বাংলাদেশি কর্মীদের হতাশ করা উচিত নয় ইউরোপের

২৮,অক্টোবর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বড় ধাক্কা খেয়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। উন্নত দেশগুলোই যখন এই সংকট মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অবস্থা আরও শোচনীয় হওয়ার কথা। তবে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ায় ক্ষয়ক্ষতি যতটা মারাত্মক হওয়ার শঙ্কা ছিল, ততটা হয়নি। এ নিয়ে আবারও বিশ্ব মিডিয়ায় আলোড়ন তুলেছে বাংলাদেশ। খ্যাতনামা অনেকের মুখেই ফুটছে প্রশংসা ফুলঝুরি। সম্প্রতি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কর্মসংস্থান ও সমাজ বিষয়ক কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান টমাস জেকোভস্কি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুদীর্ঘ একটি কলাম লিখেছেন। গত ২৭ অক্টোবর ইউরোপের প্রভাবশালী দ্য পার্লামেন্ট ম্যাগাজিনে প্রকাশিত লেখাটির সারমর্ম তুলে ধরা হলো জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য- বিশ্ব অর্থনীতিতে চরম আঘাত হেনেছে করোনাভাইরাস মহামারি। এর দ্বিতীয় ঢেউ অনেক দেশেই নিষেধাজ্ঞা ফিরিয়ে এনেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এর সদস্য দেশগুলোর পুনর্গঠনে ৭৫০ বিলিয়ন ইউরো দিতে রাজি হয়েছে, এর মধ্যে ৩৯০ বিলিয়নই অনুদান। অন্য দেশগুলোকেও তাদের অপেক্ষাকৃত ছোট অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে পুঁজির সর্বোচ্চ সংস্থান করতে হয়েছে। এটি বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চরম সত্য। বৃহৎ বাজারে সীমিত অথবা শূন্য যোগসূত্র থাকায় তারা নাগরিকদের জন্য স্থায়ী উদ্ধার কর্মসূচির প্রয়োজনীয় অর্থ ধার করতে অক্ষম। এর প্রভাব পড়েছে লাখ লাখ মানুষের জীবনে। বাংলাদেশ তেমনই একটি দেশ। যদিও তারা সামান্য উন্নত দেশগুলোর একটি হওয়ার চেয়েও বেশি কিছু। বাংলাদেশের বেশিরভাগই সফল উন্নয়নের গল্প। আমরা ৫০ বছরেরও কম সময়ে দেশটিতে একইসঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং গণতন্ত্র সুসংহতকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লক্ষ্য করেছি। এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হয় ইইউ ও বাংলাদেশের মধ্যে অস্ত্র ছাড়া বাকি সব বাণিজ্য উন্মুক্তকরণকে। বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্প হচ্ছে এর অর্থনীতির মেরুদণ্ড। ৪৫ লাখ কর্মী নিয়োগ ও রপ্তানির ৮০ ভাগ দখল করে এটি দেশটির এক নম্বর শিল্পে পরিণত হয়েছে। এটিই বাংলাদেশকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক প্রস্তুতকারক দেশে পরিণত করেছে। এদিক থেকে তারা একমাত্র চীনের পেছনে রয়েছে। অনেক নামী-দামী পশ্চিমা ব্র্যান্ডই বাংলাদেশে নিজদের পণ্য উৎপাদন করছে। পোশাক শিল্প বাংলাদেশের জিডিপির যেমন গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তেমনি দেশটি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সংবাদেরও রূপ দিচ্ছে। এ কারণেই ইইউতে এখনও অনেকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে নারীদের শোষণ এবং ২০১২ ও ২০১৩ সালে দুটি পোশাক কারখানায় ধ্বংসাত্মক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে। যদিও তা ভুল। গত সাত বছরে অনেক কিছুই বদলে গেছে। ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, শ্রমিকরা আইনিভাবে ন্যূনতম মজুরির পাশাপাশি অন্য সুবিধা পাচ্ছেন। কারখানার নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। এর জন্য ভবনের পাশাপাশি কাপড় নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার নিয়মকে ধন্যবাদ দিতে হয়। তবে করোনাভাইরাস মহামারি প্রকাশ করে দিয়েছে যে, কোনও দেশ মাত্র একটি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল হলে তা বোঝায় পরিণত হতে পারে। উল্লেখযোগ্যভাবে চাহিদা কম থাকায় পশ্চিমা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্ডার বাতিল করতে শুরু করেছে। কেউ কেউ নির্ধারিত উৎপাদন ব্যয় না দিয়েই সরে গেছে বলে খবর রয়েছে। দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক অংশীদাররা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর (আরএমজি) জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ সরবরাহ করেছে। সরকারের এই সমর্থন আরএমজি খাতকে তাদের কর্মীদের নিয়োজিত রাখতে সহায়তা করেছে। তারপরও, ক্রেতারা যখন দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না করেন, তীব্র সংকটের মুখোমুখি হয়ে হাজার হাজার শ্রমিক বিনা বেতনেই বাড়ি ফিরে যাওয়ার হুমকিতে পড়েন। ইউরোপীয় ইউনিয়নভিত্তিক সংস্থাসহ অনেক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ফোর্স ম্যাজিউর ধারা চালু করে অর্ডারের জন্য অর্থ দেয়ার দায়িত্ব এড়িয়ে গেছে। তাদের যুক্তি, কোভিড-১৯ উত্থানের ফলে তারা চুক্তিভিত্তিক বাধ্যবাধকতা পালন থেকে অব্যাহতি পেয়েছে। এই অজুহাত অবশ্যই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি শুধু ইউরোপীয় ব্যবসায়িক নীতির খারাপ চিত্রই তুলে ধরছে না, বরং পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা ঝুঁকিতে ফেলেছে। বাংলাদেশের শ্রমিকরা যে কাজ করেছে, তার জন্য বেতন পাওয়ার অধিকার রয়েছে তাদের। সুতরাং, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো চুক্তি মেনে চলা এবং ইতোমধ্যে উৎপাদিত পণ্যের অর্থ প্রদান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইইউ বাজার উন্মুক্ত করে বাংলাদেশের ভবিষ্যতকে রূপ দিয়েছে। এখন এই বাজারে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মেনে চলবে তা নিশ্চিত করার সময় এসেছে। যদিও ইইউতে অনেক প্রতিষ্ঠানই স্বেচ্ছায় মানবাধিকার ও পরিবেশগত ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত তাদের কার্যক্রম প্রকাশ করেছে, তবে এখনও একটি বিস্তৃত এবং সুসংহত পদ্ধতি অনুপস্থিত। প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা এবং কার্যকলাপ বৃদ্ধিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সুনির্দিষ্ট সাধারণ নীতিমালা প্রস্তাব করা প্রয়োজন। এছাড়া সম্প্রদায়, ভোক্তা, বিনিয়োগকারী, সংস্থা এবং বিশেষত যারা সবচেয়ে বেশি দুর্বল, সেই শ্রমিকদের সুরক্ষায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। সুতরাং আসুন, আমরা তাদের ত্যাগ না করি; তারা ন্যায্য শর্তের ওপর নির্ভর করতে পারে তা নিশ্চিত করতে আমাদের সংহতি দেখাই।...

রুশ বিমান হামলায় ৫৬ সিরীয় বিদ্রোহী নিহত

২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরিয়ায় রুশ বিমান হামলায় তুরস্ক সমর্থিত ৫৬ সিরীয় বিদ্রোহী নিহত হয়েছে। সোমবার সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানায় সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস। খবর এএফপি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, ইদলিব প্রদেশের জাবাল দুওয়াইলি এলাকায় ফাইলাক আল-শাম গোষ্ঠীর একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ওই হামলায় আহত হয়েছে শতাধিক। গত মার্চে মস্কো ও আঙ্কারার মধ্যে অস্ত্রবিরতি স্বাক্ষরিত হলেও নিয়মিত বিরতিতে তা লঙ্ঘন হচ্ছে। বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি ইদলিবে হামলা জোরদার করেছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের মিত্র রুশ বাহিনী। এ হামলায় লাখো বেসামরিক সিরীয় ঘরবাড়ি থেকে পালিয়েছে। আঙ্কারার মদদপুষ্ট দ্য ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, সোমবার রুশ বিমান হামলায় তাদের ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এতে কতজন হতাহত হয়েছে সে বিষয়ে জানায়নি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মার্কিন ড্রোন হামলায় ১৭ জিহাদি নিহত হয়। ...

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, লকডাউনে ফিরেছে ইউরোপ

২৬,অক্টোবর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি গ্রীষ্মের শুরুতে ইউরোপের অনেক দেশই ভেবেছিল যে জীবন-যাত্রা হয়তো আবারও স্বাভাবিক গতিতে ফিরে যাবে। প্যারিসের মিউজিয়াম এবং বার্সেলোনার ক্যাফেগুলোও খুলে দেওয়া হয়েছিল। যদিও আগের মতো চিরচেনা রূপে দেখা যায়নি, সবক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে। জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্কের লোকজন ছুটি কাটাতে ভূমধ্যসাগরের বিভিন্ন বীচে ঘুরে বেরিয়েছেন। চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে যখন শিশুরা স্কুলে ফিরতে শুরু করে তখন থেকেই নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ফলে বিভিন্ন দেশের সরকার বেশ উদ্বিগ্ন হলেও কঠোর সামাজিক-দূরত্বের মতো বিধি-নিষেধ পুনরায় জারি করার বিষয়ে অনেক দেশেরই কোনো পরিকল্পনা ছিল না। ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের এমন সিদ্ধান্তের জন্যই তাদের চরম মূল্য দিতে হয়েছে। ইউরোপজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। অনেক দেশেই করোনা সংক্রমণ আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। বিভিন্ন দেশে করোনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাড়িয়ে দেওয়ায় সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে। তবে মৃত্যুহার এখনও কিছুটা কম আছে। হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। বেশিরভাগ দেশই এই গ্রীষ্মকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারেনি। সে কারণেই এখন তাদের ভুগতে হচ্ছে। অনেক দেশই এখন আবার নতুন করে কড়াকড়ি ও বিধি-নিষেধ জারি করতে বাধ্য হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রেস্টুরেন্ট-বার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কারফিউ ও জরুরি অবস্থাও জারি করেছে বেশ কিছু দেশ। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্পেন। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কারফিউয়ের পাশাপাশি দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। দেশটিতে রোববার থেকেই রাত্রিকালীন কারফিউ কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। রাত ১১ থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারির কারণে স্থানীয় প্রশাসন এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে লোকজনের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশজুড়ে ১৫ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা এবং কারফিউ জারি করা হয়েছে। তবে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন বিধি-নিষেধের কারণে গণজমায়েত বা ব্যক্তিগত সাক্ষাতেও কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ছয়জন একসঙ্গে সমবেত হতে পারবেন। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, স্পেনে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লাখ ১০ হাজার ৩৭২। এর মধ্যে মারা গেছে ৩৪ হাজার ৭৫২ জন। সংক্রমণে স্পেনের কাছাকাছি রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে করোনার দৈনিক সংক্রমণ অর্ধলাখ ছাড়িয়ে গেছে। যা আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ হাজার ১০ জন। এখন পর্যন্ত দেশটিতে এটাই সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা। পাবলিক হেলথ ফ্রান্স (এসপিএফ) জানিয়েছে, দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে আরও ১১৬ জন। দেশটিতে করোনা মহামারি শুরুর পর এখন পর্যন্ত সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ হাজার ৭৬১ জনের। শুক্রবার সপ্তম দেশ হিসেবে দশ লাখ করোনার সংক্রমণ ছাড়িয়েছে ফ্রান্সে। সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী প্যারিসসহ দেশজুড়ে আবারও রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছে দেশটির সরকার। ফ্রান্সে দৈনিক গড় মৃত্যু টানা দশদিন ধরে বাড়ছেই। সম্প্রতি ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সতর্ক করেছেন যে, করোনার প্রভাব আগামী গ্রীষ্ম পর্যন্ত থাকবে। এক বিবৃতিতে বলেন, তার দেশের লোকজনকে কমপক্ষে আগামী বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে হবে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫০৭। এর মধ্যে মারা গেছে ৩৪ হাজার ৭৬১ জন। তবে ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছে ১১ লাখ ৩২২ জন। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সে সময় ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইতালি এবং স্পেন ছিল করোনায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত। বর্তমানে বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডেও করোনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বেলজিয়ামের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্রাংক ভানদেনব্রুক সতর্ক করে বলেছেন, আমরা হয়তো একটি বিপর্যয়ের খুব কাছাকাছি রয়েছি। দেশটিতে সব ধরনের রেস্টুরেন্ট ও বার বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া মধ্যরাত থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ৩১। এর মধ্যে মারা গেছে ১০ হাজার ৮১০ জন। এদিকে, নেদারল্যান্ডেও সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। চলতি সপ্তাহে দেশজুড়ে চার সপ্তাহের জন্য রেস্টুরেন্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৯১ হাজার ২৫৪। এর মধ্যে মারা গেছে ৭ হাজার ৪৬ জন। ইউরোপে প্রথমদিকে করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর ইতালির অবস্থা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। দেশটি যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল। মাঝে কিছুদিন সংক্রমণ কিছুটা কম থাকলেও নতুন করে আবারও বাড়তে শুরু করেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ২৫ হাজার ৭৮২। অপরদিকে সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ হাজার ৩৩৮ জনের। পোল্যান্ডে রেড জোন লকডাউন জারি করা হয়েছে। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রেস্টুরেন্টে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। সম্প্রতি দেশটির প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে ৪৮ বছর বয়সী এই প্রেসিডেন্টের অবস্থা ভালো রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তার মুখপাত্র। দেশটিতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছে। সেখানে পাঁচজনের বেশি মানুষের সমবেত হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে। এছাড়া ছোট শিশুদের অবশ্যই প্রাপ্ত বয়স্ক কারও সঙ্গে বের হতে হবে। অপরদিকে, ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের বাড়ির বাইরে বের হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৫৩ হাজার ৬৮৮। অপরদিকে মারা গেছে ৪ হাজার ৪৩৮ জন। জার্মানিতে করোনা সংক্রমণ কমিয়ে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও বার্লিনে সংক্রমণ বাড়ছেই। করোনার সংক্রমণ যেসব এলাকায় বেশি সেখানে রেস্টুরেন্ট এবং বার আগেই বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাস্ক ব্যবহারেও নির্দেশনা জারি হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৬৩৭। এর মধ্যে মারা গেছে ১০ হাজার ১৩৮ জন। তবে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮শ। এর মধ্যে মারা গেছে ৪৪ হাজার ৮৯৬ জন। লাতিন আমেরিকার পর দ্বিতীয় অঞ্চল হিসেবে মহামারি করোনায় আড়াই লাখ মৃত্যু ছাড়িয়েছে ইউরোপে। পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। গত বৃহস্পতিবার ইউরোপে প্রথমবারের মতো একদিনে দুই লাখের বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এ ছাড়া চলতি সপ্তাহে দৈনিক সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমণের রেকর্ড হয়েছে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চলীয় বেশিরভাগ দেশে। ফলে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করতে বাধ্য হচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। বিশ্বে মহামারি করোনায় মোট মৃত্যুর ১৯ শতাংশ এবং মোট শনাক্ত সংক্রমণের ২২ শতাংশই ইউরোপে। ওই অঞ্চলে এ পর্যন্ত শনাক্ত ৮০ লাখের বেশি কোভিড-১৯ রোগীর মধ্যে যে আড়াই লাখ মারা গেছে এর মধ্যে দুই তৃতীয়াংশই কয়েকটি দেশে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ভ্যাকসিনের ওপর নির্ভর করতে পারে না ব্রিটেন আর তাই মহামারির বিস্তার ঠেকাতে কিংবা লাগাম টানতে বিধি-নিষেধসহ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ...

চীনের ধুলায় করোনা আসতে পারে, সতর্ক থাকতে বলল উ. কোরিয়া

২৫,অক্টোবর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীন থেকে এশিয়ান ডাস্ট বা ইয়েলো ডাস্ট করোনা ভাইরাস নিয়ে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছে উত্তর কোরিয়া। এ কারণে এরইমধ্যে দেশটি নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করে ঘরে থাকতে আহ্বান জানিয়েছে। এই সতর্কতার পরে রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের রাস্তাগুলো বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কার্যত খালি ছিল বলে জানা গেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গোপনীয়তা রক্ষা করে চলা উত্তর কোরিয়া নিজেদের করোনা ভাইরাস মুক্ত বলে দাবি করছে। কিন্তু গত জানুয়ারি থেকেই দেশটি উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে কঠোর সীমান্ত বন্ধ এবং চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে। চীনের সিজনাল ধুলা এবং করোনা ভাইরাসের মধ্যে কোনো লিঙ্ক আছে কি-না জানা নেই কারও। এরপরও উত্তর কোরিয়ার বাড়তি সতর্কতায় সংশ্লিষ্টদের অনেকেই ইতিবাচক বলে জানা গেছে। যদিও এই দুইয়ের মধ্যে কোনো লিঙ্কের পরামর্শ দেওয়ার জন্য এরাই একমাত্র দেশ নয়। তবে বিবিসির একটি টিম বের করেছে, তুর্কমেনিস্তানেও ভাইরাস এবং ক্ষতিকর ধুলার কারণে নাগরিকরা মাস্ক পরছেন। তারা শুধু একটি প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা করার চেষ্টা অস্বীকার করছেন। প্রতিবেদন বলছে, ক্ষতিকারক ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্যও উত্তর কোরিয়ায় এ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত কোরিয়ান সেন্ট্রাল টেলিভিশন (কেসিটিভি) বুধবার (২১ অক্টোবর) আবহাওয়া সংক্রান্ত বিশেষ সম্প্রচারে বলেছে, হলুদ ধুলার প্রবাহ বাড়তে পারে। পরের দিন বৃহস্পতিবার এই প্রবাহ বেশি বাড়তে পারে। এজন্য দেশব্যাপী বাইরে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতেও ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হলুদ ধুলা সাধারণত মঙ্গোলিয়ান এবং চীনা মরুভূমির বালিকে বোঝায়। যা বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে প্রবাহিত হয়। এটি বিষাক্ত ধুলার সঙ্গে মিশে গেছে। যা বছরের পর বছর ধরে উভয় দেশেই স্বাস্থ্য উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যুক্তি দেখিয়েছে, করোনা ভাইরাসকে বায়ুবাহিত সংক্রমণের সঙ্গে সংযুক্ত করলে এবং গবেষণা মেলালে হলুদ ধলার প্রবাহকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোলও জানিয়েছিল, করোনা ভাইরাস কয়েক ঘণ্টা বাতাসে থাকতে পারে। তবে কাউকে এভাবে সংক্রমিত করা অত্যন্ত বিরল বলেও উল্লেখ করেছেন অনেক গবেষক। এদিকে, উত্তর কোরিয়ায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত কোনো রোগী এখন নেই দাবি করা সত্ত্বেও গভীর উদ্বেগে রয়েছে দেশটি। উচ্চ সতর্কতা এবং কঠোর বিধিনিষেধ নিশ্চিত করার জন্য দেশটির নেতা কিম জং উন বার বার উচ্চস্তরের বৈঠক করছেন।...

নগরী পরিচ্ছন্নতায় যুক্ত হলো স্যুইপিং ট্রাক

২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) পরিচ্ছন্নতা কাজে প্রায় ৩ হাজার সেবক প্রতিদিন কাজ করে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে পরিচ্ছন্নতা কাজ আরও ত্বরান্বিত করতে পুরানো পদ্ধতিতে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হল আধুনিক স্যুইপিং ট্রাক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চসিককে ৩টি আধুনিক ভ্যাকুয়াম টাইপ রোড সুইপার ট্রাক উপহার দিয়েছেন। ২০ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী এক সাথে যে কাজ করতে পারবে, তার চেয়েও বেশি পরিচ্ছন্নতা কাজ করার সক্ষমতা রাখে এক একটি ট্রাক। বুধবার (২৮ অক্টোবর) আধুনিক স্যুইপিং ট্রাকের কার্যক্রম উদ্বোধনকালে চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ট্রাকগুলো চালানোর জন্য চালকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রাকগুলো মেরামত কাজের জন্য একজন ফোরম্যান ও একজন মেকানিককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আশাকরি প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম নগরীকে সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে যে আন্তরিক, এই আধুনিক স্যুইপিং ট্রাক প্রদানের মাধ্যমে তা আবারো প্রমাণিত হলো। প্রশাসক প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর প্রতি এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী জয়সেন বড়ুয়া, মির্জা ফজলুল কাদের, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।...

২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ভিত্তি স্থাপন করবেন: রেলমন্ত্রী

২৮,অক্টোবর,বুধবার,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৯ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশেই নির্মিত হবে বঙ্গবন্ধু রেল সেতু। ইতোমধ্যে সেতু নির্মাণে টেন্ডার ও চুক্তিসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ভিত্তি স্থাপনের পর থেকেই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে। বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদে গোলচত্বরের কাছে রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জায়গা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, দুটি ভাগে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে। সিরাজগঞ্জ অঞ্চল এবং টাঙ্গাইল অঞ্চলের দুটি অংশে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটি ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। নতুন রেল সেতুতে দুটি লাইন দিয়ে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারবে। এ সময় রেলপথ মন্ত্রীর সাথে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার হাসিবুল আলমসহ রেল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।...

৯ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। ঈশ্বরদী থেকে রিলিফ ট্রেন গিয়ে লাইনচ্যুত ট্যাঙ্কার উদ্ধার করলে মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এর আগে সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত আড়াইটার দিকে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদালপুর স্টেশনে দুটি মালবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদালপুর স্টেশন মাস্টার গোলাম মোস্তফা জানান, সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত আড়াইটার দিকে পার্বতীপুর থেকে তেলবাহী ও যশোর নোয়াপাড়া থেকে মালবাহী ট্রেন দুইটি সিগনাল অমান্য করে একই লাইনে ঢুকে পড়ে। এ সময় দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ইঞ্জিনসহ পাঁচটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার লাইনচ্যুত হয়। এতে খুলনার সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তিনি আরও জানান, ট্যাঙ্কার লাইন থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ ডিজেল এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ...

নাসিরনগরে ১৪৫ পুজা মন্ডপে সরকারি অনুদান বিতরণ

২৫,অক্টোবর,রবিবার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ১৪৫টি পূজা মন্ডপে সরকারি অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ নাসিরনগর আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজ কল্যান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এসব অনুদানের ডিও বিতরণ করেন। এ সময় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে সবাইকে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আইনশৃংখলা বজায় রাখার পাশাপাশি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া কোন অশুভ শক্তি যেন এই আনন্দমুখর পরিবেশের বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্তক থাকতে হবে। উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে উপজেলা প্রকল্প বাস্তয়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. রাফিউদ্দিন আহমেদ, পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি কাজল জ্যোতি দত্ত, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অনাথ বন্ধু দাস, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক নিমর্ল চৌধুরী। অনুষ্ঠানে উপজেলার ১৪৫টি পূজা মন্ডপে প্রত্যেকটি মন্দিরে ৫০০কেজি করে মোট ৭২৫০০ কেজি চাল বিতরণ করেন। এসময় আওয়ামী লীগের দলীয় নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ উপজেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন। ...

টেকনাফে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

২৪,অক্টোবর,শনিবার,টেকনাফ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে এক মেইল বার্তায় এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ বিজিবির ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান। তিনি বলেন, বিজিবির বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে টেকনাফের ছ্যুরিখাল এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে পাচার হবে। তাই প্রচণ্ড ঝড় ও ভারি বর্ষণের মধ্যেও বিজিবি অবস্থান নেয়। পরে ভোররাতে নাইট ভিশন ডিভাইস দ্বারা কয়েকজন দুষ্কৃতকারী ব্যক্তিকে ছ্যুরিখাল সংলগ্ন লবণের মাঠ দিয়ে প্রবেশ করতে দেখে। তখনই টহলদল অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ধরার জন্য চ্যালেঞ্জ করে। কিন্তু বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত অনুপ্রবেশকারীরা পালিয়ে যায়। এরপর টহলদল লবণ মাঠ তল্লাশি করে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ফেলে যাওয়া একটি পলিথিনের ব্যাগ উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ব্যাগের ভেতর ৫০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন ইয়াবাগুলো বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের স্টোরে জমা রাখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করে পরবর্তীতে তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে। ...

রাত্রিযাপনে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে Radisson Blu চট্টগ্রাম বে ভিউ

২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: Radisson Blu চট্টগ্রাম বে ভিউ এর আভিজাত্যে টইটম্বুর স্যুট রুমগুলোয় দিচ্ছে বিশেষ ছাড়। এ অফারগুলো চলতি বছরের শেষ সময় পর্যন্ত অতিথিদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। Radisson Blu চট্টগ্রাম বে ভিউ প্রতিষ্ঠার পর এবারই প্রথমবার এত আকর্ষণীয় মূল্যছাড় থাকছে এর আভিজাতিক কক্ষগুলোয়। হোটেলটির এই স্যুটগুলোয় আছে রাজকীয় শয়নকক্ষ, ডাইনিং এবং ড্রয়িং রুম, ব্যক্তিগত স্টাডিরুম, সুইমিং পুল, ক্ষেত্রবিশেষে কিচেন এবং আলাদা গেস্টরুম। এ আভিজাতিক প্যাকেজগুলোয় সকালে এবং বিকালে সেট ব্রেকফাস্ট এবং হাই-টি মেনুর সুবিধাসহ আরো থাকছে জিম এবং ইনফিনিটি পুল ব্যবহারের সুবিধা। এছাড়া এ প্যাকেজগুলোয় অতিথিদের জন্য থাকছে স্পাতেও বিশেষ মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা। ৬৯ হাজার ৬০০ টাকায় অতিথিরা থাকতে পারবেন হোটেলটির রয়্যাল স্যুটগুলোয় এবং ৮৭ হাজার টাকায় পাচ্ছেন প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে থাকার সুযোগ।- বিজ্ঞপ্তি ...

ইভ্যালিতে পাওয়া যাচ্ছে পিএইচপির বাইক

২৫,অক্টোবর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পিএইচপি অটোমোবাইলস উৎপাদিত বাইক এখন থেকে কেনা যাবে অনলাইন ভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালিতে। একই সাথে পিএইচপি অটোমোবাইলস উৎপাদিত প্রোটন ব্র্যান্ডের গাড়িও যুক্ত হতে যাচ্ছে ইভ্যালিতে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) এ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে পিএইচপি অটোমোবাইলস কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং পিএইচপি অটোমোবাইলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আখতার পারভেজ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। ইভ্যালির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই চুক্তির আওতায় দেশিয় প্রতিষ্ঠান পিএইচপি এর উৎপাদিত ১২৫ সিসির পিএচপি সুপার এবং ১৫০ সিসির পিএইচপি মারবাকা ব্র্যান্ডের মোটরবাইক ইভ্যালিতেই অর্ডার করতে পারবেন গ্রাহকেরা। এবিষয়ে ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল বলেন, পিএচপি দেশেই অটোমোবাইলস প্রস্তুত করছে। এর ফলে দেশের মানুষেরা সাশ্রয়ী মূল্য বাইক,গাড়ি কিনতে পারবেন। এমন একটি উদ্যোগের সাথে ইভ্যালিকে যুক্ত করতে পেরে আমরা আনন্দিত। তাদের ১০ হাজারের অধিক বাইক উৎপাদনের সক্ষমতা আছে। ইতোমধ্যে সাইক্লোন অফারে পিএইচপির বাইকের ওপর আকর্ষণীয় মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি পিএইচপিকে সাথে নিয়ে আমরা গ্রাহকদের দারুণ কিছু দিতে পারব। পিএচপি অটোমোবাইলস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আখতার পারভেজ বলেন, পিএইচপি প্রেমীদের জন্য এটা একটা দারুণ সুযোগ এনে দিতে যাচ্ছে। ইভ্যালির মাধ্যমে পিএইচপির মোটরসাইকেল বিক্রয় ক্রেতার দ্বারগোড়ায় পৌঁছাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। গ্রাহকেরা তাদের কাংখিত পণ্য সহজেই ইভ্যালি থেকেই পাবে। একই সাথে ইভ্যালিও পিএইচপির সাথে হওয়া এই পার্টনারশিপ উপভোগ করবে। বাইকের পাশাপাশি পিএইচপি উৎপাদিত প্রোটন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের গাড়িও ইভ্যালিতে পাওয়া হবে জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে। সাগা, প্রিভি, পারসোনা এবং এক্স৭০ মডেলের গাড়িগুলো আকর্ষণীয় অফারে পাওয়া যাবে ইভ্যালিতেই। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে পরিচালক (টেকনিক্যাল) মামুনুর রশীদ, পরিচালক (মানবসম্পদ) সাবরিনা নাসরিন, হেড অব বিজনেস দেবাকর দে শুভ, পিএইচপি অটোমোবাইলস এর হেড অব মার্কেটিং মেসবাহ উদ্দিন আতিক উপস্থিত ছিলেন। ...

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব

২৫,অক্টোবর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মো. হাসিবুল আলম। রোববার (২৫ অক্টোবর) এই নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের দায়িত্ব চালিয়ে আসা মো. আকরাম-আল-হোসেন আগামী ৩১ অক্টোবর অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যাচ্ছেন। নতুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব হাসিবুল আলম প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্মসচিব, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। অপরদিকে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন নির্বাহী পরিচালক (সচিব) হয়েছেন অতিরিক্ত সচিব দুলাল কৃষ্ণ সাহা। দুলাল কৃষ্ণকে সচিব পদে পদোন্নতির পর এই নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটি আদেশ জারি করা হয়েছে।...

যত্রতত্র অনার্স-মাস্টার্স চালু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেকার তৈরির কারখানায় পরিণত করেছে

২২,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যত্রতত্র অনার্স-মাস্টার্স চালু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেকার তৈরির কারখানায় পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষা ভাবনাকে আমরা ধারণ করতে পারেনি। আমরা সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য সার্টিফিকেট সর্বস্ব শিক্ষায় মনোনিবেশ করেছিলাম। যত্রতত্র অনার্স মাস্টার্স চালুর কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বেকার তৈরি করার কারখানায় পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ব্যবহারিক ও জীবনমুখী পড়াশোনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু জাতির পিতা নয়, তিনি জাতির শিক্ষকও। মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে মুজিববর্ষে শতঘণ্টা মুজিব চর্চার অংশ হিসেবে জাতির পিতার শিক্ষা ভাবনা শীর্ষক এক অনলাইন আলোচনা সভায় উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তিনি কৃষি ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। ছাত্রদের উদ্দেশে উপমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশরা বিএ, এমএ পাস করিয়ে আমাদের কেরানি বানিয়ে দিয়ে গেছে। তোমরা জমিতে গিয়ে শিখ কীভাবে ফসল ফলাতে হয়। মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে বঙ্গবন্ধু মুজিবকে চর্চা করা উচিত ছিল কিন্তু বিগত সরকার সমূহ ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম পর্যন্ত মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। ৭ই মার্চের ভাষণকে মানব ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে অথচ এক সময় সে ভাষণ পর্যন্ত শুনতে দেয়া হতো না। মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো যুক্ত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। ...

বৃহস্পতিবার থেকে মুক্ত, স্বাধীন সাকিব আল হাসান

২৮,অক্টোবর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা, এরপরই শাস্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে সাকিব আল হাসানের। ২৮ অক্টোবর রাতেই মুক্ত হয়ে যাবেন সাকিব আল হাসান। ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে আবার আগের মতই মুক্ত, স্বাধীন সাকিব আল হাসান। গত বছর ২৮ অক্টোবর আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়েন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। অনেকেরই ধারণা, লঘু পাপে গুরুদণ্ড- হয়েছে সাকিবের। তিনি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত ছিলেন না। আইসিসি দূর্নীতি দমন কমিশন তার বিপক্ষে কোনোরকম ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আনতে পারেনি। আনেওনি। তার বিপক্ষে একটাই অভিযোগ, সাকিব বাজিকরদের কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়ে তা নিজ দেশের বোর্ড কিংবা আইসিসি দুর্নীতি দমন শাখাকে জানাননি। যা আইসিসির প্রচলিত আইন ও নিয়মে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেই গণ্য করা হয়। তাই সাকিব এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। এদিকে সাকিবের ভক্ত, সমর্থক ও অনুরাগীর সবাই উৎফুল্ল। রোমাঞ্চিত। প্রিয় ক্রিকেটার আবার আগের মত মুক্ত হয়ে মাঠে ফিরতে যাচ্ছেন। আবার ব্যাট ও বল হাতে মাঠে নামবেন। ঘূর্ণি যাদুতে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে সর্বাধিক সমীহ আদায় করে নেবেন। আর বুদ্ধি খাটিয়ে বল করে ব্যাটসম্যানকে বোকা বানাবেন। চওড়া উইলো দিয়ে বিপক্ষ বোলারদের করবেন শাসন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও সাকিবের ফিরে আসার প্রহর গুনছে। দেশের ক্রিকেটের বড় সম্পদ ও জাতীয় দলের প্রধান চালিকাশক্তি সাকিব ফেরা মানেই টিম বাংলাদেশ চাঙ্গা হওয়া। দলের ব্যাটিং ও বোলিং শক্তি আবার আগের মত হয়ে যাওয়া।এ কারণেই ভাবা হচ্ছে, সাকিবের শাস্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়াটা বিসিবির জন্য বড় স্বস্তির ও আনন্দের। সবার জানা, সাকিব বরাবরই থ্রি ইন ওয়ান। একজন অতি কার্যকর বোলার। দলের সেরা স্পিনার ও তিন ফরম্যাটেই এক নম্বর উইকেট টেকিং বোলার। সঙ্গে অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভ। সেই সাথে দলে তার উপস্থিতিটাই অনেক বড়। সাকিব মানেই অন্যদের বাড়তি অনুপ্রেরণা। আর পারফরমার সাকিবতো এক নম্বর। গত বিশ্বকাপই তার প্রমাণ। সাকিব একা ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে দলকে টেনে নিয়ে গেছেন। তার অভাবে ব্যাটিং দুর্বল হয়ে পড়েছিল বেশ। আর বোলিং ডিপার্টমেন্ট বিশেষ করে স্পিন আক্রমণের ধারও কমে গিয়েছিল অনেকটাই। সেই অতিকার্যকর সাকিব দলে ফেরার অর্থ জাতীয় দলের শক্তি ৩০ভাগ বেড়ে যাওয়া। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজনের কন্ঠেও সে কথাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে। তিনিও মনে করেন, সাকিব দলে ফেরা একটা স্বস্তি। সেই সাথে আনন্দের। তিনি সাকিবের কাছ থেকে অগের মত অতি কার্যকর পারফরমেন্সেরও প্রত্যাশা করছেন। বুধবার মিডিয়ার সাথে আলাপে বিসিবি প্রধান নির্বাহী বলেন, সাকিব আমাদের (বিসিবির) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। অবশ্যই তার প্রত্যাবর্তন আমাদের জন্য কমফোর্ট ও আনন্দের বিষয়ও। আমরা আশা করবো, উনি যেভাবে আমাদের জাতীয় দলে ও অন্যান্য টুর্নামেন্টে অবদান রেখেছেন সেভাবেই ফিরে আসবেন।...

পটিয়া প্রিমিয়ার লীগ- ২০২০ইং উদ্বোধন

২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর পটিয়া প্রিমিয়ার লীগ-২০২০ ইং (পিপিএল) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধন করেন সিজেকেএস সাবেক নির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার জসীম উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি মুহাম্মদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার শাহজাহান, ক্রীড়া সম্পাদক আবু হোসাইন, বাহুলী ক্লাবের দলীয় অধিনায়ক মুহাম্মদ সাজু, আবাহনী ক্রীড়াচক্র চক্রশালা শাখার দলীয় অধিনায়ক রাশেদুল ইসলাম ও উড়ন্ত পাখি স্পোর্টিং ক্লাবের কর্মকর্তা মু. ইসমাইলসহ প্রমূখ। টুর্নামেন্টে পটিয়ার স্বনামধন্য ১২টি দল অংশগ্রহণ করেছে এবং এতে প্রায় ২৫০ জন খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করেছে। উদ্বোধনী খেলায় শাহ্ আমির ক্রিকেট একাদশকে সার্কুলার ক্রিকেট একাদশ ৫ উইকেটে পরাজিত করে।...

স্ত্রী-পুত্র নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চিত্রনায়ক সাইমনের সাক্ষাৎ

২৮,অক্টোবর,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক। বুধবার (২৮ অক্টোবর) তিনি স্ত্রী ও বড় পুত্রসহ বঙ্গভবনে যান। এ সময় তারা রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন বলে জানান সাইমন। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপতিও সাইমন ও তার পরিবারের খোঁজখবর নেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের বর্তমান সমস্যা, সংকট ও সমাধানের নানা বিষয় নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান দেশের প্রধান কর্তা রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে কিশোরগঞ্জের ছেলে চিত্রনায়ক সাইমন সাদিকের দাদা-নাতি সম্পর্ক। এ বিষয়টি ২০১৭ সালেই প্রকাশ্যে আসে সাইমনের একটি স্ট্যাটাসের পর। আইনগত জটিলতা পেরিয়ে যখন খুশি তখন দেখা-সাক্ষাৎ না হলেও ফোনে বা পরিবারের অন্য সদস্যদের মাধ্যমে দাদার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন সাইমন। বুধবার দেখা করার সুযোগ আসায় স্ত্রী-পুত্রসহ ছুটে যান তিনি। অনেকটা সময় কাটিয়েছেন দেশের প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদ হামিদের সঙ্গে। দেখা শেষে বেশকিছু ছবি পোস্ট করে সাইমন ক্যাপশনে লেখেন, মহামান্য দাদার আদরে আমরা !...

এ মাসেই ১০টি নাটকের প্রস্তাব ফিরিয়েছি- আবুল হায়াত

২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুটিং করার সাহস পাচ্ছি না। এ মাসেই ১০টি খণ্ড নাটকের প্রস্তাব ফিরিয়েছি। এছাড়া ধারাবাহিক নাটকেও কাজ করার কথা ছিল। সেটাও করছি না। আসলে ঢালাওভাবে নাটক করছি না। চেষ্টা করছি একটু হিসেব করে বুঝে কাজ করার। কারণ করোনার অবস্থা তো ভালো না। চলতি সময়ের ব্যস্ততা নিয়ে এভাবেই কথা গুলো বলছিলেন স্বনামধন্য অভিনেতা অবুল হায়াত। করোনার শুরু থেকেই খুব সাবধানতা অবলম্বন করছেন এই অভিনেতা। গত মাসে শুধু একটা নাটক করছেন। পাশাপাশি একটি ওভিসি করেছেন। এর আগে পূজার দুটি নাটকে কাজ করেছেন। মঞ্চ নাটকেও তো আপনার ফেরার কথা ছিল? উত্তরে আবুল হায়াত বলেন, নভেম্বরের ৬ তারিখ শো করার কথা ছিল 'মূল্য অমূল্য' নাটকের। সবদিক বিবেচনায় সেটাও বাতিল করেছি। এখন আসলে নিরাপদ মনে করছি না। যদিও সব প্রস্তুতি নেয়া হয়ে গিয়েছিল। ভার্চুয়ালে রিহার্সেলও করেছিলাম। এখন সময় কাটছে কীভাবে? এ অভিনেতা বলেন, বই পড়ে, লেখালেখি করে , সিনেমা দেখা এবং খেলা দেখে সময় কাটছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা বেলাটা কাটে আইপিএল দেখে। বর্তমান নাটক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাজেটের সংকট নিয়ে অবুল হায়াত হতাশা প্রকাশ করে বলেন, নাটকের বাজেট কমে গেছে এখন। আগে ৫-১০ লাখ টাকা বাজেটের নাটকেও কাজ করেছি। এখন সেই বাজেট নেমে এসেছে ১-২ লাখ টাকার মধ্যে। শিল্পীদের সম্মানী এখন আকাশচুম্বী। নাটকের ৭০ ভাগ বাজেটই নিয়ে নেয় শিল্পীরা। তাহলে আর থাকে কি! পরিচালক, প্রডিউসারদের বিরুদ্ধে পত্র পত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হয়েছে। ইউটিউবে দর্শকরাও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, কেন নাটকে পরিবার বাবা-মা, ভাই-ভাবি নেই সবাই প্রশ্ন তুলেছে। তুমুল সমালোচনা হয়েছে। এখন দেখি বাবা-মাদের নিয়ে টানাটানি পড়ে গেছে! অনেকে এখন ফোন দিচ্ছে বাবার চরিত্রে অভিনয় করার জন্য। সামনে নাটকের কোনো শুটিং আছে? আবুল হায়াত বলেন, চলতি মাসের ২৯ তারিখ একটি খণ্ড নাটকে কাজ করবো। তারা আশ্বাস দিয়েছেন কাজটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে করবেন। তাই করছি। আর গল্পটাও পছন্দ হয়েছে। নতুন কোনো সিনেমা কি করবেন? এই অভিনেতা বলেন, সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। দুটো অনুদানের সিনেমায় কাজ করতে পারি। দেখা যাক কি হয়।...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠায় চক্রের অন্যতম হোতা কামাল

১জুন,সোমবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় মানব পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে গ্রেফতার করেছে RAB। প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে তিনি বিদেশে পাঠায়। RAB বলছে, তিনিই বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মানবপাচারকারীর মূল হোতা। এরসঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে RAB। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে অবৈধ ভাবে ইতালিতে যাওয়া। তারা বিভিন্ন শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখানো হয়। এবং তাদের বিদেশে যাওয়ার পরই বাকি টাকা দেবে। এ ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়। আমারা একাধিক দালাল পেয়েছি। তারা মাদারীপুর, শরিয়রতপুরসহ বিভিন্ন জেলার লোক রয়েছে। তারা প্রথমে বাইরুটে ঢাকা থেকে কলকাতা নেয়া হয়। এই হাজী কামালই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ দিন লাগে বেনগাজীতে যাওয়ার। এ চক্রটি লিবিয়াতে যাওয়ার পরই তারা টাকার জন্য পেশার দেয়া শুরু হয়। RAB জানায়, লিবিয়ার ত্রিপোলিতে কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই বেনগাজীতে পৌঁছানোর পরই তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এরপর তাদের ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবারও পরিবারের কাছে ২ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেখানে তাদের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে বোট চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি গত ১০-১২ বছরে ৪শ লোককে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন ১৫-১৬ জন। আমরা পুরো সার্কিটের তথ্য পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতে থাকবে। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মারা যাওয়া ২৬ জনসহ ৩৮ বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অপহরণকারী চক্রের হাতে আটক ছিলেন। ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশে ওই ৩৮ জন বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে লিবিয়ায় যান।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলা বিএনপির পুরোনো কৌশল: ওবায়দুল কাদের

১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আসন্ন উপনির্বাচনে আগে থেকেই ভরাডুবির আশঙ্কা করছে। তাই নানা অভিযোগ করছে তারা। ভোটের আগে অভিযোগ, ভোটের দিন সরে দাঁড়ানো এবং পরে নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলা বিএনপির পুরোনো কৌশল। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় পণ্যবাহী যানবাহন চালকদের জন্য দুটি বিশ্রামাগার নির্মাণকাজ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকর করা হয়েছে। নিরাপদ মহাসড়ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ১২১টি দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকের ঝুঁকি হ্রাস করা হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট স্ অংশীজনের মাঝে সুদৃঢ় সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, সমন্বয় যত দৃঢ় হবে মহাসড়ক তত নিরাপদ হবে। সড়ক নিরাপত্তায় জনসচেতনতা তৈরিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসমূহকে এগিয়ে আসতে হবে। ওবায়দুল কাদের জানান, মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করায় মুখোমুখি সংঘর্ষ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জেলা ও আঞ্চলিক মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশাসহ নন-মোটরাইজড যানবাহনের চলাচল বন্ধে সংশ্লিষ্টদের আরও কঠোর হতে হবে। উল্লেখ্য, প্রায় ২২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-খুলনা এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িচালকদের জন্য চারটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হবে। এসব বিশ্রামাগারে পার্কিং, গাড়ি চালকদের বিশ্রাম ও রাতযাপনের সুবিধা ছাড়াও গাড়ি মেরামত ও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়ার হোসেন, প্রকল্পের পরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সড়ক ও জনপথ অধিদফতর এবং প্রকল্প কর্মকর্তারা এসময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন। ...

ক্ষমতাসীনদের মদদে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলছে : ফখরুল

১৪,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্ষমতাসীনদের মদদে সারাদেশে বেআইনি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (১৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন। বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের প্রাক্কালে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমণ নিঃসন্দেহে সুপরিকল্পিত এবং সন্ত্রাস সৃষ্টি করে সুষ্ঠু নির্বাচনে ব্যাঘাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণকে ভীত সন্ত্রস্ত করে সরকারদলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করারই নীলনকশা। এই হামলা সরকারি আধিপত্য বিস্তারেরই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচন, প্রশাসন, আইন-আদালতসহ সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবেই বর্তমান অবৈধ সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে এ ধরনের হামলা সংঘটিত করছে। তিনি বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোকে উপেক্ষা করে জনগণকে প্রান্তিক পর্যায়ে ঠেলে দিয়েছে বর্তমান সরকার। ক্ষমতাসীনদের মদদে সমাজের সর্বত্র চলছে বেআইনি সন্ত্রাসীদের আধিপত্য। চোখ রাঙানি দিয়ে সরকার জনগণকে শাসন করতে চায়। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও ন্যায় বিচারকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে, আর এজন্যই যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ক্ষমতাসীনদের সন্ত্রাসীরা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে রক্ত ঝরাচ্ছে। দেশের মানুষকে ভয় ও শঙ্কার মধ্যে ডুবিয়ে নির্বিঘ্নে দেশ শাসন করতে চায় বলেই বর্তমান সরকার দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় না। মির্জা ফখরুল বলেন কিন্তু মনুষ্যসমাজে কখনওই কোনো স্বৈরশাসক নিজেদের অবৈধ শাসনকে টিকিয়ে রাখতে পারেনি। গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থানে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে দেশে-দেশে। বাংলাদেশেও স্বৈরাচারী শাসকের পতন অত্যাসন্ন। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-৫ জাতীয় সংসদ শূন্য আসনে নির্বাচন উপলক্ষে যাত্রাবাড়ীতে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শান্তিপূর্ণ পথসভায় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং তাদেরকে আহত করার ঘৃণ্য ঘটনায় আমি ধিক্কার জানাচ্ছি, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি করছি। হামলায় আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি। ...

জুমআর দিনজুড়ে যেসব আমল করবেন মুমিন

১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সপ্তাহ ঘুরে ফিরে আসে জুমআ। এটি মুসলিম উম্মাহর ইবাদতের শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনজুড়ে রয়েছে অনেক আমল ও ইবাদত। প্রতিটি আমল ও ইবাদত সম্পর্কেই রয়েছে হাদিসের নির্দেশনা। কিন্তু বিশেষ একটি ইবাদত হলো সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। কিন্তু কোন সময়ে এ সুরাটি তেলাওয়াত করতে হয়? জুমআর দিন অযথা সময় নষ্ট না করে দ্রুত ইবাদত-বন্দেগিতে ধাবিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন- হে ঈমানদরগণ! জুমআর দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের পানে দ্রুত ধাবিত হও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ। (সুরা জুমআ : আয়াত ৯) জুমআর দিন মুমিন বান্দার ইবাদত-বন্দেগির দিন। পুরো দিনজুড়ে বিভিন্ন মুহূর্তে আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য বিশেষ পুরস্করের ঘোষণা দিয়েছেন। আমলের বর্ণনা দিয়েছেন। এ দিনজুড়ে বিভিন্ন কাজের উপদেশও দিয়েছেন। যার প্রতিটিই ইবাদত ও আমলের শামিল। এসব আমলের সবই হাদিসে বর্ণিত। তা হলো- ১.গোসল করা। ২.ফজরের ফরজ নামাজে সুরা সাজদা ও সুরা দাহর/ইনসান তেলাওয়াত করা। ৩.উত্তম পোশাক পরা। ৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা। ৫.আগেভাগে মসজিদে যাওয়া। ৬.সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। ৭.মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাআত সুন্নত নামাজ আদায় করা। ৮.ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা। ৯.মনযোগ দিয়ে খোতবা শোনা। ১০.খোতবা চলাকালে কোনো কথা না বলা। ১১.দুই খোতবার মাঝের সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা। অন্য সময়ে দোয়া করা। কারণ এদিন দোয়া কবুল হয়। ১২.রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সারাদিন যথাসম্ভব বেশি দরূদ পাঠ করা। জুমআর দিনের বিশেষ আমল: জুমআর দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রয়েছে আমলের হাতছানি। হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় ফজর থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরো দিনটিই আমলের নির্দেশনা রয়েছে। দিনের যে কোনো সময় সুরা কাহফ তেলাওয়াতের বর্ণনা যেমন রয়েছে, তেমনি এ সুরার তেলাওয়াতেরও রয়েছে বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদা। হাদিসে এসেছে- হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত করবে; তার পায়ের তলদেশ থেকে আসমান পর্যন্ত একটি আলো উৎসারিত হবে, যা কেয়ামতের দিন তার আলোর কাজে দেবে। আর তার দুই জুমআর মাঝের (সগিরা গোনাহ) মাফ করে দেয়া হবে। (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব)। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ পড়বে; তার জন্য তা দুই জুমআর মধ্যবর্তী সময়ে নুর হয়ে আলো দান করবে। (মুসতাদরাকে হাকেম, বায়হাকি)। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহ্ফ পড়বে, তা তার জন্য তার ও কাবা ঘরের মধ্যবর্তী স্থানকে নুর দ্বারা আলোকিত করে তুলবে। (বায়হাকি)। সুরা কাহফ তেলাওয়াতের সময়: বৃহস্পতিবার সূর্য ডোবার পর থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা হওয়ার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় জুমআর দিন হিসেবে পরিগণিত। এ সময়ের মধ্যে সুরা কাহফ তেলাওয়াত করলেই হাদিসে উল্লেখিত ফজিলত লাভ করবে মুমিন। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে জুমআর দিন সকাল, নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি, খোতবা শোনা, জুমআ আদায় করা, দরূদ পড়া, আসর থেকে মাগরিব ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত থাকা। সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে দোয়া করা এবং ক্ষমা প্রার্থণা করা। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমআর দিনব্যাপী উল্লেখিত আমল ও কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখার তাওফিক দান করুন। হাদিসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।...

এবার দ্বিতীয় দফায় ওমরাহ করতে পারবেন আড়াই লাখ মানুষ

১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এবারের ওমরাহের দ্বিতীয় পর্ব। এ পর্বে প্রবাসীসহ সৌদি আবরের আড়াই লাখ নাগরিক ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন। এই আড়াই লাখ নাগরিকসহ এই দফায় মোট ছয় লাখ মুসলিমকে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ইবাদত করার অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার। তবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ওমরাহের তৃতীয় পর্বে সৌদির আবরের বাইরের দেশের নাগরিকরা ওমরাহ করার সুযোগ পাবেন। এ সময় থেকে প্রতিদিন ২০ হাজার মানুষ ওমরাহ পালন করতে পারবেন এবং মসজিদের ভেতরে ৬০ হাজার মানুষকে নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়া হবে বলেও ঘোষণা করেছে সৌদি হজ ও ওমরাহ কর্তৃপক্ষ। সৌদির হজ ও ওমরাহ সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির সদস্য হানি আল ওমাইরি জানিয়েছেন, এবার মুসল্লিরা আল রাওয়াদাহ আল শরিফা এবং মদিনায় মসজিদে নববির পুরোনো মসজিদ এলাকায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি আরও জানান, ওমরাহ পালনের অনুমতি গ্রহণের পাশাপাশি গ্র্যান্ড মসজিদ এবং রাওয়াদাহ শরিফ পরিদর্শনের ইতামারনা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। ওমরাহের জন্য মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ দিনে ১০ বার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা হয়। এছাড়া ওমরাহ পালনকারীদের প্রবেশ এবং বের হওয়ার সময় স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নেয়া হচ্ছে। মহামারি করোনাভাইরাসে পুরো বিশ্ব আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পবিত্র নগরী মক্কায় ওমরাহ পালন স্থগিত করা হয়। করোনা পরবর্তী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নিয়ম ও শর্তপালন সাপেক্ষে গত ৪ অক্টোবর থেকে ওমরাহ পালন শুরু হয়। ইতোমধ্যে প্রথম ব্যাচ নিয়মতান্ত্রিকভাবে ওমরাহ সম্পন্ন করেছেন।...

ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে। ...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে।

মুজিব কোট কোনও অন্যায়কারী দুর্নীতিবাজের পরিধান নয়

১২সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকে লোপা তালুকদার নামের এক নারীর মুজিব কোট পরিধেয় ছবি নিয়ে বেশ হইচই চলছে। তার ফেসবুক প্রোফাইলে কর্ম আর গুনের বিশাল ফিরিস্তি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সকল স্তরের উচ্চ পর্যায়ের মন্ত্রী নেতাদের সবার সাথে ছবি। যে কেউ দেখলেই ভাববেন লোপা তালুকদার কতটা ক্ষমতাধর। হয়তো তার কর্মগুণ ক্ষমতা সবই আছে। সে আলোচনা সাপেক্ষে বিষয়। তবে এমন করিৎকর্মা নারী আওয়ামী লীগের একটি অংগ সংগঠনের বিশেষ পদ ধারণ করে শিশু অপহরণ কেন করছে তা সত্যি চিন্তনীয়। বর্তমান সময়ে কেবল লোপা তালুকদার নয়, দেশে সংঘটিত দুর্নীতি বা অন্য অপরাধসমুহের হোতাদের খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, অপরাধীরা কোনও না কোনভাবে আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত। সরকার হিসাবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে দীর্ঘ সময় ধরে। আর এতে করে দলে পরগাছার পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া অমূলক কিছু নয়। এ পরগাছাকে 'কাউয়া হাইব্রিড' নানা উপাধি দেয়া হয়। যে নামই দেয়া হোক না কেন এরা ক্রমশ মহীরুহ হয়ে উঠছে। কারণ এদের ছেঁটে ফেলার মত কোনও উদ্যোগ নেয়া হয় না। পাপিয়া, শাহেদ, সাবরিনার ঘটনার রেশ না কাটতেই মুজিব কোট পরিহিত লোপা তালুকদার আবার প্রশ্নবিদ্ধ করছে দলের কর্মকাণ্ডকে। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পরিচালক, সাংবাদিক, কবি সাহিত্যিক সব পদবীর ধারণ করার এ নারীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ আরও মামলা আছে বলে গণমাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে। আর জিনিয়াকে অপহরন কেন করা হয়েছে তা পুলিশের তদন্তে বের হয়ে আসবে বলে বিশ্বাস। এ মুহূর্তে যে প্রশ্নটি বারবার মানুষের সামনে আসছে তা হলো দলের ভেতরে অবস্থান করে যেসব দূর্নীতিবাজ, অসৎ ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে এর প্রতিকার কি? হঠাৎ করে মুজিব কোট পরিধান করে আর্বিভূত এসব মানুষ কি জানে বঙ্গবন্ধুর মুজিব কোট শুধু ফ্যাশন নয়। এ কোট বাংলার ইতিহাসে কতটা জায়গা জুড়ে আছে। বলা হয়ে থাকে মুজিব কোটের ৬ টি বোতাম বাংলার মানুষের ছয় দফার প্রতীক। যে ছয় দফাকে সামনে রেখে বাঙালি স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিল। প্রকৃত দেশ প্রেম থাকলে মুজিব কোট পরিধান করে অন্যায় করা যায় না। আর এ কোটের দেশ প্রেমের সাহস, প্রেরনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে তারা এ সমাজের কীট। এরা দেশের ক্ষতি করতে পিছপা হয় না তা অতীতে ও প্রমাণিত হয়েছে। এ দুর্ভাগা জাতি মুজিব কোটের মর্যাদা দিতে পারেনি সেই ১৯৭৫ সাল থেকে। খন্দকার মোশতাকের মুজিব কোট পরিহিত ছবিকে জাতি ভুলে যায় বলে শাহেদ, লোপারা আশ্রয় পায় আওয়ামী লীগে। মিথ্যা বুলি দিয়ে মিথ্যা লেবাসধারীরা আওয়ামী সরকারের অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে। দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। অথচ সে লড়াইয়ের পথকে রুদ্ধ করছে নিজের দলের ভেতর অনুপ্রবেশকারীরা। এ নব্য আওয়ামী প্রেমীদের মুখে এক, মনে আরেক রয়েছে বলে বাড়ছে দুর্নীতি, অন্যায় ও অপরাধ। এরা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে মুজিব কোট পরে মুজিব প্রেমী হয়। নির্মম সত্য হলো মুজিব কোট পরিধান করলেই মুজিব প্রেমী হতে পারে না। নিজের ভেতরে মুজিব আর তার ইতিহাসকে ধারণ করতে হবে। এ কারণেই মুজিব কোটকে অন্যায় আর দুর্নীতির হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে। তা না হলে আগামীতে দেশের মানুষ আওয়ামী সরকারের ভালোটুকু ভুলে গিয়ে মন্দটুকুই মনে রাখবে। সময়ের সাথে আজ অনেক কিছু বদলে গেছে, তা বাস্তবতাতে সুস্পষ্ট। তাই দলের ভেতর আওয়ামী লীগের আর্দশ আর বিশ্বাসকে যারা শেষ করে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না সত্যিকারের দলের ত্যাগী নেতা কর্মীরা। কারণ তাদের যে মুজিব কোটের লেবাসে উচ্চ পর্যায়ের নেতা কিংবা হর্তাকর্তাদের সাথে ছবি বা যোগাযোগ নেই। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে যারা আলাদা করে চিন্তা করতে পারে না কিংবা যারা নেত্রীর সাথে ছবি তোলার চেয়ে রাজপথের আন্দোলনকে মূল কাজ মনে করেছে আজ তারা মূল্যহীন। তাই লোপা তালুকদার, শাহেদদের পরনের মুজিব কোট লজ্জিত করে বঙ্গবন্ধুর আর্দশধারণকারী দেশপ্রেমীকে। লেখক: হাসিনা আকতার নিগার,কলামিস্ট।- বিডি-প্রতিদিন

আজকের মোট পাঠক

35832

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত