রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
মেয়েদের অধিকার আদায়ে পারিবারিক ঝামেলা যেন না হয়: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: মেয়েদের সব ক্ষেত্রে সুযোগ দিতে হবে। তারা যেন আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। তাহলে পরিবারেও তাদের গুরুত্ব বাড়বে। মেয়েদের অধিকার আদায় করতে নিতে হবে। পাশাপাশি তাদের মধ্যে পরিমিবোধও বাড়াতে হবে। অধিকার আদায় করতে গিয়ে পারিবারিক ঝামেলা যেন না সৃষ্টি হয়। রোববার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোকেয়া দিবস উপলক্ষে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন। বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর এদিন সারাদেশে সরকারিভাবে রোকেয়া দিবস পালন করা হয়। শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই নারী শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সরকার। রোকেয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে এদেশের নারীসমাজ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা রাখবে। সন্তানের পরিচয়ে মায়ের নাম আমরাই প্রথম অন্তর্ভুক্ত করেছি। মা জন্ম দেন। মা-ই বোঝেন সন্তান জন্ম দেওয়ার কষ্ট। নারীরা অনেক কষ্টসহিষ্ণু। পুরুষদের গড় আয়ু বর্তমানে ৭১, নারীর ৭৩, গড় ৭২। এ থেকেও স্পষ্ট হয় নারী বেশি কষ্টসহিষ্ণু। তিনি বলেন, নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নিয়েছে আমাদের উপমহাদেশের নারীরাই। আমরাই প্রথম প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়েও নারীদের অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বেগম রোকেয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নিজেদের সম্পৃক্ত করার জন্য দেশের নারীসমাজের প্রতি আহ্বান জানান।
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনা কর্মকর্তাদের সজাগ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতি
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নতুন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি আজ দুপুরে এখানে ভাটিয়ারীতে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমিতে (বিএমএ) ৭৬তম বিএমএ লং কোর্সের ক্যাডেট অফিসারদের কমিশন লাভে রাষ্ট্রপতি পদক-২০১৮ অনুষ্ঠানে ভাষণকালে এ আহ্বান জানিয়ে তরুণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একথা মনে রাখতে হবে যে অনেক রক্ত ও ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। এজন্য সকলকেই সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার সমান অংশিদার হতে হবে। খবর বাসসর সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান রাষ্ট্রপতি বলেন, যেকোন দুর্যোদ ও দুঃসময়ে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদানের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের কাজের মাধ্যমে এমন নজির স্থাপন করবে যা পরবর্তীদের জন্য অনুসরণীয় হবে। রাষ্ট্রপ্রধান আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দক্ষতা, মেধা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে তাদের অবস্তান সুদৃঢ় করবে। আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতির গৌরব। এই আনন্দের দিনে তিনি সকল নবীন কর্মকর্তাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গড়ে উঠেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেক মুজিবুর রহমান একটি স্বাধীন দেশের উপযোগী শক্তিশালী ও প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে ১৯৭৪ সালে প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন সেনানিবাসের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি ১৯৭৪ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমির উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, বিএমএ আজ একটি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমি। ইতোমধ্যে এখানে ক্যাডেটদের ইনডোর প্রশিক্ষণের সব অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে এ একাডেমিতে বিভিন্ন বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদী অনার্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স রয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ এখন শুধু আমাদের সামরিক একাডেমি দেখতে আসে না, এখানে প্রশিক্ষণ নিতেও আসে। তিনি বলেন, বিগত প্রায় ১০ বছরে সেনাবাহিনীর অবকাঠামোগত পরিবর্তনের পাশাপাশি এ সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নসহ শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সমরাস্ত্র ও সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করা হয়েছে। আজকের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অবকাঠামোগত, কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে এক দশক আগেকার সেনাবাহিনীর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদির সমন্বয়ে অনেক বেশি উন্নত, দক্ষ এবং চৌকস। এরআগে রাষ্ট্রপতি খোলা জীপে চড়ে চৌকস প্যারেড ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। তিনি কৃতি ক্যাডেটদের মাঝে পদক প্রদান করেন। আজকের এই প্যারেডের মাধ্যমে ৩৭ জন মহিলা, দুই জন সৌদি এ্যারাবিয়ান ও এক জন শ্রীলংকানসহ মোট ২৫৭ ক্যাডেট কমিশনপ্রাপ্ত হন। বিএমএ ৭৬তম লং কোর্সে ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার এ কে এম ইনজামামুল বেস্ট অল রাউন্ড ক্যাডেট নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সোর্ড অব অনার গ্রহণ করেন। এছাড়া সামরিক বিষয়গুলোতে সর্বোচ্চ মান লাভ করায় কোম্পানি সিনিয়র অফিসার ইবনে ইজাজ হাসান চিফ অব আর্মি স্টাফ (সিএএস) স্বর্ণপদক লাভ করেন। মন্ত্রীবর্গ, উপদেষ্টাবৃন্দ, কূটনীতিকবৃন্দ, সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামুদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মশিহুজ্জামান সরিনিয়াবাত, সংসদ সদস্যবৃন্দ, রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ এবং নতুন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অভিভাবকগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন সুপ্রিম কোর্টে
অনলাইন ডেস্ক: আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটি, সরকার ঘোষিত ছুটিসহ কোর্টের অবকাশের কারণে সর্বোচ্চ আদালতে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ সময় মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য সুনির্দিষ্ট এখতিয়ার দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারিক বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে বিচারপতি মো. রেজাউল হক এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এবং বিচারপতি মো. সেলিমের একক বেঞ্চে ফৌজদারী মামলা সংক্রান্ত বিষয়াদির শুনানী নিষ্পত্তি হবে। বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক এবং বিচারপতি আহমেদ সোহেল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ, বিচারপতি মো. খশরুজ্জামানের একক বেঞ্চে দেওয়ানী সংক্রান্ত মামলা শুনানি ও নিষ্পত্তি অনুষ্ঠিত হবে। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ, বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে রিট সংক্রান্ত বিষয়াদির শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের একক বেঞ্চে আদিম অধিক্ষেত্রাধীন বিষয়াদি, ব্যাংক, কোম্পানি সংক্রান্ত মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি হবে। এছাড়াও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য ভেকেশান জাজ হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানকে মনোনীত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান আগামী ২৪ ও ৩১ ডিসেম্বর বেলা ১১টা থেকে আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে জরুরি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করবেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার মো. বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিভিন্ন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নৌকার পক্ষে থাকতে শেখ হাসিনার চিঠি
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে যারা বিভিন্ন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। চিঠিতে দলের ওইসব বিদ্রোহী প্রার্থীর উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আপনার কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, ঐক্যবদ্ধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে আপনার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে মহাজোটকে বিজয়ী করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করবেন। আপনার ত্যাগ, শ্রম ও আন্তরিকতা সবকিছুই আমার বিবেচনায় আছে। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগের দিন শেখ হাসিনার একটি চিঠি তার ধানমণ্ডির দলীয় কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের দেয়া হয় । আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী সবার উদ্দেশে ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে আসন্ন নির্বাচনে মহাজোটকে বিজয়ী করতে সবাইকে সর্বাত্মকভাবে নামার আহ্বান জানান। দলের জন্য ত্যাগ স্বীকারের মূল্যায়নের আশ্বাসও তাদের দিয়েছেন তিনি। একদশ সংসদ নির্বাচনে ৪ হাজারের মতো ব্যক্তি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইলেও ৩০০টি আসনে ২৫০ জনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করছে আওয়ামী লীগ। ৫০টির মতো আসন ছেড়ে দেয়া হচ্ছে জোট শরিক বিভিন্ন দলকে। এরপরও একই আসনে যেমন আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী রয়ে গেছে, তেমনি জোট শরিক দলকে আসন ছেড়ে দিতেও নারাজ স্থানীয় অনেক নেতা। দলের কাছে মনোনয়নপ্রত্যাশী সবার গুরুত্ব স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেন,আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তাদের প্রায় সকলেরই ত্যাগ ও অবদান রয়েছে। রাজনীতিক ত্যাগ, দক্ষতা, যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার বিচারে প্রায় প্রত্যেকটি আসনেই ছিল একাধিক যোগ্য প্রার্থী। একাধিক আবেদনকারীর মধ্যে থেকে একজনকে প্রার্থী হিসেবে নির্ধারণ করার কাজটি ছিল অত্যন্ত কঠিন ও দুরূহ। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক একটি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দলীয় প্রার্থী বাছাই করার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আপনাকে মনোনয়ন দিতে না পারায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। 'আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী ও কল্যাণমুখী রাজনৈতিক দলে পরিণত করার কাছে আপনার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। সাংগঠনিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও দেশের কল্যাণে নিরবচ্ছিন্ন ভূমিকার জন্য আপনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে আমরা সমমনা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। 'আপনার কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে মহাজোটের প্রার্থীর পক্ষে আপনার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে মহাজোটকে বিজয়ী করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করবেন। আপনার শ্রম, আন্তরিকতা সব কিছুই আমার বিবেচনায় আছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২৪ আসনে তাদের একাধিক প্রার্থী ছিলেন। 'বিদ্রোহী ২৪ জন ছিল, ৬-৭ জন প্রত্যাহার করেছে। যারা এখনও প্রত্যাহার করেনি, তাদের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। তারা দু-একদিনের মধ্য তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে এই নির্বাচনেও জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন সম্ভব বলে মনে করেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি লিখেছেন, আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, আওয়ামী লীগ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে নৌকা মার্কাকে পরাজিত করার সাংগঠনিক শক্তি আর কারও নেই।
কেবিনেটে থাকছেন না টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী ৯ ডিসেম্বরের পর মন্ত্রিপরিষদে থাকছেন না। তিনি বলেন, তাদের পদত্যাগ পত্র প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়া আছে। নির্বাচন কালীন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের আকার ছোট বা বড় করার এখতিয়ার একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর। ওবায়দুল কাদের আজ নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কবির হাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ছুন্নার দীঘি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন। খবর বাসসর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের কোন অভিযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, মনোনয়ন বাণিজ্যের কারণে মনোনয়ন বঞ্চিতরা বিএনপির অফিসে হামলা করেছে। বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ জনপ্রিয়তা হারিয়ে আচরন বিধি ভঙ্গ করছেন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন তিনি লাঠি সোটা নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নিজ দলের লোকজনকে দিয়ে বোমা ফাটিয়ে আমাদের উপর দোষ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দন্ড মওকুফ করার জন্য দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের দাবি অবান্তর উল্লেখ করে তিনি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে দন্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এমন নজির নেই । এসময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. এবিএম জাফর উল্যাহ, কবির হাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান, কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আমিন রুমি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কারো ক্ষমতা নেই আদালতের রায় লঙ্ঘনের: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলছেন, আদালতের রায় লঙ্ঘন করার ক্ষমতা কারো নেই। পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক দেশে ক্ষমতাসীন সরকার নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করে। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করে। মন্ত্রিসভা ছোট বা বড় করার এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তবে এটি ঠিক, নির্বাচনের সময় অনির্বাচিত কোনো ব্যক্তি মন্ত্রিসভায় থাকতে পারে না। অলরেডি টেকনোক্রেট কোটায় চারজন মন্ত্রী পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে দিয়েছেন। সেটি প্রধানমন্ত্রী হয়ে এখন রাষ্ট্রপতির কাছে আছে। আগামীকাল ৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। তাই আগামীকালের পর আর ওই চারজন মন্ত্রী দায়িত্বে থাকবেন না। তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়ার বিষয়ে ন্যায্যতা কিসের? বাংলাদেশের আইন, নিয়ম-কানুন তাদের স্বার্থের জন্য কি সব বিসর্জন দিতে হবে। তাদের স্বার্থের জন্য দেশের নতুন কোনো আইন তৈরি করতে হবে? তারা যদি ন্যায্যতা মনে করেন দণ্ডিত ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিতে হবে নির্বাচন করার জন্য, এ আইন দেশের কোথাও নেই। আদালতের (কোর্টের) রায় লঙ্ঘন করার ক্ষমতা কারো নেই। তিনি বলেন, ব্যারিস্টার মওদুদ নিজেই নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করছেন। নিজের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে বোমা ফাটিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন। তিনি ২২ বছর এখানে ক্ষমতায় ছিলেন। একটা কাজও দেখাতে পারবে না ভোটারদের কাছে, তিনি কী করেছেন। মানুষ উন্নয়ন চায়। বিদ্যুৎ শতভাগ। ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটালের সুবিধা পাচ্ছে মানুষ। মানুষ দেখছে কে মেট্রোরেল করছে, ফোর লেন করছে। নোয়াখালী দুঃখ নোয়াখালী খাল কে খনন করছে। তিনি বলেন, আমি তো ভয় পাচ্ছি মওদুদ নিজের লোক দিয়ে কখন বোমা ফাটিয়ে নির্বাচন কমিশনকে বলবে তার ক্যাম্পেইন করতে বাধা দিচ্ছে। আমি এ ব্যাপারে নিবাচন কমিশনসহ প্রশাসনকে বলব, তারা যেন সজাগ থাকে। বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি তাদের ঘর গোছাতে পারেনি। ঐক্যের যে জগাখিুচড়ি তারা তা পদে পদে টের পাচ্ছে। টাকা নিয়ে মনোনয়ন না দেয়াতে আজ মনোনয়নবঞ্চিতরা মিছিল করছে। তাদের ভাঙাহাট আর জমবে না। ঐক্যফ্রন্ট জগখিচুড়ির দল। মন্ত্রী শনিবার তার নির্বচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট এলাকার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ, পথসভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে বিএনপিতে: নানক
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিএনপির মধ্যে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে। এ মনোনয়ন বাণিজ্য নয়াপল্টন থেকে লন্ডন পর্যন্ত পৌঁছেছে। আজ শনিবার সকালে ধানমণ্ডিতে দলীয় সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত সব নেতাকে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলের জন্য কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ নির্দেশনা সংবলিত একটি চিঠি এরই মধ্যে দলের সর্বস্তরের নেতাদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই সব চিঠি পৌঁছে যাবে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, সব ভেদাভেদ ভুলে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত, যোগ করেন আওয়ামী লীগ নেতা। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবর্তনের অঙ্গীকার বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের
অনলাইন ডেস্ক: পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে চূড়ান্ত হচ্ছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বরের পর যে কোনদিন জোটের নির্বাচনী প্রতিশ্রতি জাতির সামনে তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। বিএনপির ভিশন টুয়েন্টি থার্টির আলোকেই চূড়ান্ত হয়েছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে। নতুন ভোটার আকর্ষণের পাশাপাশি শিক্ষিত বয়স্কদের জন্য ইশতেহারে নানা উদ্যোগের কথা থাকবে বলে জানা গেছে। একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে জোট গঠনের চমকের পর এবার নির্বাচনী ইশতেহারেও চমক দিতে চায় বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঘোষণার পাশাপাশি ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ইশতেহারে নতুন ভাবনা ও নানা উদ্যোগের প্রতিশ্রতি দিয়ে খসড়া তৈরি শেষ হয়েছে। বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করতে এখন চলছে ফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আলোচনা। মূলত বিএনপির ভিশন টুয়েন্টি থার্টির আলোকেই তৈরি হচ্ছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার। দেশের মালিক জনগণ, জনগণ চায় পরিবর্তন এমন স্লোগানকে সামনে রেখে নিজেদের ভবিষ্যত কর্মপন্থা তুলে ধরতে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। ইশতেহারে কৃষির উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য ও মজুরি নির্ধারণ, বিচার ব্যবস্থার সংস্কার, আইনশৃংখলা বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, বেকার সমস্যা দূর, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নকে দেয়া হয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। থাকছে সকল ক্ষেত্রে মহিলাদের প্রনিধিত্ব বাড়ানো, প্রবাসী শ্রমিকদের ইন্সুরেন্স সুবিধা, সংবিধান সংস্কারের প্রতিশ্রতি। নতুন ভোটারদের আকর্ষণ করতে প্রস্তাবনায় চমক হিসেবে চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা তুলে দেয়ার প্রতিশ্রতি থাকবে বলে জানান ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির প্রধান। শীর্ষ নেতারা জানান, দুর্নীতি বন্ধে কঠোর হুশিয়ারি থাকবে ইশতেহারে। তবে, বড় কোন প্রকল্প বন্ধ করার বিপক্ষে তারা। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পক্ষে ফ্রন্টের অনেক নেতা। পুরো দেশকে ১০ থেকে ১৭টি রাজ্যে ভাগ, পরপর দুই মেয়াদে দায়িত্বের পর আর প্রধানমন্ত্রী পদে না থাকার বিধানও চালুর পক্ষে ফ্রন্টের কেউ কেউ। নির্বাচনী ভাবনা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়ারও চিন্তা করছেন ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।
শক্ত ভীতের ওপর দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: সমাজকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসন ক্যাডারের নবীন কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির হাত থেকে সমাজকে মুক্ত রাখতে হবে। যে যখন যেখানে দায়িত্ব পালন করবেন এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। এগুলো একটি সমাজ ও পরিবারকে ধ্বংস করে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এটুকু বলতে পারি বাংলাদেশ যথেষ্ট দক্ষতার সাথে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। কিন্তু এই অভিযান অব্যাহত রেখে দেশকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজধানীর শাহবাগস্থ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ১০৭, ১০৮ ও ১০৯তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। তিনি বলেন, আমি এমন জায়গায় দেশকে রেখে যাচ্ছি যেন বাংলাদেশকে আর পেছন ফিরে তাকাতে না হয়। সামনের দিকে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে সে অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে। কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলেন,এই যে দিক নির্দেশনাগুলো দিয়ে গেলাম সেগুলো অন্তত যদি অনুসরণ করা হয় তাহলে যারা দায়িত্ব পালন করবেন তাদের জন্য যেমন সুযোগ সৃষ্টি হবে তেমনি দেশের মানুষের আরো উন্নত জীবন নিশ্চিত হবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় সরকারি কর্মচারিদের বেতন-ভাতা এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এটা আমরা এজন্যই করেছি যেন দেশের সেবাটা আপনারা ভালোভাবে করতে পারেন। তিনি এই বেতন-ভাতা বৃদ্ধিকে পৃথিবীতে নজীরবিহীন উল্লেখ করে বলেন, তাঁর দেশের অর্থনীতিটা একটা শক্ত ভীতের ওপর দাঁড়িয়েছে বলেই এগুলো করা সম্ভব হয়েছে। তিনি হলুদ সাংবাদিকতার সমালোচনা করে বলেন, পত্রিকায় এটা ওটা লেখা হয়, আর আমাদের অনেকেই সেটা নিয়ে ঘাবড়িয়ে যায়। আমি অন্তত এটুকু বলতে পারি রাষ্ট্র পরিচলনায় পত্রিকার লেখা পড়ে গাইড লাইন গ্রহণ করি না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি গ্রহণ করি আমাদের নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা এবং নিজস্ব পরিকল্পনা। কে কি বললো সেটা শুনে রিঅ্যাক্ট করার চিন্তাতেই আমি বিশ্বাস করি না। তবে, পত্রিকা থেকে তিনি খবর এবং তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন বলেও ইঙ্গিত দেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, দেশটা আমার, আমার দেশকে আমি চিনি, আমি জানি দেশের জন্য কোনটা ভালো হবে। আর যেহেতু রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছি তখন অবশ্যই জানবো কোথায় কি সমস্যা আছে, কোথায় কি করতে হবে। জন প্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক এবং জন প্রশাসন সচিব ফয়েজ আহমেদ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন। ১০৭, ১০৮ও ১০৯তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের রেক্টর পদক বিজয়ী শ.ম. আজহারুল ইসলাম সনেট, শরিফ আসিফ রহমান এবং মো. মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী কোর্স সম্পন্নকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ ছাড়াও তাঁদের সঙ্গে ফটো সেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং তিনটি ব্যাচের স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রী পরে সিভিল প্রশাসনের নবীন কর্মকর্তাদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং বিসিএস প্রশিক্ষণ একাডেমির নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর