গণভবন থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
১২জানুয়ারী,রবিবার,স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টঙ্গীর তুরাগ পাড়ে শেষ হয়েছে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন। রোববার বেলা ১১টার দিকে এ আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিট এ মোনাজাত পরিচালনা করেন তাবলিগ জামাতের শীর্ষ খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জোবায়ের। ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন তার অনুসারীসহ দেশি-বিদেশি লাখ লাখ মুসল্লি। মোনাজাতে ইহকালে শান্তি, পরকালের মাগফেরাত এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। মোনাজাত উপলক্ষে ১৬টি বিশেষ ট্রেন সার্ভিসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৭ থেকে ১৯ জানুয়ারি বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা অংশ নেবেন।
জঙ্গি দমনের মতো মাদকও নিয়ন্ত্রণ হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১২জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা জঙ্গি সন্ত্রাস যেভাবে দমন করতে পেরেছি, মাদকও সেভাবে নিয়ন্ত্রণ করবো। আজ রোববার দুপুর ১২টায় সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এর সদর দপ্তরে ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আমাদের যুব সমাজ এই মাদকে শেষ হয়ে যাচ্ছে। যদি এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, আমাদের পুরো সমাজ শেষ হয়ে যাবে। তাই আমরা স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছি। তিনি বলেন, মাদক বন্ধের জন্য পুলিশ-বিজিবি নৌবাহিনী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যেকটি সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। মাদকের যারা সাম্রাট হবে তারা কেউ রেহাই পাবে না। অনেককেই গ্রেফতার করে জেলে প্রেরণ করা হয়েছে। যারা এখনও পলাতক তাদের খুব শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। ২০০৮ সালের আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পূর্বে ঘোষণা করেছিলেন নির্বাচিত হলে মাদককে নির্মূল করবেন। সেই ঘোষণার আলোকে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ করার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা মাদকের ডিমান্ড হ্রাস করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, টিভিসি নির্মিত হয়েছে। সামনে আরো অনেক কিছু হবে। মাদক নিয়ে যারা কাজ করছে তারা যত বড় শক্তিশালী হোক কেউ রেহাই পাবে না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জামাল উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুজ্জামান, রিপাবলিক অব কোরিয়ার নারকোটিকস ডিভিশন এর ডিরেক্টর উন জাই প্রমুখ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মাদক সংক্রান্ত অপরাধ কমিয়ে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নির্মাণ, সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাদকের বিস্তার রোধ ও মাদকের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করার লক্ষ্যে দি কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সি (কয়কা) এর সহায়তায় ৩৭ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কারিগরি সহায়তা প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আসবে।
আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পলাতক মোর্শেদ
১২জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় পলাতক মোর্শেদ আমত্য আত্মসমর্পণ করেছেন। আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরার আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ইমরুল হাসান এ তথ্য জানান। চাঞ্চল্যকর এ হত্যার মামলার ৪ আসামিকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন আদালত। আগামি ১৩ জানুয়ারি এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে। এর আগে পলাতক আসামিদের গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত গত ৩ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করেন। ওই দিন আসামিরা পলাতক রয়েছে দেখিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এজন্য আদালত সম্পত্তি ক্রোক পরোয়ানা জারি করেছেন। কিন্তু আসামিদের ব্যক্তিগত কোনো মালামাল না থাকায় সম্পত্তি ক্রোক করা যায়নি। গত ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। গত ১৮ নভেম্বর ডিবি পুলিশের দেয়া চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। মোর্শেদ অমত্য ইসলাম, মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল ওরফে জিসান, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ পলাতক থাকায় আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের পানি-চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় গত ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নির্যাতনের মুখে প্রাণ হারান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ। ওই দিন রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দুইতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাতদন্ত করেন। তিনি বলেন, ছেলেটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে রাজধানীর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তিতে মামলার তদন্তের স্বার্থে এজহার বহির্ভুত কয়েকজনকেসহ আটক করে পুলিশ। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেফতার করা হলো।
আখেরি মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা
১২জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বিশ্বের অর্ধশতাধিক দেশের দুই সহস্রাধিক প্রতিনিধিসহ লাখো লাখো মুসল্লির মহাসমাবেশ বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত শেষ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ধর্মীয় সমাবেশ শেষ হলো। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন তাবলিগ জামাতের শীর্ষ বুজুর্গ ও কাকরাইল মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ যোবায়ের। ইজতেমার প্রথম পর্বে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব-আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চাঁদ, ইথিওপিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, খিরকিজস্তান, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নেপাল, কেনিয়া, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, জর্দান, দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা অংশ নিয়েছিলেন। বিভিন্ন ভাষা-ভাষী ও মহাদেশ অনুসারে ইজতেমা ময়দানে বিদেশি মেহমানদের ভিন্ন ভিন্ন তাঁবু নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়। বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে আগামী ১৭ জানুয়ারি। এ পর্বের আয়োজক বিশ্ব তাবলিগ জামাতের সাবেক আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা।
আজ আবুধাবি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
১২জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুধাবি সাসটেইনাবিলিটি সপ্তাহে যোগ দিতে সরকারি সফরে আজ রোববার সংযুক্ত আরব আমিরাত যাচ্ছেন। তিনি বিকেল ৫টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-০২৭ ভিভিআইপি ফ্লাইটে আবুধাবির উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিন স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন। এরপর বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে প্রধানমন্ত্রীকে নেওয়া হবে সফরকালীন আবাসস্থল শাংগ্রি-লা হোটেলে। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় আবুধাবি জাতীয় প্রদর্শন কেন্দ্রে আবুধাবি সাসটেইনাবিলিটি সপ্তাহ এবং জায়েদ সাসটেইনাবিলিটি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেলে সফরকালীন আবাসস্থল শাংগ্রি-লা হোটেলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে দূত সম্মেলনে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতির স্ত্রী শেখ ফাতিমা বিনতে মুবারাক আল কেতবির সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ দিন বিকেলে আবুধাবি জাতীয় প্রদর্শন কেন্দ্রে দি ক্রিটিক্যাল রোল অব ওমেন ইন ডেলিভারিং ক্লাইমেট বিষয়ক কী নোট সাক্ষাৎকার পর্বে অংশগ্রহণ করবেন শেখ হাসিনা। এরপর স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১১০২ ভিভিআইপি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে আবুধাবি ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সময় রাত ১২টার দিকে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তজার্তিক বিমানবন্দর পৌছানোর কথা প্রধানমন্ত্রীর। আবুধাবি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমানসহ আরও অনেকে।
আখেরি মোনাজাত দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব
১২জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তুরাগ নদীর তীরে দেশ এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমা শেষ হয়েছে। মোনাজাত পরিচালনা করছেন কাকরাইল জামে মসজিদের খতিব ও তাবলীগ জামাতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ। এর আগে আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৮ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। মোনাজাতে অংশ নেন দেশি-বিদেশি লাখো মুসল্লি। আখেরি মোনাজাতের সময় আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে তুরাগের দুই পাড়সহ গোটা এলাকা। মোনাজাতে অংশ নেন সকল বয়সের নারী-পুরুষ। এ সময় আগত মুসল্লিরা দুই হাত তুলে অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এর আগে গত শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকালে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। রোববার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাতের পর চার দিন বিরতি দিয়ে আগামী শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। শেষ হবে ১৯ জানুয়ারি। দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন ভারতের মাওলানা সা’দ কান্দলভি। আখেরি মোনাজাতে অংশ নেয়ার জন্য গতকাল রাত থেকেই ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিরা আসা শুরু করেন। সকাল থেকে শুরু হয় হেদায়েতি বয়ান।
রোববার আবুধাবি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
১১জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুধাবি সাসটেইনাবিলিটি সপ্তাহে- যোগ দিতে সরকারি সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাত যাচ্ছেন। রোববার (১২ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-০২৭ ভিভিআইপি ফ্লাইটে আবুধাবির উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিন স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন। এরপর বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে প্রধানমন্ত্রীকে নেওয়া হবে সফরকালীন আবাসস্থল শাংগ্রি-লা হোটেলে। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় আবুধাবি জাতীয় প্রদর্শন কেন্দ্রে আবুধাবি সাসটেইনাবিলিটি সপ্তাহ এবং জায়েদ সাসটেইনাবিলিটি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন। বিকেলে সফরকালীন আবাসস্থল শাংগ্রি-লা হোটেলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে দূত সম্মেলনে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতির স্ত্রী শেখ ফাতিমা বিনতে মুবারাক আল কেতবির সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ দিন বিকেলে আবুধাবি জাতীয় প্রদর্শন কেন্দ্রে দি ক্রিটিক্যাল রোল অব ওমেন ইন ডেলিভারিং ক্লাইমেট বিষয়ক কী নোট সাক্ষাৎকার পর্বে অংশগ্রহণ করবেন শেখ হাসিনা। এরপর স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১১০২ ভিভিআইপি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে আবুধাবি ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সময় রাত ১২টার দিকে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তজার্তিক বিমানবন্দর পৌছানোর কথা প্রধানমন্ত্রীর। আবুধাবি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমানসহ আরও অনেকে।
বহুবার ফেল করেছি কিন্তু নকল করিনি : রাষ্ট্রপতি
১১জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জানিয়েছেন, তিনি জীবনে অনেক পরীক্ষায় ফেল করেছেন, তবে কখনো পাস করার জন্য নকলের মতো অনৈতিক পথ অবলম্বন করেননি। এমনকি পাশের কাউকে জিজ্ঞেসও করেননি। এটা তার জীবনের অহংকার এবং এটা নিয়ে তিনি গর্ববোধ করেন। আজ শনিবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ কথা জানান। রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা মাঠে এই সমাবর্তনের আয়োজন করা হয়। এ সময় আক্ষেপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এখন প্রায়ই শুনি শিক্ষকরা ছাত্রদের কাছে নকল সাপ্লাই করে। অনেক জায়গায় শোনা যায় অভিভাবকরা নকল সাপ্লাই করে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে? পরীক্ষায় নকল প্রবণতা ও অনৈতিক পন্থা অবলম্বনের কারণে দেশ ও জাতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে জানিয়ে এর বিরুদ্ধে সবাইকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপ্রধান। নিজের জীবনের স্মৃতিচারণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচন করি। সে নির্বাচনে আমি ছিলাম গোটা পাকিস্তানে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী। সত্তরের ৭ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলাম। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানের পার্লামেন্টে যেতে পারিনি। আবদুল হামিদ বলেন, রাজনীতির কারণে যথাসময়ে ডিগ্রি পাস করতে পারিনি। ১৯৬৯ সালে ডিগ্রি পাস করি। ৭১ সালে ল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের কারণে তা সম্ভব হয়নি। দেশ স্বাধীনের পর ৭২ সালে ল পরীক্ষার ব্যবস্থা হয়। চার পেপারে পরীক্ষা। তখন সারাদেশের পরীক্ষা হয়েছিল জগন্নাথ কলেজে। আমিও সেই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। রাষ্ট্রপতি বলেন, পরীক্ষা যখন দিতে গেলাম দেখলাম সবাই মোটা মোটা বই দেখে লিখে যাচ্ছে। বই সামনে ছাড়া খুব কমই দেখেছি। আমি তখন বাংলাদেশের গণপরিষদের সদস্য। ভাবলাম, আমি যদি এই কাজটি করি তাহলে কেমন হয়! মাঝে মাঝে সাংবাদিকরাও আসছে। তারা যদি কিছু লেখে! পরে সিদ্ধান্ত নিলাম, কপালে যা আছে হবে কিন্তু বই দেখব না। যা পারি তাই লেখলাম। ফলাফলে চার সাবজেক্টের মধ্যে দুই সাবজেক্টে পাস করি আর দুই সাবজেক্টে ফেল করি। পরে অবশ্য ১৯৭৪ সালে ভালোভাবে পড়াশোনা করে ল পরীক্ষা দিয়ে পাস করি।
অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানও পরিবেশের ক্ষতি করছে: তথ্যমন্ত্রী
১১জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানও প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি করছে। বললেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউট এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, পৃথিবী ও প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার কথা মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা করা উচিত। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানও এসব খেয়াল করে না। তথ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে বলেন, রাস্তা করার জন্য সিডিএর মতো একটি প্রতিষ্ঠান ৩০০ ফুট পাহাড় কেটে সমতল করে ফেলেছে। যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি না করে কিভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা যায় সেদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকলকে সচেতন থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শিরিন আখতার, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত শেখ মোহাম্মদ বেলাল ও চট্টগ্রাম সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল মতিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।