আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয়পর্ব
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরের টঙ্গীতে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয়পর্ব। শুক্রবার ফজরের নামাজের পর ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজরে মওলানা চেরাগ উদ্দিনের বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আনুষ্ঠানিকতা। এই পর্বে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ময়দানে জড়ো হয়েছেন দিল্লীর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা। ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তায় আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গড়ে তুলেছেন নিরাপত্তা বলয়। ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব উপলক্ষে বুধবার থেকেই টঙ্গীর তুরাগ তীরে জড়ো হতে থাকেন মুসল্লিরা। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর আগেই বৃহস্পতিবার বাদ আছর আম বয়ান করেন বাংলাদেশের ফায়সাল সুরা ওয়াসিফুল ইসলাম। শুক্রবার ফজরের নামাজের পর ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজের মওলানা চেরাগ উদ্দিনের বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আনুষ্ঠানিকতা। দ্বিতীয়পর্বেও দেশের ৬৪ জেলা ছাড়াও বিদেশি মুসল্লিরা ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন। এরইমধ্যে মুসল্লিরা যার যার খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন। এদিকে ইজতেমাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ৭ স্তরে কাজ করছে পুলিশের প্রায় ৮ হাজার সদস্য। পুরো ইজতেমার মাঠ ঘিরে থাকবেন RAB, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা। পুলিশের নিজস্ব ১৬টি ওয়াচ টাওয়ারসহ RAB নিজস্ব ওয়াচ টাওয়ার থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে পুরো ইজতেমা। মাঠের চারপাশে রয়েছে অসংখ্য সিসিটিভি ক্যামেরা। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান করা হচ্ছে। এর আগে ৯ জানুয়ারি বাদ মাগরিব ভারতের মওলানা ইব্রাহিম দেওলার আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। ১২ই জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতে সম্পন্ন হয় বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
১৬জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আব্দুল আলীম আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪(এ) অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে মর্মে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। শুনানির সময় নিহত স্কুলছাত্র নাইমুল আবরারের বাবা মো. মুজিবুর রহমান আদালতে হাজির ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ১লা নভেম্বর বিকালে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার। পরে হাসপতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আবরারের পিতা আদালতে মামলা দায়ের করেন।
ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
১৬জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি মজনু। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের খাস কামরায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় মজনুর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। গত ৯ জানুয়ারি ধর্ষণ মামলায় মজনুকে সাতদিনের রিমান্ডে পাঠান আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনছারী। সেই রিমান্ড শেষ হওয়ার একদিন আগেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবু সিদ্দিক আদালতে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। সেই আবেদন মঞ্জুরের পর তাকে বিচারকের খাস কামড়ায় নেয়া হয়। এর আগে গত ১০ জানুয়ারি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন ঢাবি শিক্ষার্থী। তখন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন আরা তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। ওই ছাত্রী সেদিন বিচারকের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করেন। গত ৫ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন ওই ছাত্রী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামার পর অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখ চেপে তাকে পার্শ্ববর্তী একটি স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে অজ্ঞান করে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে অবিষ্কার করেন। পরে সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নিজ গন্তব্যে পৌঁছালে রাত ১২টার পর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
ভারতের নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ড. হাছান মাহমুদের সাক্ষাৎ
১৬জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভারত সফররত তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাক্ষাৎ করেছেন। ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বৃহস্পতিবার এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে রাইসিনা সংলাপে অংশগ্রহণকারী বিশ্বের অন্যান্য দেশের মন্ত্রীদের সাথে হাছান মাহমুদ বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। ড. হাছানের সাথে আলাপকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার উষ্ণ শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশের যে অভূতপূর্ব অগ্রগতি তিনি লক্ষ্য করছেন, তা আক্ষরিক অর্থেই বিস্ময়কর। এদিন দুপুরে তথ্যমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. সুব্রামানিয়াম জয়শংকরের সাথে বৈঠক করেন। এর আগে মঙ্গলবার তিনি ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভাদকারের সঙ্গে ভারতে বাংলাদেশ বেতারের দৈনিক চার ঘন্টা সম্প্রচার উদ্বোধন ও বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে যৌথ প্রযোজনা চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন। বৃহস্পতিবার হায়দ্রাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটি পরিদর্শন শেষে আগামীকাল শুক্রবার তথ্যমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
বাণিজ্যে পোশাক খাতের জায়গা নেবে তথ্যপ্রযুক্তি: জয়
১৬জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বাংলাদেশে খুব শিগগিরই রফতানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক খাতের জায়গা নেবে তথ্যপ্রযুক্তি। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ৩ দিনের ডিজিটাল মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা ভরে স্বরণ করেন। এরপর জয় বলেন, ১১ বছর আগে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের অভিযান শুরু করি। বাংলাদেশে প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রতিনিয়ত আমি নতুন জিনিস নিয়ে ভাবি। দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা। প্রযুক্তির মহাসড়কে ফাইভ-জির বিস্ময়কর প্রভাবের প্রদর্শনী দেশে এই প্রথমবারের মতো হচ্ছে। মেলার উদ্বোধন করেন সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়। এর আগে গতকাল বুধবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের বছর ২০২০ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার এই আয়োজন অত্যন্ত সময়োচিত কর্মসূচি। ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রযুক্তির মহাসড়ক। ডিজিটাল সংযুক্তি হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম ভিত্তি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মেলায় ১৩টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারে দেশি ও বিদেশি অভিজ্ঞ বক্তারা বর্তমানের প্রযুক্তি ও আগামী দিনে প্রযুক্তির গন্তব্য নিয়ে কথা বলবেন। ট্যালেন্ট গ্যাপ, ডিজিটাল অর্থনীতি, ডিজিটাল গ্রোথ, স্মার্ট সিটি, এসডিজির অ্যাচিভমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে বক্তারা কথা বলবেন। মেলার আয়োজক ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এ আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছে দেশে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবি।
নির্বাচন পেছানোর দাবিতে শাহবাগে বিক্ষোভ
১৫জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি) নির্বাচনে ভোট গ্রহণের তারিখ পেছানোর জন্য রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নির্বাচন কমিশন (ইসি) অভিমুখে পদযাত্রা করতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে শাহবাগে অবস্থান নেয় বিক্ষোভকারীরা। বুধবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগ মোড় অবরোধ করে এক ঘণ্টা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তারা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কমকর্তা-কর্মচারী সবাইকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণাও করেন বিক্ষোভকারীরা। একই সঙ্গে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান কর্মসূচির আহবানও করা হয় বিক্ষোভ থেকে। আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন সরস্বতী পূজার দিন হওয়ায় ভোটের তারিখ পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদসহ (ডাকুস) বিভিন্ন সংগঠন। গতকাল মঙ্গলবার ভোটের তারিখ পেছানোর জন্য এক আইনজীবীর আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এর পরপরই বিকাল থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। সেখান থেকেই বুধবার নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেওয়া হয়। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেয়। বিভিন্ন হল থেকে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী যোগ দেয় এই কর্মসূচিতে। ঘণ্টাখানেক তারা সেখানে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে মুজিববর্ষ উদযাপন করবে ইউনেস্কো
১৫জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মুজিববর্ষ উদযাপন করবে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয়, আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের শিল্প, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করবে। তিনি বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখার অনন্যসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে ইউনেস্কো বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। জাতি হিসেবে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশ-বিদেশে গ্রহীত পদক্ষেপসমূহ বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, দ্বিবার্ষিক অ্যানিভার্সারি প্রোগ্রামর আওতায় ইউনেস্কো কোনো বিশেষ ঘটনার বা বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্মের ৫০তম বা তদূর্ধ্ব অর্থাৎ ১০০তম, ১৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করে থাকে। এই প্রোগ্রামের আওতায় ইউনেস্কো ২০২০-২১ সালের জন্য ৫৯টি অ্যানিভার্সারি উদযাপনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন। শেখ হাসিনা বলেন, ইউনেস্কো কর্তৃক কোনো বিশেষ ঘটনা বা কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্মবার্ষিকী পালনের অন্যতম শর্ত হলো ইউনেস্কোর ম্যানেন্ডভুক্ত বিষয়সমূহ শিক্ষা-সংস্কৃতি, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও বাকস্বাধীনতার সমুন্নতকরণে উক্ত ঘটনার বা উক্ত ব্যক্তির বিশেষ অবদান থাকা। কোনো দেশ এ বিষয়ে আবেদন করলে পরবর্তীতে সাধারণ সভায় গৃহীত হলে তা ইউনেস্কো কর্তৃক উদযাপিত হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি আমার সম্মতিক্রমে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন প্রস্তাব উত্থাপন করে। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ডে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ইউনেস্কোর সঙ্গে যৌথভাবে উদযাপনের প্রস্তাবটি ইউনেস্কো সাধারণ সভার ৪০তম অধিবেশনে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। এরপর গত ১৪ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে ইউনেস্কোর সাধারণ সভায় ৪০তম অধিবেশনের প্রোগ্রাম এবং বাজেট সম্পর্কিত কমিশন কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়। ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর তারিখে প্লেনারি সেশনে তা চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইউনেস্কো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিল্প ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ও ২০২০ সালে তার জন্মশতবার্ষিকী যৌথভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বিভিন্ন বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর অনন্যসাধারণ অবদান এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে স্কুলজীবন থেকেই শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে বঙ্গবন্ধু সচেতনতা ও পরবর্তীতে শিক্ষা বিস্তারে বিভিন্ন কার্যক্রম বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিকাশে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা এবং সর্বোপরি ভাষার অধিকারসহ বাঙালির সকল অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে বিবেচনা করেছে। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুকে একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয় বরং সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রতীক হিসেবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে উদ্যোগী হয়। বাংলার জনগণের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রাম ও উদ্যোগের স্বীকৃত হলো ইউনেস্কোর এই সিদ্ধান্ত।- একুশে টেলিভিশন
নৌবাহিনীর বার্ষিক মহড়ায় সফল মিসাইল উৎক্ষেপণ
১৫জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গোপসাগরে সফল মিসাইল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বার্ষিক সমুদ্র মহড়া সমাপ্ত হয়েছে। দীর্ঘ ১৮ দিনের এই মহড়া বুধবার শেষ হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী। পরিকল্পনামন্ত্রী যুদ্ধজাহাজ বানৌজা বঙ্গবন্ধু থেকে মহড়া পরিদর্শন করেন। এর আগে সকালে মন্ত্রী জাহাজে পৌঁছালে কমান্ডার বিএন ফ্লিট রিয়ার অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বানৌজা বঙ্গবন্ধুর অধিনায়ক ক্যাপ্টেন কেইউএম আমানত উল্লাহ তাকে স্বাগত জানান। নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল জাহাজে মন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেয়। ১৮ দিনব্যাপী মহড়ায় বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রল ক্রাফট, মিসাইল বোট, মেরিটাইম পেট্রল এয়ার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছে। এ ছাড়াও বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, সেনা ও বিমানবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছে। চার ধাপে অনুষ্ঠিত মহড়ার বিশেষ দিকগুলো হচ্ছে- নৌবহরের বিভিন্ন কলাকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, লজিস্টিক অপারেশন, ল্যান্ডিং অপারেশন, উপকূলীয় এলাকার নৌ স্থাপনাগুলোর মহড়া ইত্যাদি। চূড়ান্ত দিনের মহড়ায় ছিল বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে মিসাইল উৎক্ষেপণ, শোল্ডার লাঞ্চড স্যাম ফায়ারিং, অ্যান্টি এয়ার রেপিড ওপেন ফায়ার, আরডিসি ফায়ার, ডিবিএসএস/নৌকমান্ডো মহড়া ও নৌযুদ্ধের কলাকৌশল। এবারের মহড়ার মূল প্রতিপাদ্য ছিল- সমুদ্র এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সমুদ্র সম্পদের হেফাজত, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বিধানসহ চোরাচালান রোধ, জলদস্যুতা দমন, উপকূলীয় এলাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সমুদ্র এলাকার প্রহরা নিশ্চিতকরণ।
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
১৫জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। এর আগে আবুধাবি বিমানবন্দর থেকে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটের দিকে ( বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫ মিনিট ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিজি-১১০২ যোগে সফর সঙ্গীদের নিয়ে ঢাকার পথে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বিমান বন্দরে তাঁকে বিদায় জানান। এ সফরে আবুধাবি সাসটেইনেবিলিটি উইক ও জায়েদ সাসটেইনেবিলিটি অ্যাওয়ার্ড সহ বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত রোববার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবুধাবির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন শেখ হাসিনা। সেখানে পৌঁছে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তাঁকে আবুধাবির শাংরি-লা হোটেলে নেওয়া হয়। সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করেন। পরে সোমবার সকালে আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারের আইসিসি হলে আবুধাবি সাসটেইনেবিলিটি উইক ও জায়েদ সাসটেইনেবিলিটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান তাঁকে স্বাগত জানান।

জাতীয় পাতার আরো খবর