বিশ্বের দ্বিতীয় সুউচ্চ ভবন নির্মিত হচ্ছে মালয়েশিয়ায়

২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলো ঝলমলে টুইন টাওয়ারের দেশ মালয়েশিয়াতে এবার বিশ্বের দ্বিতীয় উঁচু ভবন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। নির্মাণাধীন ১১৮ তলার এ ভবনটি মারদেকা-১১৮ বা পিএনবি ১১৮ নামে পরিচিত। নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটিই হবে বিশ্বের দ্বিতীয় সুউচ্চ ভবন। দৃশ্যমান ভবনটির বেশিরভাগ কাজ এরই মধ্যে সমাপ্তির পথে। আশা করা হচ্ছে ২০২২ সালের শুরুতেই উদ্বোধন করা হবে ভবনটি। নির্মাণ কাজ শেষ হলে ৬৪৪ মিটার বা ২১১৩ ফুট উচ্চতার ভবনটি পেছনে ফেলবে চীনের সাংহাই টাওয়ারকে যার উচ্চতা ২০৭৩ ফুট। আর বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবনের তালিকায় দুবাইয়ের বুর্জ খালিফার পরপরই থাকবে কুয়ালালামপুরের এ ভবনটির স্থান। ১১৮ তলা বলা হলেও নির্মাণশৈলির জন্য মাটির নিচে রয়েছে পাঁচ তলার গাঁথুনি। ভবনে থাকবে অফিস, রেস্টুরেন্ট, স্কাই লবি ও হোটেল। পরিকল্পনায় আছে থিয়েটার ও লাইভ শো করার হলরুম। ভবনের ৮৩ তালা পর্যন্ত থাকবে বিভিন্ন অফিস এবং বাকি অংশে থাকবে শপিং মল, স্কাই ডাইনিং রেস্টুরেন্ট, পার্ক হায়াত হোটেল, সুসজ্জিত স্কাই লবি ও ভিআইপি লাউঞ্জ। মারদেকা অর্থ স্বাধীনতা। ডায়মন্ড আকৃতির এ ভবনের নামকরণ তাই মারদেকা করা হয়েছে দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে। প্রসঙ্গত, এর আগে টুইন টাওয়ার স্থাপন করে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছিলো মালয়েশিয়া। এছাড়া ২০১৯ সালে দ্যা এক্সচেঞ্জ ১০৬ উদ্বোধন করে দেশটি। তবে পর্যটকরা কুয়ালালামপুরকে আজও টুইন টাওয়ারের শহর হিসাবেই চেনেন। যদিও বিশ্বের দ্বিতীয় উচু ভবন মারদেকা বা পিএনবি-১১৮ উদ্বোধনের পর নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসবে মালয়েশিয়া। ...

মুসলিমদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে বিল পাস

২২,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুসলিমদের প্রতি বাইডেন প্রশাসন যে ইতিবাচক তা আবারও প্রমাণ হলো। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে মুসলিমদের পক্ষে একটি বিল পাস হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে মুসলিমদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে এই বিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই বিলের কারণে ধর্মের ওপর ভিত্তি কোনো নির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায়ের ওপর যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতাকে খর্ব করা হবে। ফলে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চাইলেই আর আগের মতো যে কোনো দেশের ওপর ইচ্ছামত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবেন না। নাগরিক অধিকার বিষয়ক আইনজীবীরা এই বিলকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছু মুসলিম দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। মূলত ওই নিষেধাজ্ঞা প্রতিহত করতেই নো ব্যান নামের এই বিলটি পাস করা হয়েছে। এই বিলটি আইনে পরিণত করতে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষ সিনেটেও পাস করতে হবে। বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছে ২১৮ জন এবং বিপক্ষে ভোট পড়েছে ২০৮টি। মার্কিন নাগরিক অধিকার গ্রুপের মুসলিম আইনজীবী মাদিহা আহুসেইন বলেন, মুসলিম নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিবারগুলো বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বছরের পর বছর জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, মুসলিম, আফ্রিকান এবং অন্যান্যদের বহিরাগত হুমকি হিসেবে তুলে ধরেছে এই নিষেধাজ্ঞা। প্রতিনিধি পরিষদে ওই বিল পাসের পর মাদিহা এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের অবশ্যই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো প্রেসিডেন্ট যেন আর কখনও এ ধরনের বৈষম্যমূলক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করতে না পারে। প্রতিনিধি পরিষদে নো ব্যান আইন পাস হওয়ার মাধ্যমে আমরা এটা নিশ্চিত করছি যে তারা আর এ ধরনের কাজ করতে পারবেন না। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক গুচ্ছ নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন জো বাইডেন। এসব আদেশের মধ্যে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ফেরা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আবারও যুক্ত হওয়া, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ বন্ধ করা এবং মুসলিমদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়াসহ মোট ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। সে সময় ইরান, সুদান, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেন, ভেনেজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া, নাইজেরিয়া এবং মিয়ানমারের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাইডেন। এছাড়া, যেসব কিশোর-তরুণ অবৈধভাবে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য আমেরিকায় প্রবেশ করেছে তাদেরকে সে দেশে থাকার অনুমতি দেবেন বলেও জানান বাইডেন। এ সংক্রান্ত আইন পুনর্বহাল করতে চাচ্ছে তার প্রশাসন। ...

ভারতে অক্সিজেন ট্যাঙ্কারে লিক, ২২ করোনা রোগীর মৃত্যু

২১,এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি হাসপাতালে ট্যাঙ্কারে লিক হওয়ার পর অক্সিজেন না পেয়ে হাসপাতালে চিকৎসাধীন ২২ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে।খবর এনডিটিভির। খবরে বলা হয়, ঘটনার সময় ওই হাসপাতালে অন্তত ১৭১ জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরমধ্যে ৩১ জনকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকিরা ছিলেন হাসপাতালে। জেলা কালেক্টর সুরজ মান্ধারে বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, জাকির হোসাইন মিউনিসিপ্যাল হসাপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণেই ওই ২২ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ১০ জন ঘটনার সময় ভেন্টিলেশনে ছিলেন। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপী জানান, অক্সিজেনের ঘাটতির কারণেই ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ...

ইন্দোনেশিয়ায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত

২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অবশ্য সংস্থাটি প্রথমে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৯ এবং উৎপত্তিস্থল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দুই কিলোমিটার গভীরে জানিয়েছিল। পরে তথ্য সংশোধন করে তারা জানায়, কম্পনের মাত্রা ৬ এবং এর উৎপত্তিস্থলের গভীরতা অন্তত ১০ কিলোমিটার। মঙ্গলবার সকালে ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় নিয়াস দ্বীপে আঘাত হানে এই ভূমিকম্প। ইএমএসসির তথ্যমতে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর সুমাত্রার পাডাংসিদেম্পুয়ান শহর থেকে ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে। প্রাথমিকভাবে এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এর কারণে সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।...

নগরীর ৩০ সড়কে এলইডি বাতি স্থাপনের কাজ ৯০ শতাংশ সম্পন্ন: রেজাউল করিম চৌধুরী

২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর ৩০টি সড়কের নির্ধারিত ৭৫ কিলোমিটার অংশ জুড়ে এলইডি বাতি স্থাপনের ৯০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মোট সড়কের অন্যান্য অংশেও এলইডি বাতি স্থাপনের কাজ চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি গতকাল রাতে নগরীর ৩০টি সড়কের ১২টিতে আলোকায়নে অধিকতর কার্যকর ও সাশ্রয়ী এলইডি বাতি স্থাপন কাজ পরিদর্শন করেন। মেয়র গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এলইডি বাতি সংস্থাপনরত আরকান সড়ক (বহদ্দারহাট-কালুরঘাট), কুয়াইশ-অক্সিজেন, নাসিরাবাদ শিল্প এলাকা, মেরিন সিটি মেডিক্যাল রোড, জাকির হোসেন রোড, সিটি গেট-অলংকার, ঢাকা ট্রাঙ্ক রোড, কদমতলী রোড, আইসফ্যাক্টরি রোড, চট্টগ্রাম কলেজ রোড ও কাপাসগোলা রোড পরিদর্শনে যান এবং কাজের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগরীতে মূলতঃ আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে এবং এই দায়িত্ব পালনের জন্যই নগরবাসী কর প্রদান করেন। এই দুটি খাতের সফলতার উপরই নির্ভর করে চসিকের সক্ষমতা। তাই এই দুটি খাতকে বেশি অগ্রাধিকার দেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, আমি আলোকিত নগরী চাই, এ জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) ঝুলন কুমার দাশ ও বিদ্যুৎ বিভাগের সহকারী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী বৃন্দ।...

আরমানিটোলায় বহুতল ভবনে আগুন, নিহত বেড়ে ৪

২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বাবুবাজার ব্রিজের পাশে আরমানিটোলায় ছয়তলা হাজী মুসা ম্যানসন ভবনে কেমিক্যাল গোডাউনে শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের চেষ্টায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। আহত অন্তত ২১ জন। এর মধ্যে দুইজন শিশু, পাঁচজন নারী, ১৪ জন পুরুষ। দগ্ধ ৪ জনের পুড়েছে ২৫ শতাংশ। আগুনের নিয়ন্ত্রণের ফায়ার সার্ভিস দুই জনের মৃত্যুর খবর জানালেও পরে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে চিলেকোঠা থেকে আরও দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন- ওই ভবনের নিরাপত্তারক্ষী ওলিউল্লাহ, দোকান কর্মচারী রাসেল মিয়া, ভবনের চারতলার বাসিন্দা শিক্ষার্থী সুমাইয়া এবং ওলিউল্লাহর কাছে বেড়াতে আসা কবীর নামে আরেকজন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন জানান, প্রথমে ছয়টি ও পরে ভয়াবহতা বেড়ে গেলে আরও চারটিসহ মোট ১০টি ইউনিট পাঠানো হয়। পরে আরও বাড়িয়ে ১৯টি করা হয়। তারা ভবনের চারপাশে অবস্থান নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। এছাড়াও বাড়ির উপরের লোকজনকে উদ্ধারে ল্যাডার ইউনিট যুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, ছয়তলা ভবনের দোতলা থেকে ওপর পর্যন্ত বিভিন্ন মানুষের বাস। আগুন লাগার পর তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে। অনেকেই তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে আসেন। কেউ কেউ আবার আতঙ্কিত হয়ে ছাদে চলে যান। তাতে ভবনের ছাদে বেশ কিছু লোক আটকা পড়ে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তাদের উদ্ধার করে নামিয়ে নিয়ে আসেন। ফায়ার সার্ভিস আরও জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের তিনকর্মীসহ ২১ জন আহত হয়েছেন। যারা আহত হয়েছেন তাদেরকে মিটফোর্ট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নতুন করে হতাহত বাড়ার আর শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিকভাবে ধারণা, রাসায়নিকদ্রব্য থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পুরান ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজের পাশে আরমানিটোলায় ছয়তলা ভবনটিতে নিচতলায় কেমিকেলের গোডাউন ও কয়েকটি দোকান রয়েছে এবং দোতলা থেকে পাঁচতালা পর্যন্ত ১৮টি পরিবার বসবাস করে। গ্রিল কেটে, গ্রিল ভেঙে, জানালা ভেঙে, ছাদের দরজা ভেঙে আটকে পড়াদের উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এর আগে ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীতে অবৈধভাবে পরিচালিত কেমিকেলের গুদামে আগুন লেগে ১২৪ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে চকবাজারের চুরিহাট্টা এলাকায় ভয়াবহ আগুনে অন্তত ৬৭ জনের মৃত্যু হয়।...

ভোলায় ১২ হাজার প্রান্তিক কৃষক বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়েছে

২২,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জেলায় চলতি মৌসুমে আউশ ধান আবাদে ১২ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে সরকারিভাবে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। খরিপ-১/২০২১-২০২২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেকের মাঝে আউশ ধানের ৫ কেজি উন্নত বীজ, ২০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার তুলে দেওয়া হয়। পুরো প্যাকেজের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। এক বিঘা জমির অনুকূলে এসব প্রণোদনা পেয়েছে প্রত্যেক কৃষক। সেমতে মোট ১২ হাজার বিঘা জমির জন্য এবারের সহায়তা দেয়া হয়েছে। কৃষি অফিস সূত্র জানায়, গত বছর এ জেলায় ৭ হাজার ৫ জন কৃষককে আউশ ধানের প্রণোদনা দেয়া হয়েছিলো। এবছর প্রণোদনাপ্রাপ্ত কৃষক সাড়ে ৪ হাজার বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলায় মোট প্রণোদনার মধ্যে সদর উপজেলায় পেয়েছে ২২শ কৃষক, দৌলতখানে ১৭শ, বোরহানউদ্দিনে ১৭শ, তজুমদ্দিনে ৬শ, লালমোহনে ১৮শ, চরফ্যাসনে ৩৫শ ও মনপুরায় ৫শ কৃষক রয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো: এনায়েত উল্লাহ বলেন, মূলত আউশ ধান আবাদে কৃষদের উৎসাহিত করার জন্যই সরকার বীজ ও সার সহায়তা দিয়ে আসছে। আউশের জন্য সেচের প্রয়োজন হয়না। এ জেলায় প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে আউশ আবাদ। চলতি মৌসুমে ৯৯ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর গত বছর আবাদ হয়েছিলো ৯৭ হাজার হেক্টর জমি। তিনি আরো বলেন, এবছর গত বছরের চেয়ে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আউশ আবাদ হবে বলে ধরা হয়েছে। এছাড়া কৃষকরা সরকারিভাবে বীজ-সার পাওয়াতে তাদের খরচ কমে গিয়ে লাভ বেশি হবে। তাই তাদের আগ্রাহ বেশি আউশ আবাদে। আমরা আউশের ৪৮ জাতের যেই বীজ দিয়েছি, সেটা কৃষকরা পরের বছরের জন্য চাইলে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবে। সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো: রিয়াজউদ্দিন জানান, সদর উপজেলায় ২২শ কৃষক বীজ ও সার পেয়ে দারুণ খুশি। এবার সদরে সাড়ে ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আউশ ধান সম্পূর্ণই প্রকৃতি নির্ভর ফসল। বর্তমানে বৃষ্টির অপেক্ষায় রয়েছে কৃষকরা। এক থেকে দুই দিন বৃষ্টি হলেই আউশের বীজ তলা তৈরি ও বীজ রোপণর কাজ শুরু হবে। উপজেলা সদরের পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের আবুল কাশেম ও আব্দুল হাই গাজী সরকারিভাবে বীজ ও সার পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই। বর্তমানে তাদের জমি প্রস্তুতসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন বৃষ্টির অপেক্ষায় রয়েছেন। বর্ষা এলেই বীজ রোপণ করবেন।...

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় আরও ১১ জন গ্রেফতার

২১,এপ্রিল,বুধবার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্চ মাসের ২৬, ২৭ ও ২৮ তারিখে হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩২৮ জনকে গ্রেফতার করা হলো। গত ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি ও সরাইল থানায় ২টি ও রেলওয়ে থানায় ১টিসহ মোট ৫৬টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪১৪ জন এজাহারভুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ হাজার মানুষকে আসামী করা হয়েছে। এসকল মামলায় এখন পর্যন্ত নতুন ১১ জনসহ ৩২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালায়। এসময় হামলাকারীরা সরকারি, বেসরকারি প্রায় অর্ধশতাধিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরিতে পরিণত করে। ...

কক্সবাজারে করোনায় ১১ রোহিঙ্গার মৃত্যু, আক্রান্ত ৫০১

২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের ৩৪টি শিবিরের বিভিন্ন ক্যাম্পে এখন পর্যন্ত ৫০১ জন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ১১ জন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের স্বাস্থ্য সমন্বয়ক ডা. আবু মোহাম্মদ এইচ তোহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডা. আবু মোহাম্মদ এইচ তোহা বলেন, সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো ক্যাম্পে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবুও এর মধ্যে ৫০১ জন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত রবিবার (১৮ এপ্রিল) পর্যন্ত করোনায় মারা গেছে ১১ জন রোহিঙ্গা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের দ্রুত আইসোলেশনে নেওয়া হচ্ছে। এদিকে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি। মারা গেছে ৮৮ জন। রোহিঙ্গাসহ আক্রান্তরা বিভিন্ন স্থায়ী-অস্থায়ী আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার পর্যন্ত জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ৫২৪ জন ছিল। যার মধ্যে সদর উপজেলায় শনাক্ত ৩ হাজার ৭১০ জন। এই বিষয়ে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া বলেন, কক্সবাজার জেলায় আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। তবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে সংক্রমণ ঠেকানোর। জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, আবারো করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। কই সঙ্গে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে লকডাউন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।...

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ৪৬৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

১৮,এপ্রিল,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ (প্রাইড) প্রকল্পের আওতায় এই ঋণ দেয়া হবে। এর মধ্যে ৪৬৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) আওতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর উন্নয়ন প্রকল্পে খরচ করা হবে, যা ব্যয় হবে এই শিল্পনগর আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। শনিবার (১৭ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বেজা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ উপলক্ষে বিশ্বব্যাংক ও বেজার মধ্যে ১৩ এপ্রিল প্রকল্প চুক্তি সই হয়। এতে বেজার পক্ষে সই করেন এর নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সই করেন আন্তর্জাতিক সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা। প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণ ৩ হাজার ৯৬৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ৩৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। বেজা বলছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের আওতাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে উৎসাহিতকরণ এবং দেশব্যাপী অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নের মূলধারায় টেকসইকরণ ও পরিবেশ সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের জোন-২এ ও জোন-২বি এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য জোনে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা। এ শিল্পনগরকে পরিবেশ সহনশীল গ্রিন অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেকসইকরণ এবং পরিবেশ সহনশীলতা নীতি ব্যবহারের উপকারিতা তুলে ধরা। এই শিল্পনগরের আওতাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা বলেও উল্লেখ করেছে বেজা। এসব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রকল্পের আওতায় জোন-২এ ও জোন-২বি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অভ্যন্তরের সড়ক এবং সংযোগ সড়ক মিলিয়ে মোট ৩০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্ট্রম ওয়াটার নিষ্কাশনের জন্য ৩১ কিলোমিটার ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ভূমি উন্নয়ন করে শিল্প-স্থাপন উপযোগী করতে প্রায় ৯৯০ একর ভূমি উন্নয়নের প্রস্তাব করা করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ইনভেস্টর ক্লাব এবং একটি ওএসএস কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়া কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র, নিরবচ্ছিন্ন বৈদ্যুতিক সরবরাহের জন্য ৪টি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র এবং ২০ কি.মি. সরবরাহ লাইন, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগসহ টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাকরণে ২৫ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন, শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহের জন্য দুটি ডিআরএসসহ ২৮ কিলোমিটার গ্যাস পাইপলাইন, পানি সরবরাহের জন্য ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ পানির পাইপলাইন এবং ওয়াস্ট ডিসপোজালের জন্য স্যানিটারি পাইপলাইন, অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ইছাখালী খালের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পনগরের সুরক্ষার জন্য প্রায় ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সীমানা প্রাচীর স্থাপনের কাজ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিল্প কারখানার বর্জ্য পরিশোধনে ৪৮ এমএলডি ক্যাপাসিটি সম্পন্ন সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং কঠিন বর্জ্য পরিশোধনে সলিড ওয়াস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন ছাড়াও বায়োগেস প্ল্যান্ট, ওয়াস্ট সর্টিং অ্যান্ড মেটেরিয়াল রিকোভারি ফ্যাসিলিটিস স্থাপনের পরিকল্পনাও এতে সন্নিবেশিত রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় শিল্প কল-কারখানায় নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের জন্য রুফটফ এবং ফ্লটিং সোলার প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাছাড়া শিল্প কারখানায় পানির চাহিদা নিরসনে ৩০ এমএলডি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ডেসেলিনেশন প্ল্যান্ট স্থাপন এবং স্টিমের চাহিদা মেটাতে ১২ দশমিক ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ স্টিম নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে এ প্রকল্পের আওতায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের পরিবেশ ও অন্যান্য প্যারামিটার স্ট্যান্ডার্ড পরীক্ষার জন্য এনভায়রনমেন্টাল ল্যাব অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন কাজ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে চাইল্ড কেয়ার অ্যান্ড এমার্জেন্সি হেলথ সেন্টার, এমার্জেন্সি রেসপন্স সেন্টার স্থাপন, শেখ হাসিনা সরোবরের সৌন্দর্য বর্ধন ও সবুজায়ন এবং মসজিদ। বেজা জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর দেশের শিল্প খাতের জন্য মডেল হিসেবে কাজ করবে। ৩০ হাজার একরেরও বেশি আয়তনের এ নগরে কর্মসংস্থান হবে অন্তত ১৫ লাখ মানুষের। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক ও শিল্পজোন হিসেবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও অর্থনীতির এক মহাজংশন হিসেবে প্রস্তুত হচ্ছে নগরটি।...

সয়াবিন উৎপাদন ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধির আশাবাদ ইউক্রেনের

১৬,এপ্রিল,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কর আইনে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন ইউক্রেনের সয়াবিন উৎপানকদের আরো লাভবান করেছে। বেড়েছে পূর্ব ইউরোপের দেশটির সয়াবিন উৎপাদন। সম্প্রতি ইউক্রেনে জমিতে সয়াবিন চাষ আগের তুলনায় ২১ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্য দিয়ে ২০২১-২১ বিপণন বর্ষে দেশটিতে সয়াবিন উৎপাদনের পরিমাণ ৩৬ শতাংশ বাড়বে বলে আশাবাদ সংশ্লিষ্টদের। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অধিদপ্তরের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (জিএআইএন) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এমটা জানানো হয়। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইন। ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে ১৩ লাখ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষাবাদ করেছেন ইউক্রেনের চাষীরা। ২০২১-২২ বিপণন বর্ষে ১৬ লাখ হেক্টর জমিতে পণ্যটির চাষাবাদ করার প্রত্যাশা ইউক্রেনের। সে হিসেবে দেশটির প্রায় তিন লাখ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষ বাড়বে। ইউএসডিএ মনে করছে, আগের বছরগুলোতে ইউক্রেনের কৃষকরা সয়াবিনের পরিবর্তে বেশকিছু সূর্যমুখীর চাষ করতেন। তবে সম্প্রতি কর ব্যবস্থার পরিবর্তনের ফলে সামনের বিপণন বর্ষে সূর্যমুখী চাষের বদলে সয়াবিন চাষে ঝুঁকবেন তারা। ফলে উৎপাদন আগের তুলনায় বাড়বে বলে মনে করছে সংস্থাটি। ইউএসডিএর প্রাক্কলন বলছে, ২০২১-২২ সেশনে ইউক্রেনের সয়াবিন উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৩৮ লাখ টনে। এর আগের বছর মোট সয়াবিন উৎপাদনের পরিমাণ ২৭ লাখ টন। সে হিসেবে ২০২১-২২ বিপণন বর্ষে ইউক্রেনে পণ্যটির উৎপাদন আগের বিপণন বর্ষের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বাড়বে। ...

এসএসসির প্রস্তুতি: পরীক্ষা ছাড়া পাস করাতে চায় না বোর্ড

২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি। তবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পাঠদান শেষে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার পরিকল্পনা করেছে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে হলে বিকল্প চিন্তা করে রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর কবে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে সে বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা পরীক্ষা নিয়েই শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট দিতে চাই। সে লক্ষ্যে আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে আমরা শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়ে তার আলোকে পরীক্ষা নিতে চাই। তবে করোনার কারণে যদি সেটি সম্ভব না হয় তাহলে আমরা বিকল্প মূল্যায়ন নিয়েও চিন্তা করছি। সেজন্য একটি কমিটি কাজ করছে। কমিটি আমাদের যে প্রস্তাব দেবে আমরা সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব। এরপর তারা আলোচনা করে বিষয়টি ঠিক করবেন। করোনার কারণে ২২ মে পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৩ মে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে ৬০ দিন ক্লাস করিয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজন করবে শিক্ষাবোর্ডগুলো। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই সিলেবাসের আলোকে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।...

এসএসসি পরীক্ষা: বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ছে

৭,এপ্রিল,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান এসএসসি পরীক্ষায় বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন সময়সূচি শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা বুধবার (৭ এপ্রিল) জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ বিস্তারের কারণে বিলম্ব ফি ছাড়া এসএসসি পরীক্ষা ২০২১-এর ফরম পূরণের সময় বর্ধিত করে নতুন সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে। এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ জানান, লকডাউনের কারণে এসএসসির চলমান ফরম পূরণ স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে করোনাভাইরাস একটি জাতীয় সমস্যা। তাই লকডাউন শেষে ফরম পূরণের সময় বাড়ানো হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া পরীক্ষার্থীরা ফরম পূরণ করতে পারবেন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে দেশে করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের কারণে ৫ এপ্রিল থেকে ফরমপূরণ স্থগিত করা হয়।...

বার্সাকে শিরোপা জিতিয়ে মেসির জোড়া রেকর্ড

১৮,এপ্রিল,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অ্যাটলেটিকো বিলবাওকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে কোপা দেল রে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বার্সেলোনা। ক্লাবটির ইতিহাসে এটি ৩১তম কোপা দেল রে শিরোপা। সবমিলিয়ে ইউরোপিয়ান মানদণ্ডে ৯২তম শিরোপা জিতল বার্সেলোনা। দলের এই শিরোপা জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দর্শনীয় দুই গোলে দলকে এনে দিয়েছে হালি গোলের জয়। পাশাপাশি নিজেও গড়েছেন জোড়া রেকর্ড। শনিবার রাতের ম্যাচটিতে ৬৮ মিনিটের সময় ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে অসাধারণ এক গোল করেন মেসি। মিনিট চারেক পর জর্ডি আলবার পাস থেকে প্রথম ছোঁয়ায় বল জালে জড়ান তিনি। এ দুই গোলের সুবাদে কোপা দেল রের ফাইনালে এখন তার গোলসংখ্যা দাঁড়াল দশে। টুর্নামেন্টের ফাইনালের ইতিহাসে তেলমো জারাকে ছাড়িয়ে এখন মেসিই সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার নামের পাশে রয়েছে সাতটি কোপা দেল রে শিরোপা। এছাড়া এ দুই গোলের সুবাদে চলতি মৌসুমে সবধরনের প্রতিযোগিতা মিলে ৩১ গোল হয়ে গেছে মেসি। ২০০৮-০৯ মৌসুম থেকে টানা ১৩ আসরে ৩০ বা এর বেশি গোলের রেকর্ড গড়লেন তিনি। এর আগে টানা ১২ মৌসুমে ৩০+ গোল করেছিলেন জার্মানির জার্ড মুলার।...

ভারতের ৯ ভেন্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

১৭,এপ্রিল,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) চলছে ভারতে। চলতি বছরের শেষদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা ভারতের। আইপিএল উদ্বোধনের দিন ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ছোট ফরম্যাটের বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা আসর হতে চলেছে এটি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার বিশ্বকাপের ভেন্যুর নাম প্রকাশ করেছে আয়োজক দেশটি। শুরুতে বিশ্ব আসরের জন্য ছয়টি ভেন্যু নির্ধারণের কথা ছিল। তবে আরও তিনটি বাড়িয়ে মোট ৯টি ভেন্যুর নাম জানিয়েছে বিসিসিআই। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে কয়েকদিন আগে উদ্বোধন হওয়া নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। আহমেদাবাদের এই স্টেডিয়ামকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামের খেতাব দেয়া হয়েছে। বাকি ভেন্যুগুলো হচ্ছে- মুম্বাই, নয়া দিল্লি, চেন্নাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, ধর্মশালা ও লখনৌ। ১৬ দল নিয়ে অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপের জন্য ভেন্যুগুলোকে প্রস্তুত করতেও বলা হয়েছে। বিসিসিআইর কর্মকর্তা ভারতীয় গণমাধ্যম এনআইকে বলেছেন, সভায় কোভিড পরিস্থিতি মাথায় রেখে ৯ ভেন্যুকে সব প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। অক্টোবর-নভেম্বর করোনা পরিস্থিতি কেমন হবে, তা আগে থেকে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রস্তুতি চলমান থাকবে।...

২১ দিন পর করোনামুক্ত হলেন নায়ক রিয়াজ

২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নায়ক রিয়াজ সুস্থ হয়েছেন। ২১ দিন পর তিনি করোনা থেকে মুক্ত হলেন। নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন রিয়াজ। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নিজের করোনা মুক্তির খবর নিশ্চিত করে রিয়াজ লেখেন, দীর্ঘ ২১ দিন পর করোনা নেগেটিভ হলাম আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ পাকের কাছে অনেক শুকরিয়া। স্ত্রী তিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ধন্যবাদ তিনা, গভীর মমতা নিয়ে পাশে থাকার জন্য। আমার ছোট্ট মেয়েটা, আমার বুকে ঝাপ দিতে না পেরে, সারাক্ষণ আল্লাহকে বলেছে তার বাবাকে সুস্থ করে দিতে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা পরিবারের সদস্য যারা নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন, খাবার পাঠিয়েছেন, দোয়া করেছেন। প্রিয় ভক্ত, বন্ধু, সহকর্মী, সাংবাদিক ভাই আপনাদের সবার ভালোবাসার কাছে আবারও ঋণী হয়ে রইলাম। সবাইকে করোনা থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়ে একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নায়ক রিয়াজ আরও লিখেছেন, ‘সকল আক্রান্ত মানুষ দ্রুত আরোগ্য লাভ করুক, স্বজনহারা পরিবারকে সমবেদনা। করুণাময়, এই ভাইরাস থেকে মানবজাতি দ্রুত মুক্তি পাক, এই কামনা। প্রসঙ্গত, রিয়াজ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন আহমদের চরিত্রে অভিনয় করছেন। এপ্রিলের শুরুতে তার মুম্বাই যাওয়ার কথা ছিল এ সিনেমার শুটিং করতে। তার আগে নিয়মমাফিক করোনা টেস্ট করাতে গেলে গত ২ এপ্রিল ফলাফল আসে, করোনা পজিটিভ। তারপর থেকে নিজ বাসাতেই আইসোলেটেড থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন রিয়াজ।...

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আলমগীর

২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা আলমগীর মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। আলমগীরের করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহধর্মিণী কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ফেসবুকে তিনি লেখেন, আলমগীর সাহেবের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। স্থানীয় একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি দল খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে তার চিকিৎসা দিচ্ছেন। ওনার মধ্যে দারুণ স্পিরিট রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, তিনি এখন ভালো আছেন। তার পুরোপুরি সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চাইছি। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেন তারকা দম্পতি চিত্রনায়ক আলমগীর ও গায়িকা রুনা লায়লা। এরপর চলতি মাসের ১৭ তারিখ দ্বিতীয় ডোজটি নেন তারা। এর একদিন পরই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতলে ভর্তি হন আলমগীর। ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন আলমগীর। তার আদি নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে। ১৯৭৩ সালে অভিনয়ে এসে প্রায় চার দশকে ২৩০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। পরিচালনা করেছেন বেশকিছু সিনেমাও। তিনি নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননাও পেয়েছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

মেট্রোরেল নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ : ওবায়দুল কাদের

২২,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বৃহস্পতিবার তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি এ তথ্য জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ ভাগ। প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও অংশের পূর্ত কাজের অগ্রগতি শতকরা ৮৩.৫২ ভাগ। তিনি জানান, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং রোলিং স্টক ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ কাজের সমন্বিত অগ্রগতি শতকরা ৫২.২২ ভাগ। প্রথম উড়াল মেট্রোরেল ছয় কোচ বিশিষ্ট চব্বিশ সেট মেট্রোরেলে মোট কোচের সংখ্যা ১৪৪টি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তার মধ্যে গতকাল বুধবার ছয় কোচ বিশিষ্ট প্রথম মেট্রোরেল সেট ঢাকার উত্তরাস্থ ডিপোর নবনির্মিত ডিএমটিসিএল জেটিতে পৌঁছেছে। দ্বিতীয় মেট্রোরেল সেটের জাহাজীকরণ জাপানের কোবে সমুদ্রবন্দরে গত বুধবার সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আশা করা হচ্ছে আগামী ১৬ জুনের মধ্যে দ্বিতীয় সেটটি দেশের মংলা বন্দর হয়ে উত্তরাস্থ ডিপোতে পৌঁছবে। তৃতীয় ও চতুর্থ মেট্রোরেল সেটের শিপমেন্টের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১১ জুন ও ১৩ আগস্টের মধ্যে মংলা বন্দর হয়ে উত্তরাস্থ ডিপোতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা করছেন তিনি। সেতুমন্ত্রী জানান, পঞ্চম ট্রেন সেটের জাপান থেকে শিপমেন্টের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১৬ জুলাই ও বাংলাদেশে পৌঁছানোর সম্ভাব্য তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর। পরে সেতুমন্ত্রী গোপালগঞ্জ সড়ক জোন, বিআরটিসি ও বিআরটিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় সভায় যুক্ত হন। এ সময় ওবায়দুল কাদের গোপালগঞ্জ জোনের প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা-যাওয়া করে। তাই জোনের অধীন সড়কগুলোকে সারা বছরই মেইনটেইন ও মনিটরিং আরো জোরদার করতে হবে। বিআরটিএর সেবা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দ্রুত ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড সংগ্রহ করে লাইসেন্স প্রদান করা এখন জরুরি। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে কার্ডের সরবরাহ করতে হবে।...

রিজভীর শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি

২১,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর তার শারীরিক অবস্থা আরও উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার (২১ এপ্রিল) চিকিৎসকের বরাত দিয়ে এ কথা জানান রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার। তিনি বলেন, রুহুল কবির রিজভীর অক্সিজেন স্যাচুরেশনও এখন ভালো। তাকে নরমালি যে অক্সিজেন দেয়া হতো তা এখন প্রায় লাগছেই না। চিকিৎসকরা আশা করছেন এভাবে উন্নতি হলে দু-একদিনের মধ্যে আর অক্সিজেন সাপোর্ট লাগবে না। তার ব্লাডপেশার ও ডায়াবেটিকসও এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সব মিলিয়ে তার শারীরিক অবস্থা অনেকটাই ভালো। তিনি স্বাভাবিক খাবার খেতেও পারছেন। প্রতিদিন তাকে ফিজিওথেরাপি দেয়া হচ্ছে এবং ব্যায়াম করানো হচ্ছে। গত ১৬ মার্চ করোনা আক্রান্ত হন রুহুল কবির রিজভী। এরপর ১৭ মার্চ তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গত ১ এপ্রিল হঠাৎ করেই রিজভীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এবং অক্সিজেন লেভেল কমে গেলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রিজভীসহ দলের অন্যান্য অসুস্থ নেতাদের খোঁজ রাখছেন বলে জানা গেছে। এদিকে রুহুল কবির রিজভীর সুস্থতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। ...

চাঁদ দেখা গেছে, রোজা বুধবার

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) চাঁদ গেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহরি খেয়ে বুধবার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ফরিদুল হক খান সভাপতিত্ব করেন। সভা থেকে ঘোষণা করা হয় ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস ও লাইলাতুল কদরের তারিখ। এদিকে মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশে গত সোমবার (১২ এপ্রিল) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশগুলোতে মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হয়েছে। ইসলামিক বিধান অনুযায়ী রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় গত সোমবার দিনগত রাতে সেহরি খেয়ে মঙ্গলবার রোজা রাখছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। ওইসব দেশের পরদিনই বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবে বলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আগে থেকে রোজা পালন ও তারাবি নামাজের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ...

রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে। ...

সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে।

ভাষাসৈনিক ডঃ মাহাফুজুল হক চট্রলা তথা বাংলাদেশের অমুল্য সম্পদ ছিলেন

১১,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর পটিয়া তথা চট্রলা নয় বাংলাদেশের আদর্শিক ও মেধাবী সংগঠক ছিলেন ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। বাল্যকাল থেকে অত্যন্ত মেধাবী ও দক্ষ সংগঠক হিসাবে স্কুল,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তার কর্মকাণ্ডে পরিচয় বহন করে।১৯৩১সালের ১লা এপ্রিল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা জিরি ইউনিয়নে কৈয়গ্রাম গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা এলাকায় শিক্ষাবিদ ও পোষ্টমাষ্টার নামে খ্যাত ছিলেন এস আহমদ হোসেন ও মাতা মোছাম্মৎ চেমন খাতুন। পিতার আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে শিক্ষার মশাল জ্বালানোর জন্য স্কুল জীবন থেকে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ডঃ মাহাফুজুল হক। শৈশব,কৈশোর ও জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেন চট্রগ্রাম ফিরীঙ্গাবাজার এলাকায়।আলকরণ স্কুল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে চট্রগ্রাম মুসলিম হাই স্কুলে থেকে এসএসসি ও চট্রগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি ও বিএতে ভর্তি হয়ে ডিষ্টিংশন নিয়ে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ ও একই সাথে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন।১৯৬১ সালে ৯ সেপ্টেম্বর এডওয়ার্ড ডব্লিউ হাজেন বৃত্তি নিয়ে আমেরিকা যান এবং নিউইয়র্কে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের উপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষার সাথে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিসরে তার অবাধ বিচরন ছিল অসাধারণ। বীর চট্রলার ছিলেন বিপ্লবের সূতিকাগার,স্বাধীনতা জন্মভূমি,মাষ্টার দা সূর্য সেন,প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও মনিরুজ্জামান ইসলামবাদী,বার আউলিয়ার পুন্যভুমি নামে খ্যাত।এই চট্রগ্রামে বহু প্রতিভা ও সুর্য সন্তান জন্মগ্রহণ করেন তার মধ্যে অন্যতম প্রতিভার অধিকারী ছিলেন ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। ইতিহাসে তার নাম আজীবন স্মরণ হয়ে থাকবে ভাষাসৈনিক হিসাবে।যা বিরল ঘটনা ও ইতিহাসের অংশ। রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনে তার অগ্রনী ভুমিকা অতুলনীয়। মা,মাতৃভুমি ও মাতৃভাষা হল আমাদের প্রাণ। আর মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে এমনকি বাংলা ভাষার প্রচলন সমিতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ছাত্র অবস্থায় ছাত্র রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে বিধায় তিনি নিখিল বঙ্গ ছাত্রলীগের চট্রগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে নেতত্বে দিয়েছেন। ডঃ মাহাফুজুল হক ঐতিহাসিক তমুদ্দন মজলিশের চট্রগ্রামের অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন বলে পাকিস্তান তমুদ্দিন মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। এসময় তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মুকুল ফৌজ নামক সংগঠনের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন যা যুগান্তকারী ঘটনা। ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে চট্রগ্রাম যুক্তফ্রন্টের কর্মী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে। তার অসম্ভব দুরদর্শিতা,সুষ্ঠু পরিকল্পনা,দক্ষতা ও পরিশ্রমের কারণে যুক্তফ্রন্ট নিরংকুশ জয়লাভ করেন এবং মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছে। অসম্ভব মেধাবী,সুবক্তা,সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মদক্ষতার জন্য অল্প বয়সে চট্রগ্রামে রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রিয়,মানুষের ভালবাসা ও কারিসম্যাটিক নেতা হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেন।চট্রগ্রামে তার কথা সব জায়গায় আলোচনা করেন পরবর্তীতে তিনি সবার শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। যা বীর চট্রলার মানুষ তাকে আপন হিসেবে খুব ভালবাসত। ১৯৫১ সালে ১৯ ফ্রেব্রুয়ারীতে মেডিকেল ছাত্র-ছাত্রীদের এমবিবিএস পড়ার সুযোগ দানের জন্য সারা বাংলাদেশে যে সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল তার চট্রগ্রাম কমিটির প্রধান ছিলেন ডঃ মাহাফুজুল হক। তার নেতত্বে চট্রগ্রামে আন্দোলন,ধর্মঘট ও সংগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়।এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে পাই যা ইতিহাসের মাইলফলক। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকালে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।বিভিন্ন সময় আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বহুবার পাকিস্তানের জান্তা বাহিনী পুলিশ কতৃর্ক হয় এমনকি পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যুর সংবাদ প্রচার হয় যা পরবর্তীতে ভুল ছিল বলে প্রমাণ হয়।সেসময় চট্রগ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিমণ্ডলের বাইরে সাহিত্য সাধনায় তার অবাধ বিচরন ছিল অসাধারণ।তার সাহিত্যে সাধনার বহু ফসল ততকালের পত্র-পত্রিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আমাদের সাহিত্যে ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এবং ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ,বাঙালী জাতির সংস্কৃতির সত্যিকারের রুপায়ন ও সর্বোপরি মাতভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠাই ছিল এ মহান সাধকের অভীষ্ট লক্ষ্য ছিল। ১৯৫৬ সালে তার লেখা সাংস্কৃতিক পুর্নগঠন শীর্ষক এক সুদীর্ঘ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।যা বাঙালী জাতির জন্য এক অমুল্য সম্পদ।তার প্রবন্ধে বলেছিলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা জাতীয় জীবনে মূল্যহীন হয়ে পড়ে যদি তার সঙ্গে সাংস্কৃতিক আজাদী ও অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব না হয়।কারণ শিল্পী ও সাহিত্যিকরা শুধু সমাজে নিরপেক্ষ ব্যক্তি নন বরঞ্চ তারাই সমাজের সচেতন প্রতিনিধি। ১৯৬৫ সালে পুর্ব পাকিস্তান বাংলা প্রচলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। এসব সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে তিনি পত্রিকার সম্পাদক কাজেও জড়িত ছিলেন। তার সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য পত্রিকা হচ্ছেউ সাপ্তাহিক ইঙ্গিত, দ্যুতি ও সাপ্তাহিক সৈনিক। এগুলোর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের তথা বাংলা ভাষার প্রচলন করে দেশের জন্য কাজ করেছেন।যা আমাদের অমুল্য সম্পদ বললে চলে।তার কর্মদক্ষতা ছিল বলে তিনি জ্ঞান গরিমার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ হিসাবে বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগী ছিলেন বলে আজ আমরা গর্বিত। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলার বাঘ খ্যাত শেরে বাংলা একে ফজলুল হক,গণতন্ত্রের মানস পুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্নেহধন্য উত্তরসুরী হিসাবে কাজ করেছেন।তাদের আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলার পথ প্রান্তরে প্রতিটি এলাকায় কাজ করেছেন। ছাত্র অবস্থায় তিনি চট্রগ্রামের দক্ষ সংগঠক হিসাবে স্কুল, কলেজ ছাত্র রাজনীতির করেছেন যা তার কর্মে পরিচয় বহন করে। তিনি আজীবন মৃত্যুঞ্জয়ী অকুতোভয় দুঃসাহসীক ছাত্রনেতা ছিলেন।নেতার আদর্শ বাস্তবায়নে করতে জীবনের মুল্যবান সময় ব্যয় করে কাজ করেছেন। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে রাজনীতি করেছেন বিধায় আজীবন মানুষের মণিকোঠায় তার নাম স্থান করে নিয়েছে। তার কর্ম গুনে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।তন্মধ্যে ডঃ মাহাফুজুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য,পাকিস্তান লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক,পাকিস্তান রাইটার্স গিল্ট ও কিশোর মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব দায়িত্ব পালনে তার চতুর্মুখী প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে এমনকি তিনি মেধা মনন ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। আজীবন বাংলা আর বাঙালী জাতির জন্য তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বে বাংলা ভাষাকে মর্যাদার আসীন করে চট্রলা তথা বাংলাদেশকে মর্যাদার আসীন করেছে। তার তীক্ষ্ণ লেখনীতে সব কিছু ফুটিয়ে তুলে বাংলার মর্যাদা বীরোচিত ও পাঠকপ্রিয় হিসাবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য একথাটি মনে রেখে বাংলা ভাষার জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে সর্বশক্তি দিয়ে মিছিল মিটিংয়ের অগ্রভাগে থেকে প্রতিটি লড়াই সংগ্রাম করে যাওয়া নাম পটিয়ার সূর্য সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত হয় যা মায়ের ভাষা আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন বলে তা সম্ভব হয়।আজীবন মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে যাওয়া হল আসল কাজ সেটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন।রাজনৈতিক জীবনে চট্রগ্রাম থেকে উঠে আসা যোদ্ধা সর্বশেষ ঢাকায় এসে নেতৃত্ব দেয়।তারুণ্যের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাস নিয়ে ছাত্র জীবনে ছিল তার জন্য উপযুক্ত সময় বলে দেশপ্রেমের কারণে সব জায়গায় কাজ করেছে। কোন কিছুর ভয় তাকে আটকাতে পারিনি। সব জায়গায় সফল মানুষ হিসাবে দেশপ্রেমিক লোক হিসাবে আজ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।আর সাহিত্য সংস্কৃতির যবনিকাপাত হয় অল্প সময়ে। তিনি যদি আরও বেচে থাকত তাহলে আরও উপরে আসনে অধিষ্ঠিত হত আর বাঙালী জাতী লাভবান হত।পরিবার পেত সন্তান আর আমরা পেতাম একজন মেধাবী সাহিত্য সংস্কৃতির লোক।১৯৬৬ সালে ২ ফ্রেব্রুয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস কনফারেন্স অংশগ্রহণ করতে গিয়ে ফরিদপুরে হেলিকপ্টার বিধ্বংস হয়ে অকালে ঝরে গেল পটিয়া,চট্রলা তথা বাংলাদেশের অমুল্য সম্পদ সাহিত্যিক,ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। তার অকাল মৃত্যুতে দেশ হারাল অমুল্য সম্পদ আর পরিবার হারাল মেধাবী সন্তান। অকাল মৃত্যুতে দেশে কালো ছায়া নেমে আসে।চট্রগ্রামের শোকের মাতম হয় যা বর্ননাতীত।আজীবন চট্রলার মানুষ আপনাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে রাখবে।আপনার কর্ম গুনে আপনি মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছ।আপনার হারানোর শোক আজও আমাদেরকে আন্দোলিত করে। আপনি ভুলবার নয় তবুও আল্লাহর ডাকে সবাইকে চলে যেতে হবে তেমনি আপনিও।আপনি সম্পক্তি নয় দেশ জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ ছিলেন। বাঙালী তথা বীর চট্রলাবাসী শ্রদ্ধায় অবনত করে আপনাকে শ্রদ্ধা করে। স্যালুট বীর চট্রলার বীর সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক,স্যালুট বীর পটিয়ার গর্বিত সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক।- লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা,কলামিস্ট ও রাজনৈতিক নেতা।

আজকের মোট পাঠক

48376

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত