বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১

ভবিষ্যতের মহামারী হতে পারে আরও প্রাণঘাতী: গিলবার্ট

৭ ডিসেম্বর ২০২১ , মঙ্গলবার , আন্তর্জাতিক ডেস্ক , নিউজ একাত্তর : আগামী দিনের মহামারী করোনাভাইরাস সংকটের চেয়েও বেশি প্রাণঘাতী হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন অক্সফোর্ড-এস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকা উদ্ভাবনকারী বিজ্ঞানীদের অন্যতম প্রফেসর সারা গিলবার্ট। অক্সফোর্ডের ৪৪তম রিচার্ড ডিম্বলবি লেকচারে গিলবার্ট একথা বলেছেন। তিনি বলেন, মহামারী ঠেকানোর প্রস্তুতিতে আরও অর্থ প্রয়োজন। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যে অগ্রগতি হয়েছে তা হারিয়ে যেতে দেওয়া উচিত নয়। বিবিসি জানায়, করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়েও সতর্কতা উচ্চারণ করে গিলবার্ট বলেছেন, এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকা কম কার্যকর হতে পারে। এ ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা না যাওয়া পর্যন্ত সচেতনতা অবলম্বন করা উচিত। তিনি বলেন, আমাদের জীবন-জীবিকাকে হুমকিতে ফেলা এই ভাইরাসই শেষ নয়। প্রকৃত সত্য হল- এর পরে আরও খারাপ ভাইরাস আসতে পারে, যা হতে পারে আরও বেশি মাত্রায় সংক্রামক অথবা প্রাণঘাতী কিংবা দুই-ই। ওমিক্রন সম্পর্কে তিনি বলেন, এর স্পাইক প্রোটিনে রূপান্তর ঘটার কারণে এ ভাইরাস অধিক মাত্রায় সংক্রামক। তথ্য উপাত্ত থেকে বোঝা যায়, এই ধরনটি কোভিড টিকা এবং দেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যেতে পারে। তবে এতে যে গুরুতর অসুস্থতা কিংবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে টিকার সুরক্ষা মিলবে না তাও নয়। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত এই ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা না যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে গিলবার্ট বলেন, এমন সব পদক্ষেপ নেওয়া উচিত যাতে এই ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার কমানো যায়।...

ডেল্টা-বিটার তুলনায় তিনগুণ বেশি শক্তিশালী ওমিক্রন: গবেষণা প্রতিবেদন

৩ ডিসেম্বর ২০২১ , শুক্রবার , আন্তর্জাতিক ডেস্ক , নিউজ একাত্তর : দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা বৃহস্পতিবার প্রাথমিক এক সমীক্ষায় বলেছে, ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট ডেল্টা ও বিটার তুলনায় তিন গুণের বেশী পুনঃসংক্রমণ ঘটাতে পারে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থেকে সংগৃহিত তথ্য উপাত্ত এবং প্রথম মহামারি সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে পূর্বের সংক্রমন থেকে ইমিউনিটি এড়াতে ওমিক্রনের সক্ষমতা যাচাই করে এই ফলাফল পাওয়া যায়। এই গবেষণা প্রতিবেদন রিভিউয়ের আগে মেডিকেল সার্ভারে আপলোড করা হয়েছে। এখনো গবেষণার পর্যালোচনা সম্পন্ন হয়নি। গত ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত আক্রান্ত ২৮ লাখ লোকের মধ্যে ৩৫ হাজার ৬৭০ জন পুনঃসংক্রমিত হয়েছেন। ৯০ দিনের ব্যবধানে আক্রান্ত হলে সেগুলোকে পুনরায় সংক্রমন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার ডিএসআই-এনআরএফ সেন্টার অব এক্সিলেন্স ইন এপিডোমিওলজিক্যাল মডেলিং অ্যান্ড এনালাইসিস পরিচালক জুলিয়েট পুলিয়াম এক টুইটে বলেছেন, সাম্প্রতিক পুনঃসংক্রমণ এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ঘটেছে যাদের প্রাথমিক সংক্রমন পূর্ববর্তী তিনটি করোনা ঢেউ জুড়ে ঘটেছে। এদের মধ্যে ডেল্টা ভেরিয়েন্টে সংক্রমিতরা বেশী পুনঃআক্রান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, যাদের পূর্ব সংক্রমনের ইতিহাস রয়েছে এবং ওমিক্রন সংক্রমণের তীব্রতার সাথে সম্পর্কিত তাদের ডাটা জরুরিভাবে প্রয়োজন।...

২০২২ সালে জরুরি মানবিক সহায়তার জন্য ৪ হাজার ১শ কোটি ডলার তহবিল চেয়েছে জাতিসংঘ

২ ডিসেম্বর , বৃহস্পতিবার , আন্তর্জাতিক ডেস্ক , নিউজ একাত্তর : জাতিসংঘ বৃহস্পতিবার বলেছে, মহামারি অব্যাহত থাকায় ক্ষোভ এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও সংঘাত আরো বেশী মানুষকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দেয়ায় বিশ্বব্যাপী আকাশচুম্বি সাহায্যের প্রয়োজন মেটাতে সংস্থাটি ৪ হাজার ১শ কোটি ডলার সহযোগিতা চেয়েছে। জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএর (অফিস ফর দ্যা কোঅর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান এফেয়ার্স) অনুমিত হিসাবে আগামী বছরে বিশ্বব্যাপী প্রতি ২৯ জনের একজন করে ২৭ কোটি ৪০ লাখ লোকের জরুরি সহায়তার প্রয়োজন হবে, যা ২০২১ সালের চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশী। ইতোমধ্যেই ২০২১ সালের চাহিদার হিসাবে রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।...

আজারবাইজানে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ১৪

১ ডিসেম্বর , বুধবার , আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নিউজ একাত্তর : আজারবাইজানে প্রশিক্ষণের সময় একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে ১৪ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এপি। এছাড়া এই দুর্ঘটনা আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজারবাইজানের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ও প্রসিকিউটর জেনারেলের অফিস থেকে যৌথবিবৃতি বলা হয়, আজারবাইজানের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর হেলিকপ্টারটি মঙ্গলবার সকালে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখন নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েব ও তার স্ত্রী মেখরিবান আলিয়েভা। ...

আউটার স্টেডিয়ামে জমে উঠেছে- পণ্যমেলা

৭ ডিসেম্বর ২০২১ , মঙ্গলবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : করোনার কারণে হয়নি লালদীঘির জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা। যে মেলা থেকে চট্টগ্রামের মানুষ সংগ্রহ করে বছরের গৃহস্থালি সামগ্রী। এ ঘাটতি পূরণে ভিড় বাড়ছে আউটার স্টেডিয়ামে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়মেলার পণ্যমেলায়। টিকিট ছাড়া এ মেলায় ভিড় যেমন বাড়ছে, তেমনি বেচাকেনাও। সরেজমিন দেখা গেছে, জামদানি শাড়ি থেকে বিশাল এলইডি টিভি- কী নেই মেলায়! মাটির তৈরি তৈজসপত্র, শিশুদের খেলনা, মেয়েদের গহনা, শাল, থ্রিপিস, জুতা, গৃহস্থালি সামগ্রী, আচার, মুখরোচক খাবার, মুড়ি-মুড়কি, পিঠাপুলিসহ বিভিন্ন ধরনের স্টল রয়েছে। শিশুদের জন্য কয়েকটি রাইডও রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে। মেলার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে একমাত্র মাটির তৈরি সামগ্রীর স্টল। সেখানে বঙ্গবন্ধুর একটি প্রতিকৃতি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকায়। মাদারবাড়ী থেকে মেলায় এসেছেন আলিয়া বেগম। তিনি বলেন, মোটামুটি ভালো মানের পণ্যসামগ্রী এসেছে মেলায়। কয়েকটি স্টল আছে একদামের। বাকিগুলোতে দরকষাকষি করে কিনতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা, সংসারের টুকিটাকি প্রায় সব জিনিসই মিলছে এবারের মেলায়। প্রায় সব ধরনের স্টলেই দর্শক ক্রেতা থাকলেও দক্ষিণ প্রান্তে শ্বশুর বাড়ির পিঠার স্টলে ভিড় উপচে পড়া। ক্রেতাদের চোখের সামনে কারিগররা তৈরি করে দিচ্ছেন মজাদার ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, পুলিসহ রকমারি পিঠা। ৩০ টাকায় একেকটি পিঠা হচ্ছে এ স্টলে। মেলার ইজারাদার হাজি মো. সাহাবউদ্দিন জানান, একটি প্যাভেলিয়নসহ ২০০ ছোট-বড় স্টল রয়েছে এবারের মেলায়। করোনাকাল হওয়ায় মেলা আসা দর্শক-ক্রেতাদের প্রবেশমুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক আর্চওয়ে বসানো হয়েছে। ঢোকা ও বের হওয়ার পথ আলাদা করা হয়েছে। তিনি জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা ভালো মানের পণ্যসামগ্রী নিয়ে এসেছেন। তাই সাড়াও পাচ্ছেন বেশ। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বীর বাঙালির অহংকার স্লোগানে ডিসেম্বরের প্রথম দিন উদ্বোধন হয়েছে পণ্যমেলার। রোববার ও সোমবার (৫-৬ ডিসেম্বর) ঘূর্ণিঝড় ও নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টির কারণে কিছুটা ছন্দপতন হলেও বেচাকেনা তেমন একটা কমেনি। বিক্রেতারা আশা করছেন, মাসব্যাপী মেলায় তারা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।...

শেরপুর মুক্ত দিবস উদযাপন

৭ ডিসেম্বর ২০২১ , মঙ্গলবার , শেরপুর প্রতিনিধি , নিউজ একাত্তর : শেরপুরে মুক্ত দিবস উদযাপন করা হয়েছে আজ। ১৯৭১ সালের এ দিনে শেরপুর অঞ্চলকে শক্রমুক্ত করা হয়। দেশের সীমান্তবর্তী এ জেলায় প্রথম শক্রমুক্ত হয় ৪ ডিসেম্বর ঝিনাইগাতী, ৬ ডিসেম্বর মুক্ত হয় শ্রীবরদী উপজেলা এলাকা। এর পরদিন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করা হয় শেরপুর অঞ্চলকে। আজ ৭ ডিসেম্বর সকালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আয়োজনে বিজয়র‌্যালি ও আলোচনা সভা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুইপ আতিউর রহমান । আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক মোমিনুর রশিদ। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় মিত্রবাহিনীর প্রধান জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে হেলিকপ্টারযোগে এসে নামেন এবং এক স্বতস্ফূর্ত সমাবেশে তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া এখন মাত্র সময়ের ব্যাপার। আমরা দেশকে স্বাধীন করার জন্য শুধু সহযোগিতা করেছি; কিন্তু দেশকে এখন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আপনাদের। শেরপুরকে হানাদার মুক্ত বলে ঘোষণা দেন। এ সময় তার সাথে আরও দুটি হেলিকপ্টারের বিবিসি তৎকালীন সংবাদদাতা মার্কটালী সহ দেশ বিদেশী সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। শেরপুরকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্ত অঞ্চল ঘোষণা করে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন আজিজ। ক্যাপ্টেন আজিজ জন্মস্থান জামালপুর জেলার নান্দিনা এলাকায়। সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের শেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আখতারুজ্জামান জানান, মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৯ মাসে বর্তমান শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় ৩০ থেকে ৪০টি খন্ডযুদ্ধ হয়। এসব যুদ্ধে ৫৯ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এ ছাড়া পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার শিকার হয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলার সোহাগপুর গ্রামে ১৮৭ জন, শেরপুর সদর উপজেলার সূর্যদী গ্রামে ৩৯ জন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার জগৎপুর গ্রামে ৪১ জন শহীদ হন। সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার নূরুল ইসলাম হিরু বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী শেরপুর শহরে প্রবেশ করে। বিভিন্ন স্থানে গড়ে তোলে ঘাঁটি। শেরপুর জেলা শহরের নয়ানী বাজারে টর্চার সেল ও ঝিনাইগাতী উপজেলার আহম্মদনগর উচ্চবিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ঘাঁটিতে চালায় অমানবিক অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞ। অন্যদিকে স্বল্প সময়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা আঘাত হানতে থাকে শত্রু শিবিরে। নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই শত্রু বাহিনীর পায়ের তলা থেকে মাটি সরতে থাকে। ১১ দিন অবরোধ থাকার পর ৪ ডিসেম্বর এ ঘাঁটির পতন হয়। মোট ২২০ জন পাকিস্তানি সেনা এবং বিপুল সংখ্যক রেঞ্জার, মিলিশিয়া ও রাজাকার বিপুল অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। কামালপুর মুক্ত হওয়ার পর হানাদার বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ে। অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধারা মিত্র বাহিনীর সহায়তায় শেরপুরে হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে আক্রমণ চালায়। কামালপুর দুর্গ দখল হওয়ার প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীর সকল ক্যাম্প ধ্বংস হয়। অবশেষে পাক সেনারা ৬ ডিসেম্বর রাতের আধারে শেরপুর শহরের ওপর দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পাড়ি দিয়ে জামালপুর পিটিআই ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়। পরদিন ৭ ডিসেম্বর মুক্ত হয় শেরপুর।...

বরগুনায় পৌর নাগরিকদের জন্য মেয়রের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

৩ ডিসেম্বর ২০২১ , শুক্রবার , বরগুনা প্রতিনিধি , নিউজ একাত্তর : পৌর নাগরিকদের জন্য ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করেছেন বরগুনার পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ। শুক্রবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্স চত্বরে তিনি ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবার উদ্বোধন করেন। অত্যাধুনিক এ অ্যাম্বুলেন্সে রয়েছে আধুনিক সব ফিচার। এখন থেকে বরগুনা পৌরসভার সব নাগরিক বিনামূল্যে তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে পারবেন। এতে যেমন সময় সাশ্রয় হবে, তেমনি আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল নাগরিকরাও পাবেন তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা। উপস্থিত নাগরিক মুশফিক জানান, এটি তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। অবশেষে নগরবাসীর স্বপ্ন পূরণ হলো। আগে কেউ অসুস্থ হলে এদিক-সেদিক ফোন করতে হতো, আবার কোনো কোনো সময় বিভিন্ন অজুহাতে অ্যাম্বুলেন্সের কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দাবি করত। এখন আর আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হবে না। বরগুনা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিনামূল্যে পৌর নাগরিকদের জন্য ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা হয়েছে, যাতে পৌর নাগরিকরা সেবা পান। এটি ছিল আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার। পৌরবাসীর দোয়ায় আমি সেই অঙ্গীকার পূরণ করতে পেরেছি। পৌরসভার কোনো নাগরিক এখন আর বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবেন না বলে আশা করি। এ সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বরগুনা পৌরসভার সব কাউন্সিলর, সামাজিক সংগঠনের সদস্যসহ জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও নাগরিকরা। ...

জনগণের সুন্দর জীবন নিশ্চিতে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী

৩০নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , চাঁদপুর প্রতিনিধি , নিউজ একাত্তর : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের উন্নত ও সুন্দর জীবন নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করছেন। যেন দেশের প্রতিটি মানুষ উন্নত ও সুন্দর জীবন পায়। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার কাঞ্চন ও গাজীপুর ইউনিয়নের অফ গ্রিড (চর) প্রত্যন্ত এলাকায় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আজকের এ উদ্বোধন তারই একটি উজ্বল প্রমাণ। সব মিলিয়ে প্রত্যন্ত এ চরের ৮ হাজার পরিবার বিদ্যুতের সংযোগ পেয়েছে। যা আগে কখনো মানুষ চিন্তাই করতে পারেনি। যেখানে গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব না সেখানে অফ গ্রিডে কী করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। আগে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। এখন চরেও সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে নদীর তলদেশ দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, হাইমচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারী, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, নৌ পুলিশের এসপি মোহাম্মদ কামরুজ্জামানসহ আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ৪৯টি গ্রামের ২০০১ জন গ্রাহক বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। ৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটির সাবমেরিন ক্যাবল লাইন নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।...

ইউপি নির্বাচন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আওয়ামী লীগের ১৬ বিদ্রোহী প্রার্থী বহিস্কার

২৭নভেম্বর ২০২১, শনিবার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি , নিউজ একাত্তর: রবিবার (২৮ নভেম্বর) তৃতীয়ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে গত শুক্রবার উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ১৬জন বিদ্রোহী প্রার্থীদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের লিখিত সুপারিশের প্রেক্ষিতে শুক্রবার জেলা আওয়ামী লীগ তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। দল থেকে বহিষ্কৃতরা হলেন, সরাইল সদর ইউনিয়নে আবদুল জব্বার (চশমা প্রতীক) ও হাজী ইউনুছ মিয়া ওরফে ইনু মিয়া (আনারস প্রতীক), পানিশ্বর ইউনিয়নে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিষ্টার (মোটর সাইকেল প্রতীক), শাহজাদাপুর ইউনিয়নে আঙ্গুর মিয়া খাদেম (আনারস প্রতীক), রফিকুল ইসলাম খোকন (মোটর সাইকেল প্রতীক), শাহবাজপুর ইউনিয়নে মাসুদ রানা রুবেল (আনারস প্রতীক), রাজী আহমেদ রাজ্জি (অটো রিক্সা প্রতীক), নোয়াগাঁও ইউনিয়নে আফতাব মিয়া (আনারস প্রতীক), এমরান মিয়া (টেলিফোন প্রতীক), কাজল চৌধুরী (অটোরিক্সা প্রতীক), সাইমন মিয়া (ঘোড়া প্রতীক), পাকশিমুল ইউনিয়নে আলফু মিয়া (ঘোড়া প্রতীক), আবদুল্লাহ মিয়া (চশমা প্রতীক) কুতুবুল আলম (দুটি পাতা প্রতীক), আবুল কাশেম (অটোরিক্সা প্রতীক) ও চুন্টা ইউনিয়নে হুমায়ূন কবির (আনারস প্রতীক)। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের এসব নেতা-কর্মী বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দলের পক্ষ থেকে বারবার তাদেরকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে বলা হয়। কিন্তু তারা দলীয় নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় গঠনতন্ত্রের ৪৭ ধারা মোতাবেক তাদের প্রত্যেককে দল থেকে বহিস্কারপূর্বক দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। ...

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে- অথবা ডটকমর বিশেষ মূল্যছাড় ক্যাম্পেইন

৩০নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , অর্থনীতি ডেস্ক , নিউজ একাত্তর : প্রতিষ্ঠার ছয় বছর অতিক্রম করছে দেশের অনলাইন কেনাকাটার জনপ্রিয় সাইট- অথবা ডটকম। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে- অথবা ডটকম ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে বিশেষ মূল্যছাড় ও অফার। রোববার (২৮ নভেম্বর) অথবা ডটকম-এর প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং অনুষ্ঠানে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ অফার ও মূল্যছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়। অথবা ডটকম-এর হেড অব বিজনেস নূর মোহাম্মদ রাসেল বলেন, অথবা ডটকম-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চলছে ছয়দিনের বিশেষ ক্যাম্পেইন। এর আওতায় থাকছে ছয় বছরের সঙ্গে মিল রেখে ছয় টাকায় পণ্য, ছয় টাকায় ডেলিভারি চার্জ, ছয়জনের বাজিমাত অফার, অথবা জাদুর বাক্স, সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় ও নতুন গ্রাহকদের রেজিস্ট্রেশনের ওপর ৬৬ টাকা মোবাইল রিচার্জসহ আকর্ষণীয় সব অফার। এ ক্যাম্পেইন ২৮ নভেম্বর শুরু হয়ে চলবে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বর্ষপূর্তির সব অফার www.othoba.com/othoba-6th-anniversary এ লিংকে গিয়ে পাওয়া যাবে। ...

অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে চা আমদানি বাড়াচ্ছে ভারত

২৭নভেম্বর ২০২১, শনিবার, অর্থনীতি ডেস্ক , নিউজ একাত্তর: টানা দুই বছরের মতো বেড়েছে ভারতের চা আমদানি। চলতি বছর দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অপ্রত্যাশিত বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চা উৎপাদন। যে কারণে স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে ভাটা পড়েছে পণ্যটির রফতানিতে। জানা যায়, আগের বছরের তুলনায় ২০২০ সালে ভারতে চা আমদানি ৪৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩৪ লাখ কেজিতে। পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় চলতি বছর আগস্টের শেষ নাগাদ ভারতের চা আমদানির পরিমাণ ৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১ কোটি ৭০ লাখ কেজি। প্রধানত আফ্রিকা, ভিয়েতনাম ও নেপাল থেকে চা আমদানি করে থাকে ভারত। চা উৎপাদকদের মতে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) আওতায় নেপাল থেকে সস্তা দরে চা আমদানি করে এগুলো দার্জিলিং চা হিসেবে বিক্রি করা হয়। ভারতীয় চা বোর্ড জানায়, আমদানি করা চা ভারতীয় চা হিসেবে পাশ করালে আমদানিকারকের লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত করা হবে। ভারতের চা অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুজিত পাত্র বলেছেন, আমরা এখনো জানি না পুনরায় রফতানির জন্য কী পরিমাণ চা আমদানি হয়েছে। আর কী পরিমাণ চা স্থানীয় বাজারে ছড়িয়ে গেছে। ভারতের চা রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান অংশুমান ক্যানোরিয়া জানিয়েছেন, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বছরওয়ারি জাহাজীকরণ ১২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৮ লাখ কেজি। ২০২০ সালের প্রথম সাত মাসে রফতানি নেমে আসে ২০ কোটি ৯৭ লাখ কেজিতে। চলতি বছর ভারতের রফতানিকৃত চায়ের পরিমাণ ২০ কোটি কেজিতে পৌঁছার জন্য প্রচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেন অংশুমান ক্যানোরিয়া। ...

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ ডিসেম্বর: শিক্ষামন্ত্রী

১৮নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , শিক্ষা ডেস্ক , নিউজ একাত্তর : এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ২ ডিসেম্বর। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ জন। ছাত্রী ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২ জন। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী তার দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষা দিছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন। ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন। ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন। এছাড়া এইচএসসি ( বিএম/ ভোকেশনাল) পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন। ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন। - নিউজ একাত্তর/এম.পিএইচ...

প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

১৪নভেম্বর ২০২১, রবিবার , শিক্ষা ডেস্ক , নিউজ একাত্তর, ঢাকা: দীর্ঘ ২০ মাস পর শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কেউ প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সুযোগ নেই। গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা রয়েছে, কেউ যেন কান না দেন। যারা গুজব ছড়াবে কিংবা ফাঁসের চেষ্টা চালাবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টা করে আমাদের সন্তান যারা ক্ষতি করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সকালে পরীক্ষার প্রথমদিন রাজধানীর মতিঝিল বয়েজ স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম চালু হলে শিক্ষাব্যবস্থা সে অনুযায়ী চলবে। তখন জেএসসি পরীক্ষা থাকার কথা নয়। তবে তখন ভিন্নভাবে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে বাইরে অভিভাবকরা যেখানে দাঁড়াচ্ছেন, সেখানে অনেক ভিড়। সেখানে হয়তো তারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। আমরা আগেও অনুরোধ জানিয়েছিলাম, আবার অনুরোধ জানাবো বাইরে যেখানেই থাকবেন, ভিড় বা জটলা করবেন না। এসময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। - নিউজ একাত্তর/এম.ই...

লঙ্কান ঘূর্ণিতে হোয়াইটওয়াশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

৩ ডিসেম্বর ২০২১ , শুক্রবার , স্পোর্টস ডেস্ক , নিউজ একাত্তর : টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরের শুরুটা দুর্দান্ত করলো শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। নিজেদের ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে দিমুথ করুনারাত্নের দল। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচের শেষ লঙ্কান স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ক্যারিবীয়রা। দুই স্পিনার লাসিথ এম্বুলদেনিয়া ও রমেশ মেন্ডিসের ঘূর্ণিতে মাত্র ১৩২ রানেই অলআউট হয়েছে সফরকারীরা। শ্রীলঙ্কা পেয়েছে ১৬৪ রানের জয়। গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচটি জিততে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিল ২৯৭ রান। কিন্তু তাদেরকে সে পথে হাঁটার কথা ভাবতেও দেয়নি শ্রীলঙ্কা। ডানহাতি-বাঁহাতি ঘূর্ণি জাদুতে সিরিজের দুই ম্যাচ থেকে পূর্ণ ২৪ পয়েন্ট আদায় করে নিয়েছে স্বাগতিকরা। আগের দিন করা ৮ উইকেটে ৩২৮ রান নিয়ে আজকের খেলা শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকে ৯ উইকেটে ৩৪৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা দেয় তারা। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ধনঞ্জয় ডি সিলভা অপরাজিত থেকে যান ১৫৫ রান করে। ২৯৭ রানের লক্ষ্য খেলতে নেমে শুরু থেকেই দ্বিতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের আভাস দিয়েছিলেন এনক্রুমাহ বোনার ও জার্মেইন ব্ল্যাকউড। ইনিংসের সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন বোনার, ব্ল্যাকউডের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান। এছাড়া আর কেউই স্পিনের সামনে টিকতে পারেনি। শেষতক ৫৬.১ ওভারে ১৩২ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। রমেশ ৬৬ রানে ৫ ও এম্বুলদেনিয়া ৩৫ রানে নেন ৫ উইকেট। ম্যাচ বাঁচানো ১৫৫ রানের ইনিংসের সঙ্গে পাঁচটি ক্যাচ ধরায় ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ধনঞ্জয়। এই ম্যাচে ১১ উইকেটসহ মোট ১৮ উইকেট নেওয়ায় সিরিজসেরা নির্বাচিত হয়েছেন রমেশ মেন্ডিস।...

ফেব্রুয়ারিতে আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে ক্লাব বিশ্বকাপ

৩০নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , স্পোর্টস ডেস্ক , নিউজ একাত্তর : করোনা মহামারির কারনে পিছিয়ে যাওয়া ক্লাব বিশ্বকাপ ২০২১র তারিখ ঘোষনা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রন সংস্থা ফিফা। নতুন তারিখ অনুযায়ী আগামী বছর ৩-১২ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। এখানে সুযোগ পাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপাধারী চেলসিকে এ কারনে প্রিমিয়ার লিগের দুটি ম্যাচ বাতিল করতে হবে। জুরিখে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের ড্র অনুষ্ঠানের ঘন্টাখানেক আগে এই তারিখ ঘোষনা করা হয়। সাত দলের অংশগ্রহনে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। শনিবার কোপা লিবারটেডরস চ্যাম্পিয়ন হবার সুবাদে পালমেইরাস এই ক্লাব বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বিজয়ী হিসেবে চেলসি তো রয়েছেই। চেলসি ও পালমেইরাস সরাসরি সেমিফাইনালে খেলবে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি প্রিমিয়ার লিগে ব্রাইটনের বিপক্ষে এ্যাওয়ে ম্যাচের পর ১২ ফেব্রুয়ারি আর্সেনালকে আতিথ্য দেবার কথা রয়েছে চেলসি। এই দুটি ম্যাচের তারিখ এখন পুন:নির্ধারিত করতে হবে। ক্লাব বিশ্বকাপে অংশ নেয়া অপর দলগুলো হলো আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন আল আহলি, এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন আল হিলাল, কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী মনটেরি, ওশেনিয়া চ্যাম্পিয়ন অকল্যান্ড সিটি প্লাস ও স্বাগতিক দেশের লিগ শিরোপা বিজয়ী আল জাজিরা। কোভিড-১৯ মহামারীর কারনে ২০২১ ক্লাব বিশ্বকাপ দুইবার পিছিয়ে শেষ পর্যন্ত আগামী বছর অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হলো। মূলত জুন-জুলাইয়ে চায়নায় এই টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। কিন্তু ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ ও কোপা আমেরিকা এক বছর পিছিয়ে যাওয়ায় ক্লাব বিশ্বকাপ স্থগিত করা হয়। এরপর ডিসেম্বরে জাপানে অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও তিন মাস আগে মহামারীর কারনে ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা জারী করায় সেটাও বাতিল হয়ে যায়। ...

বীজন নাট্য গোষ্ঠীর নতুন কমিটি গঠন

২৬নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার , শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর: নাট্য চর্চাই আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির ঐতিহ্য- এ স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন কমিটি গঠন করেছে- বীজন নাট্য গোষ্ঠী। এ লক্ষ্যে শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) সকালে রুপায়ন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর (সংরক্ষিত) আবিদা আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বীজন নাট্য গোষ্ঠীর উপদেষ্টা গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, এডভোকেট উত্তম কুমার দত্ত, নাট্যজন শেখ শওকত ইকবাল চৌধুরী, আশরাফুল করিম সৌরভ। উপস্থিত ছিলেন ইকবাল হোসেন সাইফুল, খলিলুর রহমান, দোলন দেব, মুজিবর রহমান মুজিব, সাহাবউদ্দিন, এমরান হোসেন পাটোয়ারী। সভায় দুইটি পথ নাটক নিয়ে দ্রুত কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় দল পরিচালনার জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে রয়েছেন দল প্রধান মোশারফ ভূঁইয়া পলাশ, সহ দল প্রধান (১) রুপায়ন বড়ুয়া, সহ দল প্রধান (২) শামসুল আরেফিন শাকিল, সহ দল প্রধান (৩) মোহাম্মদ আলী ভূৃঁইয়া নিশান, সহ দল প্রধান (৪) ওমর ফারুক, সহ দল প্রধান (৫) সিপ্রা অর্থি, সাধারণ সম্পাদক আহমেদ কামাল আফতাব, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ ভূঁইয়া, অর্থ সম্পাদক মর্জিনা তানজিনা লুনা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শাহিন আক্তার, কার্যকরী সদস্য ইমাম হোসেন রাসেল, প্রান্ত শর্মা, পারভেজ চৌধুরী, মান্নান হিমেল, সৌরভ পাল, জয়নাল আবেদিন, আবদুল মান্নান, ঐশী, অপরুপ, মোহাম্মদ শাহিন, সুমন, এমরান, দিনা, মুন্না, শুভ্র। ...

বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে কনা

২২নভেম্বর ২০২১, সোমবার , শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গন ডেস্ক , নিউজ একাত্তর: এই সময়ের নন্দিত সঙ্গীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা আগামী বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। যা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে। এশিয়াটিক ইভেন্ট আয়োজিত বিশেষ এই অনুষ্ঠানে কনার পাশাপাশি আরো অনেক সঙ্গীতশিল্পীই সঙ্গীত পরিবেশন করবেন বলে জানিয়েছেন কনা। কনা বলেন, এবারের বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করতে যাচ্ছি। জন্মের পর থেকে যেসব গান শুনে বড় হয়েছি, বেড়ে উঠেছি সেসব গানই গাইবো আমরা সবাই। গানগুলোর নতুন করে সঙ্গীতায়োজন করছেন আমাদের সবার প্রিয় শ্রদ্ধেয় বাপ্পা মজুমদার দাদা। এরইমধ্যে আমরা রিহার্সেলেও অংশ নিয়েছি। আমরা এই অনুষ্ঠানটি নিয়ে ভীষণ উচ্ছসিত। আশা করছি একটি চমৎকার অনুষ্ঠান হবে বিজয় দিবসের বিশেষ এই অনুষ্ঠানটি। কনা জানান, চল চল চল, আমি কোথায় পাবো তারেসহ আরো বেশকিছু গান বিজয় দিবসের বিশেষ এই অনুষ্ঠানে শিল্পীরা পরিবেশন করবেন। এদিকে আগামী ২৫ নভেম্বর রাজধানীর মিরপুর ক্যান্টনম্যান্টে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন কনা ও ইমরান। এছাড়া আগামী ২৫ ডিসেম্বরও একটি স্টেজ শো-তে পারফর্ম করবেন কনা। মূলকথা, স্টেজ শো-র মৌসুম শুরু হবার পর কনা আবারো স্টেজ শোতে পুরোনো ছন্দেই ফেরার চেষ্টা করছেন। স্টেজ শো-র পাশাপাশি তিনি নিয়মিত মৌলিক গান, সিনেমার গান ও জিঙ্গেলেও ভয়েজ দিচ্ছেন। এসব নিয়ে তার নিয়মিত ব্যস্ততাতো রয়েছেই। কিছুদিন আগে কনা ও ইমরানের কন্ঠে প্রকাশিত হয়েছে রবীন্দ্র সঙ্গীত- আমারো পরাণো যাহা চায় গানটি। এই গানটি শ্রোতা দর্শকেরা কনা ইমরানের কন্ঠে শুনে মুগ্ধ হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এছাড়াও ইউটিউবে এরইমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে কনার নতুন গান- ফিরে যেতে চাই আমি গানটির মিউজিক ভিডিও। গানটি লিখেছেন শামীম রেজা, সুর করেছেন লুৎফর হাসান ও শান এবং মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন শান। এরইমধ্যে কনা ইমরানের সুর সঙ্গীতে কবির বকুলের লেখায় সাইকো সিনেমায়- আহারে গানটি গেয়েছেন। এছাড়াও গলুই সিনেমাতে ইমন সাহার সুর সঙ্গীতে কনা ও ইমরান গান গেয়েছেন। ...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

মুরাদের বক্তব্য: বিএনপির সাবেক নারী এমপিদের প্রতিবাদ

৭ ডিসেম্বর ২০২১ , মঙ্গলবার , অনলাইন ডেস্ক , নিউজ একাত্তর : খালেদা জিয়ার নাতনী এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের বিরুদ্ধে ডা. মুরাদ হাসানের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি দলীয় সাবেক নারী সংসদ সদস্যরা। সোমবার (৬ডিসেম্বর) বিএনপি দলীয় সাবেক নারী এপিদের পক্ষে শাম্মী আকতার এক বিবৃতিতে বলেন, মুরাদ হাসান রাজনীতি করেন। একটা দলের পদ-পদবিতে আছেন। যেভাবেই হোক তাকে জাতীয় সংসদে সদস্য ও সরকারের প্রতিমন্ত্রীর পদে বসানো হয়েছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় মুরাদ বেতন পান ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। এই ব্যক্তিটি সরকারি পদে আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়েছেন। কাজেই সে শপথ, আইন, সংবিধান লংঘন করতে পারেন না। করলে আইন অনুযায়ী তার প্রতিকার ও প্রতিবিধানের দায়িত্ব সরকারের। তারা বলেন, জাইমা রহমানের পারিবারিক পরিচয় যাই হোক তিনি রাজনীতি করেন না এবং পাবলিক ডমেইনের অন্তর্ভুক্ত নন। জাইমা একজন প্রাইভেট সিটিজেন ও নারী। তার সম্পর্কে কুৎসিত, কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল, মিথ্যা, বর্ণবাদী ও নারীবিদ্বেষী মানহানিকর কুৎসা প্রচার করে মুরাদ তার শপথ, দেশের প্রচলিত অনেকগুলো আইন এবং সংবিধান লংঘন করেছেন। সমাজকে কলুষিত ও দেশের নাগরিকদের প্রকাশ্যে হেয় ও অসম্মান করেছেন। এমন বিপজ্জনক ব্যক্তি এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার জন্য অনুপযুক্ত ও অযোগ্য। তাকে দ্রুত রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সব পদ থেকে অপসারণ করে দেশের আইন মোতাবেক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি। না হলে এই ঘৃণ্য অপরাধীর দায় সরকারের ওপরেই বর্তাবে। বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করছেন তারা হলেন, সাবেক এমপি সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা সুলতানা আহমেদ, সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, নিলোফার চৌধুরী মনি, হেলেন জেরিন খান, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, বিলকিস ইসলাম, নেওয়াজ হালিমা আরলি, ফাহিমা হোসেন জুবলি, ইয়াসমিন আরা হক, রেজিনা ইসলাম, জাহান পান্না, অ্যাডভোকেট রীনা পারভীন ও শাম্মী আক্তার।...

সারাদেশেই ছাত্রদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করতে হবে: জিএম কাদের

১ ডিসেম্বর , বুধবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, শুধু রাজধানী নয়, সারাদেশেই শর্তহীনভাবে ছাত্রদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করতে হবে। বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে বনানী কার্যালয়ে ব্যারিস্টার খাজা তানভির আহমেদের নেতৃত্বে অর্ধশত নেতা-কর্মী জাতীয় পার্টিতে যোগদান উপলক্ষে তিনি একথা বলেন। জাপা চেয়ারম্যান বলেন, হাফ ভাড়ার জন্য ছাত্ররা রাজপথে আন্দোলন করছে, ছাত্রদের হাফ ভাড়ার আন্দোলন যৌক্তিক। ছাত্রদের আন্দোলনে সাধারণ মানুষ রাজধানীর সড়কে আটকে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, কিন্তু কারো যেন কিছুই করার নেই। ছাত্রদের হাফ ভাড়ার দাবিতে কোনো শর্ত গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, সড়কের নৈরাজ্য বন্ধ করতে হবে। তেলের দাম বাড়ার পর থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় যে হারে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে, শ্রমিকরা তার চেয়েও বেশি ভাড়া আদায় করছেন। অযৌক্তিকভাবে ভাড়া বাড়িয়েছে সিএনজি চালিত বাসও। প্রতিবাদ করলে যাত্রীদের লাঞ্ছিত করে পথে নামিয়ে দিচ্ছেন শ্রমিকরা। তিনি আরও বলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা এক শ্রেণির নেতার কাছে জিম্মি হয়ে আছেন। সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থ না দেখে, পরিবহন মালিকদের সঙ্গে আঁতাত করে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকার জনগণের পক্ষে কাজ করছে না, সাধারণ মানুষ মনে করছে সরকারও পরিবহন মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ সময় সড়ক পথের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান জাপা চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আগামী দিনের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টির জন্য সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকে আবরও রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়, তাই প্রতিদিন বিশিষ্টজনরা জাতীয় পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন। জাতীয় পার্টি স্বার্থের রাজনীতি করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। ১৯৯০ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েচিল তা রক্ষা করতে পারেনি। দেশের মানুষ বলতে শুরু করেছে, এরশাদের আমলেই তারা ভাল ছিলেন। তারা জাতীয় পার্টিকেই আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। এ সময় মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে কাজ করছে জাতীয় পার্টি। তাই সাধারণ মানুষের সঙ্গে যাদের সম্পর্ক ভাল, তারাই দলীয় মনোনয়ন পাবেন। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জোটের কথা ভুলে কাজ করুন, কারো সঙ্গেই জোট হবে না। জাতীয় পার্টি এককভাবেই নির্বাচনে অংশ নেবে। এ সময় তিনি দলকে আরও শক্তিশালী করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাপা প্রেসিডিয়াম সদস্য এটিইউ তাজ রহমান, অ্যাড. মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, যোগদানকারীদের মধ্যে ব্যারিষ্টার খাজা তানভির আহমেদ ও সামছুল ইসলাম মজনু।...

নম্র ও বিনয়ীকে আল্লাহ পছন্দ করেন

২৯,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাব্বুল আলামিনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যেন শান্তিপূর্ণভাবে জীবন যাপন করে, এটাই তার প্রত্যাশা। পরস্পর মতভেদ এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকে তিনি মোটেও পছন্দ করেন না। তাই আচার-ব্যবহারে অযথা রাগ ও ক্রোধ থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবসময় রাগ ও ক্রোধ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিতেন। তিনি মানুষকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন- যে ব্যক্তি নম্র-বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন আর যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে অপদস্থ করেন। আমাদের ভেবে দেখতে হবে আমরা কি আল্লাহ পাকের ইচ্ছা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করছি কি ন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন- তুমি প্রজ্ঞা ও সদুপদেশের মাধ্যমে তোমার প্রভু-প্রতিপালকের পথের দিকে আহ্বান জানাও। আর তুমি উত্তম যুক্তিপ্রমাণের মাধ্যমে তাদের সাথে তর্ক কর যা সর্বোত্তম। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে। (সুরা আন-নাহল: আয়াত ১২৫)। ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম কল্যাণের ধর্ম। একজন প্রকৃত মুসলমান সে কখনই সন্ত্রাসী এবং নৈরাজ্যকারী হতে পারে না। ইসলামের নামে যারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তারা মূলত সন্ত্রাসী, প্রকৃতপক্ষে তাদের কোনো ধর্ম নেই। তাই আমরা যে যেখানে যেভাবেই থাকি না কেন বা যে কর্মই করি না কেন, আমাদের সবাইকে নিজ নিজ স্থানে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা তুলে ধরতে হবে এবং নিজেদের আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের কাজ-কর্মে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ফুটিয়ে তুলতে হবে। তবেই মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের ভালোবাসবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন। সূত্রঃ জাগো নিউজ ...

চাঁদ দেখা গেছে, রোজা বুধবার

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) চাঁদ গেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহরি খেয়ে বুধবার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ফরিদুল হক খান সভাপতিত্ব করেন। সভা থেকে ঘোষণা করা হয় ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস ও লাইলাতুল কদরের তারিখ। এদিকে মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশে গত সোমবার (১২ এপ্রিল) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশগুলোতে মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হয়েছে। ইসলামিক বিধান অনুযায়ী রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় গত সোমবার দিনগত রাতে সেহরি খেয়ে মঙ্গলবার রোজা রাখছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। ওইসব দেশের পরদিনই বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবে বলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আগে থেকে রোজা পালন ও তারাবি নামাজের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ...

একই রোগী কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন?

২৩ জুলাই ২০২১,অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃবাংলাদেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ এবং মৃত্যু যখন গুরুতর আকার ধারণ করেছে ঠিক তখনই ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ১৫১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।চিকিৎসকরা বলছেন, একজন ব্যক্তি একই সাথে কোভিড-১৯ এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।মশা নিধনের কার্যক্রম জোরদার করতে না পারলে পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে বলে আশংকা করছেন চিকিৎসকরা।দেশে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। লক্ষণ এক হলেও পার্থক্য আছে-চিকিৎসকরা বলছেন, কিছু লক্ষণ এবং উপসর্গ আছে যেগুলা শুরুর দিকে ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে একই রকম।সেক্ষেত্রে অনেক রোগীকে ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯ - দুটোর পরীক্ষা একসাথে করা হচ্ছে। ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক শর্মিলা হুদা বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগীর জ্বর, গায়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং চোখের পেছনে ব্যথা থাকে।তিনি বলেন, সাধারণত এ ধরনের লক্ষণ থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়না, কারণ হাসপাতালগুলো এখন কোভিড রোগীতে পরিপূর্ণ।তবে পরিস্থিতি যদি জটিলতার ইঙ্গিত দেয় তাহলে হাসপাতালে ভর্তি হতেই হবে। সেক্ষেত্রে অন্য কোনো বিকল্প নেই।একই রোগী কি কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন?বাংলাদেশের একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলছিলেন, ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯- দুটোই ভাইরাসজনিত রোগ হলে দুটোর মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে।একই রোগী কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ। দুইটার ক্ষেত্রেই জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি এবং স্বাদ না থাকা হতে পারে। করোনার ক্ষেত্রে এসব লক্ষণের সাথে নাকে ঘ্রাণ পায় না এবং কারো কারো পাতলা পায়খানা হয়,বলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।এছাড়া করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হতে পারে, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে হয় না বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে চার-পাঁচ দিন পরে শরীরে লাল অ্যালার্জির মতো হতে পারে। তখন রক্তে প্ল্যাটিলেটের মাত্রা কমে যেতে পারে।ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে শক সিন্ড্রোম হতে পারে যেটি রোগীর মৃত্যুর কারণ হয়।কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো থাকলে রোগীকে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। সেগুলোর মধ্যে যদি দেখা যায় যে রোগীর নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। অথবা তার কালো পায়খানা হচ্ছে।শর্মিলা হুদা বলছেন, গুরুতর ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে নারীদের মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তচাপ কিংবা হঠাৎ করে মাসিক হতে পারে।ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে?বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জমে থাকার বৃষ্টির পানিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার হয়, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী। ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ করা।এটি করতে না পারলে চিকিৎসা দিয়ে কুলানো সম্ভব হবে না বলে সতর্ক করে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।এডিস মশার লার্ভা--সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চলতি বছর এপ্রিল মাসে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, চলতি বছরও যদি তাদের স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তাহলে গতবারের চেয়ে বেশি জরিমানা করা হবে।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেছেন, এডিস মশার বংশ বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন স্থাপনায় যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেজন্য শুক্রবার থেকে ঢাকায় ২০টি মোবাইল টিম কাজ শুরু করবে। সূত্র : বিবিসি...

রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


একই রোগী কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন?

২৩ জুলাই ২০২১,অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃবাংলাদেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ এবং মৃত্যু যখন গুরুতর আকার ধারণ করেছে ঠিক তখনই ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ১৫১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।চিকিৎসকরা বলছেন, একজন ব্যক্তি একই সাথে কোভিড-১৯ এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।মশা নিধনের কার্যক্রম জোরদার করতে না পারলে পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে বলে আশংকা করছেন চিকিৎসকরা।দেশে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। লক্ষণ এক হলেও পার্থক্য আছে-চিকিৎসকরা বলছেন, কিছু লক্ষণ এবং উপসর্গ আছে যেগুলা শুরুর দিকে ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে একই রকম।সেক্ষেত্রে অনেক রোগীকে ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯ - দুটোর পরীক্ষা একসাথে করা হচ্ছে। ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক শর্মিলা হুদা বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগীর জ্বর, গায়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং চোখের পেছনে ব্যথা থাকে।তিনি বলেন, সাধারণত এ ধরনের লক্ষণ থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়না, কারণ হাসপাতালগুলো এখন কোভিড রোগীতে পরিপূর্ণ।তবে পরিস্থিতি যদি জটিলতার ইঙ্গিত দেয় তাহলে হাসপাতালে ভর্তি হতেই হবে। সেক্ষেত্রে অন্য কোনো বিকল্প নেই।একই রোগী কি কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন?বাংলাদেশের একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলছিলেন, ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯- দুটোই ভাইরাসজনিত রোগ হলে দুটোর মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে।একই রোগী কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ। দুইটার ক্ষেত্রেই জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি এবং স্বাদ না থাকা হতে পারে। করোনার ক্ষেত্রে এসব লক্ষণের সাথে নাকে ঘ্রাণ পায় না এবং কারো কারো পাতলা পায়খানা হয়,বলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।এছাড়া করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হতে পারে, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে হয় না বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে চার-পাঁচ দিন পরে শরীরে লাল অ্যালার্জির মতো হতে পারে। তখন রক্তে প্ল্যাটিলেটের মাত্রা কমে যেতে পারে।ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে শক সিন্ড্রোম হতে পারে যেটি রোগীর মৃত্যুর কারণ হয়।কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো থাকলে রোগীকে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। সেগুলোর মধ্যে যদি দেখা যায় যে রোগীর নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। অথবা তার কালো পায়খানা হচ্ছে।শর্মিলা হুদা বলছেন, গুরুতর ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে নারীদের মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তচাপ কিংবা হঠাৎ করে মাসিক হতে পারে।ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে?বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জমে থাকার বৃষ্টির পানিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার হয়, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী। ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ করা।এটি করতে না পারলে চিকিৎসা দিয়ে কুলানো সম্ভব হবে না বলে সতর্ক করে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।এডিস মশার লার্ভা--সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চলতি বছর এপ্রিল মাসে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, চলতি বছরও যদি তাদের স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তাহলে গতবারের চেয়ে বেশি জরিমানা করা হবে।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেছেন, এডিস মশার বংশ বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন স্থাপনায় যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেজন্য শুক্রবার থেকে ঢাকায় ২০টি মোবাইল টিম কাজ শুরু করবে। সূত্র : বিবিসি

মৃত্যুঞ্জয়ী জননেতা বীর এস এম ইউসুফ

২৯নভেম্বর ২০২১, সোমবার , নিউজ একাত্তর : এস এম ইউসুফ ছিলেন একজন আপদমস্তক রাজনীতিবিদ কিংবদন্তি জননেতা।তিনি ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে পদায়ন করেন।একজন সাধারণ পরিবারের জন্মগ্রহণ করলেও তার মত মেধাবী,সুবক্তা,সাহসী, রণকৌশলী,অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা,সুবাদ পুরুষ কিংবদন্তি ছাত্রনেতা ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে চট্রগ্রাম জেলায় বিএলএফ প্রধান ছিলেন।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি,যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য,বৃহত্তর চট্রগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্রগ্রাম জেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৪৬ সালে ৯ এপ্রিল চট্রগ্রাম জেলা পটিয়া উপজেলা মনসা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৌলভী আব্দুস সালাম ও মাতা রাবেয়া খাতুন একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন।মনসা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাইমারী,৬২ সালে হাবিলাসদ্বীপ হাই স্কুল থেকে এসএসসি,৬৪ সালে চট্রগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি,৬৬ সালে ডিগ্রি পাস করে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন।৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে প্রথমে কারাভোগ করেন।পরবর্তী চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হয়ে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের পুরোধা ছিলেন।ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান অনস্বীকার্য। ৬৯ গণ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি অসীম সাহসী বীর হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এস এম ইউসুফ স্বাধীন বাংলার নিউক্লিয়াস সদস্য হিসাবে সারা বাংলায় স্বাধীনতা সংগ্রামে অসম সাহসীকতার সাথে যুদ্ধ করেছেন। তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিব বাহিনীর কমাণ্ডার হিসাবে রামগড় ও ফটিকছড়ির হেয়াকোতে পাকিস্তানি আর্মি বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।পরে হরিণা ক্যাম্পে অবস্থান করেন।ফটিকছড়িতে স্থায়ী ক্যাম্প হিসাবে অবস্থান ছিলেন।অসম সাহসীকতার সাথে অধিনায়ক হিসাবে দেশের অভ্যন্তরে একমাত্র তিনি সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ও সবকিছু নিজে নিয়ন্ত্রণ করতেন।তার নেতৃত্বে চট্রগ্রামে বিভিন্ন অপারেশন গুলো হত।তিনি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য জেলার বিএলএফ অধিনায়ক ছিলেন। আওয়ামী রাজনীতির কঠিন দুঃসময়ে ৮১ সালে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসাবে জননেতা এস এম ইউসুফ মুজিববাদের লিফলেট ১লাখ কপি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিতরণ করেন। বঙ্গবন্ধু স্নারকগ্রন্থের সম্পদনা করেন। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যার পরে তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয়।এসময়ে তিনি ছদ্মনাম শামীম ভাই দিয়ে সারা বাংলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে সংগঠিত করেন।খন্দকার মোসতাক,জিয়ার স্বৈরচ্ছারী সরকারের বিরুদ্ধে একমাত্র ব্যক্তি যিনি অসম্ভব সাহসীকতার সাথে আপোষহীন ভাবে কাজ করে যান।খেয়ে না খেয়ে,দিনের পর দিন হুলিয়া মাথায় নিয়ে নির্ঘুম কাটিয়ে দলের জন্য কাজ করেছেন যা ইতিহাসের সাক্ষ্য।সেই সময় সুবিধাভোগীরা ক্ষমতার জন্য নতুন সরকারের সাথে আতাত করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় আর কিছু লোক দেশান্তরী হয়।জননেতা বীর ইউসুফ ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও বঙ্গবন্ধুপ্রেমিক নেতা।যার কোন সময়ে ক্ষমতার লোভ ছিল না।দল ও বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার অসম দরদ ছিল বলে কারো সাথে কোনদিন আপোষ করেনি। মৃত্যুঞ্জয়ী এস এম ইউসুফ একটি নাম নয় ইতিহাস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের উত্তরসুরীর হিসাবে স্বাধীন যুদ্ধে করেন।জননেতা ইউসুফ একটি বীরের নাম।বর্তমানে রাজনীতিতে ইতিহাসের নায়ককে চিনে কিনা সন্দেহ। তার কেউ জানে,তিনি কে,কি তার পরিচয়,কেন যুদ্ধ করেন,কিজন্য বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে জীবনের সোনালী অধ্যায় শেষ করে দিয়েছেন।এসব প্রশ্ন আজ ঘুরপাক খাচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের অনেকে তার নাম জানে কিনা সন্দেহ আছে।তবুও ইতিহাসের রাখাল রাজা এই মহান মানুষটির নাম বীর চট্রলার ইতিহাসের পটিয়া উপজেলার গর্বিত সন্তান বীর এস এম ইউসুফ। বাল্যকালে গ্রামের স্কুলে পদার্পণ করে চট্রগ্রাম কলেজ থেকে এসএসসি পাস করেন।চট্রগ্রামের মেধাবী রাজনীতির তীর্থ স্থান চট্রগ্রাম কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন।আদর্শিক,তাত্ত্বিক,অসম্ভব দুরদর্শিতার, সাহসী,মেধাবীও দেশপ্রেমিক বীর ছিলেন। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পুরো পরিবারকে নির্মম হত্যার পর যখন কেউ মুখ খোলার সাহস করেননি এমনকি সবাই পালিয়ে যায় সেই কঠিন দুঃসময়ে যে লোকটা তখনপ্রকাশ্যে চট্টগ্রাম তথা সারা বাংলায় ঘুরে ও রাজপথে নেমে প্রতিবাদ করেছিলেন তার নাম বীর এস এম ইউসুফ। জাতির পিতার হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে অনেক লোকজনকে সংগঠিত করে অবস্থান নেন। খুনিদের প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। বীর ইউসুফ সারা বাংলায় ছাত্র-যুব সমাজকে নিয়ে আদর্শিক কর্মীদের নিয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামের চেষ্টা করেন।মুক্তিযুদ্ধ করতে গিয়ে নিজের জীবন দিতে কার্পণ্য করেনি। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে ১৯৭৫ সালে ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে এক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়।এই অভ্যুত্থানের পক্ষে ঢাকায় অনুষ্ঠিত মিছিলে নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বীর এস এম ইউসুফ।৭ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানে খালেদ মোশারফ নিহত হলে এস এম ইউসুফ বেশ কয়েকজন সঙ্গীসহ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন।ভারত থেকে আসা-যাওয়া করে দেশের অভ্যন্তরে সহকর্মীদের নিয়ে তিনি স্বশস্ত্র সংগ্রামেরনেতৃত্ব দেন।এ সময় তারা কিছু জায়গায় টার্গেট করে আক্রমণ করতেন।ঢাকা কিছু এলাকায়,চট্রগ্রাম নিউ মার্কেট সংলগ্ন সড়কে, দামপাড়াস্থ পুলিশ লাইনসহ কয়েক স্থানে গ্রেনেড হামলায় তিনি নেতৃত্ব দেন।প্রতিটি সংগ্রামে তার রনকৌশল ছিল ভিন্নতর।মূলত সামরিক সরকারকে অস্থিতিশীল করতে তিনি ভিন্নমাত্রায় এসব কর্মকান্ড চালাতেন।১৯৭৩ সালের সংসদের এমপিদের নিয়ে তিনি প্রবাসীসরকার গঠনের চেষ্টা করেন।এতে তিনি ব্যর্থ হন। বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের এক পর্যায়ে ১৯৭৬ সালের ৭ নভেম্বর তৎকালীন সামরিক সরকার এস এম ইউসুফ ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করেন। সেই সময় তিনি হুলিয়া নিয়ে ছদ্মনাম শামীম ধারন করে আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ত্ব দেন। রাজনীতির সুবাদ পুরুষ কিংবদন্তি জননেতা এস এম ইউসুফ ছিলেন বলে বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদে বিভিন্ন জায়গায় সংগঠিত করতে ছদ্মবেশ ধারণ করে বিভিন্ন জায়গায় যান।এমনকি চোরাগুপ্ত হামলা পরিচালনা করেন। চট্রগ্রাম,ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় তার অবস্থান ছিল ছদ্মবেশ।কাউকে তিনি বুঝতে দিতেন না।কিভাবে, কোথায় অপারেশন হবে তার জানা ছিল।একসাথে তিনি অনেক জায়গা টার্গেট করে কাজ করতেন। নিজে ছিলেন অসম সাহসী বীর। নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে কখনো আপোষ কিংবা পিছপা হয়নি।মৃত্যু আলিঙ্গন করে জাতির পিতার আদর্শের উজ্জীবিত হয়ে প্রতিশোধ নেওয়া ছিল তার প্রধান কাজ।দেশ ও বঙ্গবন্ধুর জন্য তিনি ছিলেন অকুতোভয় দুঃসাহসী যোদ্ধা।১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটিয়া সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচন করেন কিন্তু টাকা আর পেশিশক্তির নিকট পরাজিত হন।১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পটিয়া থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন কিন্তু অশুভ শক্তির নিকটের পরাজিত হয়ে আর রাজনীতিতে আসা হলো না এই মেধাবী সংগঠক ও মুক্তিযুদ্ধের নায়ক বীর এস এম ইউসুফ। চট্রগ্রাম পটিয়া উপজেলা মনসা গ্রামে আজও সমাহিত আছে দেশপ্রেমিক, বঙ্গবন্ধুপ্রেমিক বীর এস এম ইউসুফ।২০১৬ সালে ১৫ নভেম্বর রাত ২টায় ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন মহান বীর এস এম ইউসুফ। ঢাকা,চট্রগ্রাম ও বাড়িতে জানাযা নামাজের পর তার পারিবারিক কবরস্থান চট্রগ্রাম পটিয়া উপজেলা মনসা গ্রামে পিতা মাতার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। যুগে যুগে তিনি তার কর্ম দিয়ে দেশ ও জাতির নিকট বিপ্লবীদের প্রেরণা উৎস,আদর্শিক,বই প্রেমিক, বটবৃক্ষ,রাজনীতির গুরু,লেখক,গবেষক বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতির নেতা,অনলবর্ষী বক্তা,দুঃসাহসিক,বঙ্গবন্ধু প্রেমিক হিসাবে মানুষের মণিকোঠায় বেচে থাকবে।সারা বাংলায় হাজার হাজার নেতা বানানোর কারিগর ছিলেন।এমন কোন জেলা নাই তার কর্মী নেই।সত্যিকারের একজন বীরের চলে যাওয়া মানে দেশ ও জাতির প্রভুত ক্ষতি সাধিত হল।তার কর্ম ও চিন্তা চেতনা নিয়ে আজকের প্রজন্ম এগিয়ে যেতে হবে বহুদূর।আজীবন মানুষের মনের কোঠায় তিনি অম্লান ও শ্রদ্ধার পাত্র হিসাবে বেচে আছে। লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা, কলামিস্ট ও সদস্য, অর্থ পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

আজকের মোট পাঠক

60812

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত