বাণিজ্যে পোশাক খাতের জায়গা নেবে তথ্যপ্রযুক্তি: জয়
১৬জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বাংলাদেশে খুব শিগগিরই রফতানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক খাতের জায়গা নেবে তথ্যপ্রযুক্তি। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ৩ দিনের ডিজিটাল মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা ভরে স্বরণ করেন। এরপর জয় বলেন, ১১ বছর আগে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের অভিযান শুরু করি। বাংলাদেশে প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রতিনিয়ত আমি নতুন জিনিস নিয়ে ভাবি। দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা। প্রযুক্তির মহাসড়কে ফাইভ-জির বিস্ময়কর প্রভাবের প্রদর্শনী দেশে এই প্রথমবারের মতো হচ্ছে। মেলার উদ্বোধন করেন সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়। এর আগে গতকাল বুধবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের বছর ২০২০ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার এই আয়োজন অত্যন্ত সময়োচিত কর্মসূচি। ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রযুক্তির মহাসড়ক। ডিজিটাল সংযুক্তি হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম ভিত্তি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মেলায় ১৩টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারে দেশি ও বিদেশি অভিজ্ঞ বক্তারা বর্তমানের প্রযুক্তি ও আগামী দিনে প্রযুক্তির গন্তব্য নিয়ে কথা বলবেন। ট্যালেন্ট গ্যাপ, ডিজিটাল অর্থনীতি, ডিজিটাল গ্রোথ, স্মার্ট সিটি, এসডিজির অ্যাচিভমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে বক্তারা কথা বলবেন। মেলার আয়োজক ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এ আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছে দেশে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবি।
নির্বাচন পেছানোর দাবিতে শাহবাগে বিক্ষোভ
১৫জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি) নির্বাচনে ভোট গ্রহণের তারিখ পেছানোর জন্য রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নির্বাচন কমিশন (ইসি) অভিমুখে পদযাত্রা করতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে শাহবাগে অবস্থান নেয় বিক্ষোভকারীরা। বুধবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগ মোড় অবরোধ করে এক ঘণ্টা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তারা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কমকর্তা-কর্মচারী সবাইকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণাও করেন বিক্ষোভকারীরা। একই সঙ্গে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান কর্মসূচির আহবানও করা হয় বিক্ষোভ থেকে। আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন সরস্বতী পূজার দিন হওয়ায় ভোটের তারিখ পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদসহ (ডাকুস) বিভিন্ন সংগঠন। গতকাল মঙ্গলবার ভোটের তারিখ পেছানোর জন্য এক আইনজীবীর আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এর পরপরই বিকাল থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। সেখান থেকেই বুধবার নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেওয়া হয়। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেয়। বিভিন্ন হল থেকে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী যোগ দেয় এই কর্মসূচিতে। ঘণ্টাখানেক তারা সেখানে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে মুজিববর্ষ উদযাপন করবে ইউনেস্কো
১৫জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মুজিববর্ষ উদযাপন করবে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয়, আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের শিল্প, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করবে। তিনি বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখার অনন্যসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে ইউনেস্কো বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। জাতি হিসেবে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশ-বিদেশে গ্রহীত পদক্ষেপসমূহ বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, দ্বিবার্ষিক অ্যানিভার্সারি প্রোগ্রামর আওতায় ইউনেস্কো কোনো বিশেষ ঘটনার বা বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্মের ৫০তম বা তদূর্ধ্ব অর্থাৎ ১০০তম, ১৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করে থাকে। এই প্রোগ্রামের আওতায় ইউনেস্কো ২০২০-২১ সালের জন্য ৫৯টি অ্যানিভার্সারি উদযাপনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন। শেখ হাসিনা বলেন, ইউনেস্কো কর্তৃক কোনো বিশেষ ঘটনা বা কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্মবার্ষিকী পালনের অন্যতম শর্ত হলো ইউনেস্কোর ম্যানেন্ডভুক্ত বিষয়সমূহ শিক্ষা-সংস্কৃতি, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও বাকস্বাধীনতার সমুন্নতকরণে উক্ত ঘটনার বা উক্ত ব্যক্তির বিশেষ অবদান থাকা। কোনো দেশ এ বিষয়ে আবেদন করলে পরবর্তীতে সাধারণ সভায় গৃহীত হলে তা ইউনেস্কো কর্তৃক উদযাপিত হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি আমার সম্মতিক্রমে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন প্রস্তাব উত্থাপন করে। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ডে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ইউনেস্কোর সঙ্গে যৌথভাবে উদযাপনের প্রস্তাবটি ইউনেস্কো সাধারণ সভার ৪০তম অধিবেশনে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। এরপর গত ১৪ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে ইউনেস্কোর সাধারণ সভায় ৪০তম অধিবেশনের প্রোগ্রাম এবং বাজেট সম্পর্কিত কমিশন কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়। ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর তারিখে প্লেনারি সেশনে তা চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইউনেস্কো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিল্প ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ও ২০২০ সালে তার জন্মশতবার্ষিকী যৌথভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বিভিন্ন বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর অনন্যসাধারণ অবদান এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে স্কুলজীবন থেকেই শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে বঙ্গবন্ধু সচেতনতা ও পরবর্তীতে শিক্ষা বিস্তারে বিভিন্ন কার্যক্রম বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিকাশে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা এবং সর্বোপরি ভাষার অধিকারসহ বাঙালির সকল অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে বিবেচনা করেছে। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুকে একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয় বরং সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রতীক হিসেবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে উদ্যোগী হয়। বাংলার জনগণের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রাম ও উদ্যোগের স্বীকৃত হলো ইউনেস্কোর এই সিদ্ধান্ত।- একুশে টেলিভিশন
নৌবাহিনীর বার্ষিক মহড়ায় সফল মিসাইল উৎক্ষেপণ
১৫জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গোপসাগরে সফল মিসাইল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বার্ষিক সমুদ্র মহড়া সমাপ্ত হয়েছে। দীর্ঘ ১৮ দিনের এই মহড়া বুধবার শেষ হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী। পরিকল্পনামন্ত্রী যুদ্ধজাহাজ বানৌজা বঙ্গবন্ধু থেকে মহড়া পরিদর্শন করেন। এর আগে সকালে মন্ত্রী জাহাজে পৌঁছালে কমান্ডার বিএন ফ্লিট রিয়ার অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বানৌজা বঙ্গবন্ধুর অধিনায়ক ক্যাপ্টেন কেইউএম আমানত উল্লাহ তাকে স্বাগত জানান। নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল জাহাজে মন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেয়। ১৮ দিনব্যাপী মহড়ায় বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রল ক্রাফট, মিসাইল বোট, মেরিটাইম পেট্রল এয়ার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছে। এ ছাড়াও বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, সেনা ও বিমানবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছে। চার ধাপে অনুষ্ঠিত মহড়ার বিশেষ দিকগুলো হচ্ছে- নৌবহরের বিভিন্ন কলাকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, লজিস্টিক অপারেশন, ল্যান্ডিং অপারেশন, উপকূলীয় এলাকার নৌ স্থাপনাগুলোর মহড়া ইত্যাদি। চূড়ান্ত দিনের মহড়ায় ছিল বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে মিসাইল উৎক্ষেপণ, শোল্ডার লাঞ্চড স্যাম ফায়ারিং, অ্যান্টি এয়ার রেপিড ওপেন ফায়ার, আরডিসি ফায়ার, ডিবিএসএস/নৌকমান্ডো মহড়া ও নৌযুদ্ধের কলাকৌশল। এবারের মহড়ার মূল প্রতিপাদ্য ছিল- সমুদ্র এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সমুদ্র সম্পদের হেফাজত, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বিধানসহ চোরাচালান রোধ, জলদস্যুতা দমন, উপকূলীয় এলাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সমুদ্র এলাকার প্রহরা নিশ্চিতকরণ।
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
১৫জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। এর আগে আবুধাবি বিমানবন্দর থেকে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটের দিকে ( বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫ মিনিট ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিজি-১১০২ যোগে সফর সঙ্গীদের নিয়ে ঢাকার পথে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বিমান বন্দরে তাঁকে বিদায় জানান। এ সফরে আবুধাবি সাসটেইনেবিলিটি উইক ও জায়েদ সাসটেইনেবিলিটি অ্যাওয়ার্ড সহ বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত রোববার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবুধাবির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন শেখ হাসিনা। সেখানে পৌঁছে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তাঁকে আবুধাবির শাংরি-লা হোটেলে নেওয়া হয়। সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করেন। পরে সোমবার সকালে আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারের আইসিসি হলে আবুধাবি সাসটেইনেবিলিটি উইক ও জায়েদ সাসটেইনেবিলিটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান তাঁকে স্বাগত জানান।
শাহজালালে বিমান চলাচল শুরু
১৫জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা ঘন কুয়াশার কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা স্বাভাবিক হয়েছে। মঙ্গলবার শেষরাত থেকে ৭ ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ ছিল। বিমান চলাচলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তৌহিদ-উল-আহসান। তিনি জানান, বুধবার সকাল ১০টা থেকে ফ্লাইট ওঠানামা শুরু হয়েছে। তৌহিদ-উল-আহসান বলেন, গত এক সপ্তাহের তুলনায় ঘন কুয়াশার পরিমাণ আজ বেশি হওয়ায় রাত সোয়া ৩টা থেকে শাহজালালে সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়। এরআগে গত ১৩ ও ১৪ জানুয়ারিও একই কারণে প্রায় ৬ ঘণ্টা করে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ ছিল। উল্লেখ্য, সাধারণত বিমানবন্দরের রানওয়ের দৃষ্টিসীমা ভিজিবিলিটি ৬০০ থেকে ৮০০ থাকলে বিমান ওঠানামা করতে পারে। কিন্তু এর নিচে নামলে ফ্লাইট ওঠানামা করতে পারে না।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পায়
১৪জানুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মধ্যপ্রাচ্যে আমদানি-নির্ভর দেশগুলোতে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে বাংলাদেশী কূটনীতিকদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশপাশি তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের ৯টি দেশে নিয়োজিত বাংলাদেশের কূটনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, বিনিয়োগ ও রপ্তানির ক্ষেত্রে আপনাদেরকে যেটা দেখতে হবে, তা হলো কোন দেশের কি রকম চাহিদা আছে তা অনুসন্ধান করতে হবে। সে অনুযায়ী আপনাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং অগ্রসর হতে হবে। সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে সাংগ্রি লা হোটেলে এনভয়জ কনফারেন্সে বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন তিনি। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়, ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত গোলাম মোশি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান, বাহরাইনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) কেএম মমিনুর রহমান, ইরানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এএফএম গাউসল আজম সরকার, ইরাকে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এএমএম ফরহাদ, কুয়েতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এসএম আবুল কালাম, লেবাননে নিযুক্ত আবদুল মোতালেব সরকার, ওমানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার এবং কাতারে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আশুদ আহমেদ। সংবাদ সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের কাছে এ নিয়ে ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী কূটনীতিকদের বলেছেন, এমনভাবে কাজ করতে, যাতে কোনো বাংলাদেশী কর্মী বিদেশে কোনো রকম সমস্যায় না পড়েন। এ সময় তিনি গ্রামে গ্রামে এমন প্রচারণার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে বিদেশী কর্মসংস্থান প্রত্যাশীরা কোনো দালালের শিকারে পরিণত না হন এবং তারা যেন বিদেশে যাওয়ার জন্য তাদের হাতে অতিরিক্ত অর্থ না দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ জন্য আমাদেরকে কাজ করতে হবে। এ ছাড়া মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শক্তিশালী করতে রাষ্ট্রদূতদের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এক সময় দাতাদের কাছ থেকে ঋণ নিতো বাংলাদেশ। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশ সেই অবস্থা কাটিয়ে উঠেছে। তাই তারা (দাতারা) এখন আমাদের উন্নয়ন অংশীদার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গৃহীত বিদেশী নীতি- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়, উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। কিন্তু তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী চলমান অভিযান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নিজস্ব কৌশলে এই ধারাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। তবে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যুক্ত হয়েছে নতুন বিমান। এই অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রয়েছে প্রবাসীদের, বিশেষ করে যারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করেন। দারিদ্র্য সম্পর্কে তিনি বলেন, তার সরকার দারিদ্র্যের হার কমিয়ে এনেছে শতকরা ২০ ভাগে। এখন তা থেকে আরো তিন ভাগ কমাতে চান তিনি। এ ছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন সহ বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আরো একটি বই আমার দেখা নয়া চীন প্রকাশ হতে যাচ্ছে। দুবাইয়ের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, প্রবাসী কল্যাণ ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, বিদ্যুত-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।
ধর্ষকদের একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত এনকাউন্টার
১৪জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশু ও নারী ধর্ষণের সর্বোচ্চ শান্তি মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এ ধরণের অমানবিক ও নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ড নিরসনে প্রয়োজনে ধর্ষকদের এনকাউন্টারে দেয়ার দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে। বিরোধী দলের দুজন সিনিয়র সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ও মুজিবুল হক চুন্ন মঙ্গলবার পয়েন্ট অব অর্ডারে এ দাবি জানালে তাদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন সরকারি দলের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদও। তাঁরা বলেছেন, ধর্ষকদের প্রয়োজনে বন্দুকযুদ্ধে দিলে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরণের নিষ্ঠুর ও অমানবিক কর্মকাণ্ড ঘটাতে সাহস পাবে না। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকাল সংসদে মাগরিবের নামাজের বিরতির পর এ ইস্যুতে অনির্ধারিত বিতর্কের সূত্রপাত করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াস সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। অনির্ধারিত আলোচনার সূত্রপাত করে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হলো। ধর্ষণের পর যদিও সরকারের পক্ষ থেকে জরুরিভাবে সেই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও গেপ্তার করার পরও জনমনে অনেক প্রশ্ন উঠেছে এটার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের পর পরই সাভারে একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। এরপর ধামরাইতে একই ঘটনা ঘটে। পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০১৯ সাল ধর্ষণের মহাৎসব ঘটেছে। কেন ধর্ষণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে? এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কি? এ বিষয়ে সংসদে দুই ঘণ্টার জন্য সাধারণ আলোচনার সুযোগ দিতে স্পিকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, আমাদের দলের প্রেসিডেন্ট এইচ এম এরশাদ যখন ক্ষমতায় ছিলেন, ওই সময় এসিড নিক্ষেপ করে হত্যাকাণ্ড বেড়ে যায়। তখন এরশাদ সাহেব এটা প্রতিরোধে এসিড মারার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান করেছিলেন। এখন ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। কিন্তু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে এটা কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না। তাই সময় এসেছে চিন্তা করার, ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদ- করা হোক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, এতো ঘটনা ঘটছে, মাদকের জন্য এতো ক্রসফায়ার হচ্ছে। সমানে বন্দুক যুদ্ধে মারা যায়। কিন্তু এই ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ, এখন পর্যন্ত কেন একজন ধর্ষক বন্দুক যুদ্ধে মারা যায় না? বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে যদি ব্যবস্থা না নেয়া যায়, তবে কোনক্রমেই এটা কন্ট্রোল করা যাবে না। একই দাবি জানিয়ে জাতীয় পার্টির অপর প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, টাঙ্গাইলে বাসে ধর্ষণের পর পর পুলিশ ৫ জনকে গেপ্তার করলো। সেদিন যদি পুলিশ ওই পাঁচ ধর্ষককে মধুপুরে নিয়ে গুলি করে মারত, তাহলে কিন্তু অন্য কেউ আবার ধর্ষিত হত না। তিনি বলেন, একটার পর একটা ধর্ষণ হচ্ছে। মেয়েরা বাসে ওঠে, ওই বাসে আগে থেকেই ৪-৫ জন থাকে। নারীরা ওঠার পর দেখা যায় ওরা যাত্রী না, ওরা ধর্ষক। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের পর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হোক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য, সেখানে গুলি করে মারা হোক। তিনি বলেন, ধর্ষকদের একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত এনকাউন্টারে দিয়ে মেরে ফেলা। যাতে আর কোন ধর্ষক যেন সাহস না পায়। ধর্ষক গেপ্তার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়ে ওইখানে গুলি করে মেরে ফেলা হোক। কাজী ফিরোজ রশীদ ও মুজিবুল হক চুন্নুর এমন দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে অনেককে এভাবে শেষ করে দেয়া হয়েছে। ভারতে একবার বাসে এক নারীকে গণধর্ষণ করা হয়। পরে সেখানে পাঁচ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর ওই পাঁচ ধর্ষককে ক্রসফায়ারে দেয়া হয়েছে। তারপর ভারতে ধর্ষণের ঘটনা কমে গেছে। কাজেই আমি অন্য দুই সংসদ সদস্যে’র সঙ্গে একমত। আমি যদি চিনি যে সে ধর্ষক, সেই এই জঘন্য কাজ করেছে- তার আর এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই। তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী ফ্লোর নিয়ে বলেন, আল্লাহকে হাজির-নাজির করে বলছি, এসব ধর্ষকদের ক্রসফায়ার করলে কোন পাপ হবে না, বরং বেহেস্তে যাওয়া যাবে। কোন অসুবিধা নেই।
ভারতে শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশ বেতারও
১৪জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ টেলিভিশনের পর এবার ভারতে শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশ বেতারও। বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান আকাশবাণী চ্যানেলে কলকাতায় এফএম ১০০ দশমিক ১ মেগাহার্টজ এবং আগরতলায় এফএম ১০১ দশমিক ৬ মেগাহার্টজে শোনা যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠান বিনিময়ের এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভাদকার। এছাড়া আকাশবাণী অ্যাপ ও ডিটিএইচের মাধ্যমে সারা ভারতে সকাল সাড়ে ৭টা (ভারতীয় সময়) থেকে সাড়ে ৯টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৭টা একযোগে সম্প্রচার শুরু হলো। একইসময়ে আকাশবাণীর অনুষ্ঠান বাংলাদেশ বেতারের এফএম ১০৪ মেগাহার্টজেও সম্প্রচার শুরু হলো। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ দায়িত্ব নেয়ার পর গতবছরের ২ সেপ্টেম্বর সারা ভারতে বাংলাদেশ টেলিভিশন সম্প্রচার শুরুর সাড়ে তিন মাসের মাথায় এবার সারা ভারতে শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশ বেতারও। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেতার ও চলচ্চিত্র খাতে এই সহযোগিতা দুদেশের জনগণ ও সরকারের বন্ধুত্বের এক অনন্য মাইলফলক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার করেছেন, এই বিনিময় এবং চুক্তি তারই প্রতিফলন। ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভাদকার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভৌগোলিক নৈকট্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যগত। গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে এ সহযোগিতা দুদেশের অন্যান্য খাতে সহযোগিতাকেও প্রসারিত করবে।