সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম থাকবে প্রতি জেলায়: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনে প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম থাকবে। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে পুলিশের সঙ্গে বিশেষ সভায় বসে এসব কথা বলেন সিইসি। ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে সিইসি বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহ করার কথা আমরা বলিনি। এটা আপনারা করবেন না। কারণ এটা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে। যারা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা তারা বিব্রত হন। আমরা এটা চাই না। যদি তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হয়, তাহলে কোনো ব্যক্তির তথ্য গোপন সূত্র ব্যবহার করে সংগ্রহ করতে পারেন। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের জিজ্ঞেস করার দরকার নেই। এটা আমরা চাই না। কাউকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করবেন না। মামলা করবেন না। কাউকে হয়রানিমূলক মামলা বা গ্রেফতার করা যাবে না। আশাকরি, আপনারা এটা করছেনও না। সিইসি আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের কারণে যেনো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখবেন। তিনি বলেন, এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সবদল অংশ নেবে। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি একা করা সম্ভব নয়। প্রজাতন্ত্রের সবাই মিলেই নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কাজ করবো। নির্বাচনের সিংহভাগ দায়িত্ব পুলিশের থাকে। ভোটারের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সব ধরণের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাদের ওপরই বেশি থাকবে। কেএম নূরুল হুদা আরও বলেন, নির্বাচন যেন কোনোভাবে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়। আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালনে আমরা পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। তবে, কমিশন আপনাদের কর্মকাণ্ড নজরদারি করবে। অলরেডি অভিযোগ আসা শুরু করেছে। তবে, নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করবেন। ভালোভাবে যাচাই না করে আপনাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এতে আপনাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আইন-শৃঙ্খলার বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য একমাত্র পুলিশেরই আছে। তাই বিভিন্ন বাহিনী পুলিশের কাছ থেকেই পরামর্শ নেবে। পুলিশকে এখনই কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে বলেও জানান সিইসি। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম পুলিশের সঙ্গে দেখা করবে। প্রতি জেলায় থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম। এদের নিয়ে সমন্বয় করে কাজ করবেন। তাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে রাখতে হবে। অন্যান্য বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেটকে তথ্যদিয়ে সহায়তা করবেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন- চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, আইজিপি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তিন বাহিনী প্রধান
অনলাইন ডেস্ক :রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধান। বুধবার দুপুরে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বঙ্গভবনে যান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বাহিনীর সব সদস্যকে অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক অবদান রাখছে। আবদুল হামিদ তিন বাহিনীর কৌশলগত উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়ন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিন বাহিনী প্রধানরা এ সময় নিজ নিজ বাহিনীর সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আগে নেওয়া প্রকল্পগুলো চালিয়ে নিতে আইনে বাধা নেই: ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনও উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপন করতে পারবেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে আগে নেওয়া প্রকল্পগুলো চালিয়ে নিতে আইনে কোনো বাধা নেই। বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছি যাতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও প্রকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন প্রকল্প গ্রহণ না করা হয়। যে প্রকল্প আছে সেগুলো চলমান থাকবে। এই প্রকল্পগুলো চালিয়ে নিতে আইনে কোনো বাধা নেই। ইসি সচিব বলেন, পুরনো প্রকল্পে অর্থ ছাড় করায় বাধা না থাকলেও নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণ, অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ করা যাবে না। কেউ কোনো ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না। এমনকি প্রধানমন্ত্রীও এ ধরনের কাজ করতে পারবেন না। চাঁদা দেওয়া, মসজিদ, মন্দিরে চাঁদা দেওয়া কিছুই করা যাবে না। যদি কেউ করেন তাহলে আচরণ বিধির লঙ্ঘন হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর থেকে সরকারি সুবিধাভোগী, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উপনেতাসহ অন্যান্যরাও নির্বাচনকালীন সময়ে কোনও উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, অনুদান ও কোনো ধরনের সহায়তা করতে পারেন না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর।
ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রসমূহে অতিরিক্ত রুট অনুমোদন সেবা চালু
অনলাইন ডেস্ক :বৈধ ভিসায় অতিরিক্ত রুট অনুমোদনের সকল আবেদন বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) থেকে বাংলাদেশের সকল ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভিএসি) গ্রহণ করা হবে। এই সেবার জন্য প্রক্রিয়াকরণ ফি হিসেবে আইভিএসিকে ৩০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। সকল আইভিএসিতে রুট অনুমোদনের আবেদন জমা দেয়ার জন্য আলাদা কাউন্টার থাকবে। একজন আবেদনকারী বিদ্যমান ২৪টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং গেদে/হরিদাসপুর রেল ও সড়কপথ ছাড়াও অতিরিক্ত দুটি রুটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এখন থেকে ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার সহকারী হাই কমিশনসমূহে অতিরিক্ত রুট অনুমোদনের কোন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। ভারতীয় হাই কমিশন ও ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটসমূহে (https://www.hcidhaka.gov.in/pdf/endorsementofportapplicationform.pdf ও http://www.ivacbd.com/Other-Forms) আবেদন ফর্ম পাওয়া যাবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না প্রধানমন্ত্রী ও : ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না। বুধবার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। ইসি সচিব বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রী কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তবে তা হবে আচরণবিধি লঙ্ঘন। এছাড়া কোনো প্রকার চাঁদা, মসজিদ, মন্দিরে চাঁদা দেয়া যাবে না। তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছি-নির্বাচনকালীন এই সময়ে কোনো প্রকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যাতে নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণ না করা হয়। যে প্রকল্প আছে সেগুলো চলমান থাকবে। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ভোটকে কেন্দ্র করে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, ভিজিডি প্রদান বা টিন (ঢেউ টিন) দেয়া, ভিজিএফ কার্ড দেয়া, মানুষকে সহযোগিতা করা, এগুলো যাতে না করা হয়। আমরা মনে করি, এবারের নির্বাচন অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা হবে। নির্বাচনের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) একত্রে একটি সভা করে থাকি। কিন্তু এবার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আলাদাভাবে ব্রিফ করেছি। ইতোমধ্যে আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফ করেছি। কালকে পুলিশ সুপারদের (এসপি) ব্রিফ করা হবে। ২৪, ২৫, ২৬ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আমরা ব্রিফ করবো। এরপর আশা করি, প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকায় একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুত করতে পারব। ইসি সচিব আরা বলেন, সভায় আমরা আলোচনা করব, যাতে একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুত হয়। নির্বাচনের প্রতীক পেলেই সব দল প্রচার শুরু করবে। তার আগেই যাতে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পান, সে জন্য তাদেরকে নির্দেশনা প্রদান করা হবে।
জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখি প্রধানমন্ত্রিত্বকে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদকে জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবেই তিনি বিবেচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং প্রধানমন্ত্রীর পদ আমার কাছে যতটা না মূল্যবান তার চাইতে এইটা একটা বড় সুযোগ জনকল্যাণের এবং জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্রবাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন। খবর বাসসর তিনি বলেন,আমি মানুষের সেবায় এবং দেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি । বাংলাদেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে, ইনশাল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবার-পরিজন এবং মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্রবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মানে সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস কমপ্লেক্সে এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন। সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো.মাহফুজুর রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমদ এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত এবং পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনীর ১০১ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ৭জন বীরশ্রেষ্ঠের ঘনিষ্ট পরিবার-পরিজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেল এবং এটি একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তিনি বলেন,বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল বলেই আজকে আমরা এই সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি এবং বিশ্বের বহু দেশ এখন বাংলাদেশ অনুকরণ করতে চাইছে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং তাঁর সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে উন্নয়নের এই গতিকে অব্যাহত রাখা। তিনি বলেন,আমরা অবশ্যই লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হব এবং অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে আমরা আজকের অবস্থানে এসেছি এবং কেউই এই গতিকে রুখতে পারবে না, ইনশাল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ একটি স্বাধীন দেশ এবং লক্ষ্য প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তিনি বলেন,বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ, এই স্বাধীনতা কখনই ব্যর্থ হতে পারে না। আমরা দেশের প্রত্যেকটি ঘরে স্বাধীনতার এই সুফলকে পৌঁছে দিতে চাই এবং এই দেশের আর কোন মানুষ দরিদ্র থাকবে না, অনাহারে কষ্ট পাবে না। বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের ভাষণের অংশ আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা নার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আর কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব বলে জানিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়াধীন গুজব প্রতিরোধ ও অবহিতকরণ সেল। একই সঙ্গে এতে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে সেল। আজ বুধবার (২১ নভেম্বর) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বাসসর বিবরণীতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিখোঁজ শিরোনামে সোশ্যাল মিডিয়ায় ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রচারিত সংবাদটি একটি গুজব। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস এলেনিয়া স্পেস বাংলাদেশকে বুঝিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে প্রতিদিন সফলভাবে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। তথ্য বিবরণীতে আরও বলা হয়, অতএব বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিখোঁজ শিরোনামে প্রচারিত সংবাদটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব। এতে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়াধীন গুজব প্রতিরোধ ও অবহিতকরণ সেল সংবাদটিকে গুজব হিসেবে নিশ্চিত করেছে।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের জন্ম ও ওফাত দিবস পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা
অনলাইন ডেস্ক: প্রিয়নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এর স্মৃতিবিজড়িত মহান ১২ রবিউল আউয়াল বুধবার। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই মহামানবের জন্ম ও ওফাত দিবস আজ। দিবসটি মুসলমানদের কাছে পবিত্র। দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। দিবসটি পালন উপলক্ষে আজ রাজধানীতে পাড়া মহল্লা, অলি-গলিতে মিছিল হচ্ছে। এছাড়া রাজধানীসহ সারা দেশে সরকারি-বেসরকারিভাবে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের কমর্সূচিও পালন করা হচ্ছে। প্রায় এক হাজার ৪০০ বছর আগে এই দিনে আরবের মরুপ্রান্তরে মা আমেনার কোলে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আবার এই দিনেই তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.) এসেছিলেন তৌহিদের মহান বাণী নিয়ে। প্রচার করেছেন শান্তির ধর্ম ইসলাম। রাসুলের জন্ম ও মৃত্যুর দিন হিসেবে মুসলমানদের কাছে দিবসটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়াও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদও পৃথক বাণী দিয়েছেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। দিনটি উপলক্ষে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে আয়োজিত মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা ও ইসলামি ক্যালিওগ্রাফি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান। পক্ষকালব্যাপী অন্যান্য অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে ১৫ দিনব্যাপী ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল, বাংলাদেশ বেতারের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় সপ্তাহব্যাপী সেমিনার, ইসলামী ক্যালিগ্রাফি, মহানবী (সা.) এর জীবনীভিত্তিক পোস্টার ও গ্রন্থ প্রদর্শনী, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমানের মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী এবং অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা. স্মরণিকা প্রকাশ, রাসূল (সা.) এর শানে স্বরচিত কবিতা পাঠের মাহফিল এবং ক্বিরআত ও হামদ-নাত মাহফিল। এছাড়া পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন খানকাহ, দরবার শরিফ, মসজিদসহ ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন জশনে জুলুস, শান্তি মহাসমাবেশ, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল, কোরআন খানি, ফাতেহা পাঠ, দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করছে। মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীতে আনজুমানে রহমানিয়ার মইনীয়া মাইজভান্ডারিয়া জশনে জুলুস বা আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে। সকাল ১০টায় বের হওয়া এই শোভাযাত্রায় চার হাজারের মতো মানুষ অংশ নেয়। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শান্তি মহাসমাবেশ ও জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সকালে স্বেচ্ছায় রক্তদানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের অনুষ্ঠানমালা। এরপর দরবারের ভক্ত ও স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বের করা হয় বিশাল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রায় অংশ নেন প্রায় চার হাজার মানুষ। একইভাবে শিয়া ও সুন্নী সম্প্রদায়ের মানুষও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করছে। রাজধানীর মিরপুর এলাকার বেশ কিছু মাজার শরীফ এবং দরবারে আয়োজন করা হয়েছে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার। একই সঙ্গে আয়োজন করা হয়েছে শোভাযাত্রার। তারা হামদ-নাতসহ বিভিন্ন ইসলামিক সঙ্গীত পরিবেশন করছেন। শোভাযাত্রায় অংশ নেয়া মানুষ রাসুল (সা.) এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে খালি পায়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
সশস্ত্র বাহিনী দিবসে রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক :সশস্ত্র বাহিনী দিবসে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ , বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দিবসটি উপলক্ষে আজ তিন বাহিনী প্রধানরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ৭১-এর এই দিনেই আত্মোৎসর্গের ব্রত নিয়ে দেশমাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অকুতোভয় বীর সেনানীরা মুক্তিকামী আপামর জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে অপ্রতিরোধ্য আক্রমণের সূচনা করেছিলেন। এর পর থেকে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর