জায়গা নেই কাশ্মীর কারাগারে

১৭আগস্ট,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জম্মু-কাশ্মীর থেকে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলকে কেন্দ্র করে প্রায় এক হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করার পর তাঁদের আটক রাখার জায়গা পেতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। উপত্যকার প্রশাসন এখন ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাড়া নিচ্ছে যাতে আটক ব্যক্তিদের সেখানে রাখা যায়। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন কেন্দ্রসহ বারামুল্লা ও গুরেজের কনভেনশন কেন্দ্রকে অস্থায়ী বন্দিশালা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব বন্দিশালায় অন্তত ৫৬০ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে আটক রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। ভারত সরকার জম্মু-কাশ্মীর বিষয়ে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ করার ঘোষণা দেওয়ার আগে ৪ আগস্ট রোববার গভীর রাতে কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহকে গৃহবন্দী করা হয়। এরপর ৫ আগস্ট ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের পর মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে জানায়, অতীতে যেসব রাজনৈতিক কর্মী পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় জড়িত ছিল তাদেরও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি উপত্যকার পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেজন্য আরো অনেক রাজনৈতিক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মুনির খান জানান, জননিরাপত্তা আইনের (পিএসএ) আওতায় কয়েকজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। সন্দেহভাজন কোনো ব্যক্তিকে কয়েক বছর কারাগারে আটকে রাখতে উপত্যকায় এই আইন ব্যবহার করা হয় বলে জানা গেছে। এক সংবাদ সম্মেলনে মুনির খান বলেন, ‘জননিরাপত্তা আইনের আওতায় কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা তা চাই না কারো প্রাণহানি হোক। ...

মোদিকে ইমরান খানের বার্তা পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রস্তুত

১৫ আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক ,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সতর্ক করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আজাদ জম্মু-কাশ্মীরের পার্লামেন্টে বিশেষ অধিবেশনে বুধবার তিনি বক্তব্য রাখেন। সেখানে ইমরান খান বলেন, পাকিস্তানের ভিতরে ভারতের যেকোনো পদক্ষেপের শক্তিশালী পাল্টা জবাব দেবে পাকিস্তান। ওই অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন আজাদ জম্মু কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী রাজা ফারুক হায়দার। তিনি বলেন, কাশ্মীরের পর পাকিস্তানের ভিতরে সমস্যা সৃষ্টি করবে ভারত। তার সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, (ভারতের) এইসব কর্মকান্ড কাশ্মীরেই শেষ হবে না। এই ঘৃণাপূর্ণ আদর্শ পাকিস্তানের দিকেও ধাবিত হবে। আমাদের কাছে তথ্য আছে এবং আমরা এরই মধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির দুটি সভা করেছি। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী পুরোপুরিভাবে অবহিত যে, আজাদ জম্মু কাশ্মীরে পদক্ষেপ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন। ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বুধবার আজাদ কাশ্মীর পরিদর্শনে যান ইমরান খান। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এর কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইমরান। তিনি কাশ্মীরিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে বুধবার যান আজাদ কাশ্মীরে। সেখানে পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখেন। ভারতকে উদ্দেশ্য করে ইমরান খান বলেন, আমাদের তথ্যমতে, পুলওয়ামা হামলার পরে বালাকোটে তারা যেমন পদক্ষেপ নিয়েছিল, তার চেয়ে অধিক ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়েছে এখন। দখলীকৃত কাশ্মীর থেকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি সরিয়ে দিতে তারা এখন আজাদ কাশ্মীরের দিকে নজর বাড়াতে চায়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উদ্দেশ্য করে ইমরান খান বলেন, আপনার জন্য এটা আমার বার্তা: আপনি অ্যাকশনে যেতে পারেন এবং এর প্রতিটিরই পাল্টা জবাব দেয়া হবে। সেনাবাহিনী প্রস্তুত। শুধু সেনাবাহিনীই নয়। পুরো জাতি সেনাবাহিনীর পাশাপাশি যুদ্ধ করবে। মুসলিমরা যখন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে তখন তারা বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছে তারা। আপনারা যা করবেন তার জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত। শেষ পর্যন্ত আমরা লড়াই করব। এর আগে কাশ্মীরিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে ইমরান খান আজাদ জম্মু কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদে যান। সেখানে তিনি বলেন, পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে আমি আমার কাশ্মীরি ভাই ও বোনদের সঙ্গে অবস্থান করছি। তিনি সিরিজ টুইটও করেছেন। এতে ইমরান খান বলেছেন, বিশ্বের কাছে নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় জনতা পার্টির প্রকৃত চেহারা তুলে ধরেছেন। তার ভাষায়, আমাদের সামনে এখন ভয়াবহ এক আদর্শ। তা হলো হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর আদর্শ। শৈশব থেকেই এই সংঘের একজন সদস্য মোদি। নাৎসীদের মতো তাদের আদর্শ। তারা ভারত থেকে মুসলিম জাতিকে মুছে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। যদি আপনারা এই আদর্শ বুঝতে পারেন, তাহলে অনেক কিছুই বুঝবেন। ইমরান খান আরো বলেন, আমরা আতঙ্কিত এই ভেবে যে, যখন দখলীকৃত কাশ্মীর থেকে কারফিউ প্রত্যাহার করা হবে তখন আমরা কি দেখব। তারা কি করতে চাইছে? নরেন্দ্র মোদি কৌশলগত ভুল করে ফেলেছেন। তিনি শেষ কার্ডটি ছুড়ে দিয়েছেন। তারা কাশ্মীরকে আন্তর্জাতিকীকরণ করেছেন। এখন বিশ্ববাসীর চোখ কাশ্মীর ও পাকিস্তানের দিকে। কাশ্মীরের কণ্ঠকে উচ্চে তুলে ধরার ক্ষেত্রে আমিই হব দূত। ইমরান খান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও ছেড়ে কথা বলেন নি। তিনি বলেছেন, যদি এ ইস্যুতে যুদ্ধ হয় তাহলে তার জন্য দায়ী থাকবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তার ভাষায়, আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো, যাদেরকে যুদ্ধ থামানোর জন্য গঠন করা হয়েছিল, তাদের প্রতি আমার বার্তা হলো: যদি যুদ্ধ হয় তাহলে আপনারা দায়ী থাকবেন। তিনি বলেন, পুরো মুসলিম বিশ্বসহ সারা দুনিয়া তাকিয়ে আছে জাতিসংঘের দিকে। সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন চলাকালে জনগণ যখন বেরিয়ে আসবে তখন দেখতে পাবেন তাদের সংখ্যা। তিনি বলেন, কারফিউ চলাকালে যা কিছুই করছে ভারত, আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বলব, আপনারা দায়ী। আমরা যে ফোরামই পাব, সেখানে আমিই দূত হব এবং প্রতিটি ফোরামে কাশ্মীরকে তুলে ধরব। মোদি তার শেষ কার্ডটি খেলে দেয়ার পর কাশ্মীর এখন স্বাধীনতার দিকে ধাবিত হবে। তবে ইমরান খান একথা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যুদ্ধ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। এতে বরং আরও সমস্যার সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, তার সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আলোচনার মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে উত্তম সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তার ভাষায়, কিন্তু আলোচনায় তাদের কোনোই আগ্রহ নেই। তাদের একটিই আগ্রহ। তাহলো, পাকিস্তানকে শিক্ষা দেয়া। তাদের অন্তর ঘৃণায় ভরা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য শেষ করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, কোনো ভ্রান্ত ধারণার ওপর থাকবেন না। আপনি একটি আইন পাস করেছেন বলে মনে করবেন না কাশ্মীরিরা পরাজয় বরণ করে নিয়েছে। কিন্তু হিতে তা লড়াইকে আরো কঠোর করেছে। তাদের ভয় চলে গেছে। আমরা দেখেছি, তারা রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। শুধু সাহসী জাতিই এভাবে বেরিয়ে আসতে পারে। মোদি, আপনি কাশ্মীরিদের ক্রীতদাস বানাতে পারেন না। পাকিস্তানকে শিক্ষা দেয়ার জন্য আজাদ কাশ্মীর নিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে আপনার। কিন্তু প্রস্তুত হোন। আমি আবার বলছি, আপনার প্রতিটি পদক্ষেপের পাল্টা জবাব দেব আমরা। এখন সময় এসেছে আপনাকে শিক্ষা দেয়ার। ...

আমাদের সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে দৃষ্টি দিয়েছে

১৫ আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংবিধানের ৩৭০ ধারা ও ৩৫-এ ধারা বাতিল করা হলো সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক ধাপ অগ্রগতি। আজ বৃহস্পতিবার ভারতের ৭৩তম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে এ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ উপলক্ষে রাজধানী নয়া দিল্লিতে অবস্থিত রেড ফোর্টে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। এ সময় জাতির উদ্দেশে তিনি বলেন, দ্বিতীয় মেয়াদে তার সরকার স্বল্প সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তার ভাষায়, মাত্র ১০ সপ্তাহের মধ্যে আমাদের সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে দৃষ্টি দিয়েছে। জনগণকে সেবা দেয়ার জন্য তারা আমাদেরকে আবার ম্যান্ডেট দিয়েছেন। এক মুহূর্তও বিলম্ব না করে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সব সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছে জম্মু, কাশ্মীর, লাদাখ। তিন তালাক বন্ধ করা, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কল্যাণে পদক্ষেপ নেয়া। তিন তালাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আমাদের মুসলিম বোনদের ন্যায়বিচার দিয়েছি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ। নরেন্দ্র মোদি বলেন, তার সরকার সমস্যা সৃষ্টি করা বা তা খুঁড়ে খুঁড়ে নতুন সমস্যা সৃষ্টিতে বিশ্বাসী নয়। তার ভাষায়, নতুন সরকারের ৭০ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিল করেছি। পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ এবং সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ এতে আমাদেরকে সমর্থন দিয়েছেন। যারা অনুচ্ছেদ ৩৭০কে সমর্থন করছেন তাদের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, যদি এটা এতই গুরুত্বপূর্ণ হতো তাহলে কেন এই অনুচ্ছেদ স্থায়ী করা হয়নি? সর্বোপরি তাদেরকে অনেক মানুষ ভোট দিয়েছেন। কিন্তু তারা খুব সহজেই তাদের অবস্থান বদলে ফেলতে পারেন। তাদের বিষয়ে প্রশ্ন রয়েছে ভারতের। নরেন্দ্র মোদি বলেন, তার সরকার জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখের জনগণের সেবা করতে চায়। এ সময় তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন। তাদেরকে সম্ভাব্য সব সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেন। মোদি বলেন, ২০১৩-১৪ সালে যখন আমি দেশ সফর করেছিলাম, তখন দেশের মানুষের চোখে হতাশার ছাপ দেখেছি। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, আমাদের দেশ কি কখনও পরিবর্তন হবে। কিন্তু গত ৫ বছরে আমরা সবাই একত্রিত হয়ে কাজ করেছি। জাতির মুড এখন পাল্টে গেছে। বিশ্বাস ও আস্থাকে আমরা পরিবর্তন করে দিতে পেরেছি। জনগণের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আমাদেরকে ভাবতে হবে। যদিও এ পথে বাধা আছে, তবু তা অতিক্রম করতে হবে। স্মরণ করুন মুসলিম নারীরা কি রকম ভীতিতে ছিলেন। তারা তিন তালাকের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন। এই চর্চা এখন আমরা বন্ধ করেছি। ...

পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উৎসর্গ কাশ্মীরিদের প্রতি

১৪আগস্ট,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম :বুধবার পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে কাশ্মীর সংহতি দিবস হিসেবে। অন্যদিকে ভারতের স্বাধীনতা দিবস ১৫ই আগস্ট পাকিস্তান পালন করবে কালোদিবস হিসেবে। কাশ্মীরিদের প্রতি ১৪ই আগস্ট, বুধবার পুরো পাকিস্তান পালন করবে কাশ্মীর সংহতি দিবস। এদিন পাকিস্তান শাসিত আজাদ কাশ্মীরের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুজাফফরাবাদ সফর করবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। জাতীয় পর্যায়ে এ দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে তিনি এ সফরে যাবেন। সেখানে কাশ্মীরের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তিনি আজাদ কাশ্মীরের পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখবেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন। এর আগে পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে আলাদাভাবে মুজাফফরাবাদ সফরে যান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি ও বিরোধী দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। তারা রোববার রাতে আলাদাভাবে ওই শহরে পৌঁছে একসঙ্গে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন। এর মধ্য দিয়ে তারা কাশ্মীরের জনগণের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছেন। পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস কাশ্মীরিদের প্রতি উৎসর্গ করা ও তাদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতি উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি (এনএসসি)। ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার জম্মু কাশীরের অধিকার কেড়ে নেয়ার দুদিন পরে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে আরো সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৫ই আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস। ভারত দখলীকৃত জম্মু-কাশ্মীরে চলমান নৃশংসতা, ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও কারফিউ আরোপের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এ দিনটি পাকিস্তান পালন করবে কালোদিবস হিসেবে। ওদিকে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ লোগো প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। তাতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কাশ্মীরি জনগণের প্রতি সংহতি। এটা তৈরি করা হয়েছে কাশ্মীর বানেগা পাকিস্তান থিমের ওপর ভিত্তি করে। এতে কাশ্মীর শব্দটি লেখা হয়েছে লাল কালিতে। এটা ব্যবহার করা হয়েছে স্বাধীনতা আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করা কাশ্মীরি স্বাধীনতা যোদ্ধাদের উদ্দেশে। হকাররা বিভিন্ন স্টলে বা দোকানে বিক্রি করছেন জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ব্যাজ, জাতীয় বীরদের ছবি যারা দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিমদের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে অক্লান্তভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। ছেলে ও মেয়েদের জন্য দুই রঙে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ পোশাক। তাতে ব্যবহার করা হয়েছে সবুজ ও সাদা রঙ। এটা জাতীয় পতাকার রঙ। এসব পোশাক বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন শহরে। বিভিন্ন সংগঠন আয়োজন করছে সেমিনার, খেলাধুলা, জাতীয় সঙ্গীত ও বক্তব্য প্রতিযোগিতা। সরকার জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্মৃতিসৌধগুলোকে সুসজ্জিত করেছে।...

জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসে কেজিডিসিএলের RALLY

১৭আগস্ট,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) গত ৯ আগস্ট RALLYর আয়োজন করা হয়। কেজিডিসিএল প্রধান কার্যালয় চত্বর থেকে RALLYনগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। রং-বেরংয়ের বিভিন্ন ফেস্টুন ও ব্যানার হাতে কেজিডিসিএলের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ RALLYতে অংশগ্রহণ করেন। RALLY পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে কেজিডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী খায়েজ আহম্মদ মজুমদার বক্তব্য দেন। অন্যদের মধ্যে মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ও কেজিডিসিএল শ্রমিক কর্মচারী সংসদ (সিবিএ)- নেতৃবৃন্দসহ কোম্পানির সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন শেল অয়েল কোম্পানির কাছ থেকে পাঁচটি গ্যাস ফিল্ড (তিতাস, বাখরাবাদ, হবিগঞ্জ, কৈলাসটিলা ও রশিদপুর) ক্রয় করে জ্বালানি খাতে সরকারি মালিকানার সূচনা করেন। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী চিন্তা ও বিচক্ষণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বাংলাদেশ সরকার নামমাত্র মূল্যে এই পাঁচটি গ্যাস ফিল্ড ক্রয় করে যা অদ্যাবধি বাংলাদেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে এবং দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। মহান নেতার এই অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকারিভাবে প্রতি বছর ৯ আগস্ট জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে উদ্যাপন করা হচ্ছে। স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশীয় কোম্পানির মাধ্যমে জ্বালানি খাতের কার্যক্রমকে উৎসাহ ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছেন। সে ধারাবাহিকতায় জাতির জনকের উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার ও নিরাপদ জ্বালানি ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি কল্পে বহুমাত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তাছাড়া সরকার জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নিরন্তর কাজ করে চলছে। গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন নতুন কূপ খননসহ গ্যাসের অনুসন্ধান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে বিভিন্ন খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহে নব দিগন্তের সূচনা হয়। ফলে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে গ্যাস সংকট নিরসন হয়। মূল্যবান গ্যাসের অপচয় ও অবৈধ ব্যবহার রোধ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ...

বাস-প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে মিলেনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪

১৭আগস্ট,শনিবার,নরসিংদী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার কারারচর মদিনা জুট মিলস-এর পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-ঢাকার মিলেনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ'র শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার (২৬), জান্নাত (২৫) ও আকিব (২৭)। তবে নিহত আরেকজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তারা সবাই প্রাইভেটকারের যাত্রী ছিলেন। হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মিলেনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীরা পিকনিক শেষে প্রাইভেটকারযোগে সিলেট থেকে ঢাকা ফিরছিলেন। প্রাইভেটকারটি কারারচর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি খাদে পড়ে যায় এবং প্রাইভেটকারটি দুমড়েমুচড়ে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়। আহত অবস্থায় বাস ও প্রাইভেটকারের পাঁচ যাত্রীকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে একজন মারা যান। আহত চারজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ...

ফেনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭

১৫ আগস্ট,বৃহস্পতিবার,ফেনী প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:কক্সবাজারগামী একটি পিকনিকের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২১ জন যাত্রী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে তাৎক্ষনিক দুজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। ফেনীর মহিপাল হাইওয়ে থানার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহজাহান খান জানান, ঢাকার মিরপুর থেকে পিকনিকের উদ্দেশে কক্সবাজার যাচ্ছিল প্রাইম প্লাস পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৭৫৭৮)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মহাসড়কের ফেনীর লেমুয়া অংশে পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুমডে-মুচড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে ৬ জন বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ২১ জনকে উদ্ধার করে ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের নায়েক মাইদুল হক জানান, ঘটনাস্থলে ৬ জন মারা যায়। আহতদের মধ্যে হাসপাতালে নেয়ার পর শাহাদাত হোসেন নামে আরও একজন নিহত হন। নিহত বাসযাত্রী শাহাদাত ফেনীর ছাগলনাইয়ার বাসিন্দা। নিহত অপর ৬ জনের মধ্যে ঢাকার বিক্রমপুরের সুজন মিয়া নামে একজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। নিহত ৭ জনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।...

হামলার শিকার হলেন ভিপি নূর

১৪ আগস্ট,বুধবার,পটুয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডাকসু ভিপি নূর এবার হামলার শিকার হলেন নিজ শহরে পটুয়াখালীর গলাচিপায়। আজ সকাল ১১টার দিকে গলাচিপার উলানিয়া বাজারে এ হামলার শিকার হন তিনি। স্থানীয়রা জানান, গলাচিপার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে ঈদুল আজহা উদযাপন করেন ভিপি নুর। আজ সকালে দশমিনা উপজেলার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। উলানিয়াবাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার পথে কিছু দুষ্কৃতকারী ভিপি নুরের মোটরসাইকেল আটক করে। এ সময় তাকে একটি স্টিলের দোকানে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পুলিশ সদস্যরা এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। ...

আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত

১৪ আগস্ট,বুধবার,মাগুরা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:মাগুরা সদর উপজেলার সিংহডাঙ্গা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় কবির হোসেন মীর (৫৫) নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহত কবির হোসেন পেশায় একজন কৃষক। আজ বুধবার বিকালে গ্রাম্য দলাদলি নিয়ে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১৬ জন আহত হয়। এরা হলেন- আবেদ আলী মীর (৫৫), মাজেদ মীর (৫০), হাসান (৪০), বিল্লাহ (৫২), বাবলু মীর (৪০), হাদেক আলী মীর (৪২), আরজ আলী (৩২), নায়েব আলী (৪০), আবেদ আলী (৪৫), ওলিয়ার (৩৫) ও জাকির (৪৬)। আহতদের মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আবেদ আলী মীর ও মাজেদ মীরকে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, গ্রামীণ সামাজিক দলাদলি নিয়ে ওই গ্রামের বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে প্রতিপক্ষ খোরশেদ মীর গ্রুপের দীর্ঘদিন দন্দ্ব চলছে। এরই জের ধরে আজ বুধবার বিকালে খোরশেদ মীরের ছোট ভাই কবির হোসেন মীরকে প্রতিপক্ষ বিল্লাল হোসেন ও তার সমর্থকরা কুপিয়ে জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে আনা হলে বিকাল ৫ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় কবির হোসেন অন্যদের সঙ্গে একটি জলাশয়ে পাট ধোয়ার কাজ করছিল। পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ...

ঈদুল আজহায় ১৭৫ কোটি ডলারের নতুন রেকর্ড

১৭আগস্ট,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রায় ১৭৫ কোটি ডলারের রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। মুদ্রা বিনিময় হার (৮৪.৫০) অনুযায়ী যা ১৪ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা। বন্ধের দিনগুলো বাদ দিলেও চলতি আগস্টের প্রথম ১০ দিনে এ রেমিটেন্সে এসেছে। বিপুল অংকের এ রেমিটেন্সের বেশিরভাগই মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ সময়ে তা রেকর্ড ১৮০ কোটি ডলার ছাড়ানোর । বিভিন্ন ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবারের মতো এবারও রেমিটেন্স গ্রহণের শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটি ৯ আগস্ট পর্যন্ত রেমিটেন্স পেয়েছে ১৪ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। এছাড়া ১০ আগস্ট পর্যন্ত অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ১০ কোটি ডলার। ৯ আগস্ট পর্যন্ত ৬ কোটি ২৯ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পেয়ে তৃতীয় স্থানে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এ সময় ৫ কোটি ৬৩ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পেয়েছে সোনালী ব্যাংক। জনতা ব্যাংক পেয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ডলার। সাউথইস্ট ব্যাংকের রেমিটেন্সও প্রায় ৩ কোটি ডলার। জানতে চাইলে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস উল ইসলাম বলেন, রেমিটেন্স পেতে ঈদের আগে শুক্র-শনিবার ছুটির দিনেও সারা দেশে ১৭৯টি শাখা খোলা রেখেছিলাম। এছাড়া সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথমবারের মতো অগ্রণী ব্যাংক সিঙ্গাপুর থেকে বিকাশের মাধ্যমে দেশে রেমিটেন্স এনেছে। সব মিলিয়ে মাত্র ১০ দিনেই ১০ কোটি ডলার রেমিটেন্স আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। জনতা ব্যাংকের এমডি আবদুছ ছালাম আজাদ বলেন, কোরবানির ঈদে রেমিটেন্স প্রবৃদ্ধি ভালো। অন্য ঈদের তুলনায় এবার রেমিটেন্স বেশি এসেছে। মাস শেষ হলে রেমিটেন্স আরও বাড়বে। এদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছর শুরু হয় রেমিটেন্স প্রবাহের সুখবর দিয়ে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৬০ কোটি ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। রেমিটেন্সের এ অংক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে ২১ দশমিক ২০ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হয়েছে। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এছাড়া ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়ার কারণেও রেমিটেন্স বাড়ছে। এর আগে রোজা ও ঈদ সামনে রেখে মে মাসে ১৭৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিটেন্সে আসে, যা ছিল মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তার আগে ১ মাসে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স এসেছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে, ১৫৯ কোটি ৭২ লাখ ডলার। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, প্রস্তুতির অভাবে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়া এখনও শুরু করা যায়নি। যখনই শুরু করা হোক না কেন ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকেই ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন প্রবাসীরা। তিনি বলেন, প্রণোদনা দেয়ার জন্য সিস্টেম আপডেট করতে আরও ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগবে। এখন রেমিটেন্স পাঠালেও দুই শতাংশ প্রণোদনা, ৬ মাস পরে হলেও পাবে। বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হল বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স। বর্তমানে এক কোটির বেশি বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। জিডিপিতে রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো। স্থানীয় বাজারে ডলারের তেজিভাব এবং হুন্ডি ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই রেমিটেন্স বাড়ছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। প্রবাসীরা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৬৪১ কোটি ৯৬ লাখ (১৬.৪২ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং অতীতের যে কোনো বছরের চেয়ে বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ১৭ লাখ (১৪.৯৮ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। ...

কাঁচামরিচের দাম কমেছে অর্ধেক

৩০জুলাই২০১৯,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে ভারত থেকে আসা কাঁচামরিচের আমদানি। আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমছে কাঁচামরিচের দাম। হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে কয়েকদিন আগে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। বর্তমানে সেই মরিচই বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। হিলি স্থলবন্দরের কাঁচা মরিচ আমদানিকারকরা জানান, চলতি মৌসুমে বন্যার কারণে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশে উৎপাদিত কাঁচামরিচের সরবরাহ কমে যায়। এ কারণে দেশীয় বাজারে কাঁচামরিচের দামও বেড়ে যায়। আর দেশের বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরাও ভারত থেকে আমদানি শুরু করে। প্রথম কয়েক দিন মরিচের দাম ভালো পেলেও গেল দুই দিন ধরে দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দাম কমার কারণ হিসেবে মরিচ ব্যবসায়ী বাবলু হোসেন জানান, হঠাৎ করে ভারতীয় মরিচের আমদানির পাশাপাশি দেশীয় মরিচের উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় মরিচের দাম কমেছে। ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ভারত থেকে মরিচ আমদানি করে সরকারকে প্রতি কেজি মরিচে ২১ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। এতে প্রতি কেজি মরিচ ৯০ টাকা হলেও সেই মরিচের দাম অর্ধেকও পাচ্ছে না তারা। এদিকে হিলি খুচরা বাজারের আড়তদাররা জানান, দেশি মরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা এবং ভারতীয় আমদানিকৃত মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। মরিচ কিনতে আসা ক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, মরিচের দাম অনেকটা কমেছে। এরকম দাম থাকলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। হিলি কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, গেল আট কর্ম দিবসে ৫২ ট্রাকে ২৮৩ মেট্রিক টন মরিচ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। যা থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ...

৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ ২০ হাজার ২৭৭

২৫জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চল্লিশতম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে ২০ হাজার ২৭৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এ ফল ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, এ বছরের ৩ মে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ৪০তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ৩ লাখ ২৭ হাজার আর কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন ৮৩ হাজার ৪৩৮ জন। এই পরীক্ষায় উপস্থিতির গড় হার ছিল ৭৯.৭০ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকায় ৭৭, রাজশাহীতে ৮২, চট্টগ্রামে ৭৯, খুলনা ও সিলেটে ৮১, বরিশালে ৭৯, রংপুরে ৮৪ ও ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ প্রার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন।-আলোকিত বাংলাদেশ ...

এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ

১৭জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ৫৮৬ জন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার সকালে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়ার আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ তথ্য জানান এরপরে দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। পরীক্ষার্থীরা বেলা ১টার পর নিজেদের ফল জানতে পারবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইন্টারনেট বা মোবাইলের মাধ্যমে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে। গত ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু এইসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ১১ মে আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে শেষ হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন।...

টাইগারদের প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো

১৭আগস্ট,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাইগারদের প্রধান কোচ হিসেবে দুই বছরের চুক্তিতে নিয়োগ পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। আজ শনিবার দুপুরে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বাংলাদেশর প্রধান কোচ হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন। বাংলাদেশের প্রধান কোচ আগামী ২১ আগস্ট বাংলাদেশ আসবেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হবে তার মিশন। ৫ সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এ টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। গতকাল শুক্রবারই টাইগারদের প্রধান কোচ হিসেবে ডমিঙ্গোকে নিশ্চিত করা হয়। শনিবার বিসিবির কার্যালয়ে এক বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ...

দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার দেশে ফিরলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ শেষে বিমান দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার পর নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। খেলোয়াড়রা ছাড়াও দলের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ ঢাকায় পা রাখেন। বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে টাইগারদের বহনকারী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে টাইগারদের বহনকারী বিমান ইউএলের ঢাকার পথে উড্ডয়ন করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিমান না ছাড়ার কারণে সবার মধ্যে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। সকাল ৮টার সময় যাত্রীদের সবাইকে পাইলট জানান, বিমানের বাম উইংয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এরপর বিমান থেকে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের নামিয়ে দেয়া হয়। এ অবস্থায় বিমান আকাশে উড়লে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। তাই প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন দলের সবাই। পরে বাংলাদেশ দলের জন্য নতুন একটি ফ্লাইট দেয়া হয়। সেই ফ্লাইটে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে মুশফিক-তামিমরা। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আড়াই ঘণ্টা বিলম্ব হওয়ার পর ৩ ঘণ্টা ৫ মিনিট ভ্রমণ শেষে বাংলাদেশ দলকে বহনকারী বিমান ঢাকায় অবতরণ করে। ...

অবশেষে হানিমুনে গেলেন নুসরাত

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিখিল জৈনের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন দেড় মাস হলো। কিন্তু বিয়ের পর থেকে বিন্দুমাত্র সময় পাননি তৃণমূল সাংসদ নুসরাত। বিদেশের মাটিতে বিয়ে সেরে দেশে ফিরেই পরের দিন দিল্লিতে গিয়েছেন দেশের নয়া সাংসদ হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করতে। একমাথা সিঁদুর, গলায় মঙ্গলসূত্র, শাড়িধারী নবপরিণীতারূপে ফতোয়া খেয়েছেন মৌলবিদের কাছে। নব্য সাংসদ হিসেবে রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশে আপাতত আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বাংলার এই তরুণ তুর্কি। হাতে রয়েছে সিনেমার কাজও। রাজনীতির ময়দানে নামার পর এই অবশ্য প্রথম ছবিতে কাজ। পাভেলের ছবি অসুর। সংসদে দাঁড়িয়ে দৃঢ় কণ্ঠে বক্তব্য পেশ করে উড়িয়েছেন বাংলার সাংসদদের মৌনী মহাদেব তকমা। হ্যাঁ, তিনি নুসরাত জাহান। বেজায় ব্যস্ত মানুষ বর্তমানে। স্বামীর সঙ্গে -মধুচন্দ্রিমা পিরিয়ড কাটানোর সময়ই পাননি ফেরার পর থেকে। এবার তাই নিখিলের সঙ্গে মধুচন্দ্রিমার উদ্দেশে পাড়ি দিলেন বিদেশ-বিভুঁইয়ে। রাজনীতির ময়দান সামলে আবার সুগৃহিনীরূপেও ধরা দিয়েছেন। বসিরহাটের পাট সামলানো নিয়ে নিন্দুকেরা যতই সরব হোন না কেন, তিনি কিন্তু নিজের মতো করে দায়িত্ব সামলে দেখিয়ে দিয়েছেন। কোয়্যালিটি টাইম কাটাতে নবদম্পতি উড়ে গিয়েছেন মরিশাসে। মঙ্গলবার রাতেই নুসরাত বিমানবন্দর থেকে ছবি আপলোড করেছিলেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায়। নিখিল এবং নুসরাত প্রথমে কলকাতা থেকে মুম্বাই যান। তারপর সেখান থেকেই ভোরের বিমানে মরিশাসের উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা। মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে ঘুমচোখে আদরমাখা ছবি পোস্ট করেছেন তারকা-সাংসদ খোদ।- বিনোদন২৪ ...

সজল-ভাবনার আকাশ ভাঙ্গা বৃষ্টি

২৬জুলাই২০১৯,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোট পর্দায় আবারও দেখা যাবে সজল-ভাবনা জুটির নাটক। আকাশ ভাঙ্গা বৃষ্টি শিরোনামে নাটকটি লিখেছেন জহির করিম। পরিচালনা করেছেন এস এম রুবেল রানা। এতে অভিনয় করেছেন চাষী আরিফ, তালহা খান, মামুন, তৌফিক প্রমুখ। এনটিভিতে আগামীকাল শনিবার রাত ৯ টা ৫ মিনিটে নাটকটি প্রচারিত হবে। নির্মাতা এস এম রুবেল রানা বলেন, রোমান্টিক গল্পের নাটক এটি। এখানে তুর্য চরিত্রে সজল ও নূপুর চরিত্রে ভাবনা অভিনয় করেছেন। আশা করছি, নাটকটি সবার ভালো লাগবে। আকাশ ভাঙ্গা বৃষ্টি-এর গল্পে দেখা যাবে,সজলের বাসার দরজার সামনে একটা সুন্দরী মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সজল অফিস থেকে বাসায় ঢুকতে যাবে অমনি মেয়েটি এসে পথ আগলে দাঁড়ায়। সে তাকে সাহায্য করার আকুতি জানায়। সজলের যথেষ্ট সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও মেয়ে বলে তাকে ভেতরে নিয়ে যায়। মেয়েটির গল্প শুনে সে অবাক হয়। খুব মায়া লাগে। এক ধরনের দুর্বলতাও কাজ করে তার মধ্যে। কারণ সে এখনো ব্যাচেলর। ভালোই কাটছিলো সব। হঠাৎ একদিন মেয়েটির খোঁজে কিছু লোক এ বাড়িতে আসে। শুরু হয় নতুন গল্প। -ntv...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

জেনে নিন,ডেঙ্গুজ্বরে আপনার করণীয় কী ?

২৮জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শরীরে কোন লক্ষণ দেখলে আপনি বুঝবেন যে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার করণীয় কী হতে পারে? আসুন জেনে নেই ডেঙ্গুজ্বর সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বর্পর্ণ তথ্য। বিবিসি। ১. ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো : সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে। ২. জ্বর হলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন: এখন যেহেতু ডেঙ্গুর সময়, সেজন্য জ্বর হল অবহেলা করা উচিত নয়। জ্বরে আক্রান্ত হলেই সাথে-সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। ৩. বিশ্রামে থাকতে হবে: জ্বর হলে বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়। একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন যেসব পরিশ্রমের কাজ করে, সেগুলো না করাই ভালো। পরিপূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন। ৪. কী খাবেন: প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। ৫. যেসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয়: ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি প্যারাসিটামল খেতে পারবে। চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ ডোজ হচ্ছে প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে। ৬. প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা নিয়ে চিন্তিত?: ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা এখন আর মূল ফ্যাক্টর নয় । প্ল্যাটিলেট কাউন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোন প্রয়োজন নেই। বিষয়টি চিকিৎসকের উপর ছেড়ে দেয়াই ভালো। সাধারণত একজন মানুষের রক্তে প্ল্যাটিলেট কাউন্ট থাকে দেড়-লাখ থেকে সাড়ে চার-লাখ পর্যন্ত। ৭. ডেঙ্গু হলেই কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?: ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে এবি এবংসি,প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী এ ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই। বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি হওয়াই ভালো। সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে। ৮. ডেঙ্গুর জ্বরের সময়কাল: সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গুজ্বরের সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে। ৯. এডিস মশা কখন কামড়ায়: ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এডিস মশা কখনো অন্ধকারে কামড়ায় না। ১০. পানি জমিয়ে না রাখা: এডিস মশা ভদ্র মশা হিসেবে পরিচিত। এসব মশা সুন্দর-সুন্দর ঘরবাড়িতে বাস করে। এডিস মশা সাধারণত ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে। কোথাও যাতে পানি তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি জমা না থাকে। এ পানি যে কোন জায়গায় জমতে পারে। বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে।...

অর্থ জমানোর কৌশল জানেন?

২২জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থ জমানোর ইচ্ছা সকলেরই। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা অর্থ জমাতে পারে না। অর্থ জমাতে গেলে খরচ করার সময় কিছুটা সতর্ক হতে হয়। আবার নানা কৌশল প্রয়োগ করা যেতে পারে। পরিকল্পনা: দৈনন্দিন আপনার খরচ কত হয় তা একটু চিন্তা করুন। সেখান থেকে আপনি সামান্য কিছু খরচ কমিয়ে জমানো শুরু করলে এক বছর পরে আপনার জমানো টাকা কত হবে ভাবুন। সেটা পাঁচ বছর পর কত হতে পারে? সেজন্য ছোট্ট একটি পরিকল্পনা করুন। এছাড়া আপনার বড় কোনো খরচ থাকলে সেটা কীভাবে সামলাবেন ঠিক করে ফেলুন। আর বর্তমান আপনার যা আয় সেটা সামান্য হলেও কীভাবে বাড়ানো যায় সেই পরিকল্পনা করে এগোতে শুরু করুন। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট: আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা থাকলেই খরচ করতে হবে এমন নয়। খরচ করার আগে চিন্তা করুন আপনার জরুরী প্রয়োজন মেটানোর পর অ্যাকাউন্টে সর্বশেষ কত ছিল। সেটা পরবর্তী মাসে বাড়ে কিনা। প্রতি মাসে জরুরী প্রয়োজন মিটিয়ে সামান্য হলেও অ্যাকাউন্টে ব্যালান্স বাড়াতে থাকুন। ক্রেডিট কার্ডে সতর্কতা: ক্রেডিট কার্ড আপনাকে সব সময় ঋণী করে রাখে। তাই এই কার্ড অযথা ব্যবহার করবেন না। খুব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া এড়িয়ে চলুন। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটায় আপনাকে বেশিরভাগ সময় সুদ দিতে হবে। যা আপনার পকেট থেকে অহেতুক টাকা বের করে নেয়ার মতো। কেনাকাটার আগে ভাবুন: আপনার কোনো কিছু পছন্দ হয়েছে বলে সেটি কিন্তু মন চাইতে পারে। কিন্তু যেকোনো পছন্দের জিনিস কেনার আগে ভাবুন; এটি না কিনলে আপনার কোনো সমস্যা হবে কিনা বা এটি যে কাজে ব্যবহার করবেন সেই কাজ আপনি অন্য কোনো উপায় সারতে পারেন কিনা। যদি না কিনে পারা যায় তাহলে অহেতুক কেন পয়সা খরচ করবেন? পৃথিবীতে পছন্দের শেষ নেই। তাই পছন্দ হলেই যদি কিনতে থাকেন তাহলে আপনার কেনা কখনোই শেষ হবে না। ঋণ শোধ করুন: যদি আপনি ঋণী থাকেন তাহলে বছরের প্রথম থেকেই শোধ করা শুরু করুন। ঋণ মানুষের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করে এবং হৃদয়কে ছোট করে দেয়। আপনি ঋণমুক্ত থাকলে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারবেন। উপার্জন বাড়ানোর জন্য ব্যক্তিত্ব অন্যতম বিষয়। বিমা বা ডিপোজিট: বছরের শুরুতে একটি বিমা বা ডিপোজিট স্কিম শুরু করুন। সেটা আপনার সাধ্যমতো করুন। পরিমাণ যত ছোটই হোক এটি করলে আপনার সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে উঠবে। পরে এটিকে আপনি বাড়িয়ে ফেলতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে হবে।...

আগামী শুক্রবার খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী পালন করা হবে

১৪ আগস্ট,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ জানিয়েছেন, দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আগামী শুক্রবার দলের পক্ষ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার ৭৪তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হবে।বুধবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী হলেও শুক্রবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির পক্ষ থেকে তার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম, টিএস আইউব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।...

বিএনপির আমলে চামড়া ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ দেবার ব্যবস্থা ছিল

১৪ আগস্ট,বুধবার,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার বলছে দেশে জন্য তারা উন্নয়ন করছে, দেশ উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে। কিন্তু একথাটিও প্রমানিত যে এসব জনগণকে ভুল বোঝানোর একটি মিথ্যে কৌশল হিসেবে বলা হচ্ছে। সরকারি মতে, উন্নয়নের যে পরিসংখ্যান তারা দিয়েছে তা সঠিক নয়। এর সবচেয়ে বড় প্রমান, এখানে ইনভেস্টমেন্ট হচ্ছে না। সরকারি খরচ বাড়ছে। এই খরচ তারা জোগাড় করছে জনগণের ট্যাক্সের মাধ্যমে। ব্যাংকে যারা টাকা রাখছেন তাদের টাকাও কেটে নেয়া হচ্ছে। ফিক্সড, সেভিং একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে। এভাবে সামগ্রিকভাবে দেশে অর্থনৈতিক এক বিপর্যয় সৃষ্টি হচ্ছে। তাই আমরা অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগসহ নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি নতুন নির্বাচন চাইছি। কারণ এভাবে তারা দেশের অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয় এবং দীর্ঘ মেয়াদী সামাজিক ক্ষতি করছে। বুধবার সকাল ১০টায় ঠাকুরগাঁও শহরের তিতুমীর সড়কস্থ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন তিনি । মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই ঈদ উপলক্ষে সারা দেশে প্রচুর সংখ্যক পশু কুরবানি করা হয়ছে। এ পশুর চামড়া লেদার ইন্ড্রাস্টিতে বড় ধরণের ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু চামড়া ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত কোন নীতি না থাকায় এবং সিন্ডিকেট থাকায় এবার পশুর মালিকরা-জনগণ প্রচন্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একারণে ক্রেতা না থাকায় দেশের বহু জায়গায় চামড়া মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে। বিএনপির আমলে চামড়া ব্যবসায়ীদের ব্যাংক থেকে ঋণ দেবার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এবার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে চামড়া নিয়ে ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, শেষ মুহূর্তে বলা হচ্ছে যে, চামড়া রপ্তানি করা সম্ভব কিন্তু সে সময় এখন পার হয়ে গেছে। জনগণ ক্ষতির শিকার হয়ে গেছে। এসবের কারণ এই সরকার গণবিচ্ছিন্ন সরকার। কোথায় জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হলো, কোথায় ইন্ড্রাস্টি ক্ষতির শিকার হলো, সেই খবর সরকার রাখে না, এনিয়ে তাদের মাথাব্যথাও কথনোই ছিলনা, এখনো নেই। সেই কারণেই তাদের সিন্ধান্ত গণবিরোধী। যা দেশের ক্ষতি করে। এসময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সুলতানুল ফেরদৌস চৌধুরী , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, আনসারুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, ছাত্রদলের নেতা কায়েসসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ...

রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা

১৩জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা কার্যকারি উপাদান। ত্বকের যত্নে অনেকেই নিয়মিত অ্যালোভেরার রস বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু অ্যালোভেরাও যে ওজন কমাতে পারে সে খবর কয়জন জানে? অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালোইন নামের প্রোটিন। যা সরাসরি ফ্যাট না কমালেও শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। তবে একটা বিষয়ে সতর্ক থাকবে হবে সবাইকে। অ্যালোভেরার রস বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া হতে পারে। তাই অ্যালোভেরার রস খান সঠিক পরিমাণে। কি পরিমাণ অ্যালোভেরার রস আমাদের শরীরে প্রয়োজন তা জানা থাকা দরকার। এক গ্লাস পানিতে ৫০ মিলিলিটার অ্যালোভেরা রস মিশিয়ে দিনের যে কোনও সময় খেতে পারেন। ব্লাড সুগার, হজমের সমস্যা, পাকস্থলির সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে এই রস। দ্রুত শরীরের বাড়তি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার রস অত্যন্ত কার্যকরী। তবে সাবধান! গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অ্যালোভেরার রস অনেক বড় ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ডার্মাটোলজি তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গর্ভবতী মহিলা বা নতুন মায়েদের ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিকর এই রস। কারণ অ্যালোভেরার রস জরায়ু বা ইউটেরাসের সংকোচন ঘটায়। এ ছাড়াও অন্ত্রনালীতে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে।...

যেসব নারীকে বিয়ে করা হারাম

১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:যেসব নারীকে বিয়ে করা হারাম নিম্নে বর্ণিত ১৩ প্রকার নারীকে বিয়ে করা হারাম: ১. আপন মা, বাবা ও দাদা-নানার স্ত্রীরা এবং তাদের কামভাব নিয়ে স্পর্শকৃত নারী। এরূপ ঊর্ধ্বতন সব দাদা-নানার স্ত্রীরা। ২. মেয়ে এবং ছেলে ও মেয়ের ঘরের সব নাতনি। ৩. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ফুফু। ৪. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় খালা। ৫. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় বোন ও তাদের সন্তানাদি। ৬. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ভ্রাতৃকন্যা ও তাদের সন্তানাদি। ৭. দুধমাতা, তার মাতা, দাদি, নানিএমনিভাবে ওপরের সব নারী। ৮. স্ত্রীর মেয়ে, যদি স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস হয়ে থাকে। ৯. পুত্রবধূ, আপন ছেলের হোক বা দুধছেলের হোক। ১০. আপন শাশুড়ি, দাদিশাশুড়ি, নানিশাশুড়ি এবং ওপরে যারা রয়েছে। ১১. দুই বোন একত্রীকরণ, এমনিভাবে ফুফু ও তার ভাতৃকন্যা, খালা ও তার ভাগ্নিকন্যাকে একসঙ্গে বিয়ের মধ্যে রাখা। ১২. উল্লিখিত রক্ত সম্পর্কের কারণে যারা হারাম হয়েছে, দুধ সম্পর্কের কারণেও তারা সবাই হারাম হয়। ১৩. যে মেয়ে অপরের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া অন্য সব নারীকে বিয়ে করা হালাল। (দেখুন : সুরা : নিসা, আয়াত ২৩-২৪) স্ত্রীর বর্তমানে শালিকে বিয়ে করা অবৈধ কোনো নারী কারো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ থাকাকালীন তার বোনের সঙ্গে বিয়ে সম্পূর্ণ হারাম। প্রথম বোনের সঙ্গে তালাক হয়ে গেলে মহিলার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর অথবা বোন মারা গেলে তখন তার বোনের সঙ্গে বিয়ে বৈধ। (হিন্দিয়া : ১/২৭৭) পরস্পর লেগে থাকা যমজ দুই বোনের বিয়ের বিধান জন্মগতভাবে পরস্পর জড়ানো যমজ দুই বোনের জন্ম হলে দুই বোনকে এক ব্যক্তি একত্রে বিয়ে করতে যেমন পারবে না, তেমনি দুই বোনকে দুই ব্যক্তির কাছে বিয়ে দেওয়াও সম্ভব নয়। শুধু এক বোনকে একজন লোকের কাছে বিয়ে দিলেও পর্দার বিধান রক্ষা করে তাকে নিয়ে সংসার করা সম্ভব হবে না। তাই এ সমস্যার একমাত্র সমাধান হবে, অপারেশনের মাধ্যমে দুই বোনকে আলাদা করার চেষ্টা করা, যা বর্তমান যুগে ব্যয়বহুল হলেও সম্ভব। অতঃপর দুই বোনকে পৃথক দুই ব্যক্তির কাছে বিয়ে দেওয়া। আর পৃথক করা কোনোভাবে সম্ভব না হলে তাদের চিরকুমারী থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬২; ইমদাদুল ফাতাওয়া: ২/২৩৯) চাচাতো ভাই-বোনের মেয়েকে বিয়ে করা বৈধ আপন ভাই বা বোনের মেয়েকে বিয়ে করা হারাম। তবে চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাই ও বোনের মেয়ে মুহাররমাতের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই তাদের বিয়ে করা জায়েজ হবে। (বিনায়া : ৪/৫০৮) দুধবোন ও তার মেয়েকে বিয়ে করা হারাম শরিয়তের আলোকে দুধবোনকে বিয়ে করা সম্পূর্ণ হারাম ও নিষেধ। বংশীয় সম্পর্কে সহোদর বোনের মেয়েকে বিয়ে করা যেমন হারাম, দুধবোনের মেয়ে বিয়ে করাও তেমনি হারাম। (বুখারি, হাদিস: ২৬৪৫; বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২) প্রাপ্তবয়স্ক স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করলে স্ত্রী হারাম হবে না সাবালক স্বামীর নিজ স্ত্রীর দুধ পান করা শরিয়তে নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ। তবে এর দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হবে না। সহবাসের সময় উত্তেজনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্ত্রীর স্তন মুখে নিতে পারবে, তবে দুধ যেন ভেতরে না যায় তা খেয়াল রাখতে হবে। (আদ্দুররুল মুখতার: ৩/২২৫) পালিত মেয়েকে বিয়ে করা বৈধ যদি কারো পালিত মেয়ে ওই ব্যক্তির স্ত্রীর অথবা কোনো মাহরামের দুধ দুই বছর বয়সের মধ্যে পান করে না থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে জায়েজ। এ ক্ষেত্রে পর্দা করাও ফরজ। (সুরা : আহজাব, আয়াত ৩৩; ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ: ৭/২৪৪) কামভাব নিয়ে পুত্রবধূকে স্পর্শ করা ও তাকানো শ্বশুরের জন্য পুত্রবধূর দিকে কুদৃষ্টিতে তাকানো মারাত্মক গুনাহ ও হারাম। যদি শ্বশুর কামভাব নিয়ে পুত্রবধূর খালি শরীরে বা পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়ে স্পর্শ করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ছেলের জন্য ওই পুত্রবধূ হারাম হয়ে যাবে। তবে শর্ত হলো, স্পর্শের বিষয়টি স্বীকারোক্তি বা সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে অথবা ছেলে ওই কথার দাবিকারীকে প্রবল ধারণামতে সত্য মনে করতে হবে। এ অবস্থায় উভয়ে পৃথক হয়ে যেতে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬০, রদ্দুল মুহতার ৩/৩৩) জামাতা-শাশুড়ি পরস্পর কামভাব নিয়ে দেখা বা স্পর্শ করা বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দিকে কামভাব নিয়ে তাকালে গুনাহ হলেও হুরমাতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয় না। বরং খোলামেলা কোনো অঙ্গ কামভাবে স্পর্শ করার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয় তথা স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যায়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ১০৮৩২) অবৈধ শয্যাসঙ্গিনীর মেয়েকেও বিয়ে করা হারাম যার সঙ্গে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে তার মেয়েকে বিয়ে করাও অবৈধ। কেননা ওই মেয়ের সঙ্গে এখন তার কন্যার সম্পর্ক হয়ে গেছে। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬০) তালাক গ্রহণ ছাড়া অন্যজনের সঙ্গে বিয়ে আগের স্বামীর তালাক প্রদান ছাড়া অন্য কোনো বিয়ে শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। ওই বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে। তেমনি আগের স্বামীর ইদ্দত চলাকালেও বিয়ে বাতিল হবে। (তাফসিরুল জালালাইন, পৃষ্ঠা ১০৪; রদ্দুল মুহতার : ৩/৫১৯) ইহুদি-খ্রিস্টান মেয়ে বিয়ে করা বর্তমান যুগের ইহুদি-খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বলে যারা পরিচিত, নির্ভরযোগ্য মতানুসারে তারা ইহুদি-খ্রিস্টানদের মূলনীতির অবিশ্বাসী। বর্তমানে বাস্তব আহলে কিতাব নেই বললেই চলে। এ ছাড়া বর্তমানে তাদের নারীদের বিয়ে করা অনেক ফিতনার কারণ হয়ে থাকে বিধায় তাদের বিয়ে করা বৈধ নয়। তবে এ ধরনের নারীদের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেলে তার ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে যে সে প্রকৃত অর্থে মুসা (আ.) ও ঈসা (আ.)-এর আনীত ধর্মে বিশ্বাসী কি না। তাওরাত বা ইঞ্জিলে বিশ্বাসী কি না। এবং আল্লাহকে বিশ্বাস করে কি না। যদি সত্যিই তা হয় তাহলে তাকে দাওয়াতের মাধ্যমে মুসলমান বানানোর চেষ্টা করার শর্তে ওই বিয়েকে বাতিল বলা যাবে না। আর যদি প্রমাণিত হয় যে সে নাস্তিকতায় বিশ্বাসী, তাহলে এই বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে। (রদ্দুল মুহতার: ৩/৪৫; ফাতাওয়া দারুল উলুম: ৭/২৬১) হিন্দু-মুসলিম বিয়ের বিধান শরিয়তের দৃষ্টিতে মুসলিম পুরুষ কোনো হিন্দু মহিলাকে, তেমনি মুসলিম নারী হিন্দু পুরুষকে বিয়ে করতে পারে না, যতক্ষণ তারা ইসলাম গ্রহণ না করে। ইসলাম গ্রহণ ছাড়া বিয়ে অবৈধ। এ ধরনের বিয়ে শরিয়তে বিয়ে বলে গণ্য হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমরা মুশরিককে বিয়ে কোরো না, যতক্ষণ তারা ঈমান না আনে। (সুরা: বাকারা, আয়াত: ২২১)।...

শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।...

শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।...

জেনে নিন,ডেঙ্গুজ্বরে আপনার করণীয় কী ?

২৮জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শরীরে কোন লক্ষণ দেখলে আপনি বুঝবেন যে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার করণীয় কী হতে পারে? আসুন জেনে নেই ডেঙ্গুজ্বর সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বর্পর্ণ তথ্য। বিবিসি। ১. ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো : সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে। ২. জ্বর হলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন: এখন যেহেতু ডেঙ্গুর সময়, সেজন্য জ্বর হল অবহেলা করা উচিত নয়। জ্বরে আক্রান্ত হলেই সাথে-সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। ৩. বিশ্রামে থাকতে হবে: জ্বর হলে বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়। একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন যেসব পরিশ্রমের কাজ করে, সেগুলো না করাই ভালো। পরিপূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন। ৪. কী খাবেন: প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। ৫. যেসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয়: ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি প্যারাসিটামল খেতে পারবে। চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ ডোজ হচ্ছে প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে। ৬. প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা নিয়ে চিন্তিত?: ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা এখন আর মূল ফ্যাক্টর নয় । প্ল্যাটিলেট কাউন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোন প্রয়োজন নেই। বিষয়টি চিকিৎসকের উপর ছেড়ে দেয়াই ভালো। সাধারণত একজন মানুষের রক্তে প্ল্যাটিলেট কাউন্ট থাকে দেড়-লাখ থেকে সাড়ে চার-লাখ পর্যন্ত। ৭. ডেঙ্গু হলেই কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?: ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে এবি এবংসি,প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী এ ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই। বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি হওয়াই ভালো। সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে। ৮. ডেঙ্গুর জ্বরের সময়কাল: সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গুজ্বরের সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে। ৯. এডিস মশা কখন কামড়ায়: ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এডিস মশা কখনো অন্ধকারে কামড়ায় না। ১০. পানি জমিয়ে না রাখা: এডিস মশা ভদ্র মশা হিসেবে পরিচিত। এসব মশা সুন্দর-সুন্দর ঘরবাড়িতে বাস করে। এডিস মশা সাধারণত ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে। কোথাও যাতে পানি তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি জমা না থাকে। এ পানি যে কোন জায়গায় জমতে পারে। বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে।


শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।

ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ পুরুষ বঙ্গবন্ধুর অমর কীর্তি এই স্বাধীন বাংলাদেশ

১৪ আগস্ট,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির শোকের দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সংঘটিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। ৪৪ বছর আগে এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল। যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী পালনের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু ছাড়াও ১৫ আগস্ট রাতে ধানমণ্ডির বাড়িতে তার সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেছা, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তার জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাকে ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় রেন্টু খানকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং নিকটাত্মীয়সহ ২৬ জনকে ওই রাতে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় তারা প্রাণে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তিনি ছিলেন সংগ্রামী নেতা। শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ ৬ দফার প্রণেতাও ছিলেন। সত্তরের নির্বাচনে অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগকে এ দেশের গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত করেন। পাকিস্তানের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলে ষাটের দশক থেকেই তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের অগ্রনায়কে পরিণত হন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উত্তাল সমুদ্রে বঙ্গবন্ধু বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এ ঘোষণায় উদ্দীপ্ত, উজ্জীবিত জাতি পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছিনিয়ে আনে দেশের স্বাধীনতা। জাতির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ পুরুষ বঙ্গবন্ধুর অমর কীর্তি এই স্বাধীন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর গোটা বিশ্বে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। হত্যাকারীদের প্রতি ছড়িয়ে পড়েছিল ঘৃণার বিষবাষ্প। পশ্চিম জার্মানির নেতা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী উইলি ব্রানডিট বলেছিলেন, বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে তারা যে কোনো জঘন্য কাজ করতে পারে। বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর স্বাধীনতাবিরোধীরা এ দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পুনর্বাসিত হতে থাকে। তারা এ দেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে নানা উদ্যোগ নেয়। শাসকদের রোষানলে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণও যেন নিষিদ্ধ হয়ে পড়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ঠেকাতে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল মোশতাক সরকার। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসীন হলে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ উন্মুক্ত করা হয়। বিচার শুরু হয় ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ললাটে যে কলঙ্কতিলক পরিয়ে দেয়া হয়েছিল, ৩৫ বছরেরও বেশি সময় পর ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি সেই কলঙ্ক থেকে জাতির মুক্তি ঘটে। বঙ্গবন্ধু হত্যার চূড়ান্ত বিচারের রায় অনুযায়ী ওই দিন মধ্যরাতের পর পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তবে বিভিন্ন দেশে পলাতক থাকায় আরও ছয় খুনির সাজা এখনও কার্যকর করা যায়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে স্বাধীনতার স্থপতিকে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শনের পথও সুগম হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতে থাকে। দিনটিকে সরকারি ছুটির দিনও ঘোষণা করা হয়। তবে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করলে এ ধারাবাহিকতায় ছেদ ঘটে। তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন বাতিল করে দেয়। পরে ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার রাষ্ট্রীয়ভাবে বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। ওই সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। ফলে জাতীয় শোক দিবস পালনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। আজ সরকারি ছুটি। সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনগুলোয় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোয়ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া দেশের সব সরকারি হাসপাতালে দিবসটি উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেয়া হবে। চিকিৎসকরা আজ ব্যক্তিগত চেম্বারেও বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেবেন। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সব বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। এ ছাড়া পোস্টার, সচিত্র বাংলাদেশের বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ ও বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আয়োজন করবে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলসহ জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচি : সূর্যোদয়ের সময় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কার্যালয়গুলোতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন (অর্ধনমিত) করা হবে। তোলা হবে কালো পতাকাও। সকাল সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে এবং সাড়ে ৭টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করা হবে। ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত এবং বাদ জোহর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। দুপুরে অসচ্ছল, দুস্থ মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ, বাদ আসর মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিল হবে। কাল বিকাল ৪টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।এ ছাড়া সিপিবি, গণফোরাম, জাসদ, ন্যাপ ও গণতন্ত্রী পার্টি এবং আওয়ামী লীগের সব সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করবে। লেখকঃ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক,প্রাবন্ধিক,কলামিষ্ট ও সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম।

আজকের মোট পাঠক

32732

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত