চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আজ রাষ্ট্রীয় শোক
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় আজ একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। বিদেশেও বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। শোক পালনের ঘোষণা দিয়ে গতকাল রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে চুড়িহাট্টা শাহী জামে মসজিদ রোড এলাকায় ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানানো হয়। এর আগে রোববার জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়।
চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টায় আগুনে হতাহতের ঘটনায় আগামীকাল সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় শোক দিবসে দেশের সব সরকারি-আধা সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুরান ঢাকা চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় ৬৭ জন নিহত হন। আহত হন প্রায় অর্ধশতাধিক। এখনো বেশ ক’জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
বিমান ছিনতাই নাটকের অবসান, অস্ত্রধারী নিহত
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমান ছিনতাই নাটকের অবসান হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অস্ত্রধারী যুবক মাহাদী নিহত হয়েছেন। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে নয়টায় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, লে. কর্নেল ইমরুলের নেতৃত্বে মাত্র ৮ মিনিটের অভিযানে এই ছিনতাইয়ের ঘটনার অবসান ঘটানো হয়েছে। রাজধানীর হলি আর্টিজান অভিযানেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লে. কর্নেল ইমরুল। ব্রিফিংয়ে সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম জোনের জিওসি মেজর জেনারেল মতিউর রহমান বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে একটা বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল। এই ছিনতাই নাটকের অবসান হয়েছে সফলভাবে। আজ বিকাল পাঁচটা ৩৩ মিনিটে আমাদের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিমানবাহিনী জানতে পারে যে, বিমানটি হাইজ্যাক হয়েছে। ককপিট থেকে আমাদের পাইলট এটি জানান। বিমানটি পাঁচটা ৪১ মিনিটে এখানে অবতরণ করে। এরপর এখানে নিয়োজিত বিমান বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তাবাহিনীর সমন্বয়ে ইমার্জেন্সি পদক্ষেপ নেয়া হয়। ছিনতাইকারী একজন বলে জানানো হয় ব্রিফিংয়ে। তার বয়স আনুমানিক ২৫/২৬ বছর। তিনি বলেন, ছিনতাইকারীকে নিভৃত করার জন্য আমাদের কমান্ডো বাহিনী প্রথমে তাকে আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান জানায়। কিন্তু সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে সে আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলে তার ওপর স্বাভাবিক অ্যাকশন যেটা, সেটাই হয়েছে। আমাদের সাথে গোলাগুলিতে ছিনতাইকারী প্রথমে আহত এবং পরবর্তীতে মারা যায়। এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় কোনো যাত্রী হতাহত হননি বলেও জানান মেজর জেনারেল মতিউর রহমান। তিনি বলেন, বিমানের ১৩৪ জন যাত্রী এবং ১৪ জন ক্রু সদস্যসহ মোট ১৪৮ জন ছিলেন। তাদের সকলেই অক্ষত অবস্থায় বিমান থেকে বের হয়ে এসেছেন। বিমানের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং বিমানটি তল্লাশি করি, এটিকে ইতোমধ্যেই চলাচল বা উড়ার জন্য নিরাপদ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন এই ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি? এমন প্রশ্নের জবাবে মেজর জেনারেল মতিউর রহমান বলেন, এই অল্প সময়ের মধ্যে তার সঙ্গে যতটুকু কথোপকথন হয়েছে, সে শুধু একটি দাবিই করেছিল। সে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল এবং তার স্ত্রীর সাথে কথা বলতে চেয়েছিল। এরপর আর তার সাথে কোনো কথা বলার সুযোগ আমাদের ছিল না, যেহেতু দ্রুততর সময়ে এই ছিনতাইয়ের অবসান ঘটাতে চেয়েছিলাম। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বলতে চেয়েছিলেন সেটি জানতে পারেনি অভিযান চালানো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার পরিবার সম্পর্কেও জানা যায়নি। তাকে প্রাথমিকভাবে দেখে পাইলট বিদেশি মনে করলেও সে আসলে বাংলাদেশি এবং তার কাছে একটি পিস্তল ছিল বলেও জানানো হয়েছে। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত চট্টগ্রাম বিমানঘাঁটি প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুল রহমান বলেন, সে যাত্রীদের কোনো ক্ষতি করার চেষ্টা করে নাই এবং তার একটাই দাবি ছিল, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং পরিবারের সাথে কথা বলতে চান। এসব কথা নিয়ে আমি তাকে ব্যস্ত রেখেছিলাম। আমাদের কমান্ডো বাহিনীগুলো যখন আসে তখন আমি তাকে কথার মাধ্যমে ব্যস্ত রেখেছিলাম। আমি তাকে বলেছিলাম যে, আপনাকে কথা বলার ব্যবস্থা করে দিবো। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল। একই সঙ্গে কমান্ডো অভিযানের প্রস্তুতি চলছিল। অভিযান চালানোর কারণে আর কথা বলা হয়নি। মেজর জেনারেল মতিউর রহমান বলেন, সে হয়তো তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনটি আমাদের দিতো। তার বাড়ি কোথায়, পরিবারের সদস্য সংখ্যা কত এগুলোর কিছুই আমাদের জানার সুযোগ হয়নি।
উন্নয়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করল বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুরু হলো কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের খনন কাজ। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় খনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। চট্টগ্রামকে আধুনিক ও গতিশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করবে তার সরকার। টানেল যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। এ নিয়ে বঙ্গোপসাগর উপকূলজুড়ে সাজ সাজ রব। প্রমত্তা কর্ণফুলীর স্বাভাবিক প্রবাহকে ব্যাহত না করেই পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত নির্মিত হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটারের মাল্টি লেনের বঙ্গবন্ধু টানেল। রোববার সকালে নগরীর নেভাল একাডেমির পশ্চিম প্রান্ত থেকে এর দুইটি টিউবের খনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই এলাকা থেকে চট্টগ্রামের লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত সাড়ে ১৬ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সুধি সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এত বিশাল একটা নদীর নিচ দিয়ে প্রথম টানেল বাংলাদেশেই নির্মাণ করা হচ্ছে। আনোয়ারা থেকে পটিয়া পর্যন্ত এবং পটিয়া থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চার লেনের যে রাস্তা হচ্ছে সেই রাস্তা পর্যন্ত সংযোগ রাস্তাটাও আমরা করে দেবো। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রকল্পগুলোর প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, এভাবেই ক্রমান্বয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, শুধু যোগাযোগের সুবিধা নয়, ব্যবসা বাণিজ্য শিল্পায়ন সবকিছুরই উন্নতি হবে, সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শুধু শহরভিত্তিক উন্নয়ন না, তৃণমূল পর্যায়-গ্রাম পর্যায় থেকে যেন উন্নয়নটা হয়, সেদিকে লক্ষ রেখেই আমাদের পরিকল্পনা নিয়েছি। দেশের মানুষ তার সুফলটা পেতে শুরু করেছে। গ্রামের মানুষ আরো সুন্দরভাবে যেন বাঁচতে পারে, উন্নত জীবন পেতে পারে, সকল নাগরিক সুবিধা পেতে পারে তার ব্যবস্থা আমরা করবো। সরকারপ্রধান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যার ঘনত্বের কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর দেশ বিনির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে তার সরকার। চট্টগ্রামসহ উপকূল এলাকা ঘিরে মহা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে, সেটিকে ধরে রেখে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ২০২২ সালে এই টানেলের কাজ শেষ হবে, আমরা মনে করি, তারপর আরো ব্যাপকভাবে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে। ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হবে এসব প্রকল্পের কাজ। নির্মাণ কাজ শেষ হলে ৮০ কিলোমিটার গতিতে যানবাহন চলাচল করতে পারবে দুইটি লেনে।
চুড়িহাট্টায় দগ্ধ ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চুড়িহাট্টায় দগ্ধ ৬ জনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। বাকি তিনজনের অবস্থা শঙ্কামুক্ত। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দগ্ধদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে যান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসময় তিনি, আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। বলেন, সরকারের নির্দেশনা না মানার কারণেই এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংসদের এ নিয়ে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে, ঢাকা মেডিকেলের মর্গে এখনো বাকি আছে ১৯টি মরদেহ হস্তান্তরের কাজ। বিকৃত হয়ে যাওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তে পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ চলছে আজো।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের মূল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ফলক উন্মোচন করেন তিনি। এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সকালে সরাসরি তিনি পতেঙ্গার সাগর পাড়ে সভামঞ্চে পৌঁছেন। সেখানে সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ৪ লেনের ১৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২৫০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। নির্মাণ কাজের দায়িত্বে রয়েছে ম্যাক্স-রেঙ্কিন জেভি। দীর্ঘ এ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নয়টি পয়েন্টে ২৪টি র;্যাম্প থাকবে।
কর্ণফুলী টানেলের খননকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল'-এর খননকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী এই খনন কাজ উদ্বোধন করেন। এর আগে, রোববার সকাল ১১টা ১০মিনিটে তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছান। এসময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রমুখ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে পৌঁছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল' নির্মাণ প্রকল্পের বোরিং কার্যক্রম ও লালখানবাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার পাইলিং প্রকল্পের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন। 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল' নির্মাণে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহায়তা তিন হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা এবং চীন সরকারের অর্থ সহায়তা পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা। দুই টিউবের মূল টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার। এর সঙ্গে টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ওয়ান সিটি টু টাউন মডেলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে সংযুক্তির উদ্দেশে এ টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমে আসবে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি ৩২ শতাংশ এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।
নিয়ম ভেঙে মজুদ করা হচ্ছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এলপি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদে মানা হচ্ছে না নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় নিয়ম। বেশিরভাগ গোডাউনেই বাতাস চলাচল ও আগুন নেভানোর ব্যবস্থা নেই। ফায়ার সার্ভিস বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ সংরক্ষণের কারণে ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। বিস্ফোরক পরিদপ্তর জানায়, লোকবল সংকটের কারণে নিয়মিত তদারকি করতে পারছে না সংস্থাটি। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় অনিরাপদ মজুদদারদের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযান চালানোর আশ্বাস তাদের। এলপিজি সিলিন্ডারগুলো সংরক্ষণের জায়গায় পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। বৈদ্যুতিক সুইচ ও অন্যান্য উপকরণও থাকবে গোডাউনের বাইরের অংশে। স্থানটিও হতে হবে আগুনের ব্যবহার আছে এমন জায়গা থেকে দূরে। এমন শর্তে অনুমোদনের ছড়াছড়ি থাকলেও তদারকি না থাকায় শর্ত পালনের শিথিলতার সুযোগ নেন ব্যবসায়ীরা। নিজস্ব নিরাপত্তা নেই বললেই চলে অনেক প্রতিষ্ঠানে, যা আশপাশের জনজীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়ম মেনে সংরক্ষণ না করায় যে কোন সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা । ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রি. জে. (অব) আলী আহম্মেদ খান বলেন, একটা কিংবা দুইটা লেয়ার পর্যন্ত রাখা যায়। চার-পাঁচটা লেয়ার রাখা যায় না। এতে রেগুলেটরের উপর চাপ পড়ে। এরকম করলে সিলিন্ডার লিক হয়ে যেতে পারে এবং দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। একটা দুর্ঘটনা ঘটলে তখন বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড হতে পারে। মূলত ফায়ার সার্ভিস ও বিস্ফোরক পরিদপ্তরের অনুমোদন নিয়েই ডিলার পর্যায়ে সিলিন্ডার মজুদ করা হয়। সারাদেশে ১৭টি কোম্পানির ২ কোটিরও বেশি সিলিন্ডার ব্যবহার হচ্ছে। এ ব্যবসায়ের জন্য ৬ হাজার প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন থাকলেও অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে আরও অনেক মজুদকারী প্রতিষ্ঠান। বিস্ফোরক পরিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক এম. সামসুল আলম বলেন, এ সংক্রান্ত আইনের অধীনে পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেট লাইসেন্স চেক করতে পারেন এবং মামলা দায়ের করতে পারেন। এ ব্যবসায় যারা অনিয়ম করছেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা শীঘ্রই ব্যবস্থা নেব। ১০টির বেশি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করলে সনদ নেয়ার বিধান রয়েছে। গ্রাহকের কাছে সহজে পৌঁছাতে এক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়। ডিলার পর্যায়ে মজুদকালীন নিরাপত্তা আরও জোরদারের জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করে বিস্ফোরক পরিদপ্তর।
রোববার কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের খননকাজ উদ্বোধন করতে কাল চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে শনিবার (২৩ জানুয়ারি) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। এসময় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সেতু বিভাগের সচিব ও জেলা প্রশাসকসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে সিটি মেয়র জানান, কর্ণফুলী টানেলের বোরিং মেশিন চালুর মধ্য দিয়ে খনন কাজের পাশাপাশি লালখান বাজার থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া সুধী সমাবেশে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার সফর ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে গোটা নগরজুড়ে। ৯৮৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণ করা হচ্ছে তিন দশমিক ৪ কিলোমিটারের টানেল।

জাতীয় পাতার আরো খবর