উন্নয়ন পরিকল্পনা একে অপরের পরিপূরক হতে হবে
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এমনভাবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে একটি অপরটির পরিপূরক হতে পারে। তিনি বলেন, একবার পরিকল্পনা (উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর) গৃহীত হলে সেগুলো সংহত করা এবং একে অপরের পরিপূরক হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের সোনারগাঁ-বুয়েট লিংক এর হাতিরঝিল অংশের পুন:এলাইনমেন্ট-এর পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা অবলোকনকালে একথা বলেন। উপস্থাপনাটি অবলোকনের পর প্রধানমন্ত্রী নতুনভাবে নকশা করা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নকশায় তাঁর সম্মতি প্রদান করেন, যা পলাশিকে কাঁটাবন হয়ে বিয়াম (বিআইএএম) ভবনের দক্ষিণ অংশে হাতির ঝিল লেকের প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা ঠিক আছে। আপনি এটা বাস্তবায়ন করতে পারেন (ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের সোনারগাঁ-বুয়েট লিংক এর হাতিরঝিল অংশের পুন:এলাইনমেন্ট)। পূর্ববর্তী প্রস্তাবে, হাতির ঝিল লেক এবং পান্থকুঞ্জের মাঝামাঝি বরাবর এই লিংকের অ্যালাইনমেন্টের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লেক (হাতির ঝিল) এবং পান্থকুঞ্জকে সুরক্ষা করে নতুনভাবে নকশা প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষকে নির্দেশ দেন। এই সংযোগের ফলে পুরাতন ঢাকা ও ধানমন্ডির বাসিন্দারা উপকৃত হবেন এবং এটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ শতাংশ যানবাহন প্রবেশ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ প্রসংগে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, একদা মতিঝিলে একটি বড় ঝিল (জলাশয়)ছিল, তবে পাকিস্তানী শাসক আইয়ুব খান তা ধ্বংস করেন। তিনি এ সময় উন্নয়ন পরিকল্পনায় সংশ্লিষ্টদের জলাশয় বিশেষ করে পুকুর রক্ষা করে পরিকল্পনা প্রণয়নেরও নির্দেশ দেন। ঢাকা শহর অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে আমরা নগরীর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা গ্রামে দিচ্ছি। কাজেই গ্রামের মানুষের রাজধানী মুখী প্রবণতা কমে আসছে। সরকারী কর্মকর্তাদের শহরে বসবাসের মানসিকতার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারী কর্মকর্তারা এখন শহরে থাকতে চান। তাদের বদলী করা হলে তাদের পরিবারকে শহরে রেখে নিজেরাই কেবল কর্মস্থলে যান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে জেলার স্কুল,কলেজ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উন্নতি হয়েছে কেননা মন্ত্রী,সংসদ সদস্য এবং সরকারী কর্মকর্তাগণ জেলায় থাকতেন। জনগণের ট্রাফিক আইন মেনে না চলার মানসিকতার কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহবান জানান। ফুটওভার ব্রীজ বা আন্ডারপাস থাকার পরেও জনগণ রাস্তা দিয়ে পারাপার হচ্ছে,পথচারি এবং চালক কেউই জেব্রা ক্রসিং মানছেন না,বলেন তিনি। ৪৬ দশমিক ৭৩ কি.মি. দৈর্ঘ্যরে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি পিপিপি প্রকল্পের আওতায় ৮ হাজার ৯৪০ দশমিক ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ ৫৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রকল্পের সার্বিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে ১৮ শতাংশ। তিনটি ধাপে প্রকল্পটি সম্পন্ন হবে-হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ি হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক (কুতুবখালী) পর্যন্ত। যোগাযোগবিদ এবং বুয়েটের শিক্ষক অধ্যাপক মো.শামসুল হক অনুষ্ঠানে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের সোনারগাঁ-বুয়েট লিংক এর হাতিরঝিল অংশের পুন:এলাইনমেন্ট প্রকল্পের প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন। প্রকল্প বিশেষজ্ঞ কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী এবং প্রকল্পের স্থপতি সদস্য ইকবাল হাবিব এ সময় প্রকল্প সম্পর্কে তাঁদের অভিমত দেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পিএমওর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, পিএমও সচিব মো.তোফজ্জল হোসেন মিয়া, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং সেতু বিভাগের সচিব মো. বেলায়েত হোসেন এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য ভবনের সংশোধিত স্থাপত্য নকশা প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। নকশা প্রত্যক্ষকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনাও প্রদান করেন। নকশা উপস্থাপন করেন জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান। এ সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আরা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।বাসস
জনগণের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপোষহীন
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, জনগণের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপোষহীন। তিনি আজ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রাপ্তি- শ্রদ্ধা,ভালবাসার এক অমলিন স্মৃতি শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ে দীর্ঘ ২৩ বছর আপোষহীন থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত বাঙালির সব প্রাপ্তিই এসেছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। স্পিকার বলেন, বাঙালির মহাজাগরণের পথিকৃৎ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অকুতোভয়। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেননি। বঙ্গবন্ধু আদর্শকে ধারন করে এগিয়ে গেছেন। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন বাঙালির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি অর্জন। অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ এমপি। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু মানুষকে গভীরভাবে ভালবাসতেন এবং বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তিনি বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। ৬৯ এর ২৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু উপাধি এবং ৭২ এর ১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাঙালি জাতির জন্য দুইটি মাইলফলক। এ সময় স্পিকার বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালির পরম বন্ধু। জাতির পিতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে জীবন্ত কিংবদন্তী তোফায়েল আহমেদ ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন, যা জাতির জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন। তিনি বাঙালি জাতিকে দারিদ্র্য ও বৈষম্য থেকে মুক্ত করার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান একরাম আহমেদ, অভিনেতা মাসুম আজিজ, চিত্র নায়ক রিয়াজ, নাট্যকার এনামুল হক, সাবেক ক্রিকেটার রকিবুল হাসান, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, শিল্পী এবং দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।বাসস
জাতির জন্য সেনা সদস্যদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ আজ জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষার্থে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি নগরীর হালিশহর আর্টিলাটি সেন্টার ও স্কুলে এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্টের চার আর্টিলারির জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক। তাই পতাকার মান রক্ষা করা সকল সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব। এই পতাকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে তাদের সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি জরুরি পরিস্থিতির পাশাপাশি মাতৃভূমির অস্তিÍত্ব রক্ষায় যে কোন দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন। ১, ২, ৩ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি ও ৩৮ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট আর্টিলারির জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, দেশ ও জাতীর প্রয়োজনে জনকল্যাণমূলক কাজেও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অবদান রাখতে হবে। এ বিষয়ে তিনি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের কর্তব্যনিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, তাদের জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতানায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হবে। আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত উল্লেখ করে তিনি সকল সদস্যকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি ও ও পেশাগত জ্ঞান অর্জনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, একটি আধুনিক, সময় উপযোগী ও শক্তিশালী সামরিক বাহিনী যে কোন দেশের জন্য অপরিহার্য। তিনি আরো বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। এই নীতির আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামোর বিন্যাস ও পরিবর্তনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ,ফোর্স গোল-২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো বিন্যাস ও পরিবর্তনের পাশাপাশি আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরো বলেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বর্তমান সরকার আধুনিক সমরাস্ত্র, আর্টিলারি গান ও আধুনিক ইনফ্যান্ট্রি গ্যাজেটের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। মূল কার্যক্রমের পাশাপাশি জাতিগঠনমূলক কর্মকা-ে অসধারণ অবদানের জন্য রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়, ভোটার ডাটাবেজ তৈরি ও জরুরি মুহূর্তে বেসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। রাষ্ট্রপতি প্যারেড গ্রাউন্ডে কুঁচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের পর রাষ্ট্রপতি সিনিয়র কর্মকর্তাদের সাথে ছবি তুলেন এবং দর্শনার্থীদের বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এর আগে, রাষ্ট্রপতি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছুলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্লামেন্ট সদস্য, উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ।বাসস
বিএনপি জনগণের স্বার্থ রক্ষায় কোন কাজ করে না
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি জনগণের স্বার্থ রক্ষায় কোন কাজ করে না। তিনি বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শুনলে মনে হয় দলটি কাজ করে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের স্বার্থ রক্ষার্থে। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় তারা কোন কাজ করে না। তথ্যমন্ত্রী আজ তার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ক্যাবল অপারেটিং সিষ্টেম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, তাদের সমস্ত কথাবার্তা বেগম খালেদা জিয়ার জামিন, তার স্বাস্থ্য এবং মাঝে মধ্যে তারেক জিয়া সম্পর্কিত। বেগম খালেদা জিয়ার জামিন পাওয়া তার হক আজকে মানববন্ধনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেয়া বক্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আদালত তাকে জামিন দিবে কি দিবে না, এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। এখানে সরকারের কোন বক্তব্য নেই। তবে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করেছিলেন, নিম্ম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে। নিম্ন আদালত তাকে পাঁচ বছরের শাস্তি দিয়েছিল। উচ্চ আদালত সেটি বাড়িয়ে ১০ বছর করেছে। এখন আদালত তাকে জামিন দিবে কি দিবেনা তা উচ্চ আদালতের ব্যাপার। তিনি কয়েকটি মামলায় জামিনে আছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন এখানে সরকারের করণীয় কিছু নেই। তবে আমি মনে করি, এই বিষয়টিকে বিএনপি রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা বলার চেষ্টা করছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়নি। আটকে রাখা হয় তখন, কাউকে যদি রাজনৈতিক কারণে আটক করা হয়, তখন সেটি আটকে রাখা হয়। খালেদা জিয়া কিন্তু দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে শাস্তি ভোগ করছেন। এখানে বিএনপি ভুলটা করছে। ড. হাছান বলেন, তাদের সমস্ত কথা-বার্তা, আন্দোলন, মানববন্ধন সব কিছুই ঘুরপাক খাচ্ছে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে। সুতরাং দলটি আসলে জনগণের নয়। দলটি হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের।বাসস
ঢাকা-১০ উপ-নির্বাচনে লেমিনেটেড পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না: সিইসি
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে পরিবেশ রক্ষার জন্য লেমিনেটেড পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। আজ রোববার আগারগাঁওয়ের ইটিআই ভবনে ঢাকা-১০ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতবিনিময় সভা শেষে একথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। ভোটের প্রচার দূষণমুক্ত রাখতে রোববার আগারগাঁওয়ের ইটিআই ভবনে উপ-নির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে বসে ইসি। বৈঠকে ইসির পক্ষ থেকে লেমিনেটেড পোস্টার ব্যবহার না করার প্রস্তাব দেয়া হলে তাতে প্রার্থীরা সাড়া দেন। কে এম নূরুল হুদা বলেন, প্রার্থীরা প্রতিটি ওয়ার্ডে একটা করে কার্যালয় রাখতে পারবেন। এর বাইরে একেবারেই মাইক বাজাতে পারবেন না। তিনি বলেন, ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত ২১ জায়গায় পোস্টার টাঙাতে পারবেন। আর প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে অফিস করবেন, সেখানে পোস্টার টাঙাতে পারবেন। এর বাইরে কোথাও পোস্টার টাঙাতে পারবেন না। আর লেমিনেটেড পোস্টার টাঙাতে পারবেন না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, এই উপনির্বাচনে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল সুবিধামতো জায়গায় পাঁচটি করে পথসভা করতে পারবে। যেখানে একদল পথসভা করবে, সেখানে আরেক দল করবে না। জনসভা করা যাবে না। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে নির্বাচনী ক্যাম্পে মাইক ব্যবহার করা যাবে। সিইসি বলেন, ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রচারে এ সমঝোতা সফল হলে জাতীয় পর্যায়ে আচরণ বিধিমালা পরিবর্তন করা হবে। তফসিলের তথ্য মতে, ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচন আগামী ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হবে। এদিকে ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে ছয়জন প্রার্থীর দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে সবাইকেই বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জি এম সাহাতাব উদ্দিন। নির্বাচন ভবনে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এ বৈধতা ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিএনপির শেখ রবিউল আলম, জাতীয় পার্টির হাজী মো. শাহজাহান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) আব্দুর রহীম। তফসিল অনুযায়ী এখন প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন রয়েছে ২৯ ফেব্রুয়ারি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হয়ে শেখ ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলে ঢাকা-১০ আসনটি শূন্য হয়।
প্রবাসীদের জন্য নতুন হটলাইন চালু করলো দুদক
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রবাসীদের যে কোনো অভিযোগ জানাতে নতুন হটলাইন চালু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। আন্তর্জাতিক- কল ইনকামিং সার্ভিস নামে এই হটলাইনে অনিয়ম-দুর্নীতি বিষয়ে যে কেউ তথ্য জানাতে পারবে। দুদক পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, অফিস সময়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই +৮৮০৯৬১২১০৬১০৬ নম্বরে ফোন করে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবে। এরআগে গত বুধবার থেকে দুদকের এক কর্মকর্তার মোবাইল ফোনে কল করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিযোগ জানানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা ফোন করে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়াসহ অনেক দেশ থেকে বাংলাদেশি প্রবাসীরা ফোন করে নানা অভিযোগ জানায়। ব্যবসা, দোকান, জালিয়াতি, বিদেশে নানা সমস্যা, ওয়ার্ক পারমিট, ট্রাভেল এজেন্সির অনিয়ম, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ শতাধিক অভিযোগ জমা হয়।
এক হাজার কোটি টাকা দিল গ্রামীণফোন
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গ্রামীণফোন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) এক হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি এই টাকা পরিশোধ করে। আজ রোববার গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে এই টাকা পরিশোধ করা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বিটিআরসিতে গিয়ে এক হাজার কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন গ্রামীণফোনের হেড অব রেগুলেটরি সাদাত হোসেন। এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এক ফেসবুক স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে জানান, সুখবরটা পেলামই। গ্রামীণফোন ১ হাজার কোটি টাকা প্রদান করেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গ্রামীণফোনকে ১২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ১০০০ কোটি টাকা পরিশোধ করার নির্দেশ দেন। সোমবারের (২৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে এ টাকা পরিশোধের নির্দেশনা জারি করে আদালত।
মুজিববর্ষে ২০০ টাকার নোট বাজারে আসছে
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দেশে প্রথমবারের মত আগামী মার্চ মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে ২০০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট ছাড়তে যাচ্ছে। এ বিষয়ে শনিবার কেন্দ্রিয় ব্যাংকের পরিচালক ও মূখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাজারে প্রচলিত ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার মতই ২০০ টাকার নোট ছাড়া হবে। আগামী মাসে স্মারক ও প্রচলিত-দুই ধরনের ২০০ টাকার নোট ছাড়া হবে, তবে ২০২১ সাল থেকে কেবলমাত্র নিয়মিত নোট থাকবে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ১০০ টাকা মূল্যমানের সোনা ও রূপার স্মারক মুদ্রা ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক। সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০০ টাকার নোটের উপর মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ নোট কথাটি লেখা থাকবে। তবে ২০২১ সাল থেকে যে নোটগুলো ছাড়া হবে তাতে আর তা লেখা থাকবে না। ১০০ টাকা মূল্যমানের ১ হাজার ৫০টি স্বর্ণ মুদ্রা এবং একই মূল্যমানের ৫ হাজার রৌপ্য মুদ্রা ছাড়া হবে। বর্তমানে দেশে ১, ২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নিয়মিত নোট চালু রয়েছে। প্রথমবারের মত ২০০ টাকার নোট চালু হতে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০-২০২১ সালকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করেছে সরকার। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর পূর্ণ হবে। আর ঠিক পরের বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশ উদযাপন করবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। মুজিববর্ষ পালনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু করেছে সরকার। আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বছরব্যাপী থাকবে নানা আয়োজন। উল্লেখ্য, বিশেষ বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় রাখতে এর আগে ৬ ধরনের স্মারক নোট তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই বহরে যুক্ত হচ্ছে ২০০ টাকার নোট। এছাড়া এই পর্যন্ত ১২ ধরনের স্মারক মুদ্রা ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে লেনদেনের জন্য বিভিন্ন মানের প্রচলিত নোট ও মুদ্রা বাজারে আছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম নোট ছাপা হয়। ১৯৭২ সালের ২ জুন প্রথম বাজারে ছাড়া হয় ১০ টাকার নোট। এরপর ধীরে ধীরে বাজারে আসে ১, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকার নোট। এছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে ধীরে ধীরে বাজারে ছাড়া হয় ১, ৫, ১০, ২৫, ৫০ পয়সা ও ১, ২, ৫ টাকার কয়েন। সূত্র: বাসস
সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় কড়া নিরাপত্তা
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি আজ রোববার। এ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় সকাল থেকেই ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এদিন সুপ্রিম কোর্টের মাজার গেটের প্রবেশপথে তল্লাশি এবং পরিচয়পত্র চেক করে জনসাধারণকে সুপ্রিমকোর্ট এলাকায় প্রবেশ করতে দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। রোববার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আদালত সূত্রে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি দিনের কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আবেদনটি উপস্থাপনের পর আদালত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন। ওইদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আবেদনটি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন। এর আগে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর এ মামলায় তার জামিন আবেদন পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করে দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি জমা দেওয়া হয়। বুধবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন আবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন। দুর্নীতির দুই মামলায় মোট ১৭ বছরের দণ্ড মাথায় নিয়ে কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দল ও পরিবারের সদস্যরা তাকে অন্য হাসপাতালে নিতে চাইলেও তাতে অনুমতি মেলেনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর