ফ্রান্সে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ,আহত ১২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তার মাঝেও ফ্রান্সে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার রাজধানী প্যারিসের বিভিন্ন রাস্তায় জড়ো হয়ে পুলিশি বেস্টনিতে প্রতিবাদ করেন ইয়েলো ভেস্ট পরিধান করা হাজারো বিক্ষোভকারী। আন্দোলনের একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় আন্দোলনকারীদের অনেকেই গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে প্রতিবাদকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস, পেপার স্প্রে ও রাবার বুলেট ছুড়ে পুলিশ। সংঘর্ষে অন্তত ১২৬ জন আহত হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সারা দেশে আটক করা হয় এক হাজার বিক্ষোভকারীকে। চার সপ্তাহ ধরে চলে আসা এই সহিংস বিক্ষোভের কারণে আইফেল টাওয়ার এবং পর্যটক-প্রিয় অন্যান্য জায়গায় প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর হাজার হাজার লোক মোতায়েন রয়েছে। এদিকে, ফ্রান্সের পর ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে নেদারল্যান্ড এবং বেলজিয়ামেও।...

তালেবান হামলায় আফগানিস্তানে ১৪ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে দুটি সেনা ফাঁড়িতে তালেবান হামলায় অন্তত ১৪ সেনা নিহত হয়েছেন। শুক্রবার এক প্রাদেশিক কর্মকর্তা জানান, হামলার পর ২১ সেনাকে বন্দি করে নিয়ে গেছে তালেবানরা। হেরাত প্রাদেশিক কাউন্সিলের সদস্য নাজিবুল্লাহ মোহেবি জানান, বৃহস্পতিবার শেষ রাতের দিকে শিনধান্দ জেলায় হামলা শুরু হয়। ছয় ঘণ্টা সংঘর্ষ চলায় আরও সেনা সদস্য সেখানে হাজির হয়। কিন্তু তার আগেই তালেবানরা ২১ সেনাকে বন্দী করে নিয়ে যায়। তবে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গফুর আহমেদ জাওয়িদ নিহত ও আহত সেনার সংখ্যা ১০ বলে দাবি করেছেন। হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিনধান্দ জেলার প্রধান হেকমতুল্লাহ হেকমাত জানান, হামলায় অন্তত ২০০ তালেবান যোদ্ধা অংশ নেয়। তারা রকেটচালিত গ্রেনেড ও স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। সংঘর্ষে অন্তত ৩০ তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। শুক্রবার সংঘর্ষ ১২ কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি কক্ষে সৈন্যদের বন্দী করে রাখা হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা ...

দৈনিক তেল উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্ত: ওপেক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দৈনিক তেল উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বিশ্বের বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক। বুধবার (৫ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওমানের তেল ও গ্যাস মন্ত্রী মোহাম্মদ বিন হামাদ। তবে তেল উৎপাদন কতটুকু কমানো হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তো তথ্য জানাননি তিনি। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় বৃহস্পতিবার ওপেকের শীর্ষ সম্মেলনে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুধবার (৫ ডিসেম্বর) দিনভর সদস্য রাষ্ট্রগুলো নিজেদের মধ্যে একাধিক বৈঠক করে এ তথ্য জানায়। তবে ওইসব বৈঠকের ফলাফলের বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা। যদিও ধারণা করা হচ্ছে ওপেক থেকে কাতারের বেরিয়ে যাওয়া নিয়ে কথা হয়েছে। আজ বৈঠকের পরই এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। ...

১৯৪৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি মানুষ হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: টার্গেট করে একটার পর একটা দেশে যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়া। পছন্দের সরকার বসাতে গোয়েন্দা বাহিনী দিয়ে দেশে দেশে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটানো। বিশেষ বাহিনীর মাধ্যমে গোপন অভিযান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সারাবিশ্বে এভাবেই আধিপত্য কায়েম রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। আধিপত্য লড়াইয়ের এ মিশনে ১৯৪৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অর্থনৈতিক ও সামরিক পরাশক্তি দেশটির হাতে নিহত হয়েছে ২ থেকে ৩ কোটি বেশি নিরীহ বেসামরিক মানুষ। এটা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত মানুষের প্রায় দ্বিগুণ। ১০০ বছর আগের ভয়াবহ ওই যুদ্ধে নিহত হয় প্রায় দেড় কোটি মানুষ। সম্প্রতি গ্লোবাল রিসার্চ : সেন্টার ফর রিসার্চ অন গ্লোবালাইজেশন প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে গত ৭৩ বছরে বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার লঙ্ঘন ও হত্যাযজ্ঞের এ চিত্র উঠে এসেছে। কয়েক বছর ধরে গবেষণা করে রিপোর্টটি প্রস্তুত করেছেন মার্কিন ইতিহাসবিদ জেমস এ লুকাস। রিপোর্ট বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেয়া অবৈধ যুদ্ধ, সামরিক অভ্যুত্থান ও গোপন সামরিক অভিযান শিকার হয়েছে বিশ্বের অন্তত ৩৭টি দেশ বা জাতি। এর মধ্যে ২০০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ। মার্কিন সেনাবাহিনী এখনও যুদ্ধ করছে সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়ায়। আর এসব যুদ্ধ ও সংঘাতে বিশাল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। মৃত্যুর পাশাপাশি ঘটেছে অগণিত আহত হওয়ার ঘটনা। বিমান হামলা আর অত্যাধুনিক সব অস্ত্রের আঘাতে সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়েছে এসব মানুষ। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞের মতে, যুদ্ধে প্রত্যেক নিহত ব্যক্তির বিপরীতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এর মানে মার্কিন বাহিনীর হাতে আহত হয়েছে আরও অন্তত ২০ থেকে ৩০ কোটি মানুষ। জেমস লুকাসের গবেষণার বরাত দিয়ে অ্যাটাক দ্য সিস্টেম ডটকমর প্রধান সম্পাদক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক কেইথ প্রেস্টন সম্প্রতি প্রেটিভিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মার্কিন সরকার ওইসব অঞ্চলে দারিদ্র্য, অপরাধ, বর্ণবাদ ও সহিংসতা সৃষ্টির মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কখনই শীর্ষ পর্যায়ে ছিল না, বরং দেশ ও বিদেশে ব্যাপক হারে অপরাধ ও কুকর্ম করেছে। তিনি আরও বলেন,যুক্তরাষ্ট্র একটা আধুনিক সাম্রাজ্যবাদী, যা আগে ছিল ব্রিটেন। এদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মঙ্গলবার বলেছেন, মানবাধিকারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যে বিশ্বে শীর্ষস্থানে ছিল ট্রাম্প সরকারের আমলে এসে তা হারিয়ে গেছে। আমেরিকার ৩৯তম প্রেসিডেন্ট ৯৩ বছর বয়সী কার্টার বলেন, মানবাধিকারের ক্ষেত্রে আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া উচিত ছিল। কারণ আমরা শুধু সামরিক শক্তির কারণে সুপার পাওয়ার নই, বরং সেখানে মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকারও রয়েছে।...

পটিয়ায় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দুপক্ষের গোলাগুলিতে কানা কামাল নিহত

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে সম্রাট কামাল উদ্দিন ওরফে কানা কামাল নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার হুলাইন আকবর পাড়ার মৃত আবদুল ছমদের ছেলে। শনিবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের চন্দ্রকলা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ রাত তিনটার দিকে লাশ উদ্ধার মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি এলজি, অব্যবহূত তিন রাউন্ড কার্তুজ, দুটি গুলির খোসা, ৮০০ পিস ইয়াবা ও পকেটে থাকা ৪০০ টাকা উদ্ধার করেছে। তবে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা কারা সেটা পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি। নিহত কামালের বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকসহ আটটি মামলা রয়েছে জানিয়ে পটিয়া থানার ওসি শেখ মো. নেয়াম উল্লাহ বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে কানা কামাল নিহত হয়েছেন।...

বন্দুকযুদ্ধে মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ লালমনিরহাটে

অনলাইন ডেস্ক: লালমনিরহাট সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জাকির হোসেন (৩২) নামে এক মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ জাকির হোসেন ওই এলাকার কাজিচওড়া গ্রামের আজিজার রহমান ওরফে আজিজ মিলেটারির ছেলে। শনিবার (৮ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের নিজপাড়ায় এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম জানান, রাতে মাদকের চালান নিয়ে কয়েকজন মাদক বিক্রেতা নিজপাড়ায় এসেছেন-এমন খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযানে যায় পুলিশ। টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা পুলিশের ওপর হামলা করলে পুলিশ শর্টগানের দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলি দুটি মাদক বিক্রেতা জাকিরের দুই পায়ে লাগে। একপর্যায়ে অন্য মাদক বিক্রেতারা পালিয়ে যায়। পরে দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জাকিরকে গ্রেফতার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একশ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।...

শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী আর নেই

অনলাইন ডেস্ক: শেরপুরের নকলা উপজেলাধীন ধনাকুশা গ্রামের মরহুম জাফর আলীর ছেলে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজগর আলী আর বেঁেচে নেই। তিনি ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুর দুইটার দিকে ধনাকুশা গ্রামের নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না নিল্লাহী ওয়া----রাজিউন)। মরহুমের জানাজা নামাজ আজ (শনিবার) সকাল ১০ টায় ধনাকুশা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। মৃত্যুকালে মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলীর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে উপজেলায় জীবিত সব মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষের মনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলীর মৃত্যুতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশসহ মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী প্রায় এক বছর আগে যক্ষা (টিবি) রোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে দীর্ঘ ৯ মাস যক্ষা রোগের চিকিৎসা দেওয়ার পরে যক্ষা থেকে রক্ষা পান। তার কিছুদিন পরেই আবার অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে রাজধানী ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পরে তাঁর ফুসফুসে পানি জমেছে বলে সেখানকার চিকিৎসকগন জানান। ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে নিয়মিত চিকিৎসা করলে আজগর আলী সম্পূর্ণ ভাবে সুস্থ্য হয়ে উঠেন। কিন্তু শুক্রবার দুপুরের দিকে হঠাৎ অসুস্থ্যতা বোধ করলে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার আগেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলীর মরদেহ নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড অফিস সূত্র নিশ্চিত করেছে।...

বাংলামোটরে বাবার হাতে এক সন্তান খুন, আরেকজন জিম্মি

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর বাংলামোটরে তিন বছরের এক সন্তানকে হত্যার পর অস্ত্রের মুখে আরেক সন্তানকে জিম্মি করেছে বাবা। শিশুটির মাদকাসক্ত বাবা নুরুজ্জামান কাজল (৩৫) তাকে খুন করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বুধবার ভোরে বাংলামোটরের ১৬ লিংক রোডের একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় এ খুনের ঘটনা ঘটে। শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সাফায়াত নামের এক সন্তানকে হত্যার পর আরেক সন্তানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রেখেছে বাবা কাজল। এ ঘটনায় পুলিশ ওই বাসাটি ঘেরাও করেছে। তবে ওই রুমে এখনো প্রবেশ করতে পারেনি।...

তেজগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সাক্ষাৎকার দিতে এসে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার তেজগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহত আক্তার জাহান রুম্পা (২৮) সিলেট ওসমানীনগরের বাট আই হাসপাতালের চিকিৎসক ছিলেন। একটি চক্ষু হাসপাতালে সাক্ষাৎকার দিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তেজগাঁও থানার এএসআই মাসুদ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আক্তার জাহান রুম্পা সিনজিচালিত অটোরিকশায় গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। বিজয় সরণি এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসা অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই রুম্পা মারা যান। আক্তার জাহান রুম্পার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি। নিহত রুম্পা চট্টগ্রামের হালিশহর থানার আক্তারুজ্জামানের মেয়ে। চাকরির সুবাদে তিনি সিলেটের ওসমানীনগর এলাকায় থাকতেন।...

ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষ হাসিনা বেগম

অনলাইন ডেস্ক: ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কলেজ শাখার সহকারী অধ্যাপক হাসিনা বেগম। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার জেরে আগের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌসকে বহিস্কারের দুইদিন পর হাসিনা বেগমকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। শুক্রবার (০৭ ডিসেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি মুশতারী সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে কলেজ শাখার সহকারী অধ্যাপক হাসিনা বেগমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং প্রভাতী শাখার প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মহসিন তালুকদারকে। মহসিন তালুকদার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রভাতী শাখার প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন। গত সোমবার (০৩ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে রাজধানীর শান্তিনগরে গলায় ফাঁস দিয়ে অরিত্রী অধিকারী (১৫) নামে ভিকারুননিসার এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেন। অরিত্রী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শাখার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (০৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় আত্মহত্যার প্ররোচণাকারী হিসেবে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন অরিত্রীর বাবা। মামলার আসামিরা হচ্ছেন-অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনা। এ মামলায় গ্রেফতার হয়ে হাসনা হেনা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী জানান, অরিত্রীর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। রোববার (০২ ডিসেম্বর) পরীক্ষা দেওয়ার সময় অরিত্রীর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের স্কুলে যেতে বলে। স্কুলে যাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ জানায়, তার মেয়ে পরীক্ষার হলে মোবাইলের মাধ্যমে নকল করছিল। তাই তাকে টিসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ খবর শোনার পর স্কুল থেকে অরিত্রী বাসায় ফিরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।...

অধ্যক্ষসহ ৩ শিক্ষক বরখাস্ত ভিকারুননিসা স্কুলের এমপিও বাতিল

অনলাইন ডেস্ক: ভিকারুননিসার শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচণার প্রমাণ পেয়েছে মন্ত্রণালয়ের গঠিত তিন সদস্যের কমিটি। এ ঘটনায় ভিকারুননিসার অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষককে বরখাস্তের সুপারিশ করেছে কমিটি। তারা হলেন- অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, বেইলি রোড শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক জিনাত আরা এবং ক্লাস টিচার হাসনা হেনা। পাশাপাশি ওই তিন শিক্ষকের এমপিও বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ কথা জানান তিনি বলেন, ভিকারুননিসা স্কুলের দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানটির সব ধরণের অনিয়ম উঠে আসছে। অভিভাবকরাও নানা অনিয়মের কথা বলেছেন। ওই ঘটনার জন্য দায়ী ৩ জনের নাম এসেছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তাদের বরখাস্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।...

আজ বিশেষ সেঞ্চুরি হবে পঞ্চপাণ্ডবের

ক্রীড়া ডেস্ক: মাশরাফি-সাকিব-তামিম-মুশফিক-রিয়াদকে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পঞ্চপাণ্ডব বলা হয়। প্রায় এক যুগ ধরে তারা জাতীয় দলকে একসঙ্গে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন। এই পাঁচজনের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র হচ্ছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। এই পাঁচজনই খেলেছেন এখন পর্যন্ত এমন ম্যাচের সংখ্যা ৯৯টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর একটায়। আজকের ম্যাচে এই পাঁচজন মাঠে নামলেই করে ফেলবেন বিশেষ সেঞ্চুরি। বিশ্বে এমন ঘটনা বিরল। টেস্টে এই পাঁচজনই খেলেছেন এমন ম্যাচ এখন পর্যন্ত হয়েছে একটি। ওয়ানডেতে এমন ম্যাচ হয়েছে ৬৯টি। আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে ২৯টি। অর্থাৎ, তিনি ফরম্যাট মিলিয়ে তারা এখন পর্যন্ত একই সঙ্গে ৯৯টি ম্যাচ খেলেছেন। সুতরাং, আজ পঞ্চপাণ্ডব মাঠে নামলে একসঙ্গে ১০০টি ম্যাচ খেলার ইতিহাস গড়বেন। বিশ্বে এখন পর্যন্ত এমন ৬৪টি পঞ্চপাণ্ডবের দেখা মিলেছে। বাংলাদেশে সাধারণত ক্রিকেটারদের একটু বয়স হয়ে গেলেই দল থেকে ছেটে ফেলা হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই পাঁচ ক্রিকেটারকে দীর্ঘ সময় ধরে সুযোগ দিয়েছে। কারণ এই পঞ্চপাণ্ডবের হাত ধরেই বাংলাদেশের ক্রিকেটে এসেছে বিশাল অর্জন। তারা প্রত্যেকেই ফর্মে রয়েছেন। পঞ্চপাণ্ডবের এক পাণ্ডব ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা মনে করেন, সিনিয়রদের নিয়মিত পারফরম্যান্স এবং তাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তার অধিনায়কত্বকে আরো সহজ করে দিয়েছে। তিনি বলেছেন, তারা সবাই নিয়মিত পারফর্মার। নিশ্চিতভাবে এটি আমার কাজকে আরো সহজ করে দেয়। সাকিব এক্সট্রাওর্ডিনারি খেলোয়াড়। তাকে নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। মুশফিক কোয়ালিটি প্লেয়ার। তামিম এবং রিয়াদও অসাধারণ। তারা যতো সময় গিয়েছে ততো বুঝেছে যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের কেমন খেলতে হবে। তাদের সম্পর্কে বেশি ব্যাখ্যা করার কিছু নেই। তামিম ইকবাল বিশেষ এই সেঞ্চুরি নিয়ে বলেছেন, অবশ্যই এটি বিশেষ কিছু। গত ১৫ বছর ধরে আমরা একে অপরকে চিনি। আশা করি বিশেষ কিছুর মাধ্যমে আমরা দিনটিতে স্মরণীয় করে রাখব। সাকিব, মুশফিক ও আমার চেয়ে মাশরাফি ভাই ও রিয়াদ ভাই বয়সে বড়। অনূর্ধ্ব-১৫ সময় থেকে আমরা তিনজন খেলছি। আমাদের মধ্যে সম্পর্ক দারুণ। আমরা সব বিষয় শেয়ার করি। সাকিব ও মুশফিকের সঙ্গে আমার বন্ধু সম্পর্ক। কিন্তু মাশরাফি ভাই এবং রিয়াদ ভাইয়ের সঙ্গেই আমার বেশি সময় কাটে। আমাদের সবার মধ্যে সম্পর্ক অনেক গভীর। ২০০১ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি এখন পর্যন্ত ৩৬টি টেস্ট, ২০০টি ওয়ানডে ও ৫৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিনিই বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার যিনি ২০০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। তাছাড়া ওয়ানডেতে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তিনি সেরা উইকেটশিকারি বোলার। ২০০ ওয়ানডে ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা ২৫৫টি। ২০০৬ সালের আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্র্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় সাকিব আল হাসানের। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি নিজেকে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়। এক সময় একই সঙ্গে তিন ফরম্যাটের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি শুধু টেস্ট ফরম্যাটের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সাকিব আল হাসান এখন পর্যন্ত ৫৫টি টেস্ট, ১৯৩টি ওয়ানডে ও ৬৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন তামিম ইকবাল। তিনি এখন পর্যন্ত ৫৬টি টেস্ট, ১৮৪টি ওয়ানডে ও ৬৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। বর্তমানে তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের সেরা রান সংগ্রহকারী ব্যাটসম্যান তামিম। তিন ফরম্যাটে তার রান সংখ্যা যথাক্রমে টেস্টে ৪০৪৯, ওয়ানডে ৬৩১৯ ও টি-টোয়েন্টিতে ১৫২৮। ২০০৭ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। তাকে বলা হয় বাংলাদেশ দলের আনসাং হিরো। কেউ বলেন সাইলেন্ট কিলার। ২০১৫ সালের আইসিসি বিশ্বকাপে দুইটি সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। ওই বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এখন পর্যন্ত ৪৩টি টেস্ট, ১৬৬টি ওয়ানডে ও ৭৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ২০০৫ সালের মে মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। তিনি এখন পর্যন্ত ৬৬টি টেস্ট, ১৯৬টি ওয়ানডে ও ৭৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিন ফরম্যাটে তার রান সংখ্যা যথাক্রমে টেস্টে ৪০০৬, ওয়ানডেতে ৫২৬৮ ও টি-টোয়েন্টিতে ১১৩১। মুশফিকুর রহিমই বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি টেস্টে দুইটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।...

উইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সহজ জয় বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক: বিগত বছর তিনেক ধরেই ঘরের মাঠে অপ্রতিরোধ্য মাশরাফি-সাকিবরা। সেটি হোক অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড কিম্বা ভারত, পাকিস্তানের বিপক্ষে। সব প্রতিপক্ষই টাইগারদের কাছে ধরাশয়ী। ব্যাতিক্রম হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও। টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পর উইন্ডিজ বধেই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করল লাল সবুজের বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারি ক্যারিবীয় দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তজার দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছুঁরে দেয়া ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে য়ায় বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যাবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিক দল। এদিন সতর্কতার সঙ্গেই শুরু করেছিলেন বাংলাদেশ দলের দুই ও পেনার দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস। বিনা উইকেটে স্কোর বোর্ডে জমা করেছিলেন ৩৬ রান। কিন্তু অস্টম ওভারের শেষ বলে রোস্টন চেজের বলে দেবেন্দ্র বিশুর তালুবন্দি হয়ে ফিরে যান তামিম। পরের ওভারে থমাসের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল কায়েস। ৪২ রানে দুই উইকেট হারানোর পর লিটন দাসের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহীম। ৪৭ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন লিটন দাস। ৪১ রান করা এই ওপেনারকে বিদায় করেন পল। ক্রিজে এসেই মেরে খেলার চেষ্টা করেন সাকিব। তবে ৩০ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। অধিনায়ক পাওয়েলের বলে শাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সাকিব। তবে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে জুটি বেঁধে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগোচ্ছেন সৌম্য সরকার। প্রস্তুতি ম্যাচে তার অপরাজিত সেঞ্চুরিতে জিতেছিল বিসিবি একাদশ। এদিনও ব্যাট হাতে ছোট খাটো ঝড় তোলেন এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। ১৩ বলে ২ চার এক ছক্কায় ১৯ রানে চেজের শিকার হন সৌম্য। তবে ম্যাচের হাফসেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়ে তবেই মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহীম। ৬৯ বলে ৫৫ রান করেন করেন তিনি। অপর প্রান্তে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। রোববার (৯ডিসেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং-এ শুরু থেকেই কোনঠাসা ছিলো ক্যারিবীয়রা। তাই ২শ রানের কোটাও স্পর্শ করতে পারেনি তারা। ৯ উইকেটে ১৯৫ রান করেছে সফরকারীরা। দলের পক্ষে শাই হোপ ৪৩, কেমো পল ৩৬, রোস্টন চেজ ৩২, মারলন স্যামুয়েলস ২৫, ড্যারেন ব্রাভো ১৯, অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল ১৪, কাইরেন পাওয়েল ১০, শিমরোন হেটমায়ার ৬, কেমার রোচ অপরাজিত ৫ ও দেবেন্দ্র বিশু-ওশানে টমাস শুন্য রানে আউট হন। বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ১০ ওভারে ৩০ রানে ৩ উইকেট নেন। মুস্তাফিজুর রহমানও ৩ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া ১টি করে উইকেট নেন মেহেদি হাসান মিরাজ-সাকিব আল হাসান-রুবেল হোসেন।...

পরীমনি আসছেন প্রীতি হয়ে ১৩ ডিসেম্বর

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি কিছুদিন আগেই কাজ করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত প্রীতি শিরোনামের একটি ওয়েব সিরিজে-এ খবর পুরোনো। নতুন খবর হলো আগামী ১৩ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই ওয়েব সিরিজটি। প্রীতি শিরোনামের এই ওয়েব সিরিজটিতে পরীমনিকে একজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদকের চরিত্রে দেখা যাবে। এ প্রসঙ্গে পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম বলেছেন,পরীমনির সঙ্গে ”স্বপ্নজাল” এ কাজ করতে গিয়ে মনে হয়েছে, যেকোনো চরিত্রে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে তার। তাই সিরিজটিতে পরীমনিকে নেওয়া। পরীমনি আবারও তার অভিনয় যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। ১৩ ডিসেম্বর এটি মুক্তি পাবার পর আশা করছি দর্শকরাও এটি পছন্দ করবেন। সম্প্রতি প্রীতি নামের এই ওয়েব সিরিজটির ফার্স্ট লুক প্রকাশ করা হয়েছে। আর প্রীতি প্রথম লুকেই দর্শকদের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। এই ওয়েব সিরিজটিতে আরও অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, সূচনা আজাদ, শহীদুল আলম সাচ্চু, রহমত আলী, মোমেনা চৌধুরী, সুজাত শিমুল, কালিন্দী কনা, আমিরুল ইসলামসহ অনেকে।...

মায়ের জন্মদিনে সালমান

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড সুলতান সালমান খানের বোন আলভিরা অগ্নিহোত্রীর স্বামী প্রযোজক অতুল অগ্নিহোত্রী। সামাজিক মাধ্যমে অতুল একবার মায়ের সঙ্গে সালমানের ছবি দিয়ে লিখেছিলেন, মা, মায়ের চোখের মণি। এই চোখের মণিটি কে? ছেলে সালমান। সালমানের কাছেও মা সবার আগে। তাঁর জীবনের ভালোবাসা মা সালমা খান। গতকাল শুক্রবার ছিল সালমানের মায়ের জন্মদিন। পরিবারের সবাই ঘটা করে উদযাপন করলেন এই বিশেষ দিনটি। এমনিতেও খানদান পরিবারের সবাই উৎসব, হুল্লোড় ভালোবাসেন। সালমান একবার বলেছিলেন, কোনো উৎসব না থাকলে নিজেরাই বুদ্ধি করে একটি পার্টির পরিকল্পনা করে ফেলেন। আর মায়ের জন্মদিনের পার্টি তারকাখচিত হবে না? হলোও তাই। সালমার জন্মদিনে ছিলেন তিন খান ব্রাদার্স সালমান, সোহেল ও আরবাজ। জন্মদিন পালন করা হয় সালমানের বোন অর্পিতা খান শর্মার বাসভবনে। জন্মদিন পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন খান পরিবারের সাবেক পুত্রবধূ মালাইকা অরোরা। গত বছর আরবাজ খানের সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। তবু খান পরিবারের সঙ্গে তাঁর বন্ধন অটুট আছে। উপস্থিত ছিলেন আরবাজের বর্তমান প্রেমিকা জর্জিয়া আদ্রিয়ানিও। সালমানের বাবা সেলিম খানও ছিলেন পার্টিতে। এ ছাড়া অর্পিতার বাসায় বিশেষ দিনটি উদযাপন করেছেন হেলেন, সীমা খান, অমৃতা অরোরা, সোহেল ও আরবাজের সন্তানেরা। অর্পিতার বাসায় প্রবেশের আগে আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় ধরা পড়েন তাঁরা। খানদান পরিবারের জন্য দিনটি খুবই আনন্দের। সালমান খান ক্যাজুয়াল পোশাকেই ছিলেন। তাঁর ভাই আরবাজও ছিলেন কালো শার্ট ও জিন্সের প্যান্ট পরিহিত। তবে আরবাজের সাবেক স্ত্রী মালাইকা অরোরা রক্তবর্ণের চকচকে পোশাক পরেছিলেন। আর তাঁর বর্তমান প্রেমিকা জর্জিয়া পরেছিলেন সাদা-কালো পোশাক। জর্জিয়া গায়ে জড়িয়েছিলেন কালো জ্যাকেট। সালমান খান এখন আলি আব্বাস জাফর পরিচালিত ভারত ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত। এতে তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন টাইগার জিন্দা হ্যায় সহ-অভিনেতা ক্যাটরিনা কাইফ। এ ছাড়া রয়েছেন নোরা ফাতেহি, সুনীল গ্রোভার, দিশা পাটানি, জ্যাকি শ্রফসহ অনেকে। ছবিতে সালমান খানকে পাঁচটি ভিন্ন লুকে দেখা যাবে। আগামী বছরের ঈদে মুক্তি পাবে ছবিটি। বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের অসংখ্য ভক্ত তাঁর মা সালমা খানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। সূত্র : বলিউড লাইফ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা

অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।...

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা

অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।...

আ.লীগকে কামাল,আপনারা ইনশাআল্লাহ হেরে যাচ্ছেন

অনলাইন ডেস্ক: ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরে যাবে বলে মনে করেন গণফোরাম সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আজ সোমবার বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ পরিষদের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজনীতি ও মানবাধিকার শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ড. কামাল বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আপনারা তো ইনশাআল্লাহ হেরে যাচ্ছেন। এরপর জনগণ আপনাদের কিভাবে দেখবে সেই কথাটাও একটু ভাবুন। আপনাদের নেতা-কর্মীদের জনগণকে মোবারকবাদ দেওয়ার সুযোগ করে দিন। তিনি আরও বলেন, কাজ দেখিয়ে, তথ্য দিয়ে মানুষের উদ্বিগ্নতা দূর করুন। এটা তো আপনাদের জন্য অনেক সহজ কাজ। প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই সব ধরনের তথ্য আছে। মন্ত্রণালয়কে বললেই তারা সেটি প্রকাশের ব্যবস্থা করতে পারে, যা অন্য কারোর জন্য অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এ সময় জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে কামাল হোসেন বলেন, ভোটাধিকার না দেওয়ার শতভাগ ব্যর্থতা জনগণের নিজের। ক্ষমতার মালিক জনগণ, এটাতো কাগজ দেখিয়ে বলার কিছু নেই। নীরব-নিষ্ক্রিয় হলে চলবে না। দেশের মালিক ১৮ কোটি মানুষ। এর অর্ধেকও যদি একত্রে হয়ে মালিকানা নিজেরা ভোগ করতে চাই, তবে কেউ তা রুখতে পারবে না। ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের নেতা-কর্মীরা সব সময়ই মাঠে আছে। আমি নিজেও সব সময় কথা বলছি জনগণের সঙ্গে। আপনাদের মধ্য দিয়েও কথা হচ্ছে। নেতা-কর্মীদেরও বোঝাচ্ছি, আমরা আছি। আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী শেখ শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল হুদা মিলু চৌধুরী এবং নির্বাহী পরিচালক তালুকদার মনিরুজ্জামান মনিরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। ...

নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন হিরো আলম

অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে তার আর কোনো বাধা থাকল না। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মনোনয়ন পত্র বাতিলাদেশের বিরুদ্ধে গতকাল রোববার (৯ ডিসেম্বর) হাইকোর্টে রিট করেন বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম। ওই রিটের আদেশে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন। রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন বলে হিরো আলমের আইনজীবী মো. কাউছার আলী। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন হিরো আলমের মনোনয়ন পত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচন কমিশনে আপিলেও মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয় বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) আপিল শুনানি শেষে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে ইসি। তবে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন হিরো আলম। ইসির এজলাস থেকে বের হয়ে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার পর আমি আপিল করেছিলাম সেটা নামঞ্জুর করা হয়েছে। আজকে এখানে যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী তাদের সবাইকে বাদ দেয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়ন না দেয়ার কারণ আমি মনে করি, ষড়যন্ত্র। আর এসব কিছু রাজনৈতিক চালে চলছে। আমি এখন হাইকোর্টে আপিল করবো, আমি এর শেষ দেখে নেব। রাজনীতির মাঠ থেকে চলে যাওয়ার হিরো আলম আমি না। হিরো আলম বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। গত ২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই করে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল। ১০ জনের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। এরপর মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন হিরো আলম।...

নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন !

অনলাইন ডেস্ক :মনের মানুষটাকে কাছে পেতে কার না ভাল লাগে? কার না ইচ্ছা করে মন খুলে তার সঙ্গে ২টি কথা বলতে। কিন্তু নানা আশঙ্কায় পিছিয়ে আসেন অনেকেই। বিশেষ করে যে সমস্ত ছেলেদের দেখতে তেমন সুপুরুষ নয়, তারা অনেক সময়ই পছন্দের মেয়েটিকে খুলে বলতে পারেন না। কিন্তু জানেন কি? শুধু দেখতে সুন্দর হওয়াই মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকার একমাত্র শর্ত নয়। অন্য নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন আপনি। তাকে চিনুন রাতারাতি যেমন কারও ঘনিষ্ঠ হওয়া যায় না, তেমনই কথা শুরু না করলে কোনও দিনও তার মনের কথা জানতে পারবেন না আপনি। দূর থেকে দেখা মেয়েটির সঙ্গে সাধারণ কথাবার্তা শুরু করুন। তার ছোটবেলা, বেড়ে ওঠা ও পরিবারের সম্পর্কে জানতে চান। বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে মতবিনিময় করুন। তার মত জানতে চান। এভাবেই ক্রমশ তাকে জানতে শুরু করবেন আপনি। জানতে পারবেন তার পছন্দ-অপছন্দ। মিল খুঁজে বার করুন কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে নানা মিল খুঁজে বের করুন। পছন্দের রং, পছন্দের লেখক, পছন্দের গান মিলে গেলে তাকে জানান। এভাবেই গড়ে ওঠে সম্পর্কের বুনন। বন্ধু হোন যে কোনও প্রণয়ের সম্পর্কের প্রথম ধাপ হল বন্ধুত্ব। ফলে বন্ধুত্বকে টপকে কারও মন জেতা সম্ভব নয়। বন্ধুত্বকে গাঢ় করতে একসঙ্গে সময় কাটান। রেস্তোরাঁয়, পার্কে বা কোনও কলাকেন্দ্রে। মানুষ হিসেবে আপনি যে তার কাছে কতটা আনন্দের, ভাললাগার সেটা তাকে বুঝতে দিন। চালাকি করার চেষ্টা করবেন না মেয়েরা ছেলেদের মতলব ছেলেদের থেকেও ভাল বোঝে। তাই চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। তার দিকে বেশি তাকাবেন না। চোখে চোখ যাতে না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখবেন। আর যৌন প্রস্তাব তো একেবারেই নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তুলনা করবেন না নিজেকে কখনও কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না। কোনও নায়ক বা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের মতো করে নিজেকে তুলে ধরবেন না। নিজে যেমন তেমনই থাকুন। এ সব মেয়েরা খুব সহজেই ধরে ফেলে। পরিস্কার থাকুন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। শরীর থেকে যেন দুর্গন্ধ না বের হয়। জামা কাপড় পরিষ্কার রাখুন।...

জেনে নিন, কীভাবে দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন

অনলাইন ডেস্ক : ব্রণের সমস্যা, গরমে ঘেমে নাজেহাল হওয়ার সমস্যা, মেকআপ গলে যাওয়ার সমস্যা আরও অনেক সমস্যা এসে হাজির হয়। তবে গরমে যে সমস্যা সবথেকে বেশি সমস্যা দেয়, তা বোধহয় ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা। বহু মানুষের মধ্যে ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা দেখা দেয়। আর এর জন্য শুধু সেই ব্যক্তিই নন, আশেপাশের অনেকেই সমস্যায় পড়েন। রাস্তা-ঘাট, ট্রেন, বাস, বাড়িতেও ঘামের দুর্গন্ধে বিরক্ত হয়ে যান চেনা পরিচিত, অপরিচিত থেকে কাছের মানুষ প্রত্যেকে। জেনে নিন কীভাবে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন- ১। দিনের দু-বার ভালো ভাবে স্নান করলে ঘাম এবং ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। গরমকালে গিনে দুবার স্নান আপনার শরীরকে ঠাণ্ডাও রাখে আবার ঘামের দুর্গন্ধ থেকেও মুক্তি দেয়। ২। স্নান করে পোশাক পরার আগে শরীরটাকে ভালো করে হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। ভেজা শরীরে কখনওই পোশাক পরবেন না। ভেজা শরীরে পোশাক পরলে, বেশি ঘাম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরও পড়ুন নববর্ষ স্পেশাল রেসিপি: মিষ্টি দই ৩। আপনি স্লিভলেস পোশাক পরুন অথবা না পরুন, অবশ্যই শরীরের অবাঞ্ছিত রোমগুলি নির্মূল করুন। শরীরে অবাঞ্ছিত রোম ঘামের জন্ম দেয়, এবং তা থেকেই দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। ৪। স্নানের সময়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে। যদি আপনার ত্বকে অ্যালার্জি কিংবা ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে, তাহলে সাবান পছন্দের সময়ে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। ৫। শরীর থেকে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ল্যাভেন্ডার, পিপারমেন্ট, পাইন প্রভৃতির এসেন্সিয়াল ওয়েল ব্যবহার করুন। কিংবা একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে স্নানের জনে একটি পাতিলেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। ৬। অনেক সময়ে আমাদের খাদ্যাভাসের কারণেও ঘামের দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। তেল-ভাজা-মশলা দেওয়া খাবার শরীরে ঘাম উত্পাদন করে। ঘামের হাত থেকে রক্ষা পেতে ৭। নাইলন কিংবা সিন্থেটিকের পোশাক একেবারেই পরবেন না। এতে ঘাম আটকে থাকে। সুতির হালকা পোশাক পরুন। সুতির পোশাক ঘাম টেনে নিয়ে শরীরকে শুকনো রাখে। জুতো পরার সময়েও সুতির মোজা পরুন। ৮। শুধু ডিওডোরেন্ট ব্যবহারেই ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি দেয় না। তার সঙ্গে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করুন।...

তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে কতটা সমর্থন দেবে?

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণদের সঙ্গে বিশেষ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বসেছিলেন। বলা হচ্ছে, তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন তিনি। বাংলাদেশে কাছাকাছি সময়ে বড় যে আন্দোলনগুলো হয়েছে সেগুলো প্রায় সবই তরুণদের আন্দোলন। সবচাইতে আলোচিত কোটা আন্দোলন বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যেভাবে সামাল দেয়া হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের সাথে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। পাঁচই জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে পাঁচটি বিষয় সবচাইতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো তার অন্যতম হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইস্যুও তরুণদের আকর্ষণ করতে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয় সেবার তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলো। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তরুণদের এবার কিভাবে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন? তিনি বলছেন, আমরাতো পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোর ভেতরে এনে দিয়েছি, দিন বদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে বিচরণ করতে চায় সেখানেই তারা যেতে পারে। এই যে সুবিধাগুলো তাদেরকে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তথ্য প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি। এগুলো সবকিছু হচ্ছে তরুণদের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা বুঝতে শেখার পর গত দশ বছর আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলকে ক্ষমতায় দেখেনি। অন্য কোন দলকে যাচাই করার কোন সুযোগ তারা পায়নি। কাছাকাছি সময়ে তাদের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল কোটা সংস্কার ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন। এ দুটি আন্দোলনই একটি পর্যায়ে ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠেছিলো। দুটি আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সরকারের ভূমিকা সেসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিলো। কোটা সংস্কারের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রাখছে না বলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিলো। শেষমেশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলেও অনেক নাটক ও বিলম্বের পর। এই আন্দোলন দুটি তারা সঠিকভাবে সামাল দেননি বলে মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলছেন এর প্রভাব ভোটে হয়ত পরতে পারে। তিনি বলছেন, দুটো আন্দোলনই নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই হয়েছে। আরও সেনসিটিভভাবে এটা সামাল দেয়া যেতো। তা করা হয়নি বা করতে পারেনি সরকার। তরুণদের কিছু ইনসেনসিটিভ কিছু ঘটনার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটার কিছু প্রভাবতো পড়বে তবে তিনি মনে করছেন, বর্তমান সরকার একটা যায়গায় তরুণদের উপর অনেক নজর দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তারা করার চেষ্টা করেছে সেখানে তরুণদের মাথায় রেখে অনেক কাজ হয়েছে। সেটিও নিশ্চয়ই কোন প্রভাব ফেলবে। তবে এই মুহূর্তে তরুণদের জন্য কোন ইস্যুটা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, তারা কি চায়, তাদের কোন বিষয়টি সবচাইতে দরকার, তাদের উদ্দেশ্য করে ইশতেহারে এমন কিছু থাকে না যা তাদের আকর্ষণ করতে পারে, বলছিলেন তিনি। তরুণরা আসলে কি চায়? সেটি বোঝার জন্য অনেকের সংগে কথা বলে মনে হল চাকরী বিষয়টা এই বেশিরভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কথা হচ্ছিলো নিশিতা মিতুর সাথে। তিনি এবছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়েছেন। বাংলাদেশে এই বয়সী আরও অনেকের মতোই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি বলছিলেন তার কাছে এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা ভালো চাকরি। তিনি বলছেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে একটা সেইযে ঘোলাটে পরিবেশ, তার একটা স্বচ্ছ অবস্থান এটাই বোধহয় তরুণরা এখন সবচেয়ে বেশি ভাবছে।...

আচার বিক্রেতা হিরো আলমের স্বপ্ন এবার সংসদ সদস্য হওয়া

অনলাইন :স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল তিনি। সেখান থেকে এখন হচ্ছেন খবরের শিরোনাম। দেশের গণমাধ্যম ছাড়াও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাকে নিয়ে ফিচার প্রকাশ করছে। তিনি হিরো আলম। অনলাইন ভিডিও প্লাটফর্ম ইউটিউবে বাংলা ছবির বিভিন্ন গানের ভিডিও বানিয়ে এবং তাতে অভিনয় করে এসেছেন আলোচনায়। ঢাকাই চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ এবং পেজে তাকে নিয়ে ট্রোল হলেও স্বপ্ন পূরণে থেমে নেই তার যাত্রা। প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু নিয়ে আলোচনায় থাকছেন তিনি । হচ্ছেন খবরের শিরোনাম। সম্প্রতি বগুড়া-৪ আসনে এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় পার্টি থেকে কিনেছেন মনোনয়নপত্র। স্বপ্ন এবার সংসদ সদস্য হওয়া! সে স্বপ্ন পূরণের পথেই ছুটছেন তিনি। হিরো আলমকে নিয়ে অনেকে হাস্যরস ও ট্রোল করলেও তিনি কিন্তু তার গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছেন। তার এ এগিয়ে যাওয়ার পিছনে রয়েছে অনেক গল্প। রয়েছে সংগ্রাম। জানিয়েছেন তিনি তার সেই সংগ্রামের কথা। হিরো আলম তখন ছোট। সবে সপ্তম শ্রেণিতে পড়েন। বাবা অন্যত্র বিয়ে করায় সেই ছোট বয়সেই ধরতে হয় সংসারের হাল। ফলে চুকে যায় লেখাপড়ার পাট। গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে ঘুরে মায়ের বানানো আচার-চানাচুর বিক্রি করা শুরু করেন। দিনশেষে মা আনোয়ারা বেগমের হাতে অর্জিত টাকা তুলে দিতেন। আর সন্ধ্যার পর এরুলিয়া বাজারে একটি সিডি ভাড়া দেওয়ার দোকানে বসতেন। এভাবেই কেটে যায় টানা তিন বছর। পরে একদিন দোকানের মালিক শহীদুল ইসলাম চলে যান মালয়েশিয়ায়। দোকানের মালপত্র বিক্রি করে দেন দোকানের কর্মচারি হিরো আলমের কাছে। সেই শুরু হয় নতুন পথ চলা। হিরো আলমের ভাষায়, 'মালিক চলে যাওয়ার আগে আমাকে বলেন দোকান বিক্রি করে দিবেন। আমি মায়ের সঙ্গে আলাপ করে ১৬ হাজার টাকায় দোকানের সব মালপত্র কিনে নেই। দোকানে পেয়েছিলাম, একটা সাদাকালো টেলিভিশন, একশ' সিডি ও কিছু ভিসিআরের ক্যাসেট। সেই সিডির দোকানে ভালো আয়-রোজগার শুরু হয়। পরে আচার-চানাচুর বিক্রি বাদ দেই। স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজি। কী ছিল সেই স্বপ্ন? জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, 'মেরিনা সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখতাম। নায়ক নায়িকারা নাচতেন। আমি সেই গানগুলোতে নাচার স্বপ্ন দেখতাম। পরে টাকা-পয়সা খরচ করে একটা কমেডি গানের ভিডিওতে মডেল হন আলম। সেই গান বের হয় ভিডিও ক্যাসেটে। ভিডিওর সেই সিডি ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আলম মনে মনে বেশ খুশি, কারণ টিভিপর্দায় তাকে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গ্রামের অনেকেই খুশি হতে পারছিলেন না আলমের এইসব 'পাগলামো'তে। আলম বলেন,গ্রামের লোকজন আমাকে গালি দিতো। আমি কেন এমন জোকারগিরি করছি। কেন এমন ফালতু জিনিস বানাচ্ছি। মুরুব্বিদের অনেকে আমাকে ডেকে নিয়ে বলতেন, এইসব করে কী হবে? তার চেয়ে বরং টাকা খবচ করে হিরো হও। আমার মাথায় এটা বসে গেলো। টাকা যেহেতু খরচ করছি; হিরো হওয়ার পিছনেই করবো। এরপর স্থানীয় এক এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে এলাকায় ডিশ সংযোগের ব্যবসা শুরু করেন আলম। পাশাপাশি বানান বিভিন্ন গানের মিউজিক ভিডিও। তাতে মডেল হন নিজেই। ডিশে সেই গান প্রচার করেন। এভাবে একে একে প্রায় ছয়শ' মিউজিক ভিডিও করে ফেলেন আলম। শুধু আলম থেকে হয়ে উঠেন হিরো আলম।] এরপর ২০০৯ সালে পাশের গ্রামের সুমী নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন। সুমী এসএসসি পাস। আবির ও আলো নামে দুই সন্তান রয়েছে তাদের। সংসার আর ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েন হিরো আলম। পাশাপাশি কিছু মিউজিক ভিডিও করেন। সেগুলো নিজের ক্যাবল চ্যানেলেই প্রচার করেন। গ্রামের মানুষ এবার তাকে বাহবা দেয়। সেই বাহবা থেকে উৎসাহ পান আলম। ২০১৬ সাল। বছরটা হিরো আলমের জন্য অনেক গুরুত্বের। কারণ এ বছরের মাঝামাঝি হুট করেই ফেসবুকে আলমের কয়েকটি মিউজিক ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিও কেবল বাংলাদেশেই নয়, ভারতেও হৈচৈ ফেলে দেয়। আলমকে খুঁজে বের করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। ওই বছরে গুগলে তাকেই সবচেয়ে বেশি খোঁজে মানুষ। আলমের এই জনপ্রিয়তা নজরে আসে চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও। ঢাকার কয়েকজন উঠতি নির্মাতা তাকে নিয়ে কয়েকটি মিউজিক ভিডিও এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। আলম বলেন,প্রথম যখন মিউজিক ভিডিও বানাই তখন কেউই আমার সঙ্গে মডেল হতে চাইত না। দ্বিগুণ টাকা দিয়ে তাদের নিতাম। এখন অনেকেই আমার সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ চায়। সিনেমার পর্দায় নায়কের মারামারি দেখে একদিন অবাক হয়েছিলাম, এখন আমি নিজে নায়ক হয়ে মারামারি করি, লোকে সেটা দেখছে। এই যে এমপি হতে মনোনয়ন পেপার নিয়েছি সবাই আলোচনা-সমালোচনা করছে- এটাই আমার প্রাপ্তি। হিরো আলম আরও বলেন, 'এলাকার মানুষের ভালোবাসা আর আর্শিবাদ আমার সঙ্গে রয়েছে। আর আমার রয়েছে ইচ্ছাশক্তি। আমার বিশ্বাস মনোয়ন পেলে আমি বিজয়ী হবো। এখন আমার মনোনয়নপত্র নেওয়া নিয়ে যারা হাসছেন, তারা শুরু থেকেই আমার সব কাজে হাসছেন। আমি তো থেমে থাকিনি। থাকলে আজকে দেশ-বিদেশের মানুষ আমাকে চিনতো না।...

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা

অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।


তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে কতটা সমর্থন দেবে?

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণদের সঙ্গে বিশেষ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বসেছিলেন। বলা হচ্ছে, তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন তিনি। বাংলাদেশে কাছাকাছি সময়ে বড় যে আন্দোলনগুলো হয়েছে সেগুলো প্রায় সবই তরুণদের আন্দোলন। সবচাইতে আলোচিত কোটা আন্দোলন বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যেভাবে সামাল দেয়া হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের সাথে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। পাঁচই জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে পাঁচটি বিষয় সবচাইতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো তার অন্যতম হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইস্যুও তরুণদের আকর্ষণ করতে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয় সেবার তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলো। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তরুণদের এবার কিভাবে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন? তিনি বলছেন, আমরাতো পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোর ভেতরে এনে দিয়েছি, দিন বদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে বিচরণ করতে চায় সেখানেই তারা যেতে পারে। এই যে সুবিধাগুলো তাদেরকে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তথ্য প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি। এগুলো সবকিছু হচ্ছে তরুণদের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা বুঝতে শেখার পর গত দশ বছর আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলকে ক্ষমতায় দেখেনি। অন্য কোন দলকে যাচাই করার কোন সুযোগ তারা পায়নি। কাছাকাছি সময়ে তাদের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল কোটা সংস্কার ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন। এ দুটি আন্দোলনই একটি পর্যায়ে ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠেছিলো। দুটি আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সরকারের ভূমিকা সেসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিলো। কোটা সংস্কারের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রাখছে না বলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিলো। শেষমেশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলেও অনেক নাটক ও বিলম্বের পর। এই আন্দোলন দুটি তারা সঠিকভাবে সামাল দেননি বলে মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলছেন এর প্রভাব ভোটে হয়ত পরতে পারে। তিনি বলছেন, দুটো আন্দোলনই নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই হয়েছে। আরও সেনসিটিভভাবে এটা সামাল দেয়া যেতো। তা করা হয়নি বা করতে পারেনি সরকার। তরুণদের কিছু ইনসেনসিটিভ কিছু ঘটনার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটার কিছু প্রভাবতো পড়বে তবে তিনি মনে করছেন, বর্তমান সরকার একটা যায়গায় তরুণদের উপর অনেক নজর দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তারা করার চেষ্টা করেছে সেখানে তরুণদের মাথায় রেখে অনেক কাজ হয়েছে। সেটিও নিশ্চয়ই কোন প্রভাব ফেলবে। তবে এই মুহূর্তে তরুণদের জন্য কোন ইস্যুটা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, তারা কি চায়, তাদের কোন বিষয়টি সবচাইতে দরকার, তাদের উদ্দেশ্য করে ইশতেহারে এমন কিছু থাকে না যা তাদের আকর্ষণ করতে পারে, বলছিলেন তিনি। তরুণরা আসলে কি চায়? সেটি বোঝার জন্য অনেকের সংগে কথা বলে মনে হল চাকরী বিষয়টা এই বেশিরভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কথা হচ্ছিলো নিশিতা মিতুর সাথে। তিনি এবছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়েছেন। বাংলাদেশে এই বয়সী আরও অনেকের মতোই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি বলছিলেন তার কাছে এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা ভালো চাকরি। তিনি বলছেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে একটা সেইযে ঘোলাটে পরিবেশ, তার একটা স্বচ্ছ অবস্থান এটাই বোধহয় তরুণরা এখন সবচেয়ে বেশি ভাবছে।

আমরা বরকে কাঁদতে দেখি না, কিন্তু বধূদের কাঁদতে দেখি

এর মধ্যে দুজন বিখ্যাত মেয়ের বিয়ের ছবি দেখলাম আমরা। দীপিকা পাডুকোন আর প্রিয়াংকা চোপড়া। দুটো বিয়েতেই বর বধূ হাসছে। এই চিত্র কিন্তু আমাদের সমাজে নতুন। আমরা বরকে কাঁদতে দেখি না, কিন্তু বধূদের কাঁদতে দেখি, না কাঁদলেও বিষণ্ন মুখ দেখি বধূদের। যত শিক্ষিতা হোক, সুন্দরী হোক, বিষণ্নতা তাদের ঘিরে থাকে। ধর্ম তাদের যা-ই হোক, রাজনৈতিক বিশ্বাস তাদের যা-ই হোক, তারা বিষণ্ন। বিয়ের দিনেও মেয়েদের মন খারাপ, কারণ তারা একটি নতুন কিন্তু অনিশ্চিত জীবনের দিকে পা বাড়ায়। উপমহাদেশের বেশির ভাগ বিয়েই সম্বন্ধ করা বিয়ে। আর, পুরুষ সে যে ধর্মেরই হোক না কেন, মেয়ের পরিবারের কাছে পণ বা যৌতুক দাবি করবেই। মুসলমান বরদের যেখানে বধূদেরই দেনমোহর দেওয়ার কথা, তাদের তো বধূর কাছ থেকে পণ নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু লোভ এমনই এক ভয়ংকর জিনিস, ধর্ম বারণ করলেও তা সংবরণ করতে বেশি লোক পারে না। ধর্ম তো ঘুষ খেতেও বারণ করে, ধর্মের কারণে কজন লোক ঘুষ খাওয়া বন্ধ করেছে? আসলে, সত্যি বলতে কি, আজকাল টাকাই হয়ে উঠেছে মানুষের ঈশ্বর, টাকার পেছনে মানুষ দৌড়োয়। ছলে বলে কৌশলে মানুষের টাকা চাই। পণ যদি ঠিকঠাক সময় মতো দিতে না পারে বধূরা, তাহলে বধূদের নির্যাতন করতে, এমনকী মেরে ফেলতেও দ্বিধা করে না অনেক স্বামী আর স্বামীর স্বজন। নারীবিরোধী পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতি সমাজের এতটাই গভীরে প্রোথিত যে মানুষ হিসেবে মেয়েদের মর্যাদা পাওয়াটা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতীতে একটা নিয়ম ছিল, বাঙালি পুরুষেরা বিয়ে করতে যাওয়ার সময় মাকে বলে যেত,মা, তোমার জন্য দাসি আনতে যাচ্ছি। এখন অমন করে বলে না বটে তারা, কিন্তু দাসিই আনতে যায় তারা, যে দাসি স্বামীর বাড়িতে এসে স্বামীর তো বটেই, স্বামীর বাবা-মা, ভাই-বোন সবারই সেবা করবে। বাড়ি ঘর দেখে শুনে রাখবে, রান্না বান্না করবে, পরিবেশন করবে, ঘর দোর পয় পরিষ্কার করবে, আসবাবপত্র গুছিয়ে রাখবে। এমন চমৎকার দাসি, যে দাসিকে বেতন দিতে হয় না। বিয়ের সময় বরকে আমরা কাঁদতে তো দেখিই না, বিষণ্নও হতে দেখি না। বর পণের টাকা পাচ্ছে, বিনে পয়সার দাসি পাচ্ছে। বিনে পয়সার দাসি মানে বিনে পয়সার রাঁধুনি, বিনে পয়সার কাজের লোক, বিনে পয়সার মালি, নার্স, কেয়ারটেকার, যৌনদাসি, সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র, সবই পাচ্ছে। একের ভেতর অনেক। সুতরাং বরের আনন্দের সীমা নেই। সমাজের নিয়মগুলো মেয়েবিরোধী, তারপরও মেয়েরা এই নিয়মগুলোই মেনে নেয়, কারণ মেনে না নিলে কেউ তাদের ভালো মেয়ে বলে না। ভালো মেয়ে না হলেই সে মন্দ মেয়ে। মন্দ মেয়েদের নরক যাপন করতে হয়। নরক যাপন কে চায়? বিয়ের সময় পণ দিতে হয়, এই ভয়ে বাবা মা কন্যা সন্তান চান না। গরিবদের জন্য কন্যা সন্তান তাই অনেকটা অভিশাপের মতো। পণপ্রথা আইনত নিষিদ্ধ হলেও এখনও এই প্রথাটি এত জনপ্রিয় যে এটির আজও বিলুপ্ত হওয়ার কোনও লক্ষণ নেই। মেয়েরা কেন কাঁদে বিয়ের সময়? শুধু কি আত্মীয় স্বজন ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট? অনিশ্চিত জীবনের ভয় নেই? সংসারে বধূ হত্যা, বধূ নির্যাতন ঘটেই চলেছে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না মেয়েরা অচেনা অপরিচিত লোকের হাতে নয়, সবচেয়ে বেশি খুন হয় স্বামী বা ঘনিষ্ঠ লোকের হাতে, খুন বাইরের চেয়ে বেশি হয় ঘরে। ঘরের মতো অনিরাপদ আর কোনও জায়গা নেই মেয়েদের জন্য। যে নতুন ঘরে মেয়েটি বিয়ে হওয়ার কারণে যায় বা যেতে বাধ্য হয়, সেই ঘরটি তার জন্য আদৌ নিরাপদ হবে কি না, মেয়েটি জানে না। মেয়েটি হয়তো অনিশ্চিত জীবনটির জন্যই নিজের অজান্তেই কাঁদে। বিয়ে মেয়েদের নিরাপত্তা দেয় না। নিরাপত্তা দেয় আর্থিক স্বনির্ভরতা। পরনির্ভর মেয়েদের জীবন জড়িয়ে থাকে অনিরাপত্তায়, হীনমন্যতায়। পুরুষতন্ত্র সমাজকে শিখিয়েছে, শৈশব কৈশোরে মেয়েদের নির্ভর করতে হবে পিতার ওপর, যৌবনে স্বামীর ওপর, বৃদ্ধাকালে পুত্রের ওপর। পুরুষতন্ত্র মেয়েদের পরাধীন রাখার পক্ষপাতি। দীপিকা আর প্রিয়াংকা কেউই আর্থিকভাবে পরনির্ভর নয়। কে তাদের স্বামী হবে, তা পরিবার ঠিক করে দেয়নি, তারা নিজেরাই ঠিক করেছে। দীপিকা রনভীরের সঙ্গে কয়েক বছর মিশেছে, প্রেম করেছে, তারপর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিয়ে করার। প্রিয়াংকাও নিক জোনাসের সঙ্গে বিস্তর ঘুরে বেরিয়েছে, নিককে কাছ থেকে দেখেছে, জেনেছে, তারপর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিয়ে করার। রনভীর এবং নিক যেমন শ্বশুরবাড়িতে বাস করবে না, প্রিয়াংকা বা দীপিকাও তেমন তাদের শ্বশুরবাড়িকে নিজের ঠিকানা করবে না। তারা নিজেদের বাড়িতেই বাস করবে। তারা কোনও বধূ নির্যাতন মেনে নেবে না, তারা কোনও অসম্মান, অপমান সহ্য করবে না। স্বনির্ভর মেয়েদের আত্মসম্মানবোধ পরনির্ভর মেয়েদের চেয়ে অনেক বেশি। অবশ্য সেই স্বনির্ভর মেয়েরা সত্যিকার স্বনির্ভর নয়, যারা টাকা পয়সা রোজগার করে পুরো টাকাটা স্বামীর হাতে তুলে দেয়, কারণ স্বামীদের মতো তারাও বিশ্বাস করে টাকা পয়সা রোজগার করতে জানলেও মেয়েরা টাকা কী খাতে খরচ করতে হবে তা জানে না, বা হিসেব নিকেষ মেয়েরা ভালো বোঝে না। অধিকাংশ নারী পুরুষ দুজনেরই ধারণা টাকা জিনিসটা পুরুষের, টাকা সে যে-ই রোজগার করুক না কেন। টাকা পয়সায়, ধন দৌলতে, সম্পদে, প্রাচুর্যে তারা তাই পুরুষালি গন্ধ পায়। দীপিকা আর প্রিয়াংকা তাদের বিয়েতে প্রাণখুলে অট্টহাসি হেসেছে। তারা আনন্দ করেছে। এ ছিল তাদের আনন্দের দিন। বিয়ে মানে বাবা মা ভাই বোনকে জন্মের মতো ছেড়ে যাওয়া নয়। যে কোনও সময় দীপিকা বা প্রিয়াংকা নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারে, ঠিক যেমন রণভীর আর নিকও তাদের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে। দীপিকা বা প্রিয়াংকা কাউকে স্বামীদের দাসি হতে হবে না। যদি স্বামীরা অত্যাচার শুরু করে, নির্দ্বিধায় তারা তাদের স্বামীদের তালাক দেবে। তালাক দিলে কে তাদের ভরণপোষণ করবে, কার কাছে তারা সাহায্যের হাত পাতবে, সন্তান সন্ততি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়াতে হবে কি না, এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না। নিজের উপার্জনে নিজেই চলতে পারে স্বাবলম্বী মেয়েরা। প্রিয়াংকা আর দীপিকার মতো অঢেল টাকা দুনিয়ার অধিকাংশ মেয়ের নেই। আত্মবিশ্বাস থাকতে হলে, নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে গেলে প্রচুর টাকা থাকতে হবে, তা না হলে কিচ্ছু হবে না, এ ঠিক নয়। নিজের মতো করে সসম্মানে বাঁচতে হলে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকার দরকার হয় না। মেয়েদের কিছু জিনিসকে না বলার সময় এসেছে। বিয়ের দিন কান্নাকাটি নয়, হাসতে হবে। দীপিকা আর প্রিয়াংকার মতো প্রাণ খুলে হাসতে হবে। সম্বন্ধ করা বিয়ে, অর্থনৈতিক পরনির্ভরতা, পণপ্রথা, গার্হস্থ্য নির্যাতন, স্বামীর ধর্ষণ, পুরুষতন্ত্র, নারী বিদ্বেষ সব কিছুকে বড় সড় না বলে দিতে হবে। মেয়েদের না বলতে শেখায়নি সমাজ। মেনে নেওয়া, আপোস করা, হজম করা, সহ্য করা, এসব মেয়েদের জন্যই। পিতৃতন্ত্র মেয়েদের মগজে ঢুকিয়ে দিয়েছে, স্বামীর সুখেই স্ত্রীর সুখ। কোনও সচেতন মেয়েই এ কথা মানবে না। সচেতন মেয়েরা স্বামীর সুখকে স্বামীর সুখ বলেই ভাবে, নিজের সুখকে ভাবে নিজের সুখ বলে। নিজের পৃথক অস্তিত্বকে তারা অস্বীকার করে না। নিজের সুখের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করে না। নিজের সুখ নিজেই আহরণ করে নেয়। মেয়েরা যেন কখনও নিজের নাম বিসর্জন দিয়ে স্বামীর নাম গ্রহণ না করে। রণভীর সিং যেমন রনভীর পাডুকোন হবে না, দীপিকাও যেন দীপিকা সিং না হয়। প্রিয়াংকাও যেন রয়ে যায় প্রিয়াংকা চোপড়া হয়ে, যেমন নিক রয়ে যাবে নিক জোনাস হয়ে। মেয়েরা যেন নিজের পরিচয় বা স্বকীয়তা বিয়ের কারণে বিসর্জন না দেয়। সমাজ মেয়েদের চায় বশ্য হতে, তাই বলে মেয়েদের বশ্য হতে হবে কেন! সমাজের নারীবিরোধী নিয়মগুলো যদি এখন বিলুপ্ত না হয়, কবে হবে?তসলিমা নাসরিন

আজকের মোট পাঠক

32609

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত