শুক্রবার, জুলাই ৩, ২০২০
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গার্ড অব অনার প্রদান করে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এসময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এরপর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ সমাধিতে ফুল দিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। উল্লেখ্য, ১৪ ডিসেম্বর পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করার এই নীলনকশা প্রণয়ন করে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত সংখ্যা আজ পর্যন্ত গণনা করা হয়নি। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশ শীর্ষক গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এদের মধ্যে ৯৯১ জন ছিলেন শিক্ষাবিদ, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী এবং ১৬ জন সাহিত্যিক, শিল্পী ও প্রকৌশলী। বুদ্ধিজীবী নিধনের এ তালিকায় ঢাকা বিভাগে ২০২ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয় । চট্টগ্রাম বিভাগে ২২৪ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। খুলনা বিভাগে ২৮০ জন শিক্ষক ও ছয়জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। রাজশাহী বিভাগে ২৬২ জন শিক্ষক ও ১৫ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। তবে এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম ছিল না। যাদের হত্যা করা হয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ড. আবুল কালাম আজাদ। সাংবাদিক ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী, সেলিনা পারভীন। এছাড়া শিল্পী আলতাফ মাহমুদ, সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার, মেহেরুন্নেসা, দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরো অসংখ্য নাম।
কাল বন্ধ থাকবে ৩১ ব্যাংকের এটিএম সেবা
১২ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিস্টেম আপগ্রেড এবং রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কিউ ক্যাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করা ব্যাংকের এটিএম সেবা, পিওএস, কার্ড এবং অন্যান্য সেবা বন্ধ থাকবে। আগামীকাল ১৩ ডিসেম্বর ভোর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টা পর্যন্ত এই সেবা বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। যেসব ব্যাংকের সেবা বন্ধ থাকবে : সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ওরি ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ( ক্রেডিট কার্ড), মিডল্যান্ড ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। এছাড়াও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান লংকাবাংলা ফাইন্যান্স এর ভিসা কার্ডের প্রযুক্তিতে বুথ থেকে টাকা উত্তোলন বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কিউ ক্যাশ থেকে বিকাশে টাকা প্রেরণ এবং অনলাইনে আয়কর প্রদান বন্ধ থাকবে।
থার্টিফার্স্টে উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ
১২ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে প্রকাশ্যে উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট দুটি দিবস খুব কাছাকাছি। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন যথাযথভাবে পালন করতে পারে এবং থার্টিফার্স্ট নাইট যাতে উশৃঙ্খলভাবে উদযাপন করতে না পারে সেজন্য আমরা আজকের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভাটি করেছি। এদিন রাস্তা বা ফ্লাইওভারে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না। বিশেষ করে সন্ধ্যা ৬টার পর প্রকাশ্যে উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না। তিনি বলেন, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যস্ত সারাদেশের সব বার বন্ধ থাকবে। এসময়ের মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলবে। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছি। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা যাতে যথাযথভাবে বড়দিন উদযাপন করতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট চার্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকাসহ সারাদেশে প্রায় তিন হাজার ৫০০টি চার্চে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া বড়দিন উপলক্ষে পুলিশের বিশেষ কন্ট্রোলরুম রাখা হবে। চার্চগুলোতে রাখা ফোকাল পয়েন্ট সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন। বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে ভুভুজেলা, আতশবাজি, পটকা ফোটানো যাবে না। এ উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বরের পর ঢাকাসহ সারাদেশে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের গান-বাজনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। এদিন রাত ৮টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ থাকবে। ঢাবি এলাকায় এসময় স্টিকার ব্যতিত কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না।
মেডিক্যাল রিপোর্ট বিবেচনা করেই জামিন নাকচ করেছে আপিল বিভাগ: আইনমন্ত্রী
১২ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট বিবেচনা করে আপিল বিভাগ তার জামিন নাকচ করেছেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে একথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবিরা তার মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে জামিন চেয়েছেন। আদালত এটি বিবেচনা করেছেন। আদালতের এটি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে উনাকে জামিন দিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়তেই সম্ভব। তিনি আরও বলেন, ৬ জন বিচারপতি তাদের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাস করি। নিশ্চয়ই বিএসএমএমইউতে কিছু করার থাকলে ডাক্তাররা ব্যবস্থা নিবে। সঠিক চিকিৎসা ডাক্তাররা দিচ্ছেন, আমি বিশ্বাস করি। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বিশ্বাস করেন না। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিএসএমএমইউতেই সম্ভব। আইনজীবীদের ৪৩ জনের প্যানেল আছে। পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তাঁরাই পরামর্শ দিবেন। মিয়ানমার বিষয়ে বাংলাদেশ কেন মামলা করেনি এই প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি রাখাইনে গনহত্যা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস কি আদেশ দেন তার উপর নির্ভর করবে বাংলাদেশের পরবর্তী পদক্ষেপ। বিশ্বের অবস্থান খুবই পরিস্কার। সেখানের ১৮ জন বিচারক সব শুনে আদেশ বা রায় দিবেন। তারপর পরবর্তী বিবেচনা। আমরা যেহেতু প্রতিবেশী তাই আলোচনার চেষ্টা থাকবে। গণহত্যা হলে বিশ্বের যে কেউ মামলা করতে পারে। ডি গাম্বিয়া একটি মুসলিম রাষ্ট্র, মুসলিমদের হত্যা করা হয়েছে এই মর্মে মামলা করেছে গান্বিয়া।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু ২৭০০ মিটার দৃশ্যমান
১১ডিসেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতুর ১৭ ও ১৮ নম্বর পিয়ারের ওপর বসানো হয়েছে ১৮তম স্প্যান। এতে করে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর ২ হাজার ৭০০ মিটার অবকাঠামো। আজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে ১৮তম স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়। তবে চলতি মাসে আরও দুটি স্প্যান তোলার পরকিল্পনার কথা জানয়িছেনে সংশ্লষ্টি পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরচিালক। এর আগে গত ১৯ নভেম্বর ১৬তম, ২৬ নভেম্বর ১৭তম স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। ১৭তম স্প্যান বসানোর ১৪ দিনের মাথায় বসানো হলো ১৮তম স্প্যানটি। পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ন কবীর জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাওয়ার কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড-১ থেকে ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার তিয়ান-ই ভাসমান ক্রেনে করে নির্দিষ্ট স্থানে স্প্যানটি আনা হয়। সকাল ১০টা ২০ মিনিটের মধ্যেই নির্ধারিত পিলারের সামনে এসে পৌঁছায়। পদ্মাসেতুতে মোট ৪২টি পিলারের মধ্যে বর্তমানে কাজ সম্পন্ন হয়েছে ৩৩টির। সেতুতে ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ৪১০টি স্ল্যাব বসানো হয়েছে। ২ হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ১২৫টি বসানো শেষ হয়েছে। পদ্মা সেতুর মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে চীন থেকে মাওয়ায় এসেছে ৩১টি স্প্যান। এর মধ্যে ১৭টি স্প্যান স্থায়ীভাবে বসে গেছে। ৬ দশমিক ১৫ দৈর্ঘ্যের দ্বিতল সেতুটি কংক্রিট ও স্টীল দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে। প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত পুরো প্রকল্পের কাজে অগ্রগতি হয়েছে ৭৬ ভাগ। এর মধ্যে সেতুর কাজে অগ্রগতি হয়েছে ৮৫ ভাগ আর নদী শাসনের কাজ ৬৫ ভাগ।
২০৩০ সালের আগেই কুষ্ঠ মুক্ত হবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী
১১ডিসেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সঠিক ব্যবস্থা নিলে ২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশ কুষ্ঠ রোগ মুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত কুষ্ঠবিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে যদি রোগ শনাক্ত এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তাহলে আর এটা বৃদ্ধি পায় না। এর ফলে সহজেই এ রোগ নিরাময় সম্ভব। সারা দেশে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলেও জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন,এখনো যেসব এলাকায় কুষ্ঠ রোগের প্রাদুর্ভাব রয়েছে, সেসব এলাকার দিকে আমাদের আরও বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। তাহলে আমি মনে করি, আমরা ২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশকে কুষ্ঠ রোগ মুক্ত করতে সক্ষম হবো। কুষ্ঠ রোগীদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কুষ্ঠ রোগীদের ঘরে বাইরে আসার সুযোগ করে দিতে ও স্বাভাবিক জীবন দিতে আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আইন সংশোধনের মাধ্যমে তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা ও বাইরের পৃথিবী দেখার সুযোগ করে দিয়েছি। এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতেও কাজ করছি। কুষ্ঠ নির্মূলে গবেষণার প্রয়োজন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, কুষ্ঠরোগ কোনো অভিশাপ নয়। জীবাণুর সংক্রমণে এ রোগের বিস্তার। এর জন্য দেশীয় গবেষকদের ;প্রয়োজনীয় গবেষণায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি কুষ্ঠ রোগীদের সহানুভূতির সঙ্গে দেখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন,সাধারণ মানুষকে আমি বলব, এরা সমাজেরই একজন। তাই তাদের সহানুভূতির সঙ্গে দেখা, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। সম্মেলনে দেশের কুষ্ঠ রোগীদের নিয়ে যেসব বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কাজ করছে তাদের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে এ কাজে আরও অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থাকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
যুদ্ধাপরাধী টিপু সুলতানের ফাঁসি
১১ডিসেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক শিবির নেতা রাজশাহীর বোয়ালিয়ার মো. আব্দুস সাত্তার ওরফে টিপু রাজাকার ওরফে টিপু সুলতানের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। এটি হচ্ছে ট্রাইব্যুনালের ৪১তম রায়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন মোখলেসুর রহমান বাদল। তার সঙ্গে ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম। এর আগে আসামি টিপু সুলতানের উপস্থিতিতে গত ১৭ অক্টোবর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন আদালত। পরে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। গত বছরের ২৭ মার্চ এ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। এরপর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। পরে একই বছরের ৮ আগস্ট তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগ চূড়ান্তের পর তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান বলেছিলেন,মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজশাহীর বোয়ালীয়ায় ১০ জনকে হত্যা, দুজনকে দীর্ঘদিন আটকে রেখে নির্যাতন, ১২ থেকে ১৩টি বাড়ির মালামাল লুট করে আগুন দেওয়ার অপরাধ উঠে এসেছে তদন্তে। এসব অপরাধে এ আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। তিনি আরও বলেন,মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও গণহত্যা চালিয়েছিল পাকিস্তানি আর্মি ও স্থানীয় রাজাকাররা। স্থানীয় সেই সব রাজাকারদের মধ্যে টিপু সুলতানই বেঁচে আছেন। তাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় আসামি জামায়াতে ইসলামী ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ পরবর্তীতে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৮৪ সালের পর থেকে রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেন আব্দুল হান্নান খান। তিনি বলেন, আসামি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে পড়াশোনা করেন। ১৯৮৪ সালে নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুর ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ২০১১ সালে অবসরে যান। তদন্ত সংস্থা জানায়, ১৯৮৪ সালের পর সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকলেও আসামি জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক। ১৯৭৪ সালের ১০ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। যদিও পরবর্তী সময়ে তিনি ছাড়া পান। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি বিস্ফোরক আইনের মামলায় মতিহার থানার পুলিশ তাকে ফের গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে যে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো হলো- ১৯৭১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টা থেকে পরদিন মধ্যরাত পর্যন্ত আসামি মো. আব্দুস সাত্তার ওরফে টিপু সুলতান ওরফে টিপু রাজাকার স্থানীয় অন্যান্য রাজাকার ও পাক সেনারা বোয়ালিয়া থানার সাহেব বাজারের এক নং গদিতে (বর্তমানে জিরো পয়েন্ট) হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বাবর মণ্ডলকে আটক করে। পরে তাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শামসুজ্জোহা হলে স্থাপিত সেনা ক্যাম্পে নিয়ে দিনভর নির্যাতন করার পর গুলি করে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেয়। ১৯৭১ সালের ২ নভেম্বর রাত আনুমানিক ২টায় এ আসামি, স্থানীয় রাজাকার ও ৪০ থেকে ৫০ পাক সেনা বোয়ালিয়া থানার তালাইমারী এলাকায় হামলা চালায়। এ হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা চাঁদ মিয়া, আজহার আলী শেখসহ ১১ জনকে আটক করে নির্যাতন চালায়। এ সময় তারা তালাইমারী এলাকার ১২ থেকে ১৩টি বাড়ি লুট করে। পরে আটক ১১ জনকে রাবির শহীদ শামসুজ্জোহা হলে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্প ও টর্চার সেলে নিয়ে গিয়ে ৪ নভেম্বর মাঝরাতে ৯ জনকে গুলি করে হত্যা করে মাটিচাপা দেয়।-আলোকিত বাংলাদেশ
এসএ গেমসে পদক জয়ীদের গণভবনে আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
১০ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৩তম এসএ গেমসে ১৯টি স্বর্ণ জিতেছে বাংলাদেশ। যা নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এবারের আসরের পদক জয়ীদের গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথম সাত দিনে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের ঝুলিতে ছিল ৭টি স্বর্ণপদক। এরপর অষ্টম দিনে শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেয়া শুরু করেন আর্চাররা। একদিনেই তুলে নেন ছয়টি সোনালী পদক। একই দিন নারী ক্রিকেটাররা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ছিনিয়ে নেন সপ্তম স্বর্ণ। প্রতিযোগিতার অষ্টম দিন শেষে বাংলাদেশের মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪টি স্বর্ণপদক। সোমবার দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এই আয়োজনের নবম দিনে বাংলাদেশের আর্চাররা আরও চারটি স্বর্ণ এনে দেন। দিনের শেষ ভাগে পঞ্চম স্বর্ণ এনে দেয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেট দল। আর এতেই বাংলাদেশের খেলাধুলার ইতিহাসে তৈরি হয় নতুন রেকর্ড।

জাতীয় পাতার আরো খবর