সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারির নির্দেশ
২২জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ছেলেধরার গুজব বন্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ব্লগগুলো নজরদারির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ছেলেধরা-সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিলে বা শেয়ার করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-অপারেশন্স) সাঈদ তারিকুল হাসান সারাদেশের পুলিশের ইউনিটকে এই বার্তা পাঠান। বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ব্লগ এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছেলেধরা-সংক্রান্ত বিভ্রান্তিমূলক পোস্টে মন্তব্য বা গুজব ছড়ানোর পোস্টে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। বার্তায় মোট চারটি উপায়ে ছেলেধরার গুজব ও গণপিটুনি প্রতিরোধে পুলিশের ইউনিটগুলোকে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, স্কুলে অভিভাবক ও গভর্নিং বডির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়, ছুটির পর অভিভাবকরা যাতে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যায় সে বিষয়ে নিশ্চিত করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা, প্রতিটি স্কুলের ক্যাম্পাসের সামনে ও বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, মেট্রোপলিটন ও জেলা শহরের বস্তিতে নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বার্তায় গুজব বন্ধে জনসম্পৃক্ততামূলক কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে, উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গুজববিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি, এলাকায় মাইকিং- লিফলেট বিতরণ, মসজিদের ইমামদের ছেলেধরা গুজববিরোধী আলোচনার নির্দেশনা। এই চিঠির প্রেক্ষিতে পুলিশের কোন ইউনিট কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে পুলিশ সদরদপ্তরে ফ্যাক্সের মাধ্যমে জানাতে বলা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা বলেন, চিঠিতে গুজব বন্ধে পুলিশের ইউনিটগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সারাদেশের পুলিশ সদস্যরা গুজব ও গণপিটুনি বন্ধে কাজ শুরু করেছে।
ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা
২২জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হিন্দু ধর্ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন গৌতম কুমার রায় নামে এক ব্যক্তি। সোমবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারক আস-শামস জগলুল হোসেনের আদালতে এ মামলাটি করেন তিনি। তাকে আইনগত সহায়তা করেন হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায়। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সঞ্চয় কুমার দে দুর্জয়। ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে পৃথক আইনে মামলার প্রস্তুতির কথা গতকালই (রোববার) জানান সুমন কুমার রায়। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেই বিষয়টি জানান। পরে এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মামলা করা একটি সাংবিধানিক অধিকার। যে কেউ কারো বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। এটাই বাংলাদেশের নিয়ম হওয়া উচিত।
রাস্তার ওপর ও রাস্তার আশেপাশে যেন পশুর হাট না বসে: ওবায়দুল কাদের
২২জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদুল আজহাতে যত্রতত্র পশুর হাট বসানোর কারণে রাস্তায় সমস্যা হয় জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সেটা করা যাবে না, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হয়েছে। হাইওয়ের পাশে যেন পশুর হাট না বসে, রাস্তার ওপর ও রাস্তার আশেপাশে। ঢাকা সিটিতেও সিটি করপোরেশন পশুরহাট বসানোর ব্যাপারে যাতে শৃঙ্খলার মধ্যে থাকে, জনদুর্ভোগ না হয়, সে ব্যাপারে তাদেরকে লক্ষ্য রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করি তারা গতবারের মতো এবার বিষয়টি দেখবেন। সোমবার সচিবালয়ে ঈদে সড়ক বিভাগের প্রস্তুতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সড়কের অবস্থা নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের অবস্থা ভালো, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো। সড়কের কারণে যানজটের কারণ সৃষ্টি হবে না।
এরশাদের মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে বিরোধী দলের উপনেতার বাসায় স্পিকার
২২জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিরোধী দলের নেতা হুসেইন মুহম্মদ সমবেদনা জানাতে তার সহধর্মিণী ও বিরোধী দলের উপনেতা রওশন এরশাদের বাসায় দেখা করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সন্ধা সাড়ে সাতটায় দিকে বিরোধী দলের উপনেতার গুলশানের বাসভবনে এক ঘন্টার বেশি সময় কাটান তিনি। এসময় তিনি বিপদের সময় রওশন এরশাদকে ধৈর্য্যধারণ করার জন্য অনুরোধ করেন এবং পরিবারের সবার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। স্পিকারের পক্ষ থেকে বিরোধী দলের উপনেতাকে পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। এসময় এরশাদের জেষ্ঠপুত্র রাহগির আল মাহে সাদ এরশাদ উপস্থিত ছিলেন। বিরোধী দলীয় উপনেতার একান্ত সহকারি সচিব মামুন হাসান জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিরোধী দলের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মুত্যুতে সমবেদনা জানোর জন্য স্পিকার স্যার বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদের স্যারের বাসায় এসেছিলেন।
গোপন ফোন নম্বরে হত্যার পরিকল্পনা করে মিন্নি
২২জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একটি গোপন মুঠোফোন নম্বরে নয়ন বন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিফাতকে শিক্ষা দিতে বলেন আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা বলেছেন বরগুনার নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। স্বীকারোক্তিতে মিন্নি আরও জানান, ওই নম্বরে শুধু নয়ন বন্ডের সঙ্গেই কথা বলতেন তিনি। মুঠোফোন নম্বরটি ক্রসফায়ারে নিহত নয়নের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা। এমনকি রিফাত হত্যা হওয়ার পরও ওই নম্বরে নয়নের সঙ্গে মিন্নির দীর্ঘ সময় ধরে ফোনালাপ হয়। হত্যার পর পলাতক থাকা নয়নকে মিন্নি বলেন,তুমি তো রিফাতরে কোপাইয়া মাইরা ফালাইছ। এখন তো তুমি ফাঁসির আসামি হইবা।হত্যার ঘটনার আগে-পরে এসব কথাবার্তার ভয়েস রেকর্ড ও কললিস্ট সিডি আকারে মামলার নথিতে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুলাই) বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম গাজীর খাসকামরায় এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। খাসকামরায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডকালে বিচারক ও মিন্নি ছাড়া আর কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। আড়াই পৃষ্ঠার জবানবন্দিতে রিফাত হত্যার বিবরণ দেন মিন্নি। পুলিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র রবিবার (২১ জুলাই) গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে। তবে আদালতে দেওয়া এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাখ্যান করেছে মিন্নির পরিবার। মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর রবিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন,আহা রে এই হল দুনিয়া। আমার মেয়েটারে মারধর করে জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। জেলখানায় যখন আমি কথা বলতে গেছি তখন মেয়েটা আমার কান্নায় ভেঙে পড়ে। বলেছে,বাবা পুলিশ আমাকে যা শিখিয়ে দিয়েছে তাই বলেছি। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। স্বামীকে আমি কেন হত্যা করাতে যাব। তিনি বলেন, ১২ ঘণ্টা পুলিশ লাইনে বসিয়ে রেখে আমার মেয়েকে প্রচুর মারধর করা হয়। যখন আদালতে তোলা হয় তখন আমার মেয়ে ঠিকমতো দাঁড়িয়ে থাকতেও পারছিল না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন রবিবার গণমাধ্যমকে বলেন,মিন্নির পরিকল্পনায় রিফাত শরীফ হত্যা হন। তিনি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সব স্বীকার করেছেন। গোপন ফোন নম্বরে হত্যার পরিকল্পনা করে মিন্নি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিন্নি বলেন, ছয় লাখ টাকা কাবিনে ২০১৮ সালের অক্টোবরের ১৫ তারিখে নয়ন বল্ডের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নয়ন বন্ডের মা সাহিদা বেগমসহ অনেকেই এই বিয়ের বিষয়টি জানতেন। কিন্তু মিন্নি বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে পরে রিফাত শরীফকে বিয়ে করেন। রিফাতের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়ন বন্ডের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। কলেজে গিয়ে কলেজের দেয়ালের নিচ দিয়ে তিনি নয়নদের বাড়িতে প্রায়ই যেতেন। জবানবন্দিতে মিন্নি বলেন, নয়নের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েও পারেননি। কারণ মিন্নির একটি ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও নয়নের কাছে ছিল। এছাড়া চলতি বছরের ০৩ জুন নয়ন বন্ড গ্রুপের সদস্য হেলালের মুঠোফোন সেট জোর করে নিয়ে যায় রিফাত শরীফ। এ নিয়ে নয়ন বন্ডের সঙ্গে রিফাতের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নয়ন বন্ড মিন্নিকে বলেন, রিফাতকে ফোন ফিরিয়ে দিতে বল। না হলে পরিস্থিতি খারাপ হবে। হত্যার ঘটনার দুদিন আগে রিফাতকে মিন্নি বলেন, তুমি হেলালের ফোন ফেরত দাও। একথা শুনে রিফাত ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। নয়নের সঙ্গে মিন্নির যোগাযোগ আছে কিনা জানতে চেয়ে মিন্নিকে প্রচণ্ড মারধরও করে রিফাত। এতে মিন্নি রিফাতের ওপর ক্ষুব্ধ হন। পরদিন নয়নের কাছে রিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন এবং শিক্ষা দিতে বলেন। এরপর নয়ন তাকে শিখিয়ে দেন, কোথায় কিভাবে রিফাতকে নিয়ে উপস্থিত হতে হবে। কথা অনুযায়ী মিন্নি ঘটনার দিন রিফাতকে কলেজে এসে তাকে নিয়ে যেতে বলেন। রিফাত এলে তাকে সঙ্গে নিয়ে কলেজ থেকে বের হন মিন্নি। কিন্তু তখনো নয়ন বন্ডের লোকজন প্রস্তুত না হওয়ায় মিন্নি গোপন একটি ফোন নম্বর দিয়ে নয়ন বন্ডের নম্বরে ফোন করে বলেন,তোমার পোলাপান কই।এরপর নয়ন বন্ডের ছেলেরা আসার কিছুক্ষণ পরই মিন্নি রিফাতকে সঙ্গে নিয়ে কলেজ থেকে বের হন। এ সময় নয়ন বন্ডের সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে ঘিরে ধরে। প্রথমে কিল-ঘুষি দেওয়ার পর এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে। এদিকে মিন্নির মা মিলি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে গণমাধ্যমকে জানান,আমরা শুরু থেকেই বলছি, শম্ভুর লোকজন এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এখন নিজেরা বাঁচতে মিন্নিকে ফাঁসাতে চাইছে। মিন্নি একেবারেই নির্দোষ। এ প্রসঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হমায়ুন কবির গণমাধ্যমকে বলেন, মিন্নি অনেকগুলো মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করতেন। এসব নম্বর ব্যবহার করে তিনি হত্যার আগে-পরে নয়ন বন্ডের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে সিমগুলো তার নিজের নামে ছিল না। তিনি জানান, নয়ন বন্ড মাদক কারবারি ছিলেন। মিন্নির একটি ব্যাংক হিসাবে নয়ন বন্ডের মোটা অংকের টাকা রাখা আছে। ইতোমধ্যে এর প্রমাণও তারা পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ বলছে, মিন্নির জবানবন্দির প্রতিটি পর্যায়ের প্রমাণ সংগ্রহ করে তা মামলার নথিতে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে নয়নের সঙ্গে মিন্নির ফোনালাপের ভয়েস রেকর্ড, গোপন মুঠোফোন নম্বরের সিম, কল লিস্ট, ভিডিও ফুটেজ ও খুদেবার্তা বা এসএমএস। বরগুনা জেলার একজন পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, খুনের ঘটনার পর থেকেই মিন্নি সন্দেহের তালিকায় ছিলেন। কিন্তু সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, মিন্নি রিফাতকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। এমন দৃশ্য ভাইরাল হওয়ায় জনমত মিন্নির পক্ষে চলে যায়। এজন্য নিরাপত্তার নামে তাকে মূলত নজরদারির মধ্যে রাখা হয়। তবে শেষমেশ পুলিশি জেরার মুখে তথ্যপ্রমাণ দেখেশুনে মিন্নি সব কিছু অকপটে স্বীকার করেন। এ সময় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। জুন মাসের ২৬ তারিখে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সিনেমা স্টাইলে প্রকাশ্য দিবালোকে রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তোলে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যার সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব ও মাদক কারবার নিয়ে বিরোধের জের ছিল। এ নিয়ে জনমনে নানা ধরনের অভিযোগও আছে।-আলোকিত বাংলাদেশ
মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহার ও চিকিৎসার আবেদন নামঞ্জুর
বরগুনা সদরে চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের জন্য আদালতে তলব এবং হাসপাতালে নিয়ে তার চিকিৎসা দেয়ার আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার (২২ জুলাই) বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী এ আবেদন নামঞ্জুর করেন। এর আগে ১৬৪ ধারায় দেয়া মিন্নির জবানবন্দি প্রত্যাহারের জন্য তাকে আদালতে তলবের আজ বেলা ১১টার দিকে আবেদন করেন তার আইনজীবী ও জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। এসময় আইনজীবী মিন্নি অসুস্থ বলেও দাবি করে তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা দেয়ার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর আবেদন করেন। দুটি আবেদনই নামঞ্জুর করেন আদালত। ১৬ জুলাই সকালে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পুলিশ লাইনসে নিয়ে যায় পুলিশ। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে মিন্নিকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।- আরটিভি অনলাইন
মৎস্য ও পশু সম্পদ খাতে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
২২জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে মৎস্য ও পশু সম্পদ খাতে সব ধরনের অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন। ১৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ- ২০১৯ উপলক্ষে বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রোববার তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, এই খাতে যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে। আপনারা জলাশয়ে মৎস্য অবমুক্ত করাসহ সব ধরনের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবেন। মৎস্য খাতের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে এ খাত থেকে সুযোগ গ্রহণে রাষ্ট্রপতি হামিদ মৎস্য অধিদপ্তরসহ এ খাতে নিয়োজিত সকল সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবী ও বাণিজ্যিক সংস্থাগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের উপর জোর দেন। মৎস্য খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাছের খাদ্য উপাদান নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেশকিছু নেতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রচারিত হয়েছে। এতে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রপতি অসাধু লোকের জন্য যাতে এ খাতের সম্ভাবনা নষ্ট না হয় সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তিনি বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দেশের ভাবমূর্তি ও এই অপার সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাতকে নষ্ট করছে। কিন্তু আপনারা জানেন যে মৎস্য ও পশু সম্পদ দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি বলেন, মৎস্য খাত দেশের আমিষের চাহিদার ৬০ শতাংশের যোগান দেয়। অধিকন্তু দেশের ১১ শতাংশের বেশি লোক জীবন ও জীবিকার জন্য এই খাতের উপর নির্ভরশীল। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক মাছ চাষের পাশাপাশি পরিবেশ ও জৈববৈচিত্র রক্ষায় আমরা জনগণকে সকল প্রজাতির মাছ চাষে উদ্বুদ্ধ করেছি। আব্দুল হামিদ বলেন, সম্প্রতি পাস্তুরিত দুধ নিয়েও ক্ষতিকারক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এতে ভোক্তাদের মাঝে পণ্য সম্পর্কে বিরূপ ধারণা সৃষ্টির পাশাপাশি প্রান্তিক চাষি ও উৎপাদনকারীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের এই অনিয়ম ও অপকর্মে জড়িত সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। রাষ্ট্রপতি মৎস্য আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য মৎস্যজীবী, মৎস্য চাষি, মাছ ব্যবসায়ী, উৎপাদনকারী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সকলের মাঝে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির উপর জোর দেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের রূপকল্প ২০৪১ ও ২০২১ বাস্তবায়নে যথাযথ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সঠিক ব্যবহার খুবই জরুরি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু এমপি, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ সচিব মো. রাইছুল আমল মন্ডল, মৎস্য বিভাগের ডিজি আবু সৈয়দ মো. রাশেদুল হক অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর