রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
নির্বাচন নিয়ে বার্তা দিলেন মাহবুব তালুকদার
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিজের বিবেচনায় রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও ভোটারদের উদ্দেশ্যে ৪টি বার্তা দিলেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। বুধবার দুপুরে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বার্তা পাঠ করেন তিনি। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি কোনও প্রশ্ন নেব না, কারও প্রশ্নের উত্তরও দেবো না। ‘আমার বার্তা’ শিরোনামে দেয়া লিখিত বার্তায় মাহবুব তালুকদার বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও সন্ত্রাসের ঘটনায় আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। নির্বাচন ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর একটি সহিংসতামুক্ত পরিবেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন না করতে পারলে এই স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে। আমরা তা হতে দিতে পারি না। এক. নির্বাচন কেবল অংশগ্রহণমূলক হলে হয় না, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আইনানুগ হতে হয়। এছাড়া, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য না হলে বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আমরা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারব না। প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করে আমরা কলঙ্কিত হতে চাই না। নির্বাচনে যিনি বা যারাই জয়লাভ করুন, দেশের মানুষ যেন পরাজিত না হয়। দুই. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বলছি: অতি উৎসাহী হয়ে কোন অনভিপ্রেত আচরণ করবেন না। আপনারা নির্বাচনের সবচেয়ে বড় সহায়ক শক্তি। প্রত্যেকের প্রতি সমআচরণ ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন আপনাদের কর্তব্য। নির্বাচনে পক্ষপাতমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকুন। নিজেদের পোশাকের মর্যাদা ও পবিত্রতা রক্ষা করুন। তিন. রিটার্নিং অফিসারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাদের বলছি: জাতির ক্রান্তিকালে আপনারা এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করছেন। বিবেক সমুন্নত রেখে অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে সাহসিকতার সঙ্গে আইন অনুযায়ী নিজেদের দায়িত্ব পালন করুন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণে আপনাদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। কোনও কলুষিত নির্বাচনের দায় জাতি বহন করতে পারে না। চার. ভোটারদের বলতে চাই: নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন। আপনার ইচ্ছানুযায়ী প্রার্থীকে ভোট দিন। ভয়ভীতি বা প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করবেন না। আপনার একটি ভোট গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ। মনে রাখবেন, এবারের নির্বাচন আমাদের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখার নির্বাচন। এবারের নির্বাচন আগামী প্রজন্ম ও আপনার সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যত নির্মাণের নির্বাচন। আরটিভি অনলাইন
বিরামহীন প্রচার মাশরাফির
অনলাইন ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে রাত-দিন প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বাংলাদেশ ক্রিকেটের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করছেন তিনি। সর্বশেষ নির্বাচনী প্রচার শেষে গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাশরাফি বিন মুর্তজা নড়াইলের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। এ সময় সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ার অঙ্গীকার করেন এই ক্রিকেট তারকা। তিনি আরো বলেন, জনগণ যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমি সে সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেব। যেনতেনভাবে এমপি নির্বাচিত হতে চাই না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি আমার সম্মান ও শ্রদ্ধা রয়েছে। আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করি না। অতি উৎসাহী কোনো নেতাকর্মী যেন বিরোধী প্রার্থীর প্রতি কোনো প্রকার অসদাচরণ না করেন, সেদিকে খেয়াল রাখবেন বলেও জানান মাশরাফি। বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ শেষে গত ২২ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এর পরই সকাল থেকে রাত অবধি প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন মাশরাফি। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পথসভা ও গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনী প্রচারে সুন্দর ও সমৃদ্ধিশালী নড়াইল গড়ে তোলার কথা বলছেন মাশরাফি। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে আপনাদের এখানে পাঠিয়েছেন। যদি নৌকা মার্কায় ভোট দেন, তাহলে আমি বিজয়ী হবো। এমপি নির্বাচিত হলে নড়াইলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকব। আপনারা আমার পাশে থাকলে জেলার বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে পারব। নড়াইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফির সঙ্গে ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মীর্জা নজরুল ইসলাম, এনামুল কবির টুকু, কার্ত্তিক দাস, শামীমূল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, মলয় নন্দী, হাফিজুল করিম নিলু, মনীর চেধুরী, মুন্সি আদাদুর রহমান প্রমুখ।
পুলিশকে লাঠিয়াল-জানোয়ার বলছেন, নিজেকে কী মনে করেন?
অনলাইন ডেস্ক :নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে ব্যাপক উত্তাপ ছড়িয়েছে। এক পর্যায়ে বৈঠক থেকে ড. কামালের নেতৃত্বে বের হয়ে যান ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। দুপুর ১২টায় বৈঠক শুরুর এক ঘণ্টা পর বেরিয়ে আসেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার সঙ্গে ছিলেন দলের নেতা নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ড. মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তবে ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশনে যারা প্রতিনিধিত্ব করেন, রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ, রj;্যাব ও ল অ্যান্ড অর্ডার ফোর্সের যারা আছেন; তাদের যে ভূমিকা, বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপরে আক্রমণ, তাদেরকে আহত করা, তাদেরকে গ্রেফতার করা, পোস্টার ছিঁড়া, গাড়ি ভেঙে দেওয়া এই পরিস্থিতি প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তাকে যখন আমরা জানিয়েছি, তখন আমরা সেই ধরনের আচরণ পাইনি যে, তিনি এটাতে কোনও গুরুত্ব দিচ্ছেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন তার বক্তব্যে সিইসির উদ্দেশে বলেন, সিইসি বর্তমানে প্রধান বিচারপতির চেয়েও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারেন। আপনি ইচ্ছা করলে জানোয়ার-লাঠিয়াল পুলিশ বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আপনার এই লাঠিয়াল পুলিশ বাহিনী আমাদের মিটিং-মিছিল কিছুই করতে দিচ্ছে না। কিন্তু আওয়ামী লীগ তার জোটেরা নিয়মকানুন না মেনে পুলিশের সহায়তায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ড. কামালের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, আপনি এমন কী হয়েছেন যে, পুলিশকে লাঠিয়াল-জানোয়ার বলছেন? নিজেকে কী মনে করেন? এমতবস্থায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান সিইসিকে বলেন,নির্বাচনের কোনো পরিবেশ যদি সৃষ্টি করতে না পারেন, তা হলে বলে দেন-আমরা আজকেই প্রেসক্লাবে গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বর্জনের বিষয়ে ঘোষণা দিই।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া আইডি খুলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: আছাদুজ্জামান মিয়া
অনলাইন ডেস্ক: চাপে রাখার কৌশল হিসেবে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে অভিযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর বনানীতে বড় দিন উপলক্ষে গির্জা পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ উপহার দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এসময় অপপ্রচারে কান না দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, প্রশাসনকে চাপে ফেলতে অহেতুক, মনগড়া, ভিত্তিহীন অনেক অভিযোগ দেখতে পাচ্ছি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও নানা ধরনের গুজব রটানো হচ্ছে। অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে বিভেদ তৈরি করার জন্যও অনেক মিথ্যাচার করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া আইডি খুলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বিনিময় বড়দিনে
অনলাইন ডেস্ক: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আরো এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সকালে বঙ্গভবনে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় তিনি এ আহ্বান জানান। মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারাও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় দেয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিবাচক অবদান অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।
অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
অনলাইন ডেস্ক :নির্বাচনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতি আরো এগিয়ে নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, আমি জাতির পিতার স্বপ্নপূরণসহ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই। মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গভবনে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।রাষ্ট্রপতি সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, যিশুখ্রিস্ট ছিলেন মানবজাতির মুক্তির দূত। জাগতিক সুখের পরিবর্তে ত্যাগ, সংযম ও দানের মাধ্যমে তিনি পরমার্থিক সুখ অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বর্তমান সময়েও তাঁর সেই শিক্ষা ও আদর্শ খুবই প্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পেছনে অসাম্প্রদায়িক সাম্প্রতিক ইতিবাচক অবদান অনস্বীকার্য। আর চার দিন পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আমি আশা করব, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আরো এগিয়ে নেবেন।
আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছি :ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২১ বছর আমরা ক্ষমতায় ছিলাম না। আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি। পেছনের দরজা দিয়ে কোনোদিনও ক্ষমতায় আসার চেষ্টা আওয়ামী লীগ করেনি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা চৌরাস্তায় আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। নোয়াখালী-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী মামুনুর রশীদ কিরণের পক্ষে নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ যতবারই ক্ষমতায় এসেছে নির্বাচনের মাধ্যমে এসেছে, গণতন্ত্রের মাধ্যমে এসেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই ৬৯ বছর বয়সে আওয়ামী লীগ যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছি। আমরা বন্দুকের নল উঁচিয়ে ক্ষমতায় আসিনি। আমরা ক্ষমতায় এসেছি সংগ্রাম করে, আন্দোলন করে। আওয়ামী লীগ জনগণকে বিএনপির মতো ভুয়া বা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না দাবি করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সব সময় দেশের জনগণকে ধোঁকা দিয়ে আসছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ যতবারই নির্বাচিত হয়েছে, দেশে উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই এত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. এ বি এম জাফর উল্লাহ, চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সল ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ উল্লাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে : হানিফ
অনলাইন ডেস্ক :পরাজয়ের আশংকায় বিএনপি নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। মঙ্গলবার সকালে কুষ্টিয়ায় জেলার ক্রীড়াবিদদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। হানিফ বলেন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেও জনবিচ্ছিন্ন ছিল, আবার ক্ষমতার বাইরে থেকেও জনবিচ্ছিন্ন। তিনি বলেন, বিএনপি জানে নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে তাদের জয়লাভের কোন সুযোগ নেই। শুরুতে বিএনপি নির্বাচন বয়কট করতে না পেরে নির্বাচন বানচালের চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর নিশ্চিত পরাজয়ের আশংকায় এখন তারা নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থর সাধারণ সম্পাদক অনুপ নন্দী, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদসহ জেলার ক্রীড়াবিদ ও সংস্থার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর