বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২০
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস আজ
১০ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) মানবাধিকার দিবস। রাজধানীসহ সারাদেশে দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য মানবাধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যের অভিযাত্রা। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফারহানা সাঈদ জানান, এ বছর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল বিভাগ এবং জেলা ও উপজেলায় মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ১০টায় ঢাকায় সোনারগাঁ হোটেলে মানবাধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলঙ্কৃত করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক ও জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম এবং স্বাগত বক্তব্য রাখবেন কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তরুণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে সামাজিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও তারুণ্য শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ফারহানা সাঈদ জানান, এ বছর সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় র্যালি এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। দিবস উপলক্ষে দৈনিক পত্রিকাসমূহে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, আইনমন্ত্রী, কমিশনের চেয়ারম্যানের বাণীসম্বলিত ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে। এছাড়াও বিভিন্ন চ্যানেলে প্রামাণ্যচিত্র এবং মানবাধিকার দিবসের থিমসং প্রচার করা হবে।
ডাকসু নেতাদের কর্মকাণ্ড আমার ভালো লাগে না : রাষ্ট্রপতি
০৯ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতাদের কর্মকাণ্ড ভালো লাগে না বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। আজ সোমবার ঢাবির ৫২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, ডাকসু নেতাদের কর্মকাণ্ড আমার ভালো লাগে না। তাদের উচিত ছাত্রদের কল্যাণের কাজে প্রাধান্য দেওয়া। তাদের নিয়ে এখন নানান কথা শোনা যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে নানা ভোগান্তির বিষয় উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, এ বিষয়ে তো ডাকসু নেতাদেরই কথা বলার ছিল, আমি বলব কেন? তিনি আরও বলেন, ডাকসু নির্বাচনের নানান ত্রুটির কথা আমি শুনতে পেয়েছি। আশা করি, আগামীতে এ রকমের ভুলত্রুটি হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোর্সের তীব্র সমালোচনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সান্ধ্যকালীন কোর্সের মান এবং এর কারণে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মেলায় পরিণত হয়। এ বিষয়ে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নিতে হবে। ছাত্রসমাজকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন,মেডিসিন বিদেশের জন্য একভাবে তৈরি করা হয়, ঢাকার জন্য একভাবে তৈরি করা হয়, গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য আরেকভাবে তৈরি করা হয়। ছাত্রসমাজকে বিষয়টি নিয়ে রুখে দাঁড়াতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ৫২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সমর্থন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞানী ড. তাকাকি কাজিতা।
গার্লফ্রেন্ডের বাবা-মাকে দায়ী করে স্টামফোর্ড ছাত্রের আত্মহত্যা
০৯ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর ধোলাইখালের একটি বাসা থেকে সায়েম হাসান শান্ত (২১) নামের এক স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যায় নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন শান্ত। এর আগে প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানির জন্য প্রেমিকার মা-বাবাকে দায়ী করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সূত্রাপুর থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমণ্ডি শাখার শিক্ষার্থী শান্ত বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন। শান্তর বাবা রিপন গণমাধ্যমকে বলেন,শান্তর সঙ্গে পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার এলাকার একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২৬ নভেম্বর মেয়েটি আমার বাড়িতে চলে আসে। এরপর তার বাবাসহ স্বজনরা নিতে এলেও মেয়েটি যায়নি। তখন মেয়েটিকে মারধর করে চলে যায় তারা। এরপর মেয়েটির বাবা কোতোয়ালি থানায় অপহরণ মামলা করলে শান্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কয়েক দিন জেল খাটার পর গত শুক্রবার ছাড়া পায় শান্ত। এরইমধ্যে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যায় তার মা-বাবা। শান্ত ছাড়া পাওয়ার পর এলাকায় অনেকেই তাকে এ নিয়ে অপমানজনক কথা বলত। এই ক্ষোভে সন্ধ্যায় নিজ রুমে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। আত্মহত্যার আগে শান্ত ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তার মৃত্যুর জন্য প্রেমিকার মা-বাবাকে দায়ী করেছে বলে জানান তিনি। একমাত্র ছেলের আত্মহত্যায় প্ররোচনায় দায়ে মেয়েটির বাবা-মায়ের বিচার দাবি করেন শান্তর বাবা।-আলোকিত বাংলাদেশ
বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ৫ নারী
০৯ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার বেগম রোকেয়া পদক পেলেন দেশের ৫ বিশিষ্ট নারী। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বেগম রোকেয়া পদক ২০১৯ দেওয়ার জন্য পাঁচজন বিশিষ্ট নারী ব্যক্তিত্বকে নির্বাচন করেছে। নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালনকারী নারীদের এই পদক দেওয়া হয়। সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে সেলিনা খালেক, নারী শিক্ষায় অধ্যক্ষ শামসুন নাহার ও নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য ড. নুরুননাহার ফয়জুন নেসাকে (মরণোত্তর) পদক দেওয়া হয়। এছাড়া নারীর অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে পাপড়ি বসু এবং নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য আখতার জাহান পদক পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নারী ব্যক্তিত্ব ও তার পরিবারের প্রতিনিধিরা সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া পদক ২০১৯ নেন। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
০৮ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিপিএলের উদ্বোধন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করার পরপরই শুরু হয় আতশবাজি। এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের ব্যপ্তিকাল হবে সাড়ে ৫ ঘণ্টা। শেষ হবে রাত ১০টায়। এবারের আসরকে স্মরণীয় করে রাখতে বর্ণিল উৎসবের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আর সেই উৎসবের জন্য পুরোপুরি বর্ণিল সাজে সেজেছে হোম অব ক্রিকেট তথা শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বঙ্গবন্ধু বিপিএলের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাতে ঢাকায় পা রেখেছেন জনপ্রিয় বলিউড সুপারস্টার সালমান খান, ক্যাটরিনা কাইফ, সনু নিগম ও কৈলাশ খের। এছাড়া দেশি তারকাদের মধ্যে মমতাজ ও জেমসও থাকছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পারফর্ম করেন ডি-রকস্টার তারকা মঈদুল ইসলাম খান শুভ। এরপর একে একে দর্শক মাতাতে মঞ্চে আসেন রেশমি মির্জা, জেমস, মমতাজ। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে মঞ্চে উঠবেন ভারতীয় সঙ্গীত তারকা সনু নিগম। তার পরিবেশনা শেষে কিছুক্ষণ চলবে লেজার লাইট শো। রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে গান গাইবেন ভারতীয় সঙ্গীত তারকা কৈলাস খের। কৈলাসের পরিবেশনা শেষে মঞ্চে আসবেন বলিউডের তারকা অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। এর ঠিক পরেই মঞ্চে আসবেন মূল আকর্ষণ বলিউড ভাইজান সালমান খান। একক পরিবেশনা শেষে ক্যাটরিনাকে সঙ্গে নিয়ে তার দ্বৈত পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
এখনও গভীর চক্রান্ত হচ্ছে: নাসিম
০৮ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতকে বাংলাদেশ থেকে রাজনৈতিকভাবে বিএনপি-জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে। তিনি বলেন, চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে। বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজয়ী হবেন শুধু আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। রোববার দুপুরে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নাসিম বলেন, যখন কোনো দল সফল হয়, চক্রান্ত তখন গভীর হয়। এখনও গভীর চক্রান্ত হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত এখনও আছে। তারা বিষাক্ত সাপ। সুযোগ পেলেই ছোবল দেবে। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আওয়ামী লীগের শক্তি তৃণমূল। তারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে যে কোনো লড়াইয়ে বিজয় আসবে। ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারের হত্যার মূল খলনায়ক জিয়াউর রহমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, তথ্য-উপাত্তসহ আমি বলতে পারি- বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মূল চক্রান্তকারী, খলনায়ক হলেন জিয়াউর রহমান। কমিশন গঠন করে তার মরণোত্তর বিচার করতে হবে। তা না হলে বাংলাদেশ সন্ত্রাসমুক্ত, জঙ্গিবাদমুক্ত হবে না। বিএনপির কারাবন্দী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বেগম জিয়ার মামলা হয়েছে ১/১১ এর সময়। সাজা হয়েছে, জেলে গেছেন। জামিন দেয়ার মালিক আদালত। জামিন দেয়ার মালিক আমরা নই। কোর্টে গিয়ে জামিন নেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে গুণ্ডমি করবেন না। সন্ত্রাস করবেন না। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আজকে দিয়েছিল বিক্ষোভ দিবস। দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত বেগম জিয়া, তাকে মুক্তি দিতে হবে। কী মামাবাড়ির আবদার! কে মুক্তি দেবে শেখ হাসিনা? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? মুক্তি দিতে পারবে একমাত্র আদালত। দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কোনোদিনই মুক্তি পাবে না, পাবে না। রাজশাহী মহানগরীর বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক এই সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সকালে এর উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। বিকাল সাড়ে ৩টায় সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয় জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও রাজশাহী-৬ আসনের এমপি শাহরিয়ার আলম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, সম্মেলনের সমন্বয়ক ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, কেন্দ্রীয় কমিটির আরেক সদস্য মেরিনা জাহান, নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক, প্রফেসর ড. সাইদুর রহমান খান প্রমুখ। সম্মলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন সদ্য সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মেরাজ উদ্দীন মোল্লা। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি ডা. মুনসুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের এমপি ডা. সালিম উদ্দিন আহমেদ শিমুল, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি আদিবা আনজুম মিতা, ফেরদৌসি ইসলাম জেসি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মঈনুদ্দিন ম-ল, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুন নেসা তালুকদার, সাবেক এমপি কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারা, আখতার জাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে ৩৬০ জন কাউন্সিলরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়েছে।
রুম্পার বন্ধু সৈকত চার দিনের রিমান্ডে
০৮ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের (স্নাতক) শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার (২০) মৃত্যুর ঘটনায় তার কথিত প্রেমিক আবদুর রহমান সৈকতকে চার দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার (৮ ডিসেম্বর) মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদ এই রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এদিন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। দুপুর দেড়টার দিকে সৈকতকে গোয়েন্দা কার্যালয় থেকে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার রাতে তাকে আটকের পর রোববার সকালে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। ডিবি দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে সৈকতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। রুম্পা হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হবে। গতকাল শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সৈকতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়। জানা গেছে, রুম্পার সঙ্গে সৈকতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র ছাত্র। পারিবারিক সূত্র জানায়, রুম্পা দুটি টিউশনি করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন। পরে কাজ আছে বলে বাসা থেকে বের হন। বাসা থেকে নিচে নেমে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও পরা স্যান্ডেল বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে এক জোড়া পুরোনো স্যান্ডেল পায়ে বেরিয়ে যান তিনি। কিন্তু রাতে আর বাসায় ফেরেননি রুম্পা। পরিবারের লোকজনসহ স্বজনেরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে খবর পেয়ে রুম্পার মাসহ স্বজনেরা রমনা থানায় গিয়ে মরদেহের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন। উল্লেখ্য,রুম্পার বাবা হবিগঞ্জের একটি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক। বাবা হবিগঞ্জে থাকলেও মা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ঢাকার শান্তিবাগে থাকতেন তিনি।
রুম্পা হত্যার বিচার দাবিতে আজও উত্তাল স্টামফোর্ড
০৮ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বেসরকারি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিচার দাবিতে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে তৃতীয় দিনের মতো চলছে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি।রোববার দুপুর ১২টার দিকে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সিদ্ধেশ্বরী শাখার শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে।শিক্ষার্থীদের দাবি, রুম্পা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। কিন্তু ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যারহস্যের কূলকিনারা করতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষার্থীরা বলেন, এ হত্যার সঙ্গে জড়িত যারা, তাদের যেন দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়; পাশাপাশি এ আন্দোলন প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যাতে শিক্ষার্থী ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। মানববন্ধনে রুম্পার সহপাঠীরা বলেন, আর যেন কোনো রুম্পাকে এভাবে মরতে দেখা না যায়। এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র বিচার মৃত্যুদণ্ড। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলেই আমরা রক্ষা পাব, না হলে এ রকম নির্মম হত্যাকাণ্ড চলতেই থাকবে। অন্য কোনো ইস্যুতে যেন রুম্পা হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা না পড়ে সেদিকে নজর দিতে হবে। স্টামফোর্ডের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক জেরিন বলেন, আমরা আর কোনো শিক্ষার্থীকে এভাবে হারাতে চাইনা। রুপা হত্যার সঠিক তদন্ত করে তার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। একই বিভাগের শিক্ষক সালমা বলেন, আমরা স্টামফোর্ড পরিবার ও ইংরেজি বিভাগ রুম্পা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও এই হত্যার রহস্য উৎঘাটনের দাবি জানাচ্ছি। এর আগে শনিবারও বিক্ষোভ করেন স্টামফোর্ডের শিক্ষার্থীরা। এদিন দেশের বেশ কয়েকটি ক্যাম্পাসে রুম্পা হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করেন। উল্লেখ্য, বুধবার রাতে সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডে রুম্পার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ পাওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছিল আশপাশের কোনো ভবন থেকে পড়ে যাওয়াই তার মৃত্যুর কারণ। রুম্পা ঢাকার স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষে পড়তেন। মালিবাগের শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন ভাড়া বাসায়। চাকরির কারণে তার বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জে থাকেন। রুম্পার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন ওই থানার এসআই আবুল খায়ের। প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানে তিনি জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর রুম্পা বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। সঙ্গে নিজের মোবাইল ফোনটিও নেননি তিনি। উঁচু থেকে পড়ে শরীরের যে ধরনের জখম হয়, রুম্পার শরীরে সে ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ বলছে, রুম্পাকে সিদ্ধেশ্বরীর কোনো একটি ভবন থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধারণা করা হচ্ছে রুম্পা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। রুম্পার মৃত্যুর বিষয়টি এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয় পুলিশের কাছে। এ জন্য ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছেন তারা। এমনটি জানিয়েছেন রমনার ওসি মনিরুল। তিনি বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা, সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে হত্যা মামলা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বিষয়টি। এ ঘটনায় রুম্পার এক সহপাঠীকে আটক করা হয়েছে।
নতুন বছরে মন্ত্রী রদবদল হতে পারে
০৮ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সরকারের এবারের মেয়াদে বছর পার না হতেই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ ও রদবদলের ব্যাপক গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ২০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর পর অর্থাৎ ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম মাসে মন্ত্রিপরিষদে পরিবর্তন আসছে। কারণ মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের আসন্ন সম্মেলন এবং দল ও সরকারকে পৃথক রাখার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর, কয়েকজন সিনিয়র সাবেক মন্ত্রীকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সম্প্রতি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতায় সমালোচনার কারণে বিব্রত সরকার। এ জন্য কয়েকজন মন্ত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে অন্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দলের জাতীয় সম্মেলনের আগে মন্ত্রিসভায় রদবদল কিংবা সম্প্রসারণে হাত দেবেন না প্রধানমন্ত্রী। যা হওয়ার সম্মেলনের পর হবে। মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ওবায়দুল কাদের গত বুধবার বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আসতেও পারে। ব্যর্থতার দায়ে কেউ মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন কিনা- এমন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাদ পড়া, নতুন যুক্ত হওয়া কিংবা পদোন্নতির বিষয়টি একমাত্র প্রধানমন্ত্রীই জানেন। সূত্রমতে, গত এক বছরের মূল্যায়নে মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয় পরিচালনায় দুর্বলতার বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দৃশ্যমান হয়েছে। পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভেতরেও সমালোচনার ঝড় বইছে। রেল মন্ত্রণালয়েও কাজের সমন্বয়হীনতা রয়েছে বলে মূল্যায়নে উঠে এসেছে। এ ছাড়া গত এক বছরে রোহিঙ্গা ইস্যুসহ কয়েকটি বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ কাজে আসেনি। চালের দাম বৃদ্ধি ও এর নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মন্ত্রণালয় ব্যর্থ হয়েছে। সূত্রের খবর, চলতি মাসে অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের সম্মেলন মাথায় রেখে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদলের বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা থাকবেন, তাদের মন্ত্রিসভার বাইরে রাখতে চাইছে সরকার। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সরকারের এক বছরে মন্ত্রণালয় পরিচালনায় নানা অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতার কথা বলে আসছিলেন। অনেকে বর্তমান মন্ত্রিসভাকে অনভিজ্ঞ বলেও মন্তব্য করেছেন। বিশেষ করে, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে মন্ত্রী না করায় আওয়ামী লীগ ও এর শরিক দলগুলোর ভেতরেই নানা সমালোচনা হচ্ছে। এ ছাড়া ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের মতে, গত এক বছর আওয়ামী লীগ সরকার ভালো সময় পার করেনি। বিশেষ করে, ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির সঙ্গে সরকার সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততা, পেঁয়াজের দামে রেকর্ড, শেয়ারবাজারে ধস, গণপিটুনিতে মানুষ হত্যা, রিফাত, নুসরাত ও বুয়েটে আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় সরকার বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী জানান, সরকার গঠনের এক বছর পূর্তি হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। মন্ত্রিসভার সদস্যদের গত বছরের পারফরম্যান্স প্রধানমন্ত্রীর কাছে আছে। যারা ইতোমধ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অযোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে তাদের হয়তো কম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হবে। আর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে দু-একজন উপমন্ত্রী থেকে প্রতিমন্ত্রী হবেন। সরকারের ভাবমূর্তি ফেরাতে সাবেক দু-একজন মন্ত্রীকে পুনরায় মন্ত্রী করার বিষয়েও ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা। সূত্র জানায়, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রতিমন্ত্রী পদোন্নতি পেয়ে মন্ত্রী এবং দুজন উপমন্ত্রী থেকে প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন। আর রদবদলের অংশ হিসেবে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাককে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার পেতে পারেন অন্য কোনো মন্ত্রণালয়। বাণিজ্যমন্ত্রীকেও সরিয়ে দেওয়ার জোর গুঞ্জন রয়েছে। গুঞ্জন রয়েছে, জানুয়ারিতে মন্ত্রিসভায় রদবদল করে টিপু মুনশিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে সেখানে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য তোফায়েল আহমেদকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তিনি বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। তোফায়েলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাজার স্থিতিশীল করতে চান প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার সিনিয়র কয়েকজন সদস্য নিয়ন্ত্রণহীন বাজারের জন্য মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কেই দুষছেন। তারা বলছেন, বাণিজ্যমন্ত্রীর কঠোর পদক্ষেপ ও বাজার তদারকির (মনিটরিং) অভাবে সিন্ডিকেটগুলো ইচ্ছামতো দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে চলেছে। এতে দেশের সাধারণ মানুষ সরকারের ওপর চরম বিরক্ত। মানুষ মনে করে, সরকার অন্যান্য ক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রাখলেও দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণহীন দামের লাগাম টানতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গত মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে মতবিনিময় সভায় বলেন, কেউ কেউ আমার পদত্যাগ দাবি করছেন। পদত্যাগ করলে যদি পেঁয়াজের দাম কমে যায়, এক সেকেন্ডও লাগবে না আমার মন্ত্রিত্ব ছাড়তে। সূত্র জানায়, কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে ড. আবদুর রাজ্জাককে খাদ্য মন্ত্রণালয় দেওয়া হতে পারে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে আবদুর রাজ্জাককে খাদ্যমন্ত্রী করা হয়। এখন আবদুর রাজ্জাককে কৃষি থেকে সরিয়ে খাদ্যে নিয়ে আসা হলে কৃষিতে আগের মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীকে ফের বসানো হতে পারে। কৃষিমন্ত্রী হিসেবে তিনি বেশ সফলতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মনে করছেন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, স্থানীয় সরকার (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামকে সরিয়ে সেখানে সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। আর তাজুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় থাকলেও কোন দপ্তর পাবেন, তা নিশ্চিত নয়। সূত্র জানায়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীকে পদোন্নতি দিয়ে পূর্ণ মন্ত্রী করা হতে পারে। এ ছাড়া পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে পদোন্নতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী করার সম্ভাবনা রয়েছে। শামীমকে প্রতিমন্ত্রী করে পানি সম্পদে রাখা হবে, না-কি অন্য মন্ত্রণালয় দেওয়া হবে তা নিশ্চিত নয়। কারণ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বর্তমান প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক দায়িত্ব পালন করছেন। নওফেল পদোন্নতি পাওয়ার পর একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার বলেন, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ কিংবা রদবদলের কোনো মেসেজ আমার কাছে নেই। কারও পদোন্নতি কিংবা বাদ পড়ার খবরও আমি জানি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২৫ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও ৩ জন উপমন্ত্রী নিয়ে বর্তমান সরকার চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি পথচলা শুরু করে।- আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর