মশা মারতে কামান নয়, স্যাটেলাইট দাগছে নাসা!

১৬নভেম্বর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মশার জ্বালা যে শুধু ভারত-বাংলাদেশে তা কিন্তু নয়। এবার মশার জ্বালায় অতীষ্ঠ হয়ে মশা তাড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছে নাসা। নাসার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে আমেরিকার বিভিন্ন সংস্থার ল্যাবরেটরি। সোজা কথায় বললে মশা মারতে কামান নয়, রীতিমতো স্যাটেলাইটের সাহায্য নিয়েছে নাসা। তবে এর পাশাপাশি ছোট ছোট অজস্র দলও তৈরি করেছে তারা। থাকছে এয়ার ট্র্যাপিংয়ের ব্যবস্থাও। যে ব্যবস্থা সবচেয়ে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত। স্যাটেলাইট ছাড়াও সেই দলের কাছে মজুত থাকবে ক্যামেরা, গ্রাফ, ম্যাপিংয়ের ব্যবস্থা, তথ্য যাচাই ও জমা করার জন্য নানা ধরনের চিপ। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)-র তথ্য অনুয়ায়ী, গত কয়েক দশক ধরেই মশার যন্ত্রণায় ব্যতিব্যস্ত ইংল্যান্ড-আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বিশেষ করে গরমের সময় এই মশার উৎপাত বাড়ছে। ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোসহ আমেরিকার বেশ কিছু বড় শহর মশার জ্বালায় নাজেহাল। গত কয়েক দশক ধরেই মশার অত্যাচার ক্রমেই বাড়ছে আমেরিকা জুড়ে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, স্যাটেলাইটটি লক্ষ্য রাখবে কোথায় মশা জন্মানোর পরিবেশ-পরিস্থিতি রয়েছে। তারা মশার ডিম পাড়ার খবর, লার্ভা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা, মশার শরীরে কতটা জীবাণু, আদৌ কোনও রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা তাদের আছে কি না এই পুরো বিষয়টাই খতিয়ে দেখবে। তৈরি করবে জায়গাটির মানচিত্র, তুলে রাখবে ছবিও। এসব তথ্য জমা হবে নাসার ওয়েবসাইটে। এখান থেকে তথ্য নিয়ে চলবে দমন প্রক্রিয়া। সূত্র: আনন্দবাজার ...

মিসরে বিমানবন্দরে ১৯৬ যাত্রী নিয়ে প্লেনে অগ্নিকাণ্ড

১৪ নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিসরের শারম আল শেখ বিমানবন্দরে ১৯৬ যাত্রী নিয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে তেমন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। অবতরণের পর দাঁড়িয়ে থাকা বিমানে আগুন লাগায় তা দ্রুতে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। বুধবার (১৩ নভেম্বর) ইউক্রেন থেকে মিসরের শারম আল শেখ বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণের সময় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে খবর দিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল। খবরে বলা হয়েছে, যাত্রীবাহী বিমানটি ছিল মিসরের। সেটি নাটকীয়ভাবে অবতরণের পর অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়। ইউক্রেন থেকে স্কাইআপ এয়ারলাইন্সের বোয়িং৭৩৭-৮০০ বিমানটি সমুদ্র তীরবর্তী ওই বিমানবন্দরে অবতরণের সময় আগুন ধরে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গেই আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে পড়ে। অবতরণের সময় বিমানটির হাইড্রোলিক ফ্লুইড লিকেজ হয়। ফলে বিমানটির হট ব্রেকে সেই ফ্লুইড ছড়িয়ে পড়ায় দ্রুত আগুন ধরে যায়। মিসরের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, বিমানের এই আগুন বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারতো। কর্মীরা পেশাদারিত্ব দেখিয়ে আগুন নিভিয়ে না ফেললে বিমানবন্দরের অন্যান্য বিমানেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা ছিল।...

সৌদি আরবে বিদেশিদেরকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমোদন দেয়া শুরু

১২নভেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরবের প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি সেন্টার (এসএপিআরসি) সোমবার ঘোষণা করেছে, আবেদনকারীদের প্রথম ব্যাচটিকে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি অনুমোদন দেয়া শুরু হয়েছে। খবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম খালিজ টাইমস। সেন্টারটি এদিন এক বিবৃতিতে জানায়, প্রিমিয়াম রেসিডেন্সির জন্য আবেদনকারীদের মধ্যে ৭৩ জনের প্রথম ব্যাচটিকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বিশ্বের ১৯টি দেশের এই ৭৩ নাগরিকের কেউ ইতোমধ্যে সৌদি আরবে এবং কেউ দেশটির বাইরে অবস্থান করছে। বিনিয়োগকারী, চিকিৎসক, প্রকৌশলীসহ নানা পেশার যেসব বিদেশি পরিবারসহ সৌদি আরবে থাকতে চায়, তাদেরকে প্রতিনিধিত্ব করবেন এই ৭৩ জন। সেন্টারটি জানায়, গত কয়েক মাসে এটির অনলাইন পোর্টালে সৌদি আরবে বা দেশটির বাইরে থাকা কয়েক হাজার মানুষ আবেদন করেছে। এসএপিআরসির সিইও (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা) বানদার আল আয়িদ বলেন, সৌদি আরব প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বাগত জানাচ্ছে। সৌদি আরবে বা দেশটির বাইরে অবস্থানকারীরা প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো মেনে অনলাইনে প্রিমিয়াম রেসিডেন্সির জন্য আবেদন করতে পারবে। তিনি বলেন, বিনিয়োগ বা বসবাসের জন্য আমাদের দেশ এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যগুলোর একটি। কৌশলগত অবস্থান, সমৃদ্ধ ইতিহাস ও বৈচিত্র্য, উন্নত অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাসহ এই দেশে অনেক সুযোগ-সুবিধা আছে। প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি পাওয়া ব্যক্তিরা দেশটির বেসরকারি খাতগুলো কাজ করতে পারবে। তারা এক পেশা থেকে আরেক পেশায় যেতে পারবে। এছাড়া তারা সেলফ-ইস্যু এক্সিট ও এন্ট্রি ভিসা এবং আত্মীয়দের জন্য ভিজিট ভিসা পাবেন।...

রোহিঙ্গা গণহত্যা: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা

১১নভেম্বর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ওআইসিভুক্ত দেশ গাম্বিয়া। সোমবার (১১ নভেম্বর) নেদারল্যান্ডসের দি হেগের দি ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে দেশটি। যুক্তরাজ্যের দৈনিক গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গাম্বিয়া তাদের ৪৬ পৃষ্ঠার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ এবং তাদের আবাস ধ্বংসের কথা বলেছে। ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্ট রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে মুখে মিয়ানমার ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ পালিয়ে আসে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা। তাদের কথায় উঠে আসে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ, যাকে জাতিগত নির্মূল অভিযান বলে জাতিসংঘ। রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতেও (আইসিসি) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নালিশ গেছে। তার মধ্যেই জাতিসংঘের আদালতে মামলা করল আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যদি আইসিজে মামলাটি বিচারের জন্য গ্রহণ করে, তবে এটাই হবে গণহত্যার নিজস্ব তদন্তে আইসিজের প্রথম উদ্যোগ। এর আগে তদন্তের ক্ষেত্রে তারা অন্য সংস্থার ওপর নির্ভর করত। আইসিজের বিধি অনুসারে, জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত এক দেশ অন্য দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ তুলতে পারে। এইচআরডব্লিউর পরিচালক পরম-প্রিত সিং এক বিবৃতিতে বলেন, গাম্বিয়ার এই আইনি পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হল। এখন আদালত রোহিঙ্গাদের নিপীড়নের হাত থেকে বাঁচাতে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নিতে পারে। ১৯৯৩ সালে বসনিয়ায় গণহত্যার বিচারের শুরুতে আইসিজে সার্বিয়ার বিষয়ে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নিয়েছিল। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে গাম্বিয়ার পদক্ষেপে সহায়তা দিতে অন্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নো পিস উইদাউট জাস্টিসর পরিচালক অ্যালিমস স্মিথ, যে সংগঠনটিও একাজে এইচআরডব্লিউর মতো সহায়তা দিচ্ছে। ...

বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের মতবিনিময় সভা সম্পন

১৭নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা গতকাল ১৭ নভেম্বর বিকাল ৪ টায় এসোসিয়েশনের সভাপতি চসিক প্যানেল মেয়র প্রফেসর ড. নিছার উদ্দিন মঞ্জুর সভাপতিত্বে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কাস্টামস্ এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেটর যুগ্ম কমিশনার মোঃ তাফসির উদ্দিন ভূইয়া। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক নাজির আহমেদ রাজু, সহ-সভাপতি মোঃ কামাল উদ্দিন, মোঃ সেলিম উদ্দিন, মোঃ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী সহ আরও অনেকে। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেক ব্যবসায়ী ও নাগরিককে ভ্যাট প্রদান করা নাগরিক দায়িত্ব, কেননা রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে সরকারের যাবতীয় কর্মকা- পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নে রাজস্ব বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। তিনি এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দদের ভ্যাট সংক্রান্ত আইন ও বিধি বিধানসহ নানান বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। ...

ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই আমির হোসেন নির্বাচিত

১৭নভেম্বর,রবিবার,জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আমির হোসেন। গত(১৪/১১/১৯) বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনে মাসিক কল্যাণ সভায় মোঃ আমির হোসেনকে সম্মাননা ও স্বারক ক্রেষ্ট প্রদাণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিলু মিয়া বিশ্বাস (বর্তমানে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস (সদর সার্কেল) সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহাসড়কে অবৈধ যানবহন, থ্রি হুইলার, পিকআপ, ট্রাক,আলমসাধু, নছিমন, করিমন, অবৈধ বিভিন্ন গাড়ি আটক, মটর সাইকেল এ হেলমেট বিহীন চলা সহ.বিভিন্ন যান এ মামলা ও নানাবিধ কাজে সফলতা অর্জন করায় ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিষয় টিএসআই আমির হোসন বলেন আমাদের সুযোগ্য পুলিশ সুপার স্যার এর সঠিক দিক নির্দেশনায়, আমি চেষ্টা করেছি ভালো কাজ করার জন্য।তিনি আরো বলেন এই সম্মাননা আমার কাজের গতি আরো বাড়িয়ে দেবে। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে মহাসড়কে অবৈধ যানবহন, থ্রি হুইলার, পিকআপ, ট্রাক,আলমসাধু, নছিমন, করিমন, অবৈধ বিভিন্ন গাড়ি আটক, মটর সাইকেল এ হেলমেট বিহীন চলা সহ.বিভিন্ন যান এ মামলা ও নানাবিধ কাজে সফলতা অর্জন করায় মুস্তাফিজ সাদ্দাম শাহরিয়ার জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছিলেন। ...

রাতে বিধবার ঘরে ব্যবসায়ী,আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরা

১৬নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:গভীর রাতে এক বিধবার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছে এক ব্যবসায়ী। দুজনকে সারা রাত গাছের সাথে বেঁধে রেখে সকালে গ্রামবাসীকে জড়ো করে ১০ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত ২টার দিকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের খালিয়া গ্রামে। বিষয়টি টক অব দ্যা ইউপিতে পরিণত হয়েছে। এলাকার লোকজন বলেন, উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের শোলাবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা ও নারুয়া বাজারের গুড় ব্যবসায়ী মোঃ মইজুদ্দিন (৫৫) পাশের খালিয়া গ্রামের মৃত জনাব আলী ফকিরের স্ত্রী ৪ সন্তানের জননী আলেয়া বেগম (৫০) সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া করে আসছিল।নয়াদিগন্ত । এলাকার লোকজন এনিয়ে নানা ধরনের কথাবার্তা বললেও মইজুদ্দিন তা সত্ত্বেও ওই বাড়ীতে যাতায়াত অব্যাহত রাখে। শুক্রবার রাত ২টার দিকে মইজুদ্দিন ওই বিধবার ঘরে ঢুকে অসামাজিক কার্যকলাপ করা অবস্থায় গ্রামবাসী তাকে হাতে নাতে আটক করে। পরে দুজনকে গাছের সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। শনিবার সকালে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে দুজনই বিয়েতে সম্মতি দেওয়ায় স্থানীয় মসজিদের ইমাম ওমর আলী ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে পড়ান। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় টক অব দ্যা ইউপিতে পরিণত হয়েছে। নারুয়া বাজারের ব্যবসায়ী, চায়ের দোকানসহ সর্বত্র মইজুদ্দিনের রসালো প্রেম কাহিনীর গল্পে মেতেছেন।...

বন্ধুর বৌভাতে পেঁয়াজ উপহার!

১৬নভেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বন্ধুর বিয়েতে পেঁয়াজ উপহার দিয়ে রেকর্ড গড়লেন এক যুবক। এক কেজি পেঁয়াজের দাম এখন ২৩০-২৫০ টাকা। এই অবস্থায় পেঁয়াজের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে মানুষের ক্ষোভ যখন চরমে, ঠিক সে সময়েই পেঁয়াজ নিয়ে চলছে নির্মম রসিকতা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বন্ধুর বৌভাতে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে পেঁয়াজ। কুমিল্লার সদর উপজেলার কালখাড়পাড় এলাকায় রিপন মিয়ার বাড়িতে ঘটেছে ব্যতিক্রমী এ ঘটনা। ঘটনাটি নিয়ে অনুষ্ঠানে আসা অতিথিদের মাঝে বেশ হাস্যরস তৈরি হয়। এদিকে এমন উপহার দেওয়ায় ওই এলাকায় ঘটনাটি রীতিমতো সাড়া ফেলেছে। জানা গেছে, গত শনিবার বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারী ও কালখাড়পাড় এলাকার হাজী আবদুর রহিমের ছেলে ইমদাদুল হক রিপনের বিয়ে হয়। শুক্রবার তার বাড়িতে বৌ-ভাতের আয়োজন করা হয়। এদিন দুপুরে রিপনের তিন বন্ধু সহিদ, শিপন ও শাহজাহান পাঁচ কেজি পেঁয়াজ বাজার থেকে ১ হাজার টাকায় কেনেন। এরপর সেই পেঁয়াজ রেপিং করে বন্ধুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান। উপহার হিসেবে রেপিং করা পেঁয়াজের বাক্স দেন তারা। বিশেষ প্রক্রিয়ায় করা ওই বক্সের বাইরে থেকে পেঁয়াজ দেখার ব্যবস্থাও ছিল। তাই বিয়ে বাড়িতে যারাই এসেছিলেন তাদের সবার দৃষ্টি ছিল ওই বাক্সের দিকে। কেউ কেউ দিনভর মোবাইলে ব্যতিক্রমী ওই পেঁয়াজের বাক্সের ছবিও তুলে নেন। দিন গড়িয়ে বিকেলে অনুষ্ঠান যখন শেষ হয় তখন বাক্স খোলার পালা। সবাই জানতো ভেতরে পেঁয়াজ, তবুও বিয়ে বাড়ির কারও আগ্রহের কমতি ছিল না ওই বাক্স নিয়ে। বাক্স খোলার পর অনেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন ভিডিও ও ছবি তুলতে। পেঁয়াজ উপহার পেয়ে বর ইমদাদুল হক রিপন বলেন,বিয়ের অনুষ্ঠানে আমার নিকট এ পুরস্কার আমরণ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমার বিয়েতে যত পুরস্কার পেয়েছি সব চেয়ে মূল্যবান মনে করবো এই পেঁয়াজের উপহারকে। কারণ পুরো বাংলাদেশ এখন পেঁয়াজের গরমে অস্থির। শুরু হয়েছে পেঁয়াজ রাজনীতি। হয়তো আমার বন্ধুদের এ পেঁয়াজ উপহার একটি নীরব প্রতিবাদও হতে পারে। বৌভাতে মূল্যবান ও ব্যতিক্রমী উপহার পেঁয়াজ দেওয়ার জন্য বন্ধুদের ধন্যবাদও জানান বর রিপন। উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অস্থির হয়ে ওঠে পেঁয়াজের বাজার। ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে ভারত। বাংলাদেশ আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের ওপরই নির্ভরশীল। ফলে দেশের বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়তে থাকে। গত বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও গতকাল শুক্রবার ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়। ভারতীয় পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত এ দাম বাড়তে থাকবে বলে জানান পাইকারি ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে মিয়ানমার ও মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা কেজি। রাজধানীর কারওয়ানবাজার, হাতিরপুল বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।- আলোকিত বাংলাদেশ ...

এবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, পুড়ে গেছে ৪ বগি

১৪নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহতের ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জে। জেলার উল্লাপাড়ায় রংপুর এক্সপ্রেসের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ৫টি বগিতে আগুন লেগেছে, এর মধ্যে পুড়ে গেছে ৪টি বগি। ইঞ্জিনও পুড়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া না গেলেও বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে লালমনিরহাটগামী রংপুর এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় উল্লাপাড়া রেলস্টেশনে ঢোকার মুখে বগি লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটে। ট্রেনটি দুই নম্বর লাইন দিয়ে স্টেশনে ঢোকার কথা ছিল। কিন্তু স্টেশনমাস্টার এক নম্বর লাইনে সিগন্যাল দিয়ে দেন। এতে দুর্ঘটনায় পড়ে ট্রেনটি। মুহূর্তেই ইঞ্জিনসহ ৫টি বগিতে আগুন ধরে যায়। কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় পুরো এলাকা। যাত্রীরা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন। পরে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বেলা ২টা ৩০ মিনিটে এ প্রতিবেদন লেখার সময় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছিল। এ ঘটনায় ৪০০ থেকে ৫০০ গজ রেললাইন উপড়ে গেছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ। উত্তরবঙ্গের সড়ক যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে। এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী। সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কসবার মন্দবাগ নামক স্থানে তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। ...

দেশে যানজটের কারণে রপ্তানি মূল্য বাড়ছে: বিশ্বব্যাংক

১৪ নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়কে যানজটের কারণে পণ্য রপ্তানির মূল্য বাড়ছে। এজন্য রপ্তানি প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় মসৃণ পরিবহন অবকাঠামো তৈরিতে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। বললেন বিশ্ব ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি মার্সি টেম্বন। আজ বুধবার বিশ্ব ব্যাংকের মুভিং ফরওয়ার্ড: কানেক্টিভিটি অ্যান্ড লজিস্টিকস টু সাসটেইন বাংলাদেশ জ সাকসেস শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, যানজটমুক্ত সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার পাশাপাশি সাশ্রয়ী যোগাযোগ মাধ্যম রেল ও জলপথের অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে রপ্তানি সক্ষমতাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো উচিত। অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন বিশ্ব ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ম্যাটিয়াস হেরেরা ড্যাপে, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান। মার্সি টেম্বন আরও বলেন, আন্তর্জাতিক রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। এই প্রতিযোগিতায় যে দেশ যত বেশি কম দামে পণ্য দিতে পারছে, সে দেশ রপ্তানি বাজারে ততই এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে পণ্য পরিবহণে লজিস্টিক সহায়তা বাড়িয়ে বিশেষ করে যানজট কমানোর মাধ্যমে পণ্য পরিবহণ ব্যয় কমিয়ে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। টেম্বন বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগী দেশগুলো রপ্তানি পণ্য পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন করে এগিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো মসৃণ সংযোগ অবকাঠামোতে তৈরিতে পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ খাতের যানজট রপ্তানি পণ্য গন্তব্যে পৌঁছানোর খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারের প্রায় ৭ শতাংশ পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ। বর্তমান অবস্থায়ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১০ শতাংশ রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ আছে। এছাড়াও বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাড়ানোর ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমদানিকারকরা কম দামে পণ্য চায়। যে দেশ কম দামে পণ্য দিতে পারে তারা সেই দেশ থেকেই পণ্য কেনে। রপ্তানি বাড়িয়ে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের দিকে এগিয়ে যেতে বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, কম খরচের পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো।...

বুলবুলে ২৬৩ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি

১২নভেম্বর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ৭২ হাজার ২১২ টন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ২৬৩ কোটি পাঁচ লাখ টাকা। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এ তথ্য জানিয়েছেন। গত রোববার ভোররাতে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৬টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। জেলাগুলো হচ্ছে- খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, নড়াইল, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, নোয়াখালী, ফেনী এবং লক্ষ্মীপুর। ঝড়ের পরপরই ফসলের ক্ষক্ষতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া না গেলেও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ১৬ জেলার দুই লাখ ৮৯ হাজার হেক্টর জমির ফসল আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছিল, যার মধ্যে রোপা আমন, খেসারি ও পানের বরজসহ রবি শস্য ও শীতকালীন সবজি রয়েছে । সংবাদ সম্মেলনে একই তথ্য দেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। ১৬ জেলার ১০৩ উপজেলায় ঝড়ের প্রভাব পড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক আক্রান্ত ফসলি জমির পরিমাণ দুই লাখ ৮৯ হাজার ছয় হেক্টর (মোট আবাদকৃত জমির ১৪%) এবং ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২২ হাজার ৮৩৬ হেক্টর (মোট আক্রান্ত জমির ৮%)। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ৫০ হাজার ৫০৩ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন,আক্রান্ত ফসলগুলো হচ্ছে রোপা আমন, শীতকালীন সব্জি, সরিষা, খেসারি, মসুর ও পান। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের পরিমাণ ৭২ হাজার ২১২ টন। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমির মধ্যে রোপা আমনের দুই লাখ ৩৩ হাজার ৫৭৮ হেক্টর, সরিষার এক হাজার ৪৭৬ হেক্টর, শীতকালীন সবজির ১৬ হাজার ৮৮৪ হেক্টর, খেসারির ৩১ হাজার ৮৮ হেক্টর, মসুরের ১৯৫ হেক্টর, পানের দুই হাজার ৬৬৩ হেক্টর এবং অন্যান্য তিন হাজার ১২৬ হেক্টর জমি রয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। ধানে কি পরিমাণ ক্ষতি হবে জানতে চাইলে কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান বলেন,অনুমান করছি ৪৭ কোটি টাকা রোপা আমনে এবং৭৯ কোটি টাকা সবজিতে ক্ষতি হবে। ঘূর্ণিঝড়ে ফসলের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাতে বাজারে তেমন প্রভাব পড়বে না জানিয়ে মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত বোরো ও আমন মৌসুমে অতিরিক্ত উৎপাদন হয়েছিল। এবার আমন মাঠে যে ফসল আছে, ধান কাটা কেবল শুরু হয়েছে। আমার আশা করছি খুব ভালো ফলন হবে। এছাড়া এবার ধানে চিটা কম হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়ার পর দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষি পুনর্বাসন শুরু হবে বলেও জানান মন্ত্রী। আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণ এবং কবে নাগাদ তা দেওয়া হতে পারে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সরিষা পুনর্বাসন করা যাবে, বিএডিসির কাছে বীজ আছে, সরিষা বা খেসারি তারা আবার করতে পারবে। দক্ষিণাঞ্চলে শীতকালীন সবজিও খুব কম হয়। চুলচেরা হিসাব করার পর জানানো যাবে কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। এবার ঘূর্ণিঝড়ে দুর্বল হয়ে যাওয়ায় যেমনটা আশঙ্কা করা হয়েছিল, তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতি আরও বেশি হতে পারত, কৃষিতে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য আমরা তৎপর রয়েছি।...

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ

১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:২০২০ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবারও লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। সম্প্রতি ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২০’ প্রণয়ন করে প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এই নীতিমালায় ৪০ শতাংশ কোটা থাকছে। ভর্তি পরিচালনার জন্য করা হয়েছে বিভিন্ন কমিটি। ভর্তিপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সব প্রতিষ্ঠান থেকে কোন শ্রেণিতে কতটি আসন শূন্য রয়েছে তার তালিকা সংগ্রহ করবে। ভর্তির পর কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের আগে পাঠানো আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করছে কিনা তা যাচাই করবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ভর্তির কার্যক্রম শুরুর আগে পাঠানো শূন্য আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করে তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১ম থেকে ৯ম শ্রেণি ভর্তি: প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমান সংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। যমজ সন্তানের একজন আগে থেকে অধ্যায়নরত থাকলে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। দ্বিতীয়-অষ্টম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের প্রস্তুত করা মেধাক্রম অনুসারে নিজ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পর অবশিষ্ট শূন্য আসনে অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নির্ধারিত ভর্তি কমিটি বাছাই করতে হবে। গ্রুপ গঠন করবে প্রতিষ্ঠান। ভর্তি ফরম: ভর্তির ফরম বিদ্যালয়ের অফিসে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ডিসি অফিস, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এবার ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৭০ টাকা। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত থেকে বেশি হবে না। ভর্তি পরীক্ষার সময় ও মান বণ্টন: দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান-৫০, এরমধ্যে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-২০ নম্বর। ভর্তি পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। চতুর্থ-অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমাণ-১০০। এরমধ্যে বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০, গণিত-৪০ এবং ভর্তিপরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা। কোটা সংরক্ষণ: ঢাকা মহানগরীতে সরকারি বিদ্যালয় এলাকায় ওই এলাকার ৪০ শতাংশ কোটা রেখে অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট আসনের ১০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা সন্তানদের ছেলে-মেয়ের জন্য ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ২ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোর অবস্থান, শিক্ষার্থীদের সুবিধা/অসুবিধা বিবেচনা করে পরীক্ষা কমিটি বিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন ক্লাস্টারে বিভক্ত করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা আবেদন ফরমে পছন্দক্রম উল্লেখ করে দেবে।সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলের পাশাপাশি এবারই প্রথম বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির কারণে তাদের সন্তানদের সুযোগ রাখা হয়েছে। বদলিজনিত কারণে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা হবে ছয় মাস। তবে শূন্য আসনের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে না। অতিরিক্ত ভর্তি করাতে হলে মন্ত্রণালয় থেকে আগে থেকেই অনুমতি নিতে হবে। একইসঙ্গে মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উপজেলা সদরেও কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে নিয়ন্ত্রণ বর্হিভূত কোনো কারণে অনলাইনে না করা গেলে কেবল উপজেলার ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি ভর্তি করা যাবে।...

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা শুরু

১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আজ থেকে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। সারাদেশে মোট সাত হাজার ৪৭০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি মিলে এবার পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ২৯ লাখ ৩ হাজার ৬৩৮ জন। আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। পরীক্ষা শেষ হবে ২৪শে নভেম্বর। এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন ছাত্রছাত্রী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১১ লাখ ৮১ হাজার ৩০০ জন ও ছাত্রী ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৬৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় তিন লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৮৭ হাজার ৮২ এবং ছাত্রী সংখ্যা এক লাখ ৬৩ হাজার ২৮৯ জন। এছাড়া দেশের বাইরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬১৫ জন। প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুই লাখ ২৩ হাজার ৬১৫ জন। সমাপনীতে ছয়টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ হাজার ৩৪৭ জন এবং ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২৩৬ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। সমাপনী পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার সঙ্গে শেষ করতে ইতিমধ্যে সব কর্মকা- সম্পন্ন করা হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তার সঙ্গে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ ও বিতরণ কাজ শেষ হয়েছে। দেশের দুর্গম এলাকার ১৮৪টি কেন্দ্রে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষা উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সমাপনী পরীক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা যাবে। মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর ০২-৯৫৭৭২৫৭ ও ই-মেইল- mopmesch2@gmail.com; অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোনে নম্বর ০২-৫৫০৭৪৯১৭, ০১৭১১৩৪৪৫৩২, ০১৭১২১০৬৩৬৯, ই-মেইল-ddestabdpe@gmail.com. পরীক্ষার সূচি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার আওতাধীন আগামী ১৭ই নভেম্বর ইংরেজি, ১৮ই নভেম্বর বাংলা, ১৯শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২০শে নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২১শে নভেম্বর ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং ২৪শে নভেম্বর গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ১৭ই নভেম্বর ইংরেজি, ১৮ই নভেম্বর বাংলা, ১৯শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২০শে নভেম্বর আরবি, ২১শে নভেম্বর কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং ২৪শে নভেম্বর গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।...

ঢাকা প্লাটুনে মাশরাফি

১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপের পর থেকে ক্রিকেটের বাইরে মাশরাফি মুর্তজা। ওয়ানডে অধিনায়ককে মাঠে দেখার অপেক্ষা হয়তো আরও বাড়ছে। নতুন আঙ্গিকে ডিসেম্বরে হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফটের প্রথম দফায় অবিক্রীত তিনি। তবে ষষ্ঠ রাউন্ডে এসে তাকে দলে ভেরায় ঢাকা প্লাটুন। রবিবার হোটেল RADISSONনে সন্ধ্যা ৬টায় এবারের বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট শুরু হয়েছে। যেখানে প্রথম দফায় দুইবারের ডাকে মাশরাফিকে নেয়নি কোনও দলই। এ প্লাসক্যাটাগরিতে মুশফিকুর রহীম, তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। নির্ধারিত সময়ের প্রায় পঞ্চাশ মিনিট পর শুরু হওয়া বিপিএল প্লোয়ার্স ড্রাফটের প্রথম সেট শেষে দুইজন করে স্থানীয় খেলোয়াড় দলভুক্ত করার সুযোগ পেয়েছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। যেখানে সি গ্রেড থেকেও খেলোয়াড় দলে নেয়া হয়েছে। একে একে নিজেদের প্রথম ডাকে যথাক্রমে ঢাকা প্লাটুন তামিম ইকবাল, রাজশাহী রয়্যালস লিটন কুমার দাস, চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, রংপুর রেঞ্জার্স মোস্তাফিজুর রহমান, কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স সৌম্য সরকার এবং সিলেট থান্ডার্স নিয়েছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে। ধারণা করা হয়েছিল, হয়তো প্রথম সেটের দ্বিতীয় ডাকে মাশরাফিকে নেবে কোনো দল; কিন্তু এবার প্রথমে খেলোয়াড় নেয়ার সুযোগ পাওয়া সিলেট দলে নেয় মোহাম্মদ মিঠুনকে। এছাড়া কুমিল্লায় আল আমিন, রংপুরে নাইম শেখ, চট্টগ্রামে ইমরুল কায়েস, রাজশাহীতে আফিফ হোসেন ধ্রুব, ঢাকায় এনামুল হক বিজয় এবং খুলনায় সুযোগ পেয়েছেন শফিউল ইসলাম। আগামী ১১ ডিসেম্বর বিপিএল শুরুর তিন দিন আগে ৮ ডিসেম্বর টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এবার বিশেষ বিপিএল হতে যাচ্ছে। এবার কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি নেই। বিপিএলের আয়োজন ও দল ব্যবস্থাপনা সবই করবে বিসিবি। খুলনা টাইগার্স : মুশফিকুর রহীম (এ +) শফিউল ইসলাম (বি) ঢাকা প্লাটুন : তামিম ইকবাল (এ +) এনামুল হক বিজয় (বি) রাজশাহী রয়েলস : লিটন দাস (এ) আফিফ হোসেন ধ্রুব (বি) চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স : মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (এ +) ইমরুল কায়েস (এ) রংপুর রেঞ্জার্স : মোস্তাফিজুর রহমান (এ) নাঈম শেখ (সি) কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স : সৌম্য সরকার (এ) আল আমিন হোসেন (সি) সিলেট থান্ডার্স : মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (এ), মোহাম্মদ মিঠুন (এ)...

মিডিয়া ক্রিকেটের উদ্বোধনীতে মাশরাফি

১৬নভেম্বর,শনিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্রিকেটের বাইরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ওয়ানডে ক্রিকেটের অধিনায়ক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তুজা। চলমান সংসদ অধিবেশন আর নড়াইলে নির্বাচনী এলাকায় বেশি ব্যস্ত তিনি। যে কারণে ক্রিকেটাঙ্গণে সাড়াশব্দ নেই তার। অবশেষে শনিবার মাশরাফির দেখা মিলেছিলো মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে। সেটাও খুব অল্প সময়ের জন্য। প্রাণ-ডিআরইউ মিডিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজনে এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ সভাপতি ইলিয়াস হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব কর্পোরেট ব্র্যান্ড নূরুল আফসার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার কে এম জিয়াউল হক। এবারের আসরে ৪৮টি মিডিয়া হাউজ অংশ নিচ্ছে। নকআউট পদ্ধতিতে ৪৮ দল ৮টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে। প্রতি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হবে। উদ্বোধনী দিনের খেলায় জয় পেয়েছে ডেইলি স্টার, যুগান্তর, বাংলানিউজ ২৪, ইত্তেফাক, ৭১ টিভি, সময় টিভি, বাংলাভিশন এবং এটিএন বাংলা।...

সাংবাদিক ভাইদের উদ্দেশে অতন্ত কষ্টের সঙ্গে একটি কথা বলতে চাই: তাহসান

১৬নভেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিক ভাইদের উদ্দেশে অতন্ত কষ্টের সঙ্গে একটি কথা বলতে চাই, বিগত এক বছরে আমাকে নিয়ে যত নিউজ হয়েছে তার চেয়ে অনেক কম নিউজ হয়েছে আমার গান নিয়ে। আমার গান নিয়ে যতটা কম নিউজ হয়েছে তা আমার ও আমার ইন্ডাস্ট্রির শিল্পীদের জন্য অনেক কষ্টের।সাংবাদিকদের উদ্দেশে এমনভাবেই নিজের আক্ষেপ প্রকাশ করলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে আনমনে শিরোনামের একটি গানের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ গানের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে তাহসান বলেন, আগে গান রিলিজ হওয়ার পর গানের বিশ্লেষণ হতো। এখন সেটা হয় না। এখন গান রিলিজ হওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়। আমার যেসব নিউজ এখন হয় সেগুলোর চেয়ে আমার কাজের নিউজ বেশি হলে সেটা আমার ক্যারিয়ারের জন্য কাজে লাগতো। আমি সাংবাদিক ভাইদের কাছে সেই প্রেরণা প্রত্যাশা করি। এ গায়ক আরও বলেন, আমার কাজ গান করা। আমি সেটার সর্বোচ্চটা দেয়ার চেষ্টা করব। আমি আশা করব আপনারা গানের কথাগুলোই বেশি লিখবেন। এতে আমাদের অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হবে। আনমনে শিরোনামের গানটিতে মালার সঙ্গে দ্বৈতভাবে কণ্ঠ দিয়েছেন তাহসান। স্বনামধন্য চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিলভার স্ক্রিনের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল সিলভার স্ক্রিন-এ প্রকাশ করা হয় গানটি। ...

চুম্বনে আপত্তি তামান্নার

১৪নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তামান্না ভাটিয়াকে নতুন করে পরিচয় করানোর কিছু নেই। ভারতীয় এই অভিনেত্রী কর্ম গুণে জয় করেছেন লাখো ভক্তের হৃদয়। বাহুবলীর মতো ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র তার ঝুলিতে রয়েছে। ২০০৫ সালে চাঁদ সা রোশন চেহরা চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক হয় তার। ক্যারিয়ারে দীর্ঘ ১৪ বছর কেটে গেছে। এখনও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় নায়িকা। অভিনয় জগতে পা রাখার সময় তামান্না ভাটিয়া কিছু শর্ত দিয়েছিলেন। আর অন্যতম একটি হলো অনস্ক্রিনে কাউকে চুম্বন করবেন না। বলিউড হোক কিংবা অন্য কোনও সিনেমা, কোথাও কোনও দৃশ্যেই চুমু দেবেন না কাউকে। সম্প্রতি একই কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। তামান্না ভাটিয়া জানালেন, যে শর্ত দিয়ে তিনি চলচ্চিত্রে এসেছেন, ১৪ বছর পার হওয়ার পরও সেই শর্ত অটুট আছে তার। সম্প্রতি সায়ে রা নরশিমা রেড্ডি-তে অভিনয় করেছেন তামান্না। এতে চিরঞ্জিবী, অমিতাভ বচ্চনের মতো অভিনেতার সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগি করেছেন তিনি। ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

বাংলাদেশের স্বাধিকার সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাস

১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জন্মস্থান টাঙ্গাইলের সন্তোষে সমাধিস্থ করা হয়।তার জন্ম ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও ভাসানী জীবনের বড় অংশ কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। কৈশোর-যৌবন থেকেই জড়িত ছিলেন রাজনীতির সঙ্গে। দীর্ঘদিন তিনি তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন।দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির জন্য সারা জীবন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন তিনি। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশের স্বাধিকার-স্বাধীনতাসহ যে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি রেখেছিলেন অগ্রণী ভূমিকা। এ কারণে পরিচিতি পান মজলুম জননেতা হিসেবে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মজলুম জননেতা ভাসানীকে নানা আয়োজনে স্মরণ করা হবে আজ।...

সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতা ছাড়া পৃথিবী চলবে কী করে?

১২নভেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণমাধ্যম সমাজের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। গণমাধ্যম হচ্ছে সংগৃহীত সকল ধরনের মাধ্যম,যা গণযোগাযোগ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। একদিন- ইজ জার্নালিজম ডায়িং বাক্যটা গুগলে লিখে সার্চ দিয়ে ফলাফলের দিকে তাকালাম। সেকেন্ড না পেরোতেই চোখের সামনে প্রদর্শিত হতে শুরু করল ২ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি লিংক। প্রদর্শিত সকল ফলাফলের দিকে তাকালেই বুঝা যায়,সাংবাদিকতার অস্তিত্বেও সংকট কী ব্যাপক আলোচনায় সম্মুখীন হচ্ছে। অর্থ্যাৎ জনমনে প্রশ্ন জেগেছে,পেশা হিসেবে কি সাংবাদিকতার মৃত্যু ঘটতে চলেছে? কিন্তু কেন এই অলুক্ষনে প্রশ্ন? সাংবাদিকতার কি মৃত্যু হতে পারে? তাহলে গণতন্তের কী হবে? রাষ্ট্রশাসনে,ক্ষমতার ব্যবহারে,আইন প্রয়োগে জনগনের করের অর্থ ব্যায়ের ক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহির কী হবে? রাজনৈতিক অধিকার,মানবিক অধিকার,মতপ্রকাশের অধিকার,তথ্য জানার অধিকার এসবের কী হবে? মোদ্দা কথা,সাংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতা ছাড়া পৃথিবী চলবে কি করে? সাংবাদিকতার ব্যাপক আলোচনার সঙ্গে এই সব প্রশ্নসহ অজড়ও প্রশ্ন অত্যন্ত নিবিড়ভাবে জড়িত। তাই খতিয়ে দেখা দরকার কেন ও কী পরিস্থিতে এই প্রশ্ন উঠেছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির অভূতপূর্ব প্রসারের ফলে তথ্য,খবর ও মতামত বিনিময় এখন আর শুধু সংবাদমাধ্যম গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সাংবাদিকতার সঙ্গে লেশমাত্র সম্পর্ক নেই,এমন মাধ্যমে ও চোখের পলকে এই সবকিছুর আদান-প্রদান সম্ভব হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে জবরদস্তিরা সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতার ওপর চড়াও হচ্ছেন কটু কথা আর কালাকানুন নিয়ে। সাংবাদিকদের- পৃথিবীর নিকৃষ্টতম জীব বলে গালি দিচ্ছেন স্বাধীন সাংবাদিকতার তীর্থভূমি হিসেবে পরিচিত কেউ কেউ। উল্লেখ্য যে,দেশের অনেক জায়গায় বিশৃঙ্খলা ঘটছে। সেক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে এসব ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চলে আসছে। সংবাদকর্মীরা মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তাই বলবো- গণমাধ্যমের ভূমিকা সো ফার সো গুড।লেখক: মো: ইরফান চৌধুরী,প্রকাশক: ই-প্রিয়২৪,(ছাত্র)। ...

প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে বিএনপি

১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত বিভিন্ন চুক্তির ডকুমেন্ট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছে বিএনপি। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও খায়রুল কবির খোকন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠিটি পৌঁছে দেন। পরে মোয়েজ্জেম হোসেন আলাল সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব স্বাক্ষরিত প্রধানমন্ত্রী বরাবর লেখা একটি চিঠি আমরা দিয়েছি। ওই চিঠিতে বলা আছে, অতি সম্প্রতি ভারত সফর ও অন্যান্য দেশে সফরকালীন সময়ে সেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের যে চুক্তিগুলো হয়েছে সংবিধান অনুযায়ী সেই চুক্তিগুলোকে জনসম্মুখে প্রকাশ করা এবং তারমধ্যে দেশের স্বার্থের হানিকর কিছু হয়েছে কি না সেটা পর্যালোচনা করার সুযোগ দেয়া হোক। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি শুধুমাত্র জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এব্যাপারে কথা বলেছেন। কিন্তু এ সম্পর্কে জাতীয় সংসদে আলোচনা হয়নি, এমনকি প্রেসিডেন্টের কাছেও এই ফাইল গিয়েছে কি না এ বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিছু জানে না। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী এটা সংসদে পেশ করার কথা। তিনি বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। অবিলম্বে এটা সংসদের আলোচনার টেবিলে নিয়ে আনা হোক। যাতে এটা পাবলিক ডিসকাশনের ব্যবস্থা হয়। সংসদে প্রতিনিধি আছে সেখানে উত্থাপন না করে এখানে কেন দিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে আলাল বলেন, জাতীয় সংসদে আমাদের যারা সদস্য আছেন তারা কয়েক দফা এ ব্যাপারে কথা বলার চেষ্টা করেছেন, নোটিশ দিয়েছেন। তাদের সে নোটিশ গ্রহণ করা হয়নি। কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি। আমরা অনোন্যপায় হয়ে এখানে চিঠি দিলাম। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানান, সোয়া বারোটার দিকে চিঠি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান বিএনপির দুই নেতা। তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রাইভেট সেক্রেটারি-২ এর কাছে চিঠি পৌঁছে দিয়ে পৌনে ১টার দিকে বের হয়ে আসেন।...

খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে রাজপথের আন্দোলনে

১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আমরা সংবাদ পেয়েছি বেগম খালেদা জিয়া অত্যান্ত অসুস্থ। অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দেয়া না হলে সরকারের পতনের জন্য আমরা মাঠে নামব। যে পর্যন্ত খালেদা জিয়া মুক্ত না হবে, এই সরকারের পতনের জন্য আইনগতভাবে এবং গণতান্ত্রিকভাবে যা কিছু করার সবই করব আমরা। রোববার বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত আইনজীবীদের পদযাত্রা পূর্ব এক সমাবেশে ফোরাম আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেন এসব কথা বলেন। ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের সঞ্চলনায় আইনজীবী সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে রাজপথের আন্দোলনে। তাই আমাদেরকে রাজপথে আন্দোলন করেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। সমাবেশ শেষে আইনজীবীরা অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল করেন।বিক্ষোভ সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার, তৈমূর আলম খন্দকার, আবেদ রাজা, সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, বিএনপির আইন সম্পাদক কায়সার কামাল, জিয়া উদ্দিন জিয়া, জামিল আক্তার এলাহী, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। এদিকে, অবিলম্বে অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে বার ভবনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের আরেক সংগঠন খালেদা জিয়া মুক্তি আইনজীবী পরিষদ। প্রতিবাদ সমাবেশে তারা বলেন, খালেদা জিয়া দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী হওয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে আটক রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আইনজীবীরা আন্দোলন চালিয়ে যাবে। অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনুর সভাপতিত্বে অ্যাড. এম আমিনুল ইসলাম মুনিরের সার্বিক তত্বাবধানে এডভোকেট শামসুল ইসলাম মুকুল ও অ্যাড. হেমায়েত উদ্দীন বাদশার উপস্থাপনায় এ সভায় বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের সভাপতি, ঢাকা ট্যাক্সেস বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন, অ্যাডভোকেট মোঃ মোসলেম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট মনির হোসেন প্রমূখ।...

স্বামীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ ঈমানদার স্ত্রী

৩০অক্টোবর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: যে কারণে স্বামীর জন্য ঈমানদার স্ত্রী শ্রেষ্ঠ সম্পদ: হাদিসে সে বিষয়গুলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্পষ্ট ভাষায় বর্ণনা করেছেন। তিনি পুরুষের জন্য চারটি বিষয়কে শুভলক্ষণ বলেছেন। আর তা হলো- নেককার নারী, প্রশস্ত ঘর, সৎ প্রতিবেশী এবং সহজ প্রকৃতির আনুগত্যশীল-পোষ্য বাহন। পক্ষান্তরে চারটি জিনিসকে কুলক্ষণা বলেছেন। তার মধ্যে একটি হলো বদকার নারী। (হাকেম, সহিহ আল জামে) অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন ঈমানদার স্ত্রীকে তার স্বামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। হাদিসটি তুলে ধরা হলো- হজরত ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,যখন এ আয়াত নাজিল হলো- আর যারা সোনা-রূপা সঞ্চয় করে (আয়াতের শেষ পর্যন্ত); তখন আমরা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে কোনো এক সফরে ছিলাম। তখন তাঁর এক সাহাবি বললেন, এটাতো (আয়াত) সোনা-রূপা সর্ম্পকে নাজিল হলো। আমরা যদি জানতে পারতাম কোন সম্পদ উত্তম, তবে তা সঞ্চয় করতাম। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমাদের কারো শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো- আল্লাহর জিকিরকারী রসনা (জিহ্বা); কৃতজ্ঞ অন্তর; এবং ঈমানদার স্ত্রী, যে তার ঈমানের (দ্বীনের) ব্যাপারে তাকে (স্বামীকে) সহযোগিতা করে। (মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মিশকাত) হাদিসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ মাজাহেরে হক এ হাদিসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা বর্ণনা করেছেন। এ হাদিসে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানদার স্ত্রীর ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছেন। একজন ঈমানদার স্ত্রী তার স্বামীর জন্য সর্বোত্তম সম্পদও বটে। দ্বীনের ব্যাপারে স্বামীকে সহযোগিতার মর্মার্থ হলো- ঈমানদার স্ত্রী ধর্মীয় কার্যক্রম ও দ্বীনি দায়িত্বসমূহ পালনের ক্ষেত্রে তার স্বামীকে সহযোগিতা করবে। যেমন- নামাজের সময় হলে তার স্বামীকে নামাজের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে; রমজান মাসের রোজা রাখার ব্যাপারে স্বামীকে সহযোগিতা করবে। অনুরূপভাবে একজন ঈমানদার স্ত্রী তার স্বামীকে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি, পরিবারের আনুসাঙ্গিক কাজকর্মসহ অন্যান্য সব ইবাদত-বন্দেগিতেও স্বামীকে বুদ্ধি পরামর্শ ও উপদেশ দিয়ে যথাসাধ্য সহযোগিতা করবে। ঈমানদার স্ত্রী বাড়িতে এমন পরিবেশ এবং আবহ সৃষ্টি করবে, যাতে স্বামী সারাক্ষণ পূণ্যকর্মে লিপ্ত থাকেন। অপকর্ম, অবৈধ উপার্জন এবং হারাম পেশা থেকে বিরত থাকেন। এমনকি স্বামী যদি কোনো মন্দ কাজে লিপ্ত হন তবে ঈমানদার স্ত্রী তাকে সেই মন্দ কাজ থেকে ফিরিয়ে আনবে। অবাধ্য স্বামীকে মন্দ কাজ থেকে ফিরিয়ে আনতে তার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানদার নেক্কার স্ত্রীকে স্বামীর জন্য সর্বোত্তম সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহ সব নারীকে দ্বীনদার ও ঈমানদার হিসেবে কবুল করুন। পৃথিবীর সব মুমিন নারীকে নেককার সন্তান, নেককার স্ত্রী ও নেককার মা হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। ...

মিষ্টি খেয়েও নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ বাসা বাধে। তাই সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। অনেকে মনে করেন ডায়াবেটিস রোগীরা মিষ্টি খেতে পারবেন না। আপনি জানেন কি? নিয়ম মেনে ডায়াবেটিস রোগীরা মিষ্টি খেতে পারবেন। আসুন জেনে নিই যেসব নিয়ম মেনে ডায়াবেটিস রোগীরা মিষ্টি খেতে পারবেন? ১. ডায়াবেটিস রোগীদের সব থেকে বড় শত্রু হলো দুধ। মিষ্টি তৈরির জন্য প্রয়োজন হয় দুধের। তাই দুধ ছাড়া যদি অন্য কিছু দিয়ে মিষ্টি তৈরি করা যায়, তবে তা ডায়েটের প্রথম ধাপেই আমরা ব্লাড সুগার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। ২: দুধ ছাড়াও আরও অনেক উপাদান আছে, যা দিয়ে বাড়িতে বসে মিষ্টি বানানো যায়। দুধের বিকল্প হিসাবে আপনি বেছে নিতে পারেন, প্রাকৃতিক মধু, নারিকেলের মাখন, গুড়, নারিকেলের চিনি প্রভৃতি। ৩. দুধের বিকল্প হিসাবে মিষ্টি তৈরিতে অ্যালমণ্ড, সয়াদুধ বা নারিকেলের দুধ অথবা বাদাম দুধও ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ৪. এসব খাওয়ার আগে আপনাকে সুগারের লেভেল চেক করে নিতে হবে। কারণ না হলে আপনি বুঝতে পারবেন না যে খাবারগুলো আপনি রোজ গ্রহণ করছেন, সেগুলো আপনার শরীরের ব্লাড সুগারে কতটা প্রভাব ফেলছে। এ নিয়মগুলো মেনে চললে উৎসবের দিনে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে হয়ে উঠুন আরও চনমনে প্রাণবন্ত।...

দেশের বিস্ময় বালিকা নানজীবার গল্প

সাক্ষাৎকার ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানজীবা খান। তার বয়স কিন্তু এখনও পেরোয়নি ১৮র কোঠা। আর এই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী টিনএজার এরই মধ্যে জন্ম দিয়ে চলেছেন এক একটি বিশ্বয়। ট্রেইনি পাইলট, সাংবাদিক, নির্মাতা, উপস্থাপিকা, টিভি টক শো'র অতিথি, লেখক, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর এবং বিতার্কিক হিসেবে স্বাক্ষর রেখে চলেছেন নিজের প্রতিভার। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে অ্যারিরাং ফ্লাইং স্কুল-এ ট্রেইনি পাইলট হিসেবে চলছে তার অধ্যয়ন। এছাড়া তিনি কাজ করছেন শিশু সাংবাদিক হিসেবে, কাজ করছেন বিটিভির নিয়মিত উপস্থাপক হিসেবে, ব্রিটিশ আমেরিকান রিসোর্স সেন্টারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে পেয়েছেন ইউনিসেফের মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড। আর সম্প্রতি ইউনিসেফের অধীনে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে এসেছেন দেশের বাইরেও। এই নিয়ে ১১টি দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা জমা হয়েছে তার ঝুলিতে। লেখক হিসেবে এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার গবেষণামূলক গ্রন্থ- অটিস্টিক শিশুরা কেমন হয়। প্রথম সংস্করণের সব বই বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর ২য় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন। বইটির প্রচ্ছদও করেছেন নানজীবা নিজে। তথ্যসমৃদ্ধ বইটি ইতোমধ্যে পাঠক সমাদৃত হয়েছে। প্রশ্ন আসে কিভাবে শুরু এই নানজীবার পথচলা? উত্তরে জানা যায়, নানজীবার শুরুটা হয়েছিল পাঁচ বছর বয়সে রঙ তুলি দিয়ে। মায়ের হাত ধরে গিয়েছিল কিশলয় কচিকাঁচার মেলায় ছবি আঁকা ও আবৃত্তি শিখতে। ২০০৭ সালে জীবনের প্রথম প্রতিযোগিতা জয়নুল কামরুল ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন পেন্টিং কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ এবং পুরস্কার অর্জন করেন। জীবনের প্রথম অর্জনই ছিল আন্তর্জাতিক। সেই থেকে পথ চলা শুরু। ছবি আঁকার জন্য বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার তার ঝুলিতে জমা হয়। ছবি আঁকার পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তিতেও প্রশিক্ষণ নেন। বিভিন্ন দিবসগুলোর সকাল থেকে সন্ধ্যা কাটতো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চে কবিতা আবৃত্তি করার মাধ্যমে। ২য় শ্রেণীতে পড়াকালীন বিটিভির- কাগজ কেটে ছবি আঁকি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মিডিয়ায় তার পথ চলা শুরু। বর্তমানে বিটিভিতে- আমরা রঙ্গিন প্রজাপতি, আমাদের কথা, আনন্দ ভুবন, ও শুভ সকাল অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন। ১৩ বছর বয়সে জীবনের প্রথম স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র- কেয়ারলেস পরিচালনা করেন। তার পরিচালিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র সাদা কালোর জন্য ইউনিসেফের মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। আর এটি তৈরি করতে যা টাকা খরচ হয়েছে তার সবই ছিল তার টিফিনের জমানো টাকা। তারপর- গ্রো আপ, দ্য আনস্টিচ পেইন সহ আরও কিছু প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করেন নানজীবা। ৮ম শ্রেণীতে পড়াকালীন শুরু হয় শিশু সাংবাদিক হিসেবে তার পথচলা। জীবনের ১ম সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। পর্যায়ক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সংস্কৃতিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী,সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, টেলিযোগাযোগমন্ত্রী, তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, মেয়র সাঈদ খোকনসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট মানুষ যেমন- সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, সেলিনা হোসেন, ইমদাদুল হক মিলন, হাবিবুল বাশার, আবেদা সুলতানা, সাদেকা হালিম, নিশাত মজুমদার, ফরিদুর রেজা সাগর, জুয়েল আইচ, মীর আহসান, Rabর প্রধান বেনজির আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌস। বিদেশও উজ্জ্বল সাংবাদিক নানজীবা। ওয়ার্ল্ড ডিবেট সোসাইটির পরিচালক অ্যালফ্রেড স্পাইডার ও ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও হয়েছে তার। একাদশ শ্রেণিতে পড়াকালীন দায়িত্ব পালন করেছেন ক্যামব্রিয়ান ডিবেটিং সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে। স্কুল ও কলেজ জীবনে বিতার্কিক হিসেবে অর্জন করেছেন বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার। পেয়েছেন উপস্থিত ইংরেজি বক্তৃতায় বিএনসিসি ও ভারত্বেশ্বরী হোমসের প্রথম পুরস্কার। দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াকালীন- বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর থেকে ৩ ধাপে লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার পরে সারা দেশের হাজার হাজার ক্যাডেটদের মধ্য থেকে বিএনসিসি-র সবচেয়ে দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল সফর ভারতে অংশগ্রহণ করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর সাথে সাক্ষাৎ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নেয়ার সুযোগ হয়। রাশিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর, কাজাকিস্তান, কিরগিজস্তান, ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপসহ মোট ১১ টি দেশের সামনে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাইফেলে ফায়ারিং, অ্যাসোল্ট কোর্স, বেয়নোট ফাইটিং ও সশস্ত্র সালাম। শতগুণে গুণান্বিত নানজীবার বিনয়ের এক চরম উদাহরণ। সর্বশেষ তাই সময় নিউজকে তিনি বলেন, কাজ শেখার চেষ্টা করছি। আমি কখনই শুধু দেশ নিয়ে ভাবি না। আমার লক্ষ্য সবসময় আন্তর্জাতিক। আমি চাই মানুষ নানজীবাকে দিয়ে গোটা বাংলাদেশ চিনুক। সেই সাথে আকাশে ওড়ার স্বপ্নও পূরণ করতে চাই। আর আমার সব কাজের প্রেরণা আমার ছোট ভাই ও আমার মা। আমি সকলের ভালোবাসা চায়। ...

শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।...

বাংলাদেশের স্বাধিকার সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাস

১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জন্মস্থান টাঙ্গাইলের সন্তোষে সমাধিস্থ করা হয়।তার জন্ম ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও ভাসানী জীবনের বড় অংশ কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। কৈশোর-যৌবন থেকেই জড়িত ছিলেন রাজনীতির সঙ্গে। দীর্ঘদিন তিনি তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন।দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির জন্য সারা জীবন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন তিনি। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশের স্বাধিকার-স্বাধীনতাসহ যে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি রেখেছিলেন অগ্রণী ভূমিকা। এ কারণে পরিচিতি পান মজলুম জননেতা হিসেবে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মজলুম জননেতা ভাসানীকে নানা আয়োজনে স্মরণ করা হবে আজ।


দেশের বিস্ময় বালিকা নানজীবার গল্প

সাক্ষাৎকার ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানজীবা খান। তার বয়স কিন্তু এখনও পেরোয়নি ১৮র কোঠা। আর এই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী টিনএজার এরই মধ্যে জন্ম দিয়ে চলেছেন এক একটি বিশ্বয়। ট্রেইনি পাইলট, সাংবাদিক, নির্মাতা, উপস্থাপিকা, টিভি টক শো'র অতিথি, লেখক, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর এবং বিতার্কিক হিসেবে স্বাক্ষর রেখে চলেছেন নিজের প্রতিভার। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে অ্যারিরাং ফ্লাইং স্কুল-এ ট্রেইনি পাইলট হিসেবে চলছে তার অধ্যয়ন। এছাড়া তিনি কাজ করছেন শিশু সাংবাদিক হিসেবে, কাজ করছেন বিটিভির নিয়মিত উপস্থাপক হিসেবে, ব্রিটিশ আমেরিকান রিসোর্স সেন্টারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে পেয়েছেন ইউনিসেফের মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড। আর সম্প্রতি ইউনিসেফের অধীনে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে এসেছেন দেশের বাইরেও। এই নিয়ে ১১টি দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা জমা হয়েছে তার ঝুলিতে। লেখক হিসেবে এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার গবেষণামূলক গ্রন্থ- অটিস্টিক শিশুরা কেমন হয়। প্রথম সংস্করণের সব বই বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর ২য় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন। বইটির প্রচ্ছদও করেছেন নানজীবা নিজে। তথ্যসমৃদ্ধ বইটি ইতোমধ্যে পাঠক সমাদৃত হয়েছে। প্রশ্ন আসে কিভাবে শুরু এই নানজীবার পথচলা? উত্তরে জানা যায়, নানজীবার শুরুটা হয়েছিল পাঁচ বছর বয়সে রঙ তুলি দিয়ে। মায়ের হাত ধরে গিয়েছিল কিশলয় কচিকাঁচার মেলায় ছবি আঁকা ও আবৃত্তি শিখতে। ২০০৭ সালে জীবনের প্রথম প্রতিযোগিতা জয়নুল কামরুল ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন পেন্টিং কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ এবং পুরস্কার অর্জন করেন। জীবনের প্রথম অর্জনই ছিল আন্তর্জাতিক। সেই থেকে পথ চলা শুরু। ছবি আঁকার জন্য বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার তার ঝুলিতে জমা হয়। ছবি আঁকার পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তিতেও প্রশিক্ষণ নেন। বিভিন্ন দিবসগুলোর সকাল থেকে সন্ধ্যা কাটতো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চে কবিতা আবৃত্তি করার মাধ্যমে। ২য় শ্রেণীতে পড়াকালীন বিটিভির- কাগজ কেটে ছবি আঁকি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মিডিয়ায় তার পথ চলা শুরু। বর্তমানে বিটিভিতে- আমরা রঙ্গিন প্রজাপতি, আমাদের কথা, আনন্দ ভুবন, ও শুভ সকাল অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন। ১৩ বছর বয়সে জীবনের প্রথম স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র- কেয়ারলেস পরিচালনা করেন। তার পরিচালিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র সাদা কালোর জন্য ইউনিসেফের মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। আর এটি তৈরি করতে যা টাকা খরচ হয়েছে তার সবই ছিল তার টিফিনের জমানো টাকা। তারপর- গ্রো আপ, দ্য আনস্টিচ পেইন সহ আরও কিছু প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করেন নানজীবা। ৮ম শ্রেণীতে পড়াকালীন শুরু হয় শিশু সাংবাদিক হিসেবে তার পথচলা। জীবনের ১ম সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। পর্যায়ক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সংস্কৃতিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী,সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, টেলিযোগাযোগমন্ত্রী, তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, মেয়র সাঈদ খোকনসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট মানুষ যেমন- সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, সেলিনা হোসেন, ইমদাদুল হক মিলন, হাবিবুল বাশার, আবেদা সুলতানা, সাদেকা হালিম, নিশাত মজুমদার, ফরিদুর রেজা সাগর, জুয়েল আইচ, মীর আহসান, Rabর প্রধান বেনজির আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌস। বিদেশও উজ্জ্বল সাংবাদিক নানজীবা। ওয়ার্ল্ড ডিবেট সোসাইটির পরিচালক অ্যালফ্রেড স্পাইডার ও ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও হয়েছে তার। একাদশ শ্রেণিতে পড়াকালীন দায়িত্ব পালন করেছেন ক্যামব্রিয়ান ডিবেটিং সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে। স্কুল ও কলেজ জীবনে বিতার্কিক হিসেবে অর্জন করেছেন বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার। পেয়েছেন উপস্থিত ইংরেজি বক্তৃতায় বিএনসিসি ও ভারত্বেশ্বরী হোমসের প্রথম পুরস্কার। দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াকালীন- বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর থেকে ৩ ধাপে লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার পরে সারা দেশের হাজার হাজার ক্যাডেটদের মধ্য থেকে বিএনসিসি-র সবচেয়ে দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল সফর ভারতে অংশগ্রহণ করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর সাথে সাক্ষাৎ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নেয়ার সুযোগ হয়। রাশিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর, কাজাকিস্তান, কিরগিজস্তান, ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপসহ মোট ১১ টি দেশের সামনে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাইফেলে ফায়ারিং, অ্যাসোল্ট কোর্স, বেয়নোট ফাইটিং ও সশস্ত্র সালাম। শতগুণে গুণান্বিত নানজীবার বিনয়ের এক চরম উদাহরণ। সর্বশেষ তাই সময় নিউজকে তিনি বলেন, কাজ শেখার চেষ্টা করছি। আমি কখনই শুধু দেশ নিয়ে ভাবি না। আমার লক্ষ্য সবসময় আন্তর্জাতিক। আমি চাই মানুষ নানজীবাকে দিয়ে গোটা বাংলাদেশ চিনুক। সেই সাথে আকাশে ওড়ার স্বপ্নও পূরণ করতে চাই। আর আমার সব কাজের প্রেরণা আমার ছোট ভাই ও আমার মা। আমি সকলের ভালোবাসা চায়।

অভিশপ্তদের দিন শেষ, বাতিঘরের আলোয় আলোকিত দেশ

১৬অক্টোবর,বুধবার,মুক্ত কলম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজকাল টেলিভিশন টকশোয় খুব কম যাওয়া হয়। অনেকদিন থেকে না যাওয়ার অভ্যাসটি রপ্ত করেছি। কারণ গেলেই কথা বলতে হয়। কথা বললেই বাড়ে কথা। তবু মাঝেমধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুবাদে কারও কারও ডাক উপেক্ষা করা যায় না বলে যেতে হয়। বিশেষ করে প্রখ্যাত সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরীর মধ্যরাতের টকশোয় ডাক পড়লে নিয়মিত যাই। এমনিভাবে অনিয়মিতভাবে যাওয়া একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আমন্ত্রণে তাদের টকশো রাজকাহনে গিয়েছিলাম। গিয়ে তাদের অতিথি বাছাই দেখে আমি বিস্মিত হই। বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিসহ তিনজন সাবেক সভাপতিকে আনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গোলাম সারওয়ার মিলন ছাড়াও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু এবং আরেক সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল ছিলেন আমন্ত্রিত অতিথি। মাঝখানে তাদের সঙ্গে কাবাবে হাড্ডির মতো আমাকে কেন ডাকা হলো? এ প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তাদের বললাম, এখানে আওয়ামী লীগের অসীম কুমার উকিল, আহমদ হোসেন বা বি এম মোজাম্মেল হোসেনকে আনা হলে মানানসই হতো। শেষ পর্যন্ত টকশোর সূচনা ঘটল ছাত্রদলের সম্মেলন স্থগিত নিয়ে এবং সেটি থেকে আলোচনা জাতীয় রাজনীতির অতীত ও বর্তমান ঘিরে কিছুটা উত্তপ্তও হয়ে উঠল। এর মধ্যে শামসুজ্জামান দুদু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হিটলারের মতো স্বৈরশাসক হিসেবে সমালোচনা করে বলে বসলেন,তার পরিণতি হবে শেখ মুজিবের মতো। পরে এ বক্তব্য বাইরে তুমুল বিতর্কের ঝড় তুললে শামসুজ্জামান দুদু আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চাইলেন। কিন্তু ওই টকশোয় আমি শেখ হাসিনার ৩৯ বছরের সংগ্রামমুখর রাজনৈতিক জীবনের উত্থান-পতন ঘেরা বর্ণাঢ্য জীবনের কথা উল্লেখ করে বললাম, তিনি গণতন্ত্রের নেত্রী। আর এই জনপদে হিটলারের মতো নিষ্ঠুর খুনি কোনো সেনাশাসক যদি এসে থাকেন তার নাম জিয়াউর রহমান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবার-পরিজনসহ মানবসভ্যতার ইতিহাসে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে অবৈধ শাসনযাত্রার পালাবদলে বন্দুকের জোরে সেনাশাসক জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন। তার হাতে তথাকথিত সেনাবিদ্রোহের অভিযোগে অসংখ্য সেনাসদস্যই সামরিক আদালতের গোপন বিচারে রাতের আঁধারে ফাঁসিতেই ঝোলেননি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরউত্তম খালেদ মোশাররফের খুনি মোশতাক চক্রকে উৎখাত করা অভ্যুত্থানে গৃহবন্দী জিয়াউর রহমানকে সিপাহি জনতার বিপ্লবের নামে পাল্টা ক্যু ঘটানোর নায়ক ও তার ত্রাণকর্তা হিসেবে মুক্ত করা, বীরউত্তম কর্নেল তাহেরকেও সামরিক আদালতের বিচারে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলেন।সেনাশাসক জিয়াউর রহমান একদিকে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে বছরের পর বছর কারা নির্যাতন, দমন-পীড়ন, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের নিপীড়ন ও দল ভাঙার রাজনীতির কূটকৌশল গ্রহণ করেছিলেন; অন্যদিকে বন্দুকের জোরে বিচারপতি সায়েমকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে বিদায় করে তিনি নিজে একদিকে সেনাপ্রধান, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতি হওয়ার মতো নির্মম রসিকতার অসাংবিধানিক শাসনের ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন মহল বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনলেও আত্মস্বীকৃত খুনিদের ভাষ্যমতে, তাকে অবহিত করা হয়েছিল। বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত একজন মুক্তিযোদ্ধা বা সেক্টর কমান্ডার হয়েও এমনকি অনেকের সঙ্গে ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করে আলোচিত হয়েও ক্ষমতায় এসে তার সামরিক শাসন জমানায় গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রযন্ত্র ও প্রশাসনিক শক্তির সঙ্গে অর্থ ও পেশিশক্তির জোরে বিএনপি নামের যে দলটির জন্ম দিয়েছিলেন, সেখানে একাত্তরের পরাজিত হানাদার বাহিনীর দোসর দক্ষিণপন্থি মুসলিম লীগের রাজাকার, মুজিববিদ্বেষী আওয়ামী ও ভারতবিরোধী কট্টর চীনাপন্থি বামদের মহামিলন ঘটিয়েছিলেন। ঠাঁই দিয়েছিলেন সুবিধাবাদী সুযোগসন্ধানী ক্ষমতার উচ্চাভিলাষী কিছু পেশাজীবীকে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছিলেন। নিষিদ্ধ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির দুয়ার খুলে জামায়াতকেও রাজনীতিতে সংসদে পুনর্বাসিত করেছিলেন ধূর্ত খুনি শাসক জিয়া। খুনি মোশতাকের অধ্যাদেশকে তার প্রহসনের ৭৯ সালের সংসদে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে কুখ্যাত ইনডেমনিটি আইনসহ তার সব অবৈধ কর্মকা- পাস করিয়েছিলেন। যেখানে একজন সাধারণ মানুষ হত্যাকান্ডের ন্যায়বিচার লাভ করে সেখানে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবার-পরিজনসহ নৃশংসভাবে হত্যা করে তার বিচার করা যাবে না বলে সংবিধান ও সভ্যতাবিরোধী একটি কালো আইন পাস করালেন। এবং সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করে মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদের রক্তে লেখা ধর্মনিরপেক্ষতাসহ কিছু মূলনীতিই মুছে দেননি, সাম্প্রদায়িকতার মোড়কে একাত্তরের পরাজিত পাকিস্তানের পথে রাষ্ট্রকে ঠেলে দিলেন। দিল্লিতে নির্বাসিত মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা যখন ৮১ সালের ইডেন কাউন্সিলে দলের নেতৃত্বের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী নির্বাচিত হন, সেই রজনীতে বঙ্গভবনে বসে সেনাশাসক জিয়াউর রহমান রাত জেগে ছিলেন। আওয়ামী লীগের ভাঙন আশা করেছিলেন। ভোরবেলায় যখন শুনলেন, নেতা-কর্মীদের আবেগ-উচ্ছ্বাস আর মহানন্দের তুমুল করতালিতে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তখন তিনি তার সামরিক সচিব সিলেটের জেনারেল সাদেক আহমেদ চৌধুরীর কাছে দেশটা বুঝি ইন্ডিয়া হয়ে গেল আফসোস করে ক্যান্টনমেন্টের বাসভবনে ঘুমাতে ছুটলেন। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসুন সেনাশাসক জিয়াউর রহমান সেটি চাননি। শেখ হাসিনা ফিরে এলেই প্রকৃতি ও মানুষ তার সঙ্গে একাত্ম হয়েছিল। তার বুকভরা ছিল স্বজন হারানোর বেদনা ও ক্রন্দন। বাঙালি জাতির ইতিহাসের ঠিকানা শেখ হাসিনার স্মৃতিময় ৩২ নম্বর বাড়িতে সেনাশাসক জিয়া তাকে প্রবেশ করতে দেননি। বাইরেই তাকে মিলাদ পড়াতে হয়েছে। সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের হত্যাকান্ডের পর বিচারপতি অথর্ব সাত্তার সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থতা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, নৈরাজ্য বিশৃঙ্খলা ও চরম কোন্দলের মুখে বিনা রক্তপাতে সেনাশাসক এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করে দল গঠন করতে গেলে জিয়াউর রহমানের সুবিধাবাদী দলছুট প্রায় সব নেতা তার সঙ্গে যোগ দেন। দলের হাল ধরে সে সময় রাজপথে নামেন অকাল-বৈধব্য নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে যে ছাত্রদল হিজবুল বাহার চড়েও অস্ত্রবাজিতে ছাত্র রাজনীতিতে জায়গা পায়নি, সেনাশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়াকে সামনে রেখে সেই ছাত্রদল হয়ে ওঠে সাহসী তারুণ্যের শক্তিশালী ছাত্র সংগঠনে। সব দলের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নয় বছর পর এরশাদের পতন ঘটলে সব মহলের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জামায়াতের সমর্থনে ৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি সরকার গঠন করে চমক সৃষ্টি করে। দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের নবযাত্রার সূচনা ঘটে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণে। নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক কর্মকা- ও আন্দোলন-সংগ্রামের ভিতর দিয়ে উর্মীমুখর রাজনীতিতে নির্বাচনে সরকার বদলের সুযোগ ঘটে। ৯৬ সালে নির্বাচনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপির পরাজয় ঘটে। দীর্ঘ ২১ বছর পর সেই নির্বাচনে মুজিবকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আটক করে ১৫ আগস্টের হত্যাকাে র বিচারকাজ শুরু হয়। সেই বিচারে খুনিদের ফাঁসির রায় হয়। সেসব ইতিহাস সবার জানা। দার্শনিক বার্নাড শ বলেছেন, ইতিহাসের শিক্ষাই হচ্ছে ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। আমাদের রাজনীতিতে তার এ বাণী অক্ষরে অক্ষরে সত্যে পরিণত হয়েছে। খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামল ও শেখ হাসিনার প্রথম শাসনামল সংসদীয় গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক সহনশীলতা ও সুশাসন প্রশ্নে উত্তম বললে বাড়িয়ে বলা হবে না। সেই দিনগুলোয় আমাদের সংসদ ও রাজনীতির মাঠে-ময়দানের পরিশ্রমী সাংবাদিকতাও ছিল সৃষ্টিশীলতার, শেখার এবং আনন্দের। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় এসে প্রতিহিংসার বিষের আগুনে চারদিক পুড়িয়ে দিতে থাকে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার আটকে দেয়, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা একের পর এক হত্যাকান্ডের শিকার হন। সংখ্যালঘু ভোটার নারীরা হতে থাকেন ধর্ষিতা। এলাকার পর এলাকা প্রশাসনের প্রহরায় বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা হয় ঘরছাড়া, না হয় আহত পঙ্গু হয়ে হাসপাতালে আশ্রয় নেন। অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে শহীদের রক্তেভেজা পতাকাই ওড়েনি, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর হাত এতটাই প্রসারিত হয় যে, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ভয়ঙ্কররূপে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। ১০ ট্রাক অস্ত্র এসে ধরা পড়ে। সন্ত্রাসবাদের অভয়ারণ্য হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। একের পর এক ভয়াবহ রাজনৈতিক হত্যাকা- ঘটতে থাকে দিনদুপুরে। বাংলা ভাইদের হাতে বাঘমারা স্বাধীন করে দেওয়া হয়। দলীয় প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্লজ্জ বেহায়াপনার বীভৎস চিত্র দেখে বাংলাদেশ। দেশের ৬৩ জেলার ৫০০ জায়গায় একই সময়ে বোমার বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। আদালতপাড়ায় রক্ত ঝরে। একুশের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার মধ্য দিয়ে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সন্ত্রাসবিরোধী শান্তিমিছিলের বক্তৃতার মঞ্চ থেকে উড়িয়ে দিতে চালানো হয় বর্বর গ্রেনেড হামলা। আলামত গায়েব, তদন্তের নামে প্রহসন, বিচারের নামে নাটক চলতে থাকে। ক্ষমতার দম্ভে উন্নাসিক বিএনপি-জামায়াত পরবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার দলীয় নির্বাচন কমিশনসহ, ইয়াজউদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন স্তরের প্রশাসন ঢেলে সাজায়। সেই সঙ্গে বিএনপির অভ্যন্তরেও রক্তক্ষরণ ঘটানো হয়, হাওয়া ভবন ঘিরে প্যারালাল সরকার গড়ে ওঠে বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানকে ঘিরে। একতরফা নির্বাচন বানচাল হয়ে যায় সেনাসমর্থিত ওয়ান-ইলেভেনের কারণে। সেই দুই বছরের শাসনামল কারও জন্য সুখকর হয়নি। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত ও হাওয়া ভবনের অভিশপ্ত শাসনামলের চড়া মাশুল এখনো বিএনপিকে গুনতে হচ্ছে। ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটকে নিয়ে বিশাল গণরায়ে ক্ষমতায় আসেন শেখ হাসিনা। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ফাঁসিতে ঝুলতে হয় একের পর এক জামায়াত নেতাকে। তারেক রহমান লন্ডনে তার চাটুকারদের নিয়ে ভোগের জীবনে নির্বাসিত থাকলেও এখানে হাজার হাজার নেতা-কর্মী সরকারের অগ্নিরোষে পতিত হয়। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরে থাকা নেতা-কর্মীরা নিজেদের মতো স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার বা দলীয় রণকৌশল নির্ধারণের ক্ষমতা ভোগ করতে পারেন না। দল ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে একের পর এক সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিশাল বিজয় অর্জন করলেও তারেক রহমানের নির্দেশের কারণে জামায়াতের সঙ্গে সহিংস আন্দোলনে ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচন বর্জন ও প্রতিরোধ আন্দোলনে শক্তিক্ষয় ও মামলার জালেই আটকা পড়েনি, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের ওয়াক ওভার দিয়ে দেয়। ইতিমধ্যে একটি দুর্নীতি মামলায় বিএনপির রাজনীতির জনপ্রিয়তার উৎস ও গণতন্ত্রের নেত্রী হিসেবে জনপ্রিয় বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে পারেনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন ও বিতর্ক থাকলেও বিএনপি সেটি নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া দূরে থাক কোনো রাজনৈতিক ফায়দাই তুলতে পারেনি। মাঝখানে মির্জা ফখরুলের মতো পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদকে বাদ দিয়ে হাতে গোনা দলের যে কজন জয়ী হয়েছেন, তাদের সংসদে পাঠায়। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ শরীরে পৌনে দুই বছরের মতো জেলে রয়েছেন। দলের নেতা-কর্মীরা বিভ্রান্ত নেতৃত্বের হঠকারী সিদ্ধান্তে বার বার আন্দোলন-সংগ্রামে মামলার জালেই আটকা পড়েনি, রিক্ত-নিঃস্ব হয়ে গেছে। যে এহছানুল হক মিলন বিএনপির জন্য আদালতে হাজিরা দিতে দিতে জীবন শেষ হয়ে যায়, নির্বাচনে তারেক রহমানের নির্দেশে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকলেও তার ভাগ্যে মনোনয়ন জোটে না। মোরশেদ খানের মতো ভদ্রলোক বিএনপি করার অপরাধে নানামুখী চাপে নিঃশেষ হয়ে গেলেও তিনি মনোনয়ন পান না। একুশের গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমান যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত আসামি। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে হাওয়া ভবন ঘিরে যারা ওঠাবসা করতেন এখন লন্ডন, নিউইয়র্ক ও মালয়েশিয়ায় তারা নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছেন। ইতিহাসের প্রাপ্য প্রতিহিংসার ফল বিএনপি ভোগ করছে এ কথা আমি বলে আসছি বার বার, তেমনি বলে আসছি নব্বইয়ের পর এ দেশের রাজনীতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল তার কফিনে পেরেক ঠুকে দিয়েছে একুশের গ্রেনেড হামলা। তাই বলে আওয়ামী লীগের ১০ বছরের শাসনামলে সংঘটিত সব দুর্নীতি, অর্থনৈতিক খাতের লুটপাট, ব্যাংক ও শেয়ার কেলেঙ্কারি, গুম-খুন এমনকি মির্জা ফখরুলদের মতো নেতাদের নামে হয়রানি মামলা, নেতা-কর্মীদের দমন-পীড়নের প্রতিবাদ তো কম করিনি। তবু কেন এত আক্রোশ? এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে যেসব সিনিয়র সাংবাদিক প্রশ্ন না করে চাটুকারিতায় তেলের নহর বইয়ে দিতেন তাদের সমালোচনাও করেছি। শক্তিশালী সরকারের পাশাপাশি আমরা শক্তিশালী বিরোধী দল চাই। বিএনপিকে শেষ করে দিয়ে মৌলবাদ উত্থান ঘটার আশঙ্কা থেকে যায় কিনা এ প্রশ্নও সামনে নিয়ে আসি। সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় সেদিনের টকশোয় আরও বলেছিলাম, তারেক রহমান এখনো বিএনপির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু বিএনপির রাজনৈতিক সম্পদ হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। তারেক রহমান অভিশপ্ত বোঝামাত্র। লন্ডনে তারেক রহমানের বক্তৃতা আষাঢ়ে গল্পের মতোই বোঝায় না, একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা যে ভাষায় কথা বলতে সাহস পায় না, তাদের দোসররা যে ভাষায় কথা বলতে সাহস পায় না, তিনি সে ভাষায় কথা বলেন। দাম্ভিক উন্মাদের প্রলাপ মনে হয়। যার আত্মোপলব্ধি নেই। অনুশোচনা, গ্লানি নেই। বাংলাদেশের আত্মা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আওয়ামী লীগের সমালোচনা করুন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের সমালোচনা করুন। কিন্তু জাতির পিতাকে নিয়ে কটাক্ষ করা সব শক্তিকে এক মোহনায় অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে মিলিত করে দেয়। বঙ্গবন্ধুর প্রতি কটাক্ষ কোনো দেশপ্রেমিক মানুষ বরদাশত করতে পারে না। আমি আরও বলেছিলাম, যেখানে লাখ লাখ, হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যাংকিং খাতে লুট হয়েছে, হাজার হাজার কোটি টাকা শেয়ারবাজারের জুয়াড়িরা লুট করে নিয়ে গেছে, সেখানে ২ কোটি টাকার জন্য কারাবন্দী খালেদা জিয়াকে জামিনে হলেও মুক্ত করে রাজনীতির পরিপক্ব কৌশল বিএনপির নির্ধারণ করা উচিত। যেখানে তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ থাকবে না। তারেক রহমান ও তার লন্ডন, নিউইয়র্কসহ বিদেশে থাকা অভিশপ্ত সিন্ডিকেট যত দিন বিএনপিতে খবরদারি করবে তত দিন এ দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এই রাহুমুক্ত হয়ে বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের জায়গায় দাঁড়িয়ে বিশুদ্ধ হয়ে রাজনীতি শুরু করতে হবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায়। কয়েকদিন আগে জাতিসংঘে দেওয়া পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভাষণ নিয়ে এ দেশে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এত বাহ্বা দিচ্ছেন যে মনে হচ্ছে, কোনো বিশ্বসেরা রাজনীতিবিদ বিশ্বজয়ী বক্তৃতা করেছেন। এ দেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসরদের যখন বিচার হয়, পাকিস্তানের সংসদে তখন ইমরান খানরা নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় তুলেছেন। একাত্তরে ইমরান খানের চাচা নিয়াজি এবং বেলুচিস্তানের কসাই টিক্কা খান পোড়ামাটি নীতি গ্রহণ করে ব্যাপক গণহত্যা চালিয়েছে। আমাদের ৩০ লাখ শহীদের রক্তে ভেজা এ স্বাধীন বাংলাদেশ। আমাদের আড়াই লাখ মা-বোনের গণধর্ষণের নির্যাতনের আর্তনাদে এ দেশের বাতাস এখনো ভারি। ইমরান খান যদি জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে তার বাবা-চাচা ও ভাইদের যুদ্ধাপরাধের জন্য ক্ষমা চাইতেন আমাদের প্রাপ্য পাওনা ফিরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করতেন তাহলে না হয় বুঝতাম একপাল পাকিস্তানপ্রেমিক তাকে শাবাশ দিচ্ছেন। আমরা যখন স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছি তখন মোনায়েম খানরা পাকিস্তানের দালালি করেছেন। আমরা যখন একাত্তরে যুদ্ধ করেছি তখন আমাদের ভারতের চর বলে, পাকিস্তানের দুশমন বলে গোলাম আযম ও শাহ আজিজরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর হয়েছেন। এখনো একদল শিক্ষিত মানুষ বাংলাদেশি হতে পারেনি। চিন্তায় পাকিস্তানি রয়ে গেছে। একাত্তরে ভারত তাদের নেত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে আমাদের আশ্রয় দিয়েছে, খাবার দিয়েছে, অর্থ দিয়েছে, অস্ত্র দিয়েছে, ট্রেনিং দিয়েছে, বিশ্বজনমত পক্ষে টেনেছে। এমনকি মিত্রবাহিনীর হয়ে যুদ্ধে জীবন দিয়েছে। রক্তে লেখা একাত্তরের বন্ধু ভারত ও তার ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শিক রাষ্ট্রের বর্ণ অনেকটা এখন ধূসর করে ফেলেছে। তিস্তার পানি নিয়ে হোক, সীমান্ত হত্যা নিয়ে হোক, ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক দূতিয়ালি হবে, দেনদরবার হবে, তাদের কর্মকান্ডের নিন্দাও হবে; কিন্তু ভারতবিরোধিতা করতে গিয়ে লাখো শহীদের রক্তে পা দিয়ে, মা-বোনের সম্ভ্রমে পা দিয়ে পাকিস্তানকে বন্ধু বানাতে পারি না। এ কথাগুলো আর একাত্তরের পরাজিত পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর দোসর স্বাধীন বাংলাদেশের নিষিদ্ধ বিএনপির মিত্র জামায়াত এ দেশের মানুষের রাজনীতির কল্যাণের শক্তি হতে পারে না। এসব কথা বিভিন্ন টকশোয় বলায় ও বিভিন্ন কলামে লেখায় বিএনপি ও জামায়াতের দেশের বাইরে থাকা সাইবারযোদ্ধারা আর্তনাদ করে উঠেছেন। ভারতের তৃণমূল কংগ্রেসের পেজে দেওয়া বিজেপি নেতা বলে পরিচয় করানো এক মাতালের অশ্লীল নাচের ভিডিও লাল গোলাপের শফিক রেহমানের ডান হাত খ্যাত বিএনপির থিংক ট্যাংকের জি-৯-এর সদস্য বাংলাদেশ বিমান ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ থেকে বরখাস্ত রেজাউর রহমান মানিক তার ফেসবুক পেজে ভাইরাল করলে, তারা লুফে নিয়ে আমার নামে অপপ্রচার চালায়। শেখ হাসিনার চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে গত ১০ বছরে অনুপ্রবেশকারী থেকে দলের ভিতরে থাকা যারা দুর্নীতি করে কাঁচা টাকার দামি গাড়ি, বাড়ি, বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও দেশ-বিদেশে সম্পদ গড়েছেন তাদের চিহ্নিত করতে গেলে তারাও এটিকে ছড়িয়ে দেন। তাদের লুটের ভাগ না পাওয়া দুর্নীতিবাজ এ কালো শক্তির অন্ধ ভক্তরাও লাফালাফি করে। কিন্তু ওরা জানে না আমার ক্ষমতা নেই। আমার কোনো ক্ষমতাবান নেই। আমার অর্থ নেই, গানম্যান নেই। কিন্তু পেশাদারিত্বের ওপর দাঁড়ানো মানসিক শক্তির প্রাণপ্রাচুর্য এবং শক্তিশালী কলম ও কণ্ঠ রয়েছে। অভিশপ্ত ও দুর্নীতিবাজ দানবের সামনে কলম থামাতে আমি আসিনি। কণ্ঠ স্তব্ধ করতে আসিনি। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথার্থই বলেছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি ঘুমিয়ে থাকেন না। সব খবর রাখতে হয়। প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে হয়। প্রধানমন্ত্রী অনেক খবর রাখলেও সব খবর রাখা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তার সঙ্গে প্রেসবক্সে বসে বিসিবির পরিচালক হিসেবে ক্রিকেট খেলা উপভোগ করে খুনি বজলুল হুদার শ্যালক হানিফ ভূঁঁইয়া। খালেদা জিয়ার মাথায় ছাতা ধরা দেহরক্ষী লোকমান মোহামেডানের ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের অধিপতিই নয়, বিসিবির পরিচালক হয়ে তার বক্সে বসেও খেলা দেখে। বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করে। যুবদল থেকে যুবলীগে আসা বিশাল গানম্যান দল নিয়ে মোটরসাইকেল ও দামি গাড়িতে সাইরেন বাজিয়ে পূর্ত অধিদফতরে সব ঠিকাদারি নেয় জি কে শামীম। ফ্রীডম পার্টির ক্যাডাররা হয়ে যায় যুবলীগ, চাঁদাবাজ ও ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের মালিক। লোকমানকে আটকের সময় হাতকড়া পরানো হয়নি। যেন জামাই আদর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন না, সুনামগঞ্জের মতো জেলা নেতৃত্বে বাপ আওয়ামী লীগের মরহুম নেতা বলে যে ছেলেটিকে নেতা-কর্মীদের আপত্তির মুখে নেতৃত্বে বসান সেই কালো কুৎসিত দুর্নীতিবাজ দলকেই শেষ করেনি নিজে অঢেল অর্থ বাড়ি, গাড়ি, দামি বিলাসি ফ্ল্যাট ও বিদেশে সম্পদ গড়েছে ১০ বছরে। এমনকি লন্ডনে তারেক রহমানের ডান হাত ও শেখ হাসিনার গাড়িবহর ও হাইকমিশনে হামলাকারী বিএনপি নেতার সঙ্গে কোম্পানি করেছিল জগন্নাথপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পদ লুটপাটের জন্য। এসব বিশ্বাসঘাতক দুর্নীতিবাজদের অন্ধ ভক্তরাও বিএনপি-জামায়াতের সাইবার অপপ্রচারের নোংরা প্রচারণায় আমাদের বিরুদ্ধে শরিক হয়। বিএনপি-জামায়াতের অভিশপ্ত আস্তানায় আওয়ামী লীগের কারা যোগাযোগ রাখে নিয়মিত? এ প্রশ্ন আজ সবচেয়ে ভয়ঙ্কর! একজন লোকমান, একজন জি কে শামীম আজ ধরা পড়েছে। এমন জি কে শামীম ও লোকমানরা আজ কতজন ক্ষমতার বাণিজ্যের বাজিকর। বিএনপি-জামায়াতের আস্তানায় দেয় টাকা? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদেশ সফরকালে দেশের বড় বড় শিল্পপতিকে দেখা যায় না। যাদের নিয়ে গেলে বিদেশি বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনেক জানেন কিন্তু সব জানেন না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অবিচল, শেখ হাসিনার লড়াইয়ের সতীর্থরা মিথ্যা নোংরা বিএনপি-জামায়াতের সাইবার আক্রমণের শিকার হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও কেন নীরব থাকে আমি বুঝি না! তবে আমরা আশাবাদী জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মাদকের মতো দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে তিনি বিজয়ী হবেন এবং সুশাসনের সুবাতাস বইয়ে দেবেন দেশের রাজনীতিকে পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া আদর্শিক জায়গায়। সৎ, নির্লোভ নেতা-কর্মীদের হাত ধরে তুলে আনবেন। বাঙালির মহত্তম নেতা বঙ্গবন্ধু ও গৌরবের অর্জন মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকারিত্বের একমাত্র বাতিঘর তিনি। শপথ নেওয়ার সময় আজ, অভিশপ্ত কালো শক্তির দিন শেষ, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বাতিঘর মুজিবকন্যার আলোতেই আলোকিত হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ। লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।

আজকের মোট পাঠক

32582

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত