রবিবার, জানুয়ারী ২৬, ২০২০
কাল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
০৬জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী এ ভাষণ দেবেন। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন-রেডিও এবং অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের স্থান পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ
০৬জানুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় রাজধানীর কুর্মিটোলা বাসস্টপসংলগ্ন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুটি দল। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিম ও আসামির ব্যবহৃত জিনিসপত্রসহ বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়। আজ সোমবার দুপুরে আলামত সংগ্রহে ঘটনাস্থলে যান Rab ও গোয়েন্দা পুলিশের দুটি দল। কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সামনের জঙ্গলের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল শনাক্ত করেছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক RAbর এক সদস্য বলেন,ঝোপের মধ্য থেকে ইউনিভার্সিটির বই, চাবির রিং, ইনহেলার, ঘড়িসহ বেশ কিছু আলামত আমরা পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি এটিই ঘটনাস্থল। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা আসলে বিস্তারিত জানানো হবে। এদিকে তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে Rab ও গোয়েন্দা পুলিশের দল। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। জানা গেছে, গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশে ঢাবির বাসে ওঠেন ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেওড়ার বিপরীত পাশে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামেন তিনি। সেখানে অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখ চেপে তাকে পাশের একটি স্থানে নিয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে আবিষ্কার করেন। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গন্তব্যে পৌঁছান ওই ছাত্রী। পরে রাত ১২টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা।
মানুষের বিশ্বাস স্থাপনে পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ
০৬জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা জরুরি বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তিনি। পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা বিশ্বাসে পরিণত করারও তাগিদ দেন সরকারপ্রধান। পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। পুলিশ সপ্তাহে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সারাদেশের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের এই উপস্থিতি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগ দেন এই আয়োজনে। পুলিশের কার্যক্রম পর্যালোচনা, মূল্যায়ন ও আগামীর কর্ম পরিকল্পনাসহ নানা দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া এবং এবার আপনারা মুজিববর্ষে যে থিমটা নিয়ে এসেছেন, বিশেষ করে আপনাদের যে প্রতিপাদ্য বিষয়-এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা বলেছেন, মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার। আসলে পুলিশকে জনতারই হতে হবে। জনগণ যেন আস্থা পায়, বিশ্বাস করে যেমন-৯৯৯ করার ফলে পুলিশের প্রতি মানুষের একটা আত্মবিশ্বাস হয়েছে। আগে পুলিশের প্রতি মানুষের যে একটা অনীহা ছিল, তা এখন আর নেই। তিনি বলেন, এখন পুলিশর প্রতি মানুষের আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধি পয়েছে। কাজেই আপনারা সেভাবেই কাজ করবেন। আর আমাদের এটাই লক্ষ যে, আমাদের অর্থনীতি যত শক্তিশালী হবে, তত বেশি আমরা আমাদের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও উন্নতি করতে পারব। চাহিদার ভিত্তিতে পুলিশে পদায়ন ও কাঠামো সংস্কার করার আশ্বাস দেন শেখ হাসিনা। পুলিশের উত্থাপিত প্রস্তাব, দাবি ও সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন সরকারপ্রধান। বিভিন্ন মেয়াদে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকেও বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টি দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারেনি বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে স্বপ্ন নিয়ে জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করেছেন, তার সেই স্বপ্ন পূরণ করা অর্থাৎ, বাংলাদেশকে একটা মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা, স্বাধীনতার সুফল যেন বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছায়- সেই লক্ষ নিয়েই আমার কাজ। শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পর আমরা সরকারে আসি। সরকারে আসার পর আমি দেখেছি, এ দেশের দুরবস্থা। আমি ৮১ সালে দেশে আসার পর সমগ্র বাংলাদেশ আমি ঘুর বেড়াই। একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমি গিয়েছি। মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটেছি বা নৌকায় চড়েছি, ভ্যানে চড়েছি। বাংলাদেশের কোনও উন্নয়ন ছিল না। তাই চিহ্নিত করেছিলাম সমস্যাগুলো। কী করলে এসব এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি হতে পারে এটা শুধু আমার নিজের দেখা না, এর আগে আমরা পারিবারিকভাবে যখন বসতাম আব্বা তখন এই বাংলাদেশ নিয়েই গল্প করতেন। তার স্বপ্ন ছিল এবং তিনি বলতেন বাংলাদেশটাকে তিনি কিভাবে সাজাবেন; প্রতিটি গ্রামকে তিনি কিভাবে উন্নতি করবেন সে চিন্তাটা তার সব সময় ছিল। তিনি বলেন, ১৯৭০ সালে আমি মায়ের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামে গিয়েছিলাম। তখন সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে একটা ধারণা আছে। কিন্তু ৮১ সালে যখন সেখানে যাই, তখন দেখি সেখানে একটা আত্মঘাতী সংঘাত। এই যে একটা আত্মঘাতী সংঘাত, সেটাও কিন্তু আমরা একটা শান্তিচুক্তি করে সমাধান করে দিয়েছি। এরপর ওই জায়গার উন্নতি আমরা শুরু করেছি। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আমি পুরো বাংলাদেশ যখন ঘুরি, তখন সারাদেশের থানাগুলোর এমন জরাজীর্ণ অবস্থা ছিল, কোনো থানায় ১৫/২০ জনের বেশি পুলিশ ছিল না। আমার এলাকা এমন একটা দুর্গম এলাকা ছিল যে ঢাকা থেকে ২৪ ঘণ্টা লেগে যেত টুঙ্গীপাড়া যেতে আর সেখানে প্রায় ডাকাতি হত। ফলে এসব বিষয়ে আমি মনোযোগ দিই এবং নানা পদক্ষেপ নিই।
নরপিশাচকে গ্রেপ্তারে পুলিশকে অনুরোধ করেছি : ঢাবি ভিসি
০৬জানুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে অনুরোধ জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন,তাদের (জড়িতদের) ধরতে পুলিশ তৎপর আছে। তাদের (পুলিশ) অনুরোধ করেছি নরপিশাচকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য। আজ সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই ছাত্রীকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন উপাচার্য। অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, আমরা খুবই মর্মাহত, চরম দুঃখজনক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এটি। হাসপাতালে তাকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ছাত্রীর মনোবল ভালো আছে। তার মনোবল খুব শক্ত আছে। ঢাবি কর্তৃপক্ষ তার অভিভাবক। বাবাসহ পরিবারের লোকজন তার সঙ্গে আছে। প্রথমে তাকে মানসিকভাবে সামর্থ্য করে তুলতে হবে। তার কাছে আমরা ভিড় করব না। এখন মূলত প্রধান কাজ হচ্ছে তাকে মানসিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া। পাশাপাশি নরপিচাশকে শনাক্ত করা, তাকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা। উপাচার্য আরও বলেন,থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকেই পরিবারের কাছ থেকে মামলা নিয়েছে। তার বাবা বাদী হয়েছে। ঢাবি সব ধরনের সহায়তা দেবে। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। জানা গেছে, গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশে ঢাবির বাসে ওঠেন ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেওড়ার বিপরীত পাশে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামেন তিনি। সেখানে অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখ চেপে তাকে পাশের একটি স্থানে নিয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে আবিষ্কার করেন। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গন্তব্যে পৌঁছান ওই ছাত্রী। পরে রাত ১২টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত আছেন। আর সুচিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
ছাত্রী ধর্ষণ : দোষীদের শাস্তির দাবিতে ক্ষোভে উত্তাল ঢাবি
০৬জানুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষিত হওয়ার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা ক্যাম্পাস। গতকাল রোববার দিবাগত রাতেই দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এ ঘটনায় আজ সোমবার বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণের প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বেলা ১১টায় সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিশাল মানববন্ধন করে তারা। এ সময় ধর্ষণের প্রতিবাদ ও বিচার চেয়ে নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড-ব্যানার ছিল তাদের হাতে। অন্যদিকে ছাত্রী নির্যাতন ও ধর্ষণে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এ ছাড়া ছাত্রী নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাবি শামসুন নাহার হলের ভিপি তাসনীম আফরোজ ইমির আহ্বানে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীদের আরেকটি অংশ। এদিকে ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক ছাত্র একাই অনশনে বসেছেন বলে জানা গেছে। অনশনে বসা ওই ছাত্রের নাম সিফাতুল ইসলাম। তিনি দর্শন বিভাগের ২০১৩/১৪ সেশনের ছাত্র। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন আর কয়েকজন শিক্ষার্থী। সেখানে ব্যানারে লেখা রয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে অনশন। সিফাতুল ইসলাম বলেন,আমাদের বোন ধর্ষণের শিকার হয়েছে তার প্রতিবাদে আমরা অনশন পালন করছি। আমরা দ্রুত ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। জানা গেছে, গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশে ঢাবির বাসে ওঠেন ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেওড়ার বিপরীত পাশে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামেন তিনি। সেখানে অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখ চেপে তাকে পাশের একটি স্থানে নিয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে আবিষ্কার করেন। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গন্তব্যে পৌঁছান ওই ছাত্রী। পরে রাত ১২টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত আছেন। আর সুচিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এস কে সিনহা) পলাতক ১১ আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পরোয়ানা কার্যকরের বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে আগামী ২২ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েস তাদের বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন। মামলায় মোট ১১ আসামীর মধ্যে সাবেক ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড) নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীর (বাবুল চিশতী) অন্য মামলায় কারাগারে আছেন। এর আগে গত ৯ই ডিসেম্বর ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়।www.mzamin.com
পুলিশ সপ্তাহে ১১৮ জনকে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পুলিশ সপ্তাহে ১১৮ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রাজারবাগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সপ্তাহ-২০২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই পদক ও ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, (ডিএমপির উপ-কমিশনার জামিল হাসান, উপ-কমিশনার শ্যামল কুমার মুখার্জী, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মশিউর রহমান, ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ, ডিবি দক্ষিণের উপ-কমিশনার রাজীব আল মাসুদ, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আর এম ফয়জুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আরিফুল ইসলাম, ডিবি পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আতিকুল ইসলাম, ডিএমপির মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার জাহিদুল ইসলাম সোহাগ, ডিএমপির গেন্ডারিয়া থানার ওসি সাজু মিয়া, ডিএমপির আরওআই কাইয়ুম শেখ, শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান, ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, শ্যামপুর থানার এসআই সোহাগ চৌধুরী ও এএসআই মাসুম বিল্লাহ। একনজরে পদকপ্রাপ্তদের তালিকা- কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মিশুক চাকমা, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এসএম নাজমুল হক, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাহফুজা লিজা, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রহমত উল্লাহ চৌধুরী, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আহসান হাবীব, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার তৌহিদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার অহিদুজ্জামান নুর, সহকারী কমিশনার আতিকুর রহমান চৌধুরী, সহকারী পুলিশ কমিশনার ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ, পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ, এসআই আশুতোষ শীল, এএসআই সোলাইমান হোসেন, নায়েক মোহাম্মদ রাসেল মিয়া ও কনস্টেবল সালমান হাজারী। Rapid Action Battalion এর মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার, সদর দফতরের লে. কর্নেল মীর আসাদুল আলম, পরিচালক (গোয়েন্দা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব আলম, RAB-6এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ মোহাম্মদ নূরুস সালেহীন ইউসুফ, RAB-15এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ, RAB-2 এর পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী, RAB এর গোয়েন্দা শাখার মেজর শাহীন আজাদ, RAB হেডকোয়ার্টার্সের উপ-পরিচালক মেজর এসএম সুদীপ্ত শাহীন, RAB এর গোয়েন্দা শাখার মেজর মনিরুল ইসলাম, মেজর মাহমুদ হাসান তারিক, RAB-8 এর মেজর খান সজিবুল ইসলাম, RAB-11এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন, RAB এর গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদ আহম্মেদ, RAB-1 এর সহকারী পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন ও সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, RAB হেডকোয়ার্টার্সের সার্জেন্ট শহীদুল ইসলাম ও RAB-1 এর সৈনিক রাকিব হোসেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি মহাবুবুর রহমান ভুইয়া, এআইজি এ এফ এম আনজুমান কালাম, এআইজি তামান্না ইয়াসমীন, এআইজি মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, এআইজি মিলন মাহমুদ, পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল হুদা আশরাফী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ নেওয়াজ রাজু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরে আলম, পরিদর্শক জিয়াউর রহমান ও এসআই সোহাগ মিয়া। পুলিশের বিশেষ শাখা-এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম, বিশেষ পুলিশ সুপার জেরিন আখতার, বিশেষ পুলিশ সুপার জাহিদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম মিয়া, পুলিশ পরিদর্শক কাওছার আহম্মেদ, পরিদর্শক ইউনুস আলী শেখ, এসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই মোহাম্মদ মোহন মিয়া। পিবিআই-এর ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, পিবিআই যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন, পিবিআই ফেনী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, পিবিআই গাজীপুর জেলার পরিদর্শক হাফিজুর রহমান ও পিবিআই ফেনী জেলার পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলম। পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম, ১১ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান-এর অধিনায়ক শাহীন আমীন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ-জিএমপির উপ-কমিশনার কে এম আরিফুল হক ও জিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মনজুর রহমান, বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আরিফুর রহমান মন্ডল, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা, সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন ফাহিম, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, নরসিংদীর সহকারী পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসান, এসএসএফ-এর এএসপি মিরাজুল ইসলাম, সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা, বরিশাল হিজলা নৌপুলিশের পরিদর্শক বেলাল হোসেন, শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার ওসি মেহেদী হাসান, বাগেরহাটের পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের রাউজান থানার ওসি মোহাম্মদ কেপায়েত উল্লাহ, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-সিএমপির পুলিশ পরিদর্শক রাজেস বড়ুয়া, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ এম আব্দুর রহমান মুকুল, সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহিম হোসেন, চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান, রংপুরের তাজহাট থানার এসআই মামুনুর রশীদ, ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই আক্রাম হোসেন, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ফিরোজ সরকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নারী ও শিশু সহায়তা কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই ইসমাতারা, সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ইয়াছিন আরাফাত, মানিকগঞ্জ সিংগাইর থানার এসআই আল মামুন, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই জুলহাজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ তাড়াইল থানার এসআই রাজীব আহম্মেদ, টাঙ্গাইল দেলদুয়ার থানার এসআই হারুন অর রশিদ, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ওয়াদুদ আলী, ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই বিলায়েত হোসেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই মাইনুল ইসলাম, বগুড়া শেরপুর থানার এএসআই নান্নু মিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডিবির এএসআই বিকাশ চন্দ্র সরকার, বগুড়া ডিবির এএসআই রানা হামিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার এএসআই আনোয়ার হোসেন, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিওন এএসআই মরহুম আক্তার হোসেন, ঝিনাইদহ জেলার এএসআই শরিফুল ইসলাম, নৌ পুলিশ ঢাকার কনস্টেবল জীবন সিকদার ও খাগড়াছড়ির মহালছড়ির-৬ এপিবিএন-এর কনস্টেবল ফয়সাল আহমেদ। প্রধানমন্ত্রীর অভিবাদন গ্রহণের মধ্য দিয়ে আজ শুরু হয় পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২০। মুজিববর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতারএ প্রতিপাদ্য নিয়ে পুলিশ সপ্তাহ পালন হচ্ছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে সারা দেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত দৃষ্টিনর্ন্দন প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। এরপর পুলিশ বাহিনীর সদস্যকে বিপিএম, পিপিএম ও আইজিপি পদক দেন। সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পুলিশ সপ্তাহে চারটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদকের (পিপিএম) জন্য তুলে দেন। এ ছাড়া প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ প্রদান করেন। পুলিশবাহিনীর দৃষ্টিনন্দন ও সুশৃংখল প্যারেড মুগ্ধ করেছে বলেও অনুভূতি ব্যক্ত করেন তিনি সূত্র: সারাবাংলা
কেরানীগঞ্জে কেমিকেল বিস্ফোরণ: আগুন নিয়ন্ত্রণে, আহত ১০
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব বন্দডাকপাড়া আবাসিক এলাকায় রবিবার দুপুর ১২ টায় মারুক আহমেদের কেমিকেল গোডাউনে বিস্ফারণ হওয়ার পর অবশেষে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নেভাতে গিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী বর্ণনা থেকে জানা যায়, বিস্ফারণে গোডাউনের টিনের চাল উড়ে যায়। এলাকাবাসী এ সময় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিট ঘটনা স্থালে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় ও তাদের চেষ্টায় দ্রুত আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়, তারা নিজেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেমিকেল গোডাউনের আগুন নেভাতে সাহায্য না করলে ওই এলাকায় প্রায় ৫০ বাড়ি আগুনে পুড়ে যেত। এ ক্ষেত্রে প্রাণহানির সম্ভাবনা ছিলো বলে জানান তারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, বিস্ফোরণে গোডাউনের প্রায় এক হাজার ফুটের মধ্যে থাকা সকল বাড়ি-ঘর এবং একটি মসজিদের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের পর কেমিকেল ব্যবসায়ীরা কেরানীগঞ্জের আতাশুর, কালিন্দী, ডাকপাড়া, চুনকুটিয়া সহ ১২ টি আবাসিক এলাকায় এরকম ৫০টি কেমিকেলের গোডাউন রয়েছে। এ নিয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইত্তেফাক পত্রিকায় কেরানীগঞ্জ আবাসিক এলাকায় রাসায়নিক গোডাউন, এলাকাবাসী আতংকিত শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর সরকার কেরানীগঞ্জের আবাসিক এলাকা থেকে কেমিকেল গোডাউন সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিলেও স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশ এখনো কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এলাকাবাসীর দাবি, সরকার যেন দ্রুত কেরানীগঞ্জের আবাসিক এলাকা থেকে সব কেমিকেল সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
রবিকে ১৩৮ কোটি টাকা পাওনা পরিশোধের নির্দেশ
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পাওনা ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার মধ্যে আপাতত ১৩৮ কোটি টাকা পরিশোধ করতে বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর রবি অজিয়াটারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাঁচ মাসে সমান পাঁচটি কিস্তিতে এ টাকা দিতে বলা হয়েছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রবির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী, আইনজীবী তানজীব উল আলম ও ব্যারিস্টার কাজী এরশাদুল আলম। আর বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন খন্দকার রেজা-ই-রাকিব। পরে কাজী এরশাদুল আলম জানান, পাঁচ মাসের সমান কিস্তিতে ১৩৮ কোটি টাকা দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। প্রথম কিস্তি ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দিতে হবে। গতবছরের ২০ অক্টোবর কাজী এরশাদুল আলম জানিয়েছিলেন, গত বছরের ৩১ জুলাই ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা দাবি করে বিটিআরসি রবিকে চিঠি দিয়েছিল। পরে রবি ওই চিঠির বিষয়ে নিম্ন আদালতে টাইটেল স্যুট (মামলা) করে। একই সঙ্গে ওই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে। পরে নিম্ন আদালত রবির অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে রবি। ২০ অক্টোবর রোববার হাইকোর্ট আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর