বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ী-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
১১মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষের প্রক্কালে যাত্রাবাড়ী-মাওয়া-ভাঙ্গা রুটে দেশের প্রথমবারের মত এক্সপ্রেসওয়ে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারী বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সরাসরি আনুষ্ঠানিকভাবে এই এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করবেন। ভ্রমণের সময় কমানোর পাশাপাশি দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর লোকদের জন্য আরামদায়ক ও নিরবিচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হয়। প্রকল্প কর্মকর্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক মানের এই এক্সপ্রেসওয়ে দুইটি সার্ভিস লেনের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীকে যুক্ত করবে। স্থানীয় এক পরিবহন চালক বলেন, এটি একটি চমৎকার এক্সপ্রেসওয়ে, যা ভ্রমণের সময় সাশ্রয় করবে এবং এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন দ্রুত নির্বিঘ্নে ও নিরবচ্ছিন্নভাবে চলাচল করবে। প্রকল্পের বিবরণ অনুসারে, এক্সপ্রেসওয়েতে পাঁচটি ফ্লাইওভার, ১৯ টি আন্ডারপাস এবং প্রায় ১০০টি সেতু এবং কালভার্ট রয়েছে, যা দেশের ব্যবসা- বাণিজ্য বাড়িয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। এটিতে মাওয়া থেকে ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এবং ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ পানছার থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত দুটি এক্সপ্রেসওয়ে পুরো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং ঢাকা বিভাগের একটি অংশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকা শহর এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার করবে। বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা, খুলনা বিভাগের ১০ টি জেলা এবং ঢাকা বিভাগের ছয় জেলাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ টি জেলার মানুষ সরাসরি এই আন্তর্জাতিক মানের এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উপকৃত হবেন। আধুনিক এক্সপ্রেসওয়ের দুটি অংশ ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর মধ্য দিয়ে সংযুক্ত হবে, যা বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে। দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতুর চার কিলোমিটার গতকাল মঙ্গলবার ২৬তম স্প্যান বসানোর পরে ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। ২০২১ সালের জুনের মধ্যে ট্র্যাফিকের জন্য ব্রিজটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে গেলে, কোনও ভ্রমণকারীকে ভাঙ্গা থেকে ঢাকা আসা এবং যেতে এক ঘন্টা সময় লাগবে না। এই হাইওয়েতে আগামী ২০ বছরের জন্য ক্রমবর্ধমান ট্রাফিকের পরিমাণ বিবেচনা করে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় ১১০০৩.৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মিত হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে ২০১৬ সালে চারটি জেলা ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর এবং ফরিদপুরে এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করে এবং এটি নির্ধারিত সময়সীমার তিন মাস আগে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২০ সালের ২০ জুন। ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মুজিব বর্ষ উদযাপন শুরুর প্রাক্কালে এক্সপ্রেসওয়ে ট্রাফিকের জন্য উন্মুক্ত হতে চলেছে। স্থানীয় ও ধীর গতি সম্পন্ন যানবাহনের জন্য এক্সপ্রেসওয়ের দু পাশে দুটি পরিসেবা লেন রাখা হয়েছে যাতে দ্রুত যানবাহনগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় চলাচল করতে পারে এবং এইভাবে দীর্ঘপথের যাত্রীদের ভ্রমণের সময় হ্রাস করতে পারে। এক্সপ্রেসওয়ের পাঁচটি ফ্লাইওভারের মধ্যে একটি ২.৩ কিলোমিটার কদমতলী-বাবুবাজার লিংক রোড ফ্লাইওভার রয়েছে। অন্য চারটি ফ্লাইওভার হলো আবদুল্লাহপুর, শ্রীনগর, পুলিয়াবাজার এবং মালিগ্রামে। ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েতে জুরাইন, কুচিয়ামোড়া, শ্রীনগর ও আতাদিতে চারটি রেলওয়ে ওভার ব্রিজ রয়েছে এবং চারটি বড় সেতু রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৩ মিটার ধলেশ্বরী -১, ৫৯১ মিটার ধলেশ্বরী -২, ৪৬৬-মিটার আড়িয়াল খান এবং ১৩৬-মিটার কুমার সেতু। মাওয়ার নিকটবর্তী রাস্তার পাশে নিরালা রেস্তোঁরার মালিক মোহাম্মদ মাসুদ বলেছেন, এক্সপ্রেসওয়ের কারণে মাওয়া থেকে ঢাকা যেতে আগের দুই ঘন্টার পরিবর্তে এখন ৩০-৪০ মিনিট সময় লাগে। এক্সপ্রেসওয়েতে যানজট না থাকায় বাস ও ট্রাক দ্রুতগতিতে চলাচল করতে পারে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর আগে পোস্তগোলা রেলপথ পারাপারে ৩০ মিনিট থেকে ৬০ মিনিট সময় লেগেছিল, তবে এখন মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই স্পটটি অতিক্রম করা যায়। তিনি বলেন, ভ্রমণের সময় হ্রাস হওয়ায় রোগীরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাজধানী থেকে খুব সহজেই মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবেন। দ্রুত যোগাযোগের অগ্রগতির কারণে এখন অনেক লোকই আমাদের এলাকায় ঘরবাড়ি এবং অন্যান্য স্থাপনা তৈরি করতে চায়। তিনি আশাবাদী তাঁর অঞ্চলটি একটি পর্যটন স্পটে পরিণত হবে। বর্তমানে ঢাকায় অবস্থানরত ব্রিটিশ বাংলাদেশী নাগরিক আরিফ চৌধুরী এক্সপ্রেসওয়ে পরিদর্শন করে বলেছেন, এটা চমৎকার, আমি অভিভূত । আমার কাছে মনে হয় আমি যুক্তরাজ্যের কোথাও আছি , এই এক্সপ্রেসওয়ের মান এবং সৌন্দর্য দেখে আমি গর্ব অনুভব করছি। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করছে, বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করতে চলেছে।- বাসস
রূপনগরের বস্তির আগুন ছড়িয়ে পার্শ্ববর্তী ভবন ও মসজিদে
১১মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর রূপনগরে বস্তির আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট। সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রূপনগরের আগুন বস্তি ছাড়িয়ে এখন পার্শ্ববর্তী কয়েকটি বহুতল ভবন ও মসজিদে ছড়িয়ে গেছে। এছাড়া পুড়ে গেছে কয়েকশো ঘর। যত সময় যাচ্ছে আগুনের গতি তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে জানায়, আজ বুধবার (১১ মার্চ) সকালে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত এবং আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়নি। এ বিষয়ে ফায়ার অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ডিউটি অফিসার রাসেল শিকদার বলেন, সকাল পৌনে ১০টায় মিরপুরের রূপনগরের ত ব্লকের বস্তিতে আগুন লাগে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত এবং আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়নি। তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট প্রথমে কাজ শুরু করে। পরে আরও ৯টি ইউনিট যোগ হয়ে মোট ২০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এরপর পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ায় আরও ৫টি ইউনিট আমাদের সঙ্গে যোগ দেয়। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ২৫টি ইউনিট কাজ করছে। এছাড়াও তাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষও যে যার মতো পানি ও বালি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।
নির্ধারিত তারিখেই হবে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি মাসের ১৭ তারিখেই মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান করা হবে। সেই ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মুজিববর্ষ বাস্তবায়ন আন্তর্জাতিক উপকমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওই দিন বড় কোনও গণজমায়েতের চিন্তা নেই, তবে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সঙ্গে অনুষ্ঠানের সংযোগ থাকবে। আমাদের অনুষ্ঠানের মধ্যে আরও ছিল ২২ ও ২৩ মার্চ সংসদে বিশেষ অধিবেশন, ২০ মার্চ শিশুদের সংগীত, ২৬ মার্চ ও ২৭ মার্চ অতিথিদের নিয়ে অনুষ্ঠান। সবগুলোই হবে, তবে জনসমাগম এড়িয়ে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তার ২ কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা চেয়েছিলেন মুজিবশতবর্ষ উদযাপন হোক, আমরাও ভক্ত হিসেবে চেয়েছিলাম। কিন্তু মানুষের কথা বিবেচনা করে গণজমায়েতের পরিবর্তে অনুষ্ঠানের সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। আমরা বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে, তারাও চিঠির জবাব দিয়েছেন। পরিবেশ ভালো হলে আগামীতে বড় অনুষ্ঠান করা হবে। আব্দুল মোমেন বলেন, বিশ্বে করোনা ভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের মন্ত্রণালয় দেশ সফর সীমিত করেছে। এছাড়া আমরা ৬ টি দেশের (চীন, ইরান, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড) ব্যাপারে বিশেষ নজর রাখছি। ওইসব দেশে থেকে আমাদের দেশে আসতে মেডিকেল টেস্ট করাতে বলেছি, খুব জরুরি না হলে প্রবাসীদের দেশে আসতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে তিনজন আক্রান্ত হয়েছে, এর বাইরে কেউ নেই। দেশের বাইরে সিঙ্গাপুরে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছিল তারা সবাই ভালো আছেন। যেসব দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেশি তাদেরকে আমরা আপাতত দেশে আসতে নিরুৎসাহিত করছি।
জয় বাংলা- কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রীয় সব অনুষ্ঠানে জয় বাংলা স্লোগান বাধ্যতামূলক ঘোষণা করলো হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন এ ঘোষণা দেন। রায়ে আদালত বলেছেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সর্বস্তরের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে- জয় বাংলা স্লোগান বলতে ও দিতে হবে। আদালত আরো বলেন, সামনে ১৬ ডিসেম্বর আছে বা পরবর্তী সময়ে যেসব জাতীয় দিবস আছে, প্রতিটি দিবসে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের শীর্ষপর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরের প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে ভাষণ বা বক্তব্যের শুরু ও শেষে জয় বাংলা স্লোগান দিতে হবে। জয় বাংলা কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা চেয়ে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। ঐ বছরের ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রিটের ওপর রুল জারি করে। রুলে জয় বাংলা কে কেন জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। চলতি বছর ঐ রুলের ওপর শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবীরা জয় বাংলা কে জাতীয় স্লোগান করার পক্ষে তাদের মত তুলে ধরেন।
করোনা ভাইরাস: আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বর বৃদ্ধি
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ সম্পর্কিত তথ্য জানাতে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) নিয়মিত চারটি হটলাইন নম্বরের পাশাপাশি আরও ৮টি নম্বর যোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৬২৬৩ নম্বরেও কল করে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। গতকাল সোমবার কোভিড-১৯ নিয়ে আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির নতুন হটলাইন নম্বরগুলো হলো- ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১। আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো ৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে আইইডিসিআরের চারটি হটলাইনে মোট ৫০৯টি ফোন আসে। লাইন ব্যস্ত থাকায় আরও অনেকেই অপেক্ষায় ছিলেন। ৫০৯টি কলের মধ্যে ৪৭৯টিই ছিল করোনা সংক্রান্ত। তারা করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জানতে ফোন করেন। এ ছাড়া ১৮ জন সরাসরি আইইডিসিআরে আসেন। তিনি বলেন, অনেকেই জানিয়েছেন তারা আমাদের হটলাইনে একবারে কল করে কথা বলতে পারছেন না। এসব চিন্তা করে আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বর বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ মানুষকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত ও তাদের মনে আসা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে নতুন হটলাইন নম্বর যোগ করা হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বাতায়ন নামে পরিচিত ১৬২৬৩ নম্বরে কল করেও কোভিড-১৯ সম্পর্কে জানা যাবে।
বসানো হলো পদ্মা সেতুর ২৬ তম স্প্যান
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতুর ২৬তম স্প্যান বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে স্প্যানটি সেতুর জাজিরা প্রান্তের ২৮ ও ২৯ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো হয়। এতে সেতুর ৩ হাজার ৯০০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। এছাড়াও জাজিরা ও মাওয়া প্রান্তে বিছিন্নভাবে আরও ১২টি স্প্যান বসানো হয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যে ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে সোমবার মুন্সীগঞ্জের কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ২৬তম স্প্যানটি নিয়ে ভাসমান ক্রেনে জাজিরার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। নির্ধারিত পিলার ২৮ ও ২৯ বরাবর অবস্থান নেয়। এরপর গতকালের কাজ শেষ করা হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা স্প্যানটি পিলারের ওপর বসানোর কাজ শুরু করে। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের জানান, সোমবার মুন্সীগঞ্জের কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ২৬তম স্প্যানটি নিয়ে ভাসমান ক্রেনে জাজিরার উদ্দেশ্যে আনা হয়। আবহাওয়াসহ সবকিছু অনুকূলে থাকলে আজ স্প্যানটি পিলারে স্থাপন হবে। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটি বসে গেলে সেতুর ৩৯০০ মিটার দৃশ্যমান হবে। চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যে ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যার ২৫টি বসে গেছে। আগামী জুলাইয়ে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম স্প্যানটি বসে ১৪ জানুয়ারি। এর আগে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর পদ্মা সেতুর ১৮তম স্প্যান ও ১৮ ডিসেম্বর বসানো হয় ১৯তম স্প্যান এবং ৩০ ডিসেম্বর বলে ২০তম স্প্যানটি। সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব ও রেলওয়ে স্ল্যাবসহ অন্যান্য কাজ সিডিউল অনুযায়ী চলছে। দেশের সর্ববৃহৎ সেতুটির মূল অংশের নির্মাণকাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর কাজ শুরু হয়। ৬ দশমিক ১৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল সেতুটি কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে।
রাজধানীতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা পাবেন যেসব হাসপাতালে
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহজনক রোগীদের জন্য রেফারেন্স হাসপাতাল হিসেবে দেশের কয়েকটি হাসপাতাল নির্দিষ্ট রাখা হয়েছে। হাসপাতালগুলো হল- মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মহানগর জেনারেল হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। হাসপাতালগুলো সোমবার থেকে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চিকিৎসা কাজে ব্যবহারের জন্য মজুদ রাখা হয়েছে মাস্ক, গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও রোগ প্রতিরোধী পোশাক।
মাস্কের দাম ও মজুদ নজরদারিতে রাখার নির্দেশ আদালতের
০৯মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। কেউ যেন মাস্ক মজুদ রেখে মাস্কের দাম বেশি রাখতে না পারে তা তদারকির আদেশ দেন। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা নিতে বলেছে হাইকোর্ট। সোমবার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ওপর শুনানিতে আদালত এসব কথা বলেন। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই শুনানি হয়। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিবেদন হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়। আদালতে পাঁচ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনটি পড়ে শুনান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আবদুল্লাহ আল-মাহমুদ বাশার। প্রতিবেদন শোনার পর আদালত নির্দেশনা দিয়ে বলেছে, দেশের অভ্যন্তরে সকল স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরগুলোতে পর্যাপ্ত থার্মাল স্ক্যানার বসাতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি থার্মাল স্ক্যানারের মধ্যে দুটি নষ্ট থাকায় অবিলম্বে এগুলোকে সচল করতে হবে। করোনাকে কেন্দ্র করে মাস্কসহ অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জামের মূল্য নিয়ে কেউ যাতে অনৈতিক ব্যবসা করতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মনিটর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে কেউ আসলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস নেই- এ সম্পর্কিত (সংশ্লিষ্ট দেশের) নিশ্চয়তাপত্র থাকতে হবে বলেও নির্দেশনায় বলা হয়। গত ৫ মার্চ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে এসব নির্দেশনা দেন আদালত।

জাতীয় পাতার আরো খবর