করোনা আক্রান্ত সন্দেহে বাংলাদেশিকে হাসপাতালে ভর্তি
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে চীন থেকে আসা এক বাংলাদেশি নাগরিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে চীন থেকে আসা এই যাত্রীর অতিরিক্ত তাপমাত্রা (জ্বর) ধরা পড়ে বিমানবন্দরের থার্মাল স্ক্যানারে। এরপর তাকে পর্যবেক্ষণের জন্য সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হেলথ সেন্টারের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ায় সাজ্জাদ বলেন, করোনার প্রাথমিক কিছু লক্ষণ থাকায় চীন থেকে আসা এক বাংলাদেশিকে আমরা কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠিয়েছি। হাসপাতালে আরও পরীক্ষার পর এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে।-আলোকিত বাংলাদেশ
অনেক প্রতিশ্রুতি পাই, সহায়তা পাই না
২৯জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব মোকাবিলায় অনেক দেশ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও উন্নত দেশের প্রতিশ্রুতি পেলেও সহায়তা পাওয়া যায় না। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য দায়ীদেরই বেশি দায়িত্ব পালন করা উচিত বলে মনে করেন তিনি বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম ২০২০ (বিডিএফ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নিজস্ব অর্থেই তহবিল গঠন করা হয়েছে বলেও উন্নয়ন সহযোগীদের জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে খুব বেশি শর্ত না দিয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ ১৯৪১ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী হবে। দারিদ্র নিরসনে বিশ্বেও উদাহরণ তৈরি করেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন করা দেশে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশকে গড়ে তুলতে গেলে যেমন একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দরকার, তেমনি একটি পরিকল্পনাও দরকার। প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই একটি পরিকল্পনা থাকবে যে দেশটাকে তারা কীভাবে গড়তে চায়। সেভাবেই তারা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে। আমরা সেই কাজটিই করেছি। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমরা একটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করি। সেটি ছিল ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। পাশাপাশি আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেই ২০১০ থেকে ২০২০, এর মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা কীভাবে আমরা গড়তে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা রূপকল্প ২০২১ প্রণয়ন করি। রূপকল্পে আমরা দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করি। আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না, না খেয়ে থাকবে না, বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না। সে লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক তৈরি করে মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হচ্ছে। হাওড়, চর ও পাহাড়ী এলাকায় আবাসিক স্কুল তৈরি করা হচ্ছে। যাতে শিশুরা সেখানে থেকে পড়াশুনা করতে পারে। কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি স্কুল করে দিচ্ছি। সাড়ে ৩ হাজার ইউনিয়নে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ই-গভর্নেন্স চালু করা হয়েছে। ডিজিটাল ইউনিয়ন সেন্টার চালু করা হয়েছে। ঘরে বসেই অনলাইনে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে মানুষ। লার্নিং এন্ড আর্নিং কমসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচি টেকসই করতে আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্ডউইগ স্কেফার, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো, এডিবির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শিক্সিন চেন জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. জুনিচি ইয়ামাদা, এছাড়া ৩০ থেকে ৪০টি উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা ও দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। দুই বছর পর আবার হচ্ছে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম সম্মেলন (বিডিএফ)। এবারের সম্মেলনের শ্লোগান, কার্যকর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন। সম্মেলনে সরকার এবং দাতাগোষ্ঠীর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। গত ২৭ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এসব জানান, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ। দুই বছর পর আবার হচ্ছে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম সম্মেলন (বিডিএফ)। এবারের সম্মেলনের শ্লোগান, কার্যকর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন। সম্মেলনে সরকার এবং দাতাগোষ্ঠীর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। এবারের বিডিএফ সম্মেলন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী স্মরণে উৎসর্গ করা হয়েছে।- আলোকিত বাংলাদেশ
রাজউক নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: শ ম রেজাউল করিম
২৯জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলছেন, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে রাজউককে হেয় করে বাহবা নেয়ার চেষ্টা করেছে টিআইবি। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দুর্নীতি নিয়ে টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দফতরে এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এর আগে ধানমন্ডিতে মাইডাস সেন্টারে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজউকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছাড়পত্র-নকশা অনুমোদনে দালালের মাধ্যমে চুক্তি হয়ে থাকে। রাজউকের কর্মকর্তা, দালাল ও সেবাগ্রহীতার মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আঁতাতের মাধ্যমে চুক্তি করে সুনির্দিষ্ট হারে নিয়মবহির্ভূত অর্থ নেয়া হয়। এ ছাড়া সেবাগ্রহীতা ইমারত নকশা অনুমোদনে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। গণপূর্তমন্ত্রী আরো বলেন, সংবাদপত্রে টিআইবির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে যে সংবাদ এসেছে সেখান থেকে আমি অবহিত হয়েছি- রাজউকে সেবা নিতে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ লাগে। এই বক্তব্যটি কোনোভাবে সত্য নয়, এর কোনো ভিত্তি নেই। এটা সম্পূর্ণরূপে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জনবান্ধব একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে হয়তো কারও দেয়া ভুল তথ্যের ভিত্তিতে হেয়প্রতিপন্ন করে আলাদা একটা বাহবা নেয়ার চেষ্টা করেছে তারা। তিনি বলেন, তাদের এই অভিযোগের কী ভিত্তি, সেই ভিত্তি কোথায়? তারা সুস্পষ্টভাবে বলেননি একটি অভিযোগে তারা বলেছেন বিশেষ প্রকল্পের ক্ষেত্রে রিয়েল স্টেট ডেভেলপারকে ১৫ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। আমি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এ জাতীয় কোনো প্রকল্পের অনুমোদনই হয়নি। রেজাউল করিম বলেন, আমি এক বছরের বেশি সময় আগে মন্ত্রী হয়েছি। বিশেষ প্রকল্পে ১৫ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা ঘুষ দিতে হয় এই তথ্য তারা কোথায় পেলেন? এই জাতীয় কোনো প্রকল্পই তো পাস করা হয়নি। তিনি বলেন, তারা (টিআইবি) বলেছেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। আমি মন্ত্রী হওয়ার পর আজ পর্যন্ত কোনো নিয়োগই হয়নি। নিয়োগ না হলে রাজনৈতিক প্রভাবের অবকাশ আসল কোথা থেকে? নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে, আমরা এখন পর্যন্ত এডমিট কার্ডও ইস্যু করিনি। এর ভেতরে তারা বললেন, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, এটাতে তারা দুর্নীতির একটি অভিযোগ হিসেবে উত্থাপন করেছেন। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী আরও বলেন, চাবি প্রদানের ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয় বলেছেন- একবারই মাত্র উত্তরা থার্ড ফেজে ফ্ল্যাট বরাদ্দ করা হয়েছে। রাজউকে সংবাদ মাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে লটারি করে চাবি দেয়া হয়েছে। কেউ যদি অ্যাবসেন্ট থেকে থাকেন তারা পরবর্তী সময়ে চাবি নিয়েছেন। তাই টাকা নিয়ে দেয়ার কথাটি যথার্থ নয়। টিআইবি ভূমির ছাড়পত্র, আমমোক্তার নামা গ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে টাকা দেয়ার কথা বলেছে জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর রাজউকে আইন করে দেয়া হয়েছে যে সেবা নিতে গেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দিতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা অটোমেশন পদ্ধতি চালু করেছি। এখন ঘরে বসেও একটি প্ল্যান স্ক্যান করে ল্যাপটপের মাধ্যমে নির্ধারিত অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন করা যায়। সরকারি যে ফি দিতে হয় তা জমা দিয়ে রিসিট ও নম্বর দিলে সেই সেবাটা গ্রহণ করা যায়। ফলে এক্ষেত্রে আলাদা ঘুষ দেয়ার অভিযোগ আসার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তিনি বলেন, তারা দালালের কথা বলেছেন- একটা সময় রাজউক দালাল পরিবেষ্টিত থাকার অভিযোগ ছিল। বেশ কিছু দালালকে গ্রেফতার ও ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে, এরমধ্যে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন। যারা রাজউকের পরিত্যক্ত কক্ষের মধ্যে আলাদা অফিস করে সেখানে কমিশনারের প্যাড-সিল ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করতেন। দৃশ্যমানভাবে বলা যেতে পারে রাজউকে এখন দালালের উপস্থিতি নেই। তিনি বলেন, এরপরও যদি সুনির্দিষ্টভাবে তারা অভিযোগদাতার কথা আমাদের বলতেন আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারতাম। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি- রাজউকে নতুন চেয়ারম্যান এসেছেন। উনি স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছেন। মন্ত্রী বলেন,আশা করব টিআইবি এ জাতীয় কোনো অভিযোগ আনার আগে আমাদেরকেও জানাবে, কী অভিযোগ পেয়েছেন, কাদের কাছ থেকে। টিআইবি কখনও রাজউক ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে আত্মপক্ষ সমর্থনে কোনো অভিযোগের বিষয়ে জানায়নি। যদি জানাতো তবে নিশ্চয়ই তাদেরকে আমরা সাহায্য করতে পারতাম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। আমরা সেটাকে শক্ত ও কঠোরভাবে ধারণ করেছি। অনিয়ম যে সব দূর হয়ে গেছে, এ কথা বলা যাবে না। তবে যে সব দুর্নীতির অভিযোগ ছিল এর অধিকাংশই আমরা বিনাশ করেছি। আগামীতেও করতে চাই। আনুষ্ঠানিকভাবে টিআইবির কাছে কোনো প্রতিবাদ জানানো হবে কিনা- জানতে চাইলে রেজাউল করিম বলেন, টিআইবি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নয় যে তাদেরকে আনুষ্ঠারিকভাবে...তারাই তো আমাকে কোনো অভিযোগ জানায়নি। তারা অনুমানভিত্তিক করেছে, আমরা গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। সেজন্য গণমাধ্যমের মাধ্যমেই জানালাম তাদের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। মানহানীর মামলা বা অভিযোগ করবেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি আজকেই জেনেছি। আমরা বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। দুর্নীতি বন্ধে এর আগে দুদকের সুপারিশ কতটা বাস্তবায়ন করা হয়েছে- জানতে চাইলে পূর্তমন্ত্রী বলেন, দুদক আমাদের কিছু গাইডলাইন দিয়েছিল, এর প্রেক্ষিতে আমরা ১৪ দফা নির্দেশনা দিয়েছি। সেই নির্দেশনার আলোকে চলমান কর্মকাণ্ডে অনেক বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এসেছে।
৩১ জানুয়ারি থেকে দুই সিটিতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ
২৯জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে দুই সিটিতে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। এর ফলে আগামী ৩০ জানুয়ারি মধ্যরাত (রাত ১২টা) থেকে ২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত মোট ৫৪ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া ৩১ জানুয়ারি মধ্যরাত (১২টা) থেকে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসি। তবে দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে এবং নির্বাচন কমিশন থেকে সরবরাহ করা স্টিকার ও পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মোটরসাইকল ও বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা থাকবে। বিশেষ করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্রের পাশাপাশি ইসি থেকে সরবরাহ করা স্টিকার ও তাদের নিজেদের অফিসের পরিচয়পত্র সঙ্গে থাকতে হবে। নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক এবং জরুরি কাজে নিয়জিত যেমন- অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। বিষয়টি নিয়ে গত ১৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে সিটি নির্বাচন উপলক্ষে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞার আদেশ কার্যকর করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিকে, ইসির নির্দেশনার আলোকে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ভোটের সময় যান চলাচলে বিধি নিষেধ আরোপ করে এক প্রজ্ঞাপনে জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। একই বিষয়ে গত ২৭ জানুয়ারি প্রায় অভিন্ন পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। ৩০ জানুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ৫৪ ঘণ্টার মটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি দুই সিটি নির্বাচন উপলক্ষে ৫৪ ঘণ্টা নির্বাচনি এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অর্থাৎ ৩০ জানুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। তবে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের (পরিচয়পত্র থাকতে হবে) ও প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনি এজেন্টদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য। ৩১ জানুয়ারি মধ্যরাত থেকে ৩২ ঘণ্টা সব যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা: অন্যদিকে ভোটের আগের দিন মধ্যরাত অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ৩২ ঘণ্টা নির্বাচনি এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। ইসির নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা যানবাহনগুলো হলো বেবি ট্যাক্সি, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, ট্যাক্সি ক্যাব, কার, বাস, ট্রাসহ অন্যান্য যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশেন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান প্রধান রাস্তার সংযোগ সড়ক বা এজাতীয় সব রাস্তায় যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। অন্যদিকে, প্রতিবন্ধী ভোটারদের সহায়তায় নিয়োজিত গাড়ির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। বিদেশ বা দেশের বিভিন্ন স্থানে গমন বা বিদেশ বা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা যাত্রীদের বিমান, নৌবন্দর বা বাস স্টেশন, টার্মিনালে যাওয়ার জন্য বা বন্দর, স্টেশন থেকে বাসস্থানে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে চলাচলের জন্য নিয়োজিত যানবাহন ক্ষেত্র বিশেষ মোটরসাইকেল চলাচল নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া কোনো দেশ উন্নতি করতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী
২৯জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটি দেশকে গড়ে তুলতে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে পরিকল্পনা থাকাও প্রয়োজন। কারণ রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া কোনো দেশ বা জাতি উন্নতি করতে পারে না। বাংলাদেশের জন্য সেটা একেবারেই সত্য। আজ বুধবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সম্মেলন উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ থেকে ৭৮ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। আমরা ২১ বছর পর সরকার গঠন করে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাও গ্রহণ করি, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করি। ষষ্ঠ শেষ করে, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন জায়গাগুলো গুরুত্বপূর্ণ তা চিহ্নিত করেই আমরা পরিকল্পনামতো এগিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, সেটা বাস্তবায়ন করাই আমাদের লক্ষ্য। তা করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। আমরা যদি এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারি, তাহলে ২০২৪ সালে আমরা উন্নয়নশীন দেশের স্বীকৃতি পাবো এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে অবস্থান হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। শুধু বাংলাদেশ নয় যেসব ছোট দ্বীপ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তাদের সবার প্রতিই সহায়তা করা প্রয়োজন। উন্নত রাষ্ট্রগুলোকে এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যেহেতু বদ্বীপ, তাই ডেল্টা প্ল্যান ২০১০ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের কাজও শুরু করেছি। আমাদের নদীগুলো ড্রেজিং করতে হবে। নাব্য বাড়াতে হবে। তাহলে বন্যার হাত থেকে আমরা মুক্তি পাবো। আর ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে আমরা অনেক ভূমিও উদ্ধার করতে পারবো। সেসব ভূমি কৃষিকাজসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারবো। নদীতে নাব্য থাকলে যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হয়ে যাবে। বাংলাদেশের উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে কঠিন শর্ত না দিয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের পাশে থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রস্তুতি নিতে কারিগরি শিক্ষায় উৎসাহিত করার তাগিদ দেন তিনি। এছাড়া বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নষ্ট করে যেখানে সেখানে শিল্প কারখানা না করারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, দুই বছর পর ঢাকায় বসেছে এই সম্মেলন। সম্মেলনের আয়োজন করেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
নয়ন-মিন্নির বিয়ের প্রমাণ দিয়ে আদালতে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন কাজি
২৯জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ও ঘটনার পর বন্দুকযুদ্ধে নিহত নয়ন বন্ডের বিয়ের বিষয়টি কারও অজানা নয়। আদালতে এ দুজনের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল নিহত নয়নের সহযোগীসহ তার বাবা-মা ও বাসার আয়া। সর্বশেষ বিষয়টি আদালতকে নিশ্চিত করলেন নয়ন ও মিন্নির বিয়ের কাজি মো. আনিছুর রহমান। আজ মঙ্গলবার বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য দেন কাজি আনিছুর। এ সময় তিনি আদালতের কাছে নয়ন-মিন্নির বিয়ের রেজিস্টার ও বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য বিবাহ নিবন্ধন বই (বালাম) উপস্থাপন করেন। আদালত সেটি গ্রহণ করেন। এদিন মামলার অপর দুই সাক্ষী মো. কামাল হোসেন এবং মিনারা বেগমও সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিরুদ্ধে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করলেন জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান। মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের কাজি আনিছুরের সাক্ষ্য প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিফাত হত্যা মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু। আদালতে যা বলেন বিয়ের কাজি: ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ে আমি সম্পন্ন করি। ওই দিন নয়ন বন্ডের কয়েকজন বন্ধু আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়। তখন বাসায় নয়ন বন্ডের মা এবং মিন্নিসহ অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন। নয়ন বন্ডের বাসায় বসেই পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ে দেই আমি। আদালতকে কাজি আনিছুর বলেন, বিয়ে সম্পন্ন করার পর আমি জানতে পারি মিন্নি বরগুনা পৌরসভার আবু সালেহ কমিশনারের ভাইয়ের মেয়ে। তখন আমি সালেহ কমিশনারকে আমার মোবাইল থেকে কল দিয়ে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের খবর জানাই। তিনি আমাকে বিয়ের কথা গোপন রাখতে বলেন। এরপর মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরও আমাকে ফোন করে বিবাহের বিষয়টি গোপন রাখতে অনুরোধ করেন। রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ের ব্যাপারে কাজি আদালতকে বলেন, আমি জানতে পারি কুমারী পরিচয়ে রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে হয়েছে। রিফাত শরীফের সঙ্গে বিয়ের পরদিন মিন্নির বাবা আমাকে ফোনে বলেন, মিন্নি ও নয়ন বন্ড আগামীকাল আপনার কাছে যাবে। আপনি তাদের ডিভোর্স করিয়ে দিয়েন। কিন্তু মিন্নির বাবার কথা অনুযায়ী ওই দিন তারা আমার কাছে আসেনি। এর পরদিন ফোন করে আবারও আমাকে একই কথা বলেন মিন্নির বাবা কিশোর। ওই দিনও ডিভোর্সের জন্য মিন্নি ও নয়ন বন্ড আমার কাছে না আসায় মিন্নির বাবাকে ফোন দেই। তখন মিন্নির বাবা আমাকে জানান, ওরা দুজনে কমিটমেন্ট করেছে বিয়ের কথা কাউকে জানাবে না। গোপন রাখবে। আপাতত থাক। এর আগে গতকাল সোমবার একই আদালতে নয়ন-মিন্নির বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন মামলার তিন সাক্ষী মো. হেলাল সিকদার, মো. দুলাল খাঁন ও নয়ন বন্ডের বাসার আয়া মোসা. ফুলি বেগম।- আলোকিত বাংলাদেশ
আগামীকাল থেকে ঢাকায় বিশেষ অভিযান
২৯জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা শহরে আগামীকাল বৃহস্পতিবার মধ্য রাত থেকে বিশেষ অভিযানে নামছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পয়লা ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এরই মধ্যে হত্যা মামলার আসামি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতসহ বিভিন্ন মামলার দাগি শতাধিক আসামির রাজধানীতে অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা হিসেবে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রও রয়েছে তাদের সঙ্গে। এসব অস্ত্রধারী বহিরাগতদের গ্রেফতার করা হবে। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দুর্বৃত্ত সন্ত্রাসীরা সিটি নির্বাচন ঘিরে নাশকতার ছক কষছে। নির্বাচনের দিন যত কাছে আসছে ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, ভোটের সময় অপরাধীসহ কোনো বহিরাগতরা ঢাকায় থাকতে পারবে না। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে। অপরাধী যেই হোক এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে সন্ত্রাস-নাশকতার ছক কষছে বিএনপি-জামায়াত। নির্বাচন বিতর্কিত করাই এর উদ্দেশ্য। এই নির্বাচনে জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা রহস্যজনক বলে মনে করে গোয়েন্দা সংস্থা। নির্বাচন ঘিরে বেড়ে গেছে ভাড়া করা সন্ত্রাসী, জঙ্গিদের আনাগোনা। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন জমে ওঠায় বিতর্কিত নির্দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনার তাপ বাড়ছে। নির্দলীয় বিতর্কিত প্রার্থীদের পক্ষে সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের ভাড়া করে এনে সহিংসতার জন্ম দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা মনে করে। গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে এ খবর জানা গেছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন পায়নি এমন নির্দলীয় বিতর্কিত প্রার্থীদের পক্ষে সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তৃণমূলের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য আছে যে, হত্যা, সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন দাগি আসামিরা এরই মধ্যে ঢাকায় গেছে। তারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের হয়ে মিছিলসহ নানা আধিপত্য বিস্তার করছে। তারা ঢাকায় কোথায় অবস্থান করছেন সেটাও গোয়েন্দাদের কাছে অনেকে বলে দিয়েছেন। মতিঝিল, খিলগাঁও, ঢাকা দক্ষিণের কয়েকটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওয়ার্ডগুলোতে বহিরাগতকরা মিছিলে ঢুকছে। যশোর, সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা ও গাজীপুর থেকে অনেক ক্যাডার ঢাকায় ঢুকেছে। গুলবাগ, খিলগাঁও, মধুবাগসহ বিভিন্নস্থানে বহিরাগত মাস্তানদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। জামায়াত-শিবিরের তালিকাভুক্ত ক্যাডাররা বিএনপি দলীয় পরিচয়ে বিভিন্ন প্রার্থীর প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছে। বিদ্রোহী প্রার্থী ও ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে বহিরাগতদের নিয়ে আসছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বিদেশি অস্ত্রের চালান ঢুকেছে রাজধানীতে। অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে এসব অস্ত্র এখন পাড়া-মহল্লার সন্ত্রাসীদের হাতে। গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই নির্বাচনী প্রচারাভিযান জমে ওঠায় উত্তেজনাও বাড়ছে। প্রায় প্রতিদিনই কারও না কারও বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এই ধরনের অভিযোগ থেকেই সন্ত্রাস, নাশকতার আশঙ্কার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে নির্বাচন বিতর্কিত করার জন্য তৃতীয় পক্ষ থেকে এরই মধ্যেই নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা। নির্বাচনী প্রচার ঘিরে যাতে আইনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সে জন্য এরই মধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
একনেকে ছয় হাজার ২৭৬ কোটি টাকার নয় প্রকল্প অনুমোদন
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় হাজার ২৭৬ কোটি টাকা ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৪ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ও বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৬৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা খরচ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) শেরে বাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেকের সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ ব্রিফিংয়ে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন। নয় প্রকল্পের মধ্যে সিলেট ও চট্টগ্রাম মহাসড়কে উঠতে সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ীর রাস্তায় চাপ কমানোর লক্ষ্যে রাজধানীর হারিরঝিল ও রামপুরা সেতু থেকে বনশ্রী, শেখের জায়গা ও আমুলিয়া হয়ে ডেমরা পর্যন্ত সড়কটি ফোর লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। প্রস্তাবিত এ সড়কের কাজ শেষ করতে ১ হাজার ২০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় ধরে একটি সহায়ক প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বাইপাস এ সড়কটি হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সড়কটি অনুমোদন পেলে সিলেট ও চট্টগ্রামবাসীর জন্য খুবই ভালো হবে। কোনো জটলা ছাড়াই ঢাকা থেকে সিলেট ও চট্টগ্রামে যাতায়াত করতে পারবো আমরা। গুরুত্বসহকারে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।’ মন্ত্রী জানান, অর্থ দিয়ে প্রকল্প এলাকার জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী পরামর্শক ও স্বাধীন প্রকৌশল পরামর্শক সেবার মাধ্যমে নির্মাণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম তদারকি করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটার সামগ্রী, ভাড়াভিত্তিক যানবাহন ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ৭২ জন সরকারি কর্মকর্তা বিদেশ সফর করবেন। তাদের জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি। নির্বাচনের আগে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির কাজ সভায় অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে। এর বাইরে অন্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রংপুর সিটি করপোরেশনের জন্য যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১১৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। রাজশাহী ওয়াসা ভবন নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। ভান্ডাল জুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৯৫৮ কোটি ৮৫ কোটি টাকা। মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৯৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। নারায়ণগঞ্জ লিংক সড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ৪৪৯ কোটি ৫৮ লাখ, আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ১৪৭ কোটি, সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার আওতাধীন সুরমা নদীর ডান তীরে অবস্থিত দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, লক্ষীবাউর ও বেতুরা এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৯১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এছাড়া অনুমোদন পাওয়া মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় আড়িয়াল খাঁ নদীতীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩৯৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। সূত্র জানায়, হাতিরঝিল সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবিত এ সড়কটি ফোর লেনে উন্নীত হলে প্রতিদিন এটি দিয়ে ১১ হাজার যানবাহন চলাচল করতে পারবে। মহাসড়কটি রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বন্দরনগর চট্টগ্রাম, সিলেট, নারায়ণগঞ্জসহ অন্য জেলার সংযোগ ঘটাবে। প্রস্তাবিত র‍্যুটটি গুলশান, বাড্ডা, ফার্মগেট, তেজগাঁও, বনানী, রামপুরা ও উত্তরার যানবাহনও আকৃষ্ট করবে। এছাড়া, এটি দুই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সঙ্গেও সংযুক্ত হবে।
ডিসেম্বরে মেট্রোরেল উদ্বোধন:ওবায়দুল কাদের
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২১ সালের জুনে পদ্মা সেতু ও ডিসেম্বরে মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। ২০২১ সালের জুনে পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, পদ্মা সেতু প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি প্যাকেজের মধ্যে মাওয়া সংযোগ সড়ক, জাজিরা সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া-২ এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সেতু ও নদীশাসন কাজের ভৌত অগ্রগতি যথাক্রমে ৮৫ দশমিক ৫ শতাংশ ও ৬৬ শতাংশ। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ। পদ্মা সেতুর ৪১টি স্টিল ট্রাসের (স্প্যান) মধ্যে ২০টি ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে। বাকি ২১টি আগামী জুলাই মাসের মধ্যে স্থাপন করা হবে। মেট্রোরেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরী ও তৎসংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ছয়টি মেট্রোরেল সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ‘প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ১৬ স্টেশনবিশিষ্ট উভয় দিকে ঘণ্টায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহনে সক্ষম আধুনিক সময়সাশ্রয়ী পরিবেশবান্ধব ও বিদ্যুৎচালিত এমআরটি নির্মাণের লক্ষ্যে এমআরটি-৬ উড়াল মেট্রোরেল নির্মাণকাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সার্বিক গড় অগ্রগতি ৪০ দশমিক ০২ শতাংশ।’ ‘প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও অংশের অগ্রগতি ৬৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের অগ্রগতি ৩৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ। ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং রোলিং স্টক (রেলকোচ) ও ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ কাজের সমন্বিত অগ্রগতি ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি-৬ বর্ধিত করার জন্য মাটির সমীক্ষা চলছে। এ অংশের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার। ইতোমধ্যে ৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট দৃশ্যমান হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বর্ষের ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল সম্পূর্ণ অংশ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। মন্ত্রী জানান, উড়াল ও পাতাল মেট্রোরেলের সমন্বয়ে ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট লাইন-১ এর কাজও পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এমআরটি লাইন-১ দুটি অংশে বিভক্ত। এর একটি হচ্ছে ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্ডারগ্রাউন্ড বিমানবন্দর রুট (বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর) এবং ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড পূর্বাচল রুট (নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল ডিপো) বিমানবন্দর রুটেই বাংলাদেশে প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর