দেশে ফিরেছেন ৯৫ হাজার ১৫ হাজি
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:পবিত্র হজ পালন শেষে ২৭৪টি ফিরতি হজ ফ্লাইটে ৯৫ হাজার ১৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সোমবার পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ১৩২টি এবং সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ১৪২টি ফিরতি হজ ফ্লাইটে এই হাজিরা দেশে ফিরেছেন বলে হজ অফিস সূত্রে জানা যায়। এ বছর বাংলাদেশ বিমান ও সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে মোট ৩৬৫টি হজ ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৫২ সৌদি আরব গিয়েছেন। গত ১০ আগস্ট পবিত্র হজ পালন শেষে ১৭ আগস্ট থেকে হাজিরা দেশে ফিরতে শুরু করেন। শেষ ফিরতি হজ ফ্লাইট আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। সৌদি আরবে বাংলাদেশের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩২ জনকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ১৭ জন মহিলাসহ সর্বমোট ১১৭ জন হজ যাত্রী সৌদি আরবে ইন্তেকাল করেছেন। এর মধ্যে মক্কায় ১০২ জন, মদিনায় ১৩ জন ও জেদ্দায় ২ জন হজ যাত্রী ইন্তেকাল করেন বলে হজ অফিস সূত্রে জানা যায়।
ডিসেম্বরে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, মার্চে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন,আলোচনায় তিন মেয়র
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত হলেও তিন সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এমনকি যোগ্য বিকল্প প্রার্থীর নামও লাইমলাইটে আসেনি। এ কারণে দলের ভিতরে-বাইরে আলোচনা হচ্ছে দক্ষিণে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, উত্তরে আতিকুল ইসলাম এবং চট্টগ্রামে আ জ ম নাছির উদ্দীনকে ঘিরে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছেন, তিন সিটিতে প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু বর্তমান তিন মেয়রের তুলনায় অধিকতর গ্রহণযোগ্য কোনো প্রার্থীর নাম তারা সামনে আনতে পারেননি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। এর পরে মার্চে ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে। সেই সঙ্গে আগামী ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনেও ইভিএম ব্যবহার করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন,কয়েক মাস পর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন। সিটি নির্বাচনে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। জোর করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে শেখ হাসিনা নির্বাচনে জিততে চান না। আমরা জনগণকে খুশি করে জনগণের রায় মেনে নির্বাচিত হতে চাই। জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা কেউ যদি ভাবেন ক্ষমতায় আছি জিতেই যাব, তাহলে ভুল করবেন। আপনাকে জনগণের মন জয় করে, জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হতে হবে। সিটি নির্বাচনে আমাদের বিজয়ী হতে হবে। তিন সিটিসহ স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে। আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনে প্রার্থীও চূড়ান্ত পর্যায়ে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে লড়বেন মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। তাদের বিপরীতে শক্তিশালী প্রার্থী মনোনয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের এক গুরুত্বপূর্ণ নেতা বলেন, টানা ৫ বছর মেয়র থেকে সাঈদ খোকন ও আ জ ম নাছির উদ্দীন দলের ভিতরে-বাইরে একটি বলয় সৃষ্টি করেছে। আতিকের মেয়র হওয়ার বেশিদিন না হলেও তিনিও একটি অবস্থান দাঁড় করিয়েছেন। এ কারণে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত আপাতত নেই। পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে আরও বুঝেশুনে দলটি সিদ্ধান্ত নেবে। আপাতত তারা বিকল্প কিছু ভাবছেন না। রাজধানীর সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর ঢাকা সিটি করপোরেশনকে উত্তর-দক্ষিণ দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এর প্রায় চার বছর পর দুই সিটিতে নির্বাচন হয়। একই সময়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে উত্তরে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক, দক্ষিণে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ও চট্টগ্রামে আ জ ম নাছির বিজয়ী হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর মারা যান ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আনিসুল হক। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটির উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে বিজয়ী হন ব্যবসায়ী নেতা মো. আতিকুল ইসলাম। ৭ মার্চ শপথ নেন তিনি।
সমুদ্র উত্তাল,তিন নম্বর সতর্ক সংকেত
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আজ সরকারি ছুটির দিন। আবার সকাল থেকে আবহাওয়াটাও বেশ শান্ত আর স্নিগ্ধ। রাতে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিও হয়েছে। সবমিলিয়ে দিনের শুরুটা চমৎকার ছিল। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, রাজধানীর তাপমাত্রা আজ মোটামুটি সহনশীল থাকবে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সারাদিনই বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। হতে পারে ঝড় আর বজ্রপাতও। বাতাসে আর্দ্রতা থাকবে, ফলে বেশি হাঁটাচলা করলে বা কাজকর্ম করলে ঘামও হবে। এদিকে ঢাকার পরিবেশ শান্ত হলেও সমুদ্র কিন্তু উত্তাল। আর উত্তাল হবেই বা না কেন? প্রতিবেশী দেশ ভারতের ছত্রিশগড় ও এর আশপাশের এলাকায় যে লঘুচাপটি অবস্থান করছিল সেটি এখন মধ্য প্রদেশে রয়েছে। আর এরই প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই দেশের তিন সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজারকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। সেইসঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে যেসব মাছ ধরার নৌকা বা ট্রলার আছে সেগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। সেইসঙ্গে আছে বজ্রপাতের শঙ্কাও। আজ যেহেতু পবিত্র আশুরা, তাই যারা তাজিয়া মিছিলের জন্য বের হবেন বা ইমামবাড়ার দিকে যাবেন তারা বৃষ্টির কথা মাথায় রেখেই বাড়ি থেকে বের হবেন।
জিয়া-এরশাদকে আর সাবেক রাষ্ট্রপতি বলা যায় না: প্রধানমন্ত্রী
০৮সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণতন্ত্রের স্বার্থে অনেক কিছু হজম করে এগিয়ে যাচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় জিয়া, এরশাদের ক্ষমতাদখল হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করায় তাদেরকে আর সাবেক রাষ্ট্রপতি বলা যায় না বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সদ্যপ্রয়াত বিরোধী দলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দোষে-গুণে মানুষ। আমাদের বলার অনেক কিছুই আছে। কারণ আমরাই সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। আমাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো, ছেলেমেয়েরা জানতে পারেনি আমি কোথায়। তারপরও দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে, জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে অনেক কিছু হজম করে এগিয়ে যাচ্ছি। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বিরোধীদলের নেতা ছিলেন, আমি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া যেভাবে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন, এরশাদও একইভাবে ক্ষমতা দখল করেন। হাইকোর্ট তাদের এই ক্ষমতা দখলকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন। এরপর তাদেরকে আর সাবেক রাষ্ট্রপতি বলা যায় না।
এরশাদের আসনে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন রেজাউল করিম রাজু
০৮সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু। আজ শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় বোর্ড সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী ছাড়াও বেশ কয়েকটি পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হয়। রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে রেজাউল করিম রাজু ছাড়াও আরও ১৫ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর মহানগরের সভাপতি সাফিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল, সহ-সভাপতি দিলশাদ ইসলাম, হাবিবুল হক সরকার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মজিদ, সদস্য মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, দেলোয়ার হোসেন, রংপুর জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোমতাজ উদ্দীন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক এ টি এম তৌহিদুর রহমান টুটুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রোজী রহমান এবং রংপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী বিপ্লব। গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মারা যাওয়ায় আসনটি শূন্য হয়।
ছাত্রলীগের কমিটি ভাঙা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দেননি: কাদের
০৮সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা খোদ সংগঠনের নেতারাই। কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে না পারা, পদ পদবী নিয়ে দ্বন্দ্বসহ নানা কারণেই এই ক্ষোভ। বর্তমান কমিটির দু'জন সহসভাপতির সঙ্গে আলাপে এসব তথ্য পাওয়া যায়। এদিকে গণমাধ্যম বলছে, শনিবার রাতে দলের এক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিতে বলেছেন। এই প্রেক্ষাপটে, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলছেন, এ ব্যাপারে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত দেননি প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি সিলেটে সাংগঠনিক সফরে গিয়েছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক শোভন। ফেরার পথে সিলেট ওসামানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অসংখ্য নেতাকর্মী প্রবেশ করেন তার সঙ্গে। চলে যান একেবারে বিমানের টারমার্ক পর্যন্ত। সব নিরাপত্তা বলয় উপেক্ষা করে সেলফি তোলার হুড়োহুড়িতে ব্যস্ত দেখা যায় তাদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশ এই ছবি। এই অবস্থায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর শনিবার স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভায় আলোচিত হয় এসব বিষয়। এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনে গিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের জন্য বেলা এগারোটা থেকে তিনটা পর্যন্ত অপেক্ষা করা, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানে পৌঁছানোর পর সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের পৌঁছানোসহ নানা বিষয় আলোচিত হয় বলে জানায় গণমাধ্যম। এই পর্যায়ে দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান কমিটি ভেঙ্গে দেয়ার কথা বলেছেন জানায় বিভিন্ন গণমাধ্যম। এদিকে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রশ্নের জবাবে জানান, এ ব্যাপারে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এছাড়া ছাত্রলীগের ভালো কাজে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি অপছন্দের কাজে সতর্ক করার কথাও বলেন তিনি। তিনি বলেন, দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছাত্রলীগের ভালো কাজে সন্তোষ প্রকাশ করি, যেগুলো মানুষ পছন্দ করে না সেগুলোর ব্যাপারে তাদের সতর্ক করি। গেলো বছরের ৩১ জুলাই ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেন শোভন-রাব্বানী। চলতি বছরের ১৩ মে ঘোষণা করা হয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি।-somoynews.tv
হাতিরঝিলে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান, আটক শতাধিক
০৬সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোর গ্যাং কালচার প্রতিরোধে হাতিরঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানে বিভিন্ন কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা হয় শতাধিক কিশোরকে। আজ শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল ফারুক জানান, গ্যাং কালচার বিরূপ আকার ধারণ করেছে। কয়েকজন অভিভাবক ও স্কুল পড়ুয়া তরুণী ইভটিজিং শিকার ও বেপরোয়া আচরণের অভিযোগ করেছেন। পরে হাতিরঝিল থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শতাধিক কিশোরকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাদের পরিচয়সহ অভিযোগের সঙ্গে জড়িত থাকার ব্যাপারে যাচাই-বাছাই চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
দেশপ্রেমিক প্রজন্মই উন্নত দেশ গড়তে পারে: তথ্যমন্ত্রী
০৬সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ দেশপ্রেমিক প্রজন্ম সৃষ্টির জন্য দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিশু-কিশোর সংগঠন খেলাঘর-এর অবদানের প্রশংসা করে বলেছেন, একটি উন্নত জাতি গঠনের জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবশ্যই দেশপ্রেমিক ও মেধাবী হতে হবে এবং অন্যের প্রতি ভালবাসা থাকতে হবে। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে নতুন প্রজন্মকে অবশ্যই দেশপ্রেমের চেতনা ও আধুনিক জ্ঞানসম্বলিত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন, নিকট ভবিষ্যতে বিশ্ব বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নতি প্রত্যক্ষ করবে। মন্ত্রী আজ শুক্রবার শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্মেলন হলে খেলাঘর, ঢাকা মহানগর উত্তর ইউনিটের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ইউনিট সভাপতি আরিফুর রহমান। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ড. সেলু বাসিত, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা মো. শফিকুল শফিক ও খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রুনু আলী। তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৬৭ বছর ধরে খেলাঘর শিশুদের মধ্যে প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনা জাগিয়ে তোলার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ড. হাছান বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে আজকের এই শিশু-কিশোরদের সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠতে হবে। তাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ তার স্বপ্নের ঠিকানায় শুধু পৌঁছেই যাবে না, সেই ঠিকানা অতিক্রম করতে পারবে। আজ পাকিস্তান বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে আক্ষেপ করে, আর ভবিষ্যতের সেদিন সমগ্র বিশ্ব অবাক তাকিয়ে দেখবে এদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতি। তিনি বলেন, আর এজন্য প্রয়োজন আমাদের শিশু-কিশোরদের জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, মাদক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আসক্তি থেকে মুক্ত রেখে দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত করা, যে কাজকে খেলাঘর ও এ ধরণের উদ্যোগ অনেক এগিয়ে নিতে পারে। নিজের জীবন দর্শনকে সহজে ব্যাখ্যা করে ড. হাছান বলেন, সময় জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান। আর মানুষ আলোর বেগে ছুটতে না পারলেও প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগাতে পারে। আর শৈশব-কৈশোরই হচ্ছে জীবনকে গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ সময়। হাছান মাহমুদ বলেন,জীবন মানেই যুদ্ধ। আমি পারবই- এমন প্রত্যয়ে বুক বেঁধে এগিয়ে চলতে হবে লক্ষ্যের দিকে। জয় আসবেই।
পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ হচ্ছে
০৫সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারের সবশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২১ সালের জুনে গাড়ি চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে। নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ সেতুর নির্মাণ খরচ পরিশোধ করবে সেতু বিভাগ। সেতু দিয়ে চলাচল করা যানবাহন থেকে নেওয়া টোলের টাকা হবে নির্মাণ খরচ পরিশোধের উৎস। এ জন্য এখন পদ্মা সেতুর টোলের হার নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে অর্থ বিভাগকে নির্মাণ খরচের টাকা পরিশোধ শুরু করবে সেতু বিভাগ। ৩৫ বছরের মধ্যে তা পরিশোধের কথা রয়েছে। সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, পদ্মা সেতুর টাকা ফেরতের জন্য সম্প্রতি অর্থ বিভাগের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ঋণের টাকা চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। কত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করবে তা চুক্তিতেই স্পষ্ট করা আছে। জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালুর পর টোলের হার কী হবে এ নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। অর্থ বিভাগের সঙ্গে গত ২৯ আগস্ট সেতু কর্তৃপক্ষের চুক্তির পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকার। ১ শতাংশ সুদহারে সুদসহ ঋণ পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। ঋণ পরিশোধের শিডিউল অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরে প্রায় সর্বনিম্ন ৮২৬ কোটি থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই টাকা আদায় করা হবে টোলের মাধ্যমে। নির্মাণকাজ শেষে গাড়ি চলাচলের ১৫ বছর পর ১০ শতাংশ বা যৌক্তিক হারে টোল বাড়বে বলে অর্থ বিভাগের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর মূল কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৮৩ শতাংশ। সেতুটি চালু হলে জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করছে সরকার। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুটি চালু হলে ১০ মিনিটেই পদ্মা নদী পাড়ি দেওয়া সম্ভব বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ফেরির মাধ্যমে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ঘাট হয়ে পদ্মা পার হয় যানবাহন। এ জন্য সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। সেতু চালু হলে সময় বাঁচলেও বাড়বে খরচ। কারণ বর্তমানে চলাচলরত ফেরির দেড়গুণ হারে টোল নির্ধারণের প্রস্তাব যাচ্ছে অর্থ বিভাগে। অবশ্য টোলের হার আরও কম হওয়ার কথা। প্রথমে আলোচনা ছিল ৪৫ বছরে সেতুর নির্মাণ খরচ পরিশোধ করা হবে। পরে ১০ বছর কমিয়ে ৩৫ বছর ধরা হয়। বার্ষিক যান চলাচলের গড় হিসাব পর্যালোচনা শেষে টোলের হার চিন্তা করা হচ্ছে। যানবাহনের শ্রেণিভেদে টোলের হার নির্ধারণ করা হবে। সূত্রমতে, পদ্মা সেতুতে একটি মোটরসাইকেল পাড়ি দিতে গুনতে হবে ১০৫ টাকা। আর কার, জিপের মতো হালকা যানবাহনের টোল হবে ৭৫০ টাকা। ছোট বাসের জন্য (২৯ আসন বা তার কম) ২০২৫ টাকা, বড় বাস (৩০ আসন বা তার বেশি) ২৩৭০ টাকা, ছোট ট্রাক (৫ টন বহন ক্ষমতা) ১৬২০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫ থেকে ৮ টন) ২১০০ টাকা, বড় ট্রাক (৮ টনের বেশি বহন ক্ষমতা) ২৭৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস ১২৯০ টাকা, ট্রেইলার ৪০০০ টাকা (৪ এক্সেল পর্যন্ত)। চার এক্সেলের বেশি ট্রেইলার হলে এক্সেলপ্রতি ১৫০০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ ধরা হবে। বর্তমানে দেশের বৃহৎ সেতু যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতুটি। বিদেশি ঋণে ১৯৯৮ সালে চালু হওয়া বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার। পদ্মা সেতুর চেয়ে দৈর্ঘ্যে কম বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোলের হার হচ্ছে মোটরসাইকেল ৪০ টাকা, কার/হালকা বাহন ৫০০ টাকা, ছোট বাস ৬৫০ টাকা, বড় বাস ৯০০ টাকা, ছোট ট্রাক ৮৫০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ১১০০ টাকা এবং বড় ট্রাক ১৪০০ টাকা। এ সেতুর কর্তৃপক্ষ সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ঋণের আসল ও সুদসহ প্রতিবছর ৪ কিস্তিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে পরিশোধ করছে। প্রতি অর্থবছরে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারকে পরিশোধ করে আসছে। আগামী ২০৩৩-৩৪ অর্থবছরে এই ঋণ সুদসহ সম্পূর্ণ পরিশোধের কথা রয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর