি-১৪৮) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা হন। রাষ্ট্রপতি বিদেশে চিকিৎসাকালে তার সহধর্মিনী রাশিদা খানম ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবরা তার সঙ্গে ছিলেন।
গণমাধ্যম নিজস্ব পলিসি অনুযায়ী সংবাদ প্রকাশ করছে: কাদের
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি, যা প্রত্যাখ্যান করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের গণমাধ্যম নিজস্ব পলিসি অনুযায়ী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। ভীতিকর কোনো পরিবেশ নেই। সরকারের সমালোচনা হচ্ছে। আপনারাও অশ্রাব্য ভাষায় প্রধানমন্ত্রীকে পর্যন্ত গালিগালাজ করছেন। কারো ওপর কোনো চাপ নেই। সমালোচনা থেকে শিক্ষাগ্রহণ করার সেই সৎ সাহস শেখ হাসিনার আছে। কোনো গণমাধ্যমের ওপর সরকার সমালোচনার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে সেটা আপনারা পরিষ্কার করে বলেন। গতকাল সংসদ ভবন এলাকায় অবস্থিত নিজের সরকারির বাসভবন থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই বলে বারবার পুরনো অভিযোগ করে চলছে। সরকার নাকি ভিন্নমত সইতে পারে না। এদেশের আওয়ামী লীগ পরমতসহিঞ্চুতা নিয়ে কাজ করছে। এজন্যই বিএনপি অনবরত মিথ্যাচার করতে পারছে। আমরা জানতে চাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনবরত রাষ্ট্রবিরোধী প্রচার কি ভিন্নমত? নাকি রাষ্ট্রকে দুর্বল করা? রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নষ্ট করা, দিনরাত দেশে-বিদেশে বসে অবিরাম দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক বৈঠক, মিথ্যাচার আর গুজব ছড়ানো কি মত প্রকাশের স্বাধীনতা? বিএনপি সরকারের শাসনামলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্বের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ওই সময়ে সাংবাদিক হত্যার বিচার তো হয়নি। বিচারের নামে হত্যাকারীকে রক্ষা করা হয়েছে। তাদের মুখে মত প্রকাশের স্বাধীনার কথা আসলে ভূতের মুখে রাম নাম। ২০০১ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর তিন মাসে ৫০ জন সাংবাদিক তাদের আক্রমণের শিকার হয়েছেন। বিএনপির নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের আজ যে উন্নয়ন-অর্জন তা শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসিত হচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে এখন বিশ্ব সমাজে সমীহ আদায় করা সম্ভাবনাময় দেশ। জনগণ এখন উন্নয়নমুখী। সবার চোখে-মুখে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। কাদের আরো বলেন, যেকোনো অপশক্তির ষড়যন্ত্র জনগণ নস্যাৎ করে দেবে। বিএনপি কোনো ইস্যূ খুঁজে না পেয়ে নন ইস্যুকে ইস্যু বানানোর অপচেষ্টা করছে। কখনো কোটা আন্দোলন, কখনো কোটাবিরোধী আন্দোলনে ভর করে। সর্বশেষ ধর্ষণবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে ভর করে সরকারের পদত্যাগ চেয়েছিল, যা হালে পানি পায়নি। এবারো তারা ব্যর্থ হয়েছে। ব্যর্থতা থেকে তাদের কোনো শিক্ষা হয়নি। রাজপথে আন্দোলন ঢেউ গড়ে তোলা হবে বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা জানতে চাই, ফখরুল সাহেব যা বলেন তা নিজে বিশ্বাস করতে পারেন কিনা। আন্দোলনের ঢেউ তারা টেমস নদীর পাড় থেকে গুলশান অফিসে তুলতে পারেন। কিন্তু পদ্মা, মেঘনা, যমুনা বিধৌত মুজিবের বাংলায় নয়। তাদের আন্দোলনের হাঁকডাক আষাঢ়ের আকাশের মতো সোস্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে যতটা গর্জে, বাস্তবে রাজপথে ততটা বর্ষে না। ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্র এক টাকার বাইসাইকেল নয়, এটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো, সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

জাতীয় পাতার আরো খবর