ঢাকা ছেড়ে গেলেন ইউরোপের ১৫ দেশের ১২৪ নাগরিক
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহতার আশঙ্কায় এবার ঢাকা ছেড়ে গেলেন ইউরোপের ১৫ দেশের ১২৪ নাগরিক। শুক্রবার মধ্যাহ্নে জার্মান সরকারের ভাড়া করা একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা ঢাকা ত্যাগ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পশ্চিম ইউরোপ তথা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১১০ জন এবং পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের ১৪ জন নাগরিক ফ্রাঙ্কফুর্টের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ওই বিমানে চড়েছেন। ব্যাংকক হয়ে ঢাকা আসা জার্মানীর ওই ফ্লাইটে আরও প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী ছিলেন জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, ব্যাংকক আসা ইউরোপগামী ওইযাত্রীদের আমরা ঢাকায় বিমান থেকে নামতে দেয়নি। ঢাকার যাত্রীদের বোর্ডিং প্রক্রিয়ার পুরোটা সময় তারা ফ্লাইটের ভেতরেই অপেক্ষমাণ ছিলেন। এদিকে ঢাকাস্থ জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফাহরেনহোলজ জার্মান স্পেশাল ফ্লাইট ও বিমানবন্দরে বোর্ডিং প্রক্রিয়ার ডজন খানেক ছবি পোস্ট করে পৃথক ৪টি টুইট বার্তায় আপডেট প্রচার করেন। সেখানে তিনি জানান, জার্মানীসহ ইউরোপের ১৫ টি দেশের নাগরিক জার্মান সরকারের ভাড়া করা বিমানে ঢাকা ছেড়ে গেছেন। তবে তিনি (রাষ্ট্রদূত পিটার) ঢাকায় থাকছেন। জার্মান দূতাবাস টিম এবং ইইউ ডেলিগেশন কার্যালয়ের টিম যৌথভাবে ফ্লাইট ব্যবস্থাপনায় যুক্ত ছিলো।
দেশের সব পোশাক কারখানা ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের সব পোশাক কারখানাও আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পোশাক মালিকদের বড় দুটি সংগঠন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এ সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে প্রাণঘাতী নোভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার রোধে সরকার ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। বিকেএমইএ-এর সভাপতি একেএম সেলিম ওসমান এবং বিজিএমইর সভাপতি ড. রুবানা হক এর যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএর সদস্য প্রতিষ্ঠানসমূহ আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে বেতন দেয়ার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের অফিস খোলা রাখার প্রয়োজন হলে সেক্ষেত্রে স্ব স্ব অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ/বিকেএমইএ) এবং শিল্প পুলিশকে জানাতে হবে।
বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের জন্য ফাঁসির মঞ্চ ও জল্লাদ প্রস্তুত
১০এপ্রিল,শুক্রবার,আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া,নিউজ একাত্তর ডট কম: কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির মঞ্চটি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে জল্লাদের একটি দল। যেকোনো সময় কার্যকর হতে পারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, শনিবার অথবা রোববার ফাঁসি কার্যকরের সম্ভাবনা বেশি। এর আগে বুধবার রাতেই রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো তার প্রাণভিক্ষার আবেদনটি নাকচ করা হয়। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল বৃহস্পতি বা শুক্রবার কার্যকর হতে পারে ফাঁসির দণ্ডাদেশ। তবে শেষ মুহূর্তে আর কার্যকর করা হয়নি। কারা সূত্র জানায়, প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি বাতিল করে দেওয়ার পর সেই চিঠিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এসে পৌঁছে। কারাবিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চলবে। তবে বৃহস্পতিবার রাতে শবে বরাতের কারণে ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে না। এছাড়া শুক্রবারও ফাঁসি কার্যকরের কোনো সম্ভাবনা নেই। এরপরের দুদিন যেকোনো সময় ফাঁসি কার্যকর করা হতে পারে। মঞ্চের প্রস্তুতির বিষয়ে সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এখন পর্যন্ত কোন ফাঁসি কার্যকর হয়নি। তবে মঞ্চটি সবসময় প্রস্তুত থাকে। সম্প্রতি নতুন করে ধোয়ামুছা করা হয়েছে। এতে যেকোনো সময় ফাঁসি কার্যকর করা যাবে। ফাঁসির বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরীকে ফোন দেয়া হলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আবদুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। প্রাণভিক্ষার আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ায় ফাঁসির আদেশ কার্যকরে আর কোনো বাধা থাকলো না। এখন পরবর্তী প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করা হবে। এর আগে ২৩ বছর ধরে পলাতক আবদুল মাজেদকে সোমবার মধ্যরাতে মিরপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে মাজেদকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে সিটিটিসি। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। পরদিন বুধবার মৃত্যুর পরোয়ানা পড়ে শোনানোর পর সব দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চান আবদুল মাজেদ। পরে প্রাণভিক্ষার আবেদনটি নাকচ করে দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬ জন,নতুন আক্রান্ত ৯৪,মোট আক্রান্ত ৪২৪
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২৪। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৬ জন। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ জনে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১২ জন। দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এরপর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা এখন প্রায় ৯৬ হাজার। শুক্রবার এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ সংখ্যা এখন ৯৫ হাজার ৭২২ জন। আর আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১৬ লাখ ৩ হাজার ৭১৯ জন। প্রাণহানিতে শীর্ষে অবস্থান করছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে ১৮ হাজার ২৭৯ জন নিয়ে প্রাণহানিতে এখনো শীর্ষে রয়েছে ইতালি। এ ছাড়া স্পেনে ১৫ হাজার ৪৪৭, ফ্রান্সে ১২ হাজার ২১০, যুক্তরাজ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ প্রাণহানী হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ১ হাজার ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ফ্রান্সে ১ হাজার ৩৪১ জন এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। দেশটি এখন করোনার সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে আমেরিকা ও ইউরোপে এটা ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যমতে, শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে চার লাখ ৫৫ হাজার ৪৫৪। এর পরে আছে স্পেন এক লাখ ৫২ হাজার ৪৪৬।
সাধারণ ছুটি বাড়লো ২৫শে এপ্রিল পর্যন্ত
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ২৬শে মার্চ থেকে দেশে সাধারণ ছুটি চলছে। এ ছুটি চতুর্থ দফায় আবারো বাড়ানো হয়েছে। ১৫ই এপ্রিল থেকে ২৫শে এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ২৬শে মার্চ থেকে ৪ঠা এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরবর্তীতে ১১ই এপ্রিল ও ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত দুই দফা ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। এদিকে সরকারের সাধারণ ছুটির পাশাপাশি সমানতালে বন্ধ রয়েছে দেশব্যাপি গণপরিবহন চলাচল। সে সঙ্গে দোকান মালিক সমিতিও মার্কেট ও সুপার মার্কেট বন্ধ রেখেছে।
নিঃশব্দে কেটে গেছে পবিত্র লাইলাতুল বরাত
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নিঃশব্দে কেটে গেছে পবিত্র লাইলাতুল বরাত। বাসায় বাসায় হালুয়া রুটির আয়োজনও ছিল না। কোনো আতশবাজির শব্দও শোনা যায়নি। কারণটা সবার জানা। এক ভয়ঙ্কর রূপধারী ভাইরাস যার নাম নভেল করোনা (কোভিড-১৯)। এই ভাইরাসই সব লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। প্রতি বছর শবে বরাত এলেই দেশব্যাপি মসজিদগুলোতে মুসল্লীদের আনাঘোনা। মুসলিম উম্মাহর কাছে দিনটি বিশেষ হওয়ায় বছরের অন্য দিনগুলোর চেয়ে শবে বরাতের রাতে মসজিদগুলোতে মুসল্লীদের ভিড় লেগে থাকে।শবে বরাতকে সামনে রেখে মসজিদগুলোর ফটকে গরীব মিসকিনদের অবস্থান নেয়ার চিত্রটাও নজর এড়ায় না। সারারাত ইবাদত শেষে মুসল্লীরা বাড়ি ফেরার পথে ২-৫টাকা দেবেন এমন আশায় তাদের রাতটাই কাটে মসজিদের ফটকে। কিন্তু এক করোনা ভাইরাস সব দৃশ্যপট বদলে দিয়েছে। সরকারিভাবে নির্দেশনার কারণে কোনো আয়োজন ছিল না মসজিদগুলোতে। দুই একটি মসজিদের ভেতরে ইমাম মুয়াজ্জিনসহ গোটা পাঁচেক মানুষ ছোট্ট পরিসরে মাহফিলের আয়োজন করতে দেখা গেলেও রাতভর ইবাদতের কোনো ব্যবস্থা রাখেনি মসজিদ কর্তৃপক্ষ।উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ৬ই এপ্রিল দেশব্যাপি মসজিদে নামাজ আদায়ে বিধি নিষেধ আরোপ করে সরকার। এতে বলা হয় ওয়াক্তের নামাজে ইমামসহ ৫জন জামাতে অংশ নিতে পারবেন। আর জুমার নামাজে সর্বোচ্চ ১০জন। একই সঙ্গে গতকাল অনুষ্ঠিত শবে বরাতের ইবাদতও ঘরে করার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশ (ইফা)।
জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ইন্তেকাল
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:জাতীয় অধ্যাপক, ভাষা সংগ্রামী ড. সুফিয়া আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন ) । বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ ছিলেন তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের স্ত্রী এবং বিচারপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিমের কন্যা । ৫২র ভাষা আন্দোলনের এ সংগ্রামী মৃত্যুকালে এক ছেলে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ , এক মেয়ে ডা. রাইনা আহমেদ , জামাতা ব্যারিস্টার আনাতুল ফাতেহ এবং তিনজন নাতি নাতনি রেখে গেছেন ।
রহমতের এই রাত আমাদের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের বার্তা বয়ে আনুক:প্রধানমন্ত্রী
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র শবেবরাতের মাহাত্মে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মানবজাতির জন্য সৌভাগ্যের এই রজনী বয়ে আনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমত ও বরকত। এ রাতে আল্লাহপাক ক্ষমা প্রদর্শন এবং প্রার্থনা পূরণের অনুপম মহিমা প্রদর্শন করেন।বাসস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আসুন, সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি। তিনি বলেন, রহমতের এই রাত আমাদের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের বার্তা বয়ে আনুক- এ প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে হেফাজত করুন। আমিন।
পবিত্র শবেবরাতের রাতে ঘরে বসে আল্লাহর ইবাদত করতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তাই আসুন, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হয়ে করোনা মোকাবিলা করি। পবিত্র শবেবরাতের রাতে নিজ নিজ ঘরে বসে আল্লাহর ইবাদত করতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আসুন আমরা প্রার্থনা করি পরম করুণাময় মহান আল্লাহ যেন বিশ্ববাসীকে এ মহামারি থেকে রক্ষা করেন। পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি একথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, পবিত্র শবেবরাত মুসলমানদের জন্য মহিমান্বিত ও বরকতময় এক রজনী। এ উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ। তিনি বলেন, মাহে রমজান ও সৌভাগ্যের আগমনী বারতা নিয়ে পবিত্র লায়লাতুল বরাত আমাদের মাঝে সমাগত। উপমহাদেশে শবেবরাত প্রধানত সৌভাগ্য রজনী হিসেবে পালিত হয়। মানবজাতিকে এই পবিত্র রজনী আল্লাহ্ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ ও ক্ষমা লাভের অপার সুযোগ এনে দেয়। মো. আবদুল হামিদ বলেন, ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। শবেবরাতের এই পবিত্র রজনীতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে অশেষ রহমত ও বরকত কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা জানাই। সৌভাগ্যমন্ডিত পবিত্র শবেবরাতের পূর্ণ ফজিলত আমাদের উপর বর্ষিত হোক। রাষ্ট্রপতি সারাবিশ্ব এখন নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে বিপর্যস্ত উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুবরণ করছে। বাংলাদেশও এই ভাইরাসের আক্রমণের শিকার। তাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে দেশ ও দেশের জনগণকে করোনার ছোবল থেকে রক্ষা করা। আর এজন্য স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সরকার ইতোমধ্যে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, পবিত্র শবেবরাত সকলের জন্য ক্ষমা, বরকত, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক, মহান আল্লাহর দরবারে এ কামনা করি। মহান আল্লাহ আমাদের প্রার্থনা কবুল করুন।বাসস

জাতীয় পাতার আরো খবর